ক্ষারক এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে।
NaOH, KOH ও NH4OH ক্ষারসমূহ জলীয় দ্রবণে নিম্নোক্তভাবে বিয়োজিত হয়-

একটি বিকারে একে একে 10 থেকে 15 মিলিলিটার পানীয় নেয়া হয়। এতে পর্যায়ক্রমে লাল ও নীল লিটমাস ডুবিয়ে পরিবর্তনের ধরন লিপিবদ্ধ করা হয়। উল্লেখিত কোমল পানীয় ও ফলের রসের ক্ষেত্রে দেখা যায় প্রতিটি ক্ষেত্রে নীল লিটমাসের কাগজের বর্ণ পরিবর্তিত হয়ে লাল হয়ে গেল (নীল লাল)। লাল লিটমাসকে কোমল পানীয় বা ফলের রসে ডুবালে কোন ধরনের পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয় না।
এবার প্রতিটি পানীয় ও ফলের রসে তৈরীকৃত ফুলের নির্যাস একে একে যোগ করে দেখা যায় যে, এসব ক্ষেত্রে অম্লীয় বর্ণ প্রদর্শিত হয়।
উপরিউক্ত পরীক্ষণ সমাপন করে দেখা যায় যে, আমরা সচরাচর যে সমস্ত পানীয় ও ফলের রস পান করে থাকি, সেগুলো অম্লীয় প্রকৃতি-সম্পন্ন। এ ধরনের পানীয় বেশী মাত্রায় পান করলে বা খালি পেটে পান করলে তা এসিডিটি সৃষ্টি করে। পাকস্থলীতে এসিডিটি বৃদ্ধি পেলে প্রদাহের সৃষ্টি হয়। দুশ্চিন্তা, নিয়মিত খাবার না খাওয়া, এমন কী প্রয়োজন মাফিক ঘুম না হলেও এসিডিটি হতে পারে। তবে উপযুক্ত খাদ্য নির্বাচন করে এসিডিটির হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়। প্রথমত, এসিডিটি সৃষ্টিকারী খাদ্যদ্রব্য ও পানীয়ের অতিরিক্ত পরিমাণ গ্রহণ বর্জন করতে হবে। দ্বিতীয়ত, বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি, যেমন- গাজর, শীম, বীট, ব্রুকলি, মাশরুম, আলু, ফুলকপি খাদ্যতালিকায় আনতে হবে। অন্যদিকে ক্ষারীয়ধর্মী ফলমূল যেমন- পেঁপে, নাসপাতি, তরমুজ, স্ট্রবেরী, পীচ এগুলো এসিডিটি হ্রাসে সাহায্য করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!