### সংজ্ঞা:
**১. নরমালিটি (Normality, N):**
- নরমালিটি হলো একটি দ্রবণের সান্দ্রতার পরিমাপ, যা এক লিটার দ্রবণে দ্রবণের সক্রিয় যৌগের মোল সংখ্যা দ্বারা নির্ধারিত হয়।
- এটি সাধারণত **ইকুইভ্যালেন্ট পার লিটার** (eq/L) এ পরিমাপ করা হয়।
**২. মোলারিটি (Molarity, M):**
- মোলারিটি হলো এক লিটার দ্রবণে দ্রবণের মোল সংখ্যা দ্বারা নির্ধারিত সান্দ্রতার পরিমাপ।
- এটি সাধারণত **মোল পার লিটার** (mol/L) এ পরিমাপ করা হয়।
### সমস্যা সমাধান:
**প্রথমে:** Na₂CO₃.10H₂O এর মোলারিটি ও নরমালিটি নির্ণয় করার জন্য, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপগুলো হলো:
1. **Na₂CO₃.10H₂O এর মোলার ভর নির্ণয়:**
পারমাণবিক ওজন:
- Na = 23
- C = 12
- O = 16
- H = 1
Na₂CO₃.10H₂O এর মোলার ভর = 2 × Na + C + 3 × O + 10 × (2 × H + O)
\[
\text{মোলার ভর} = 2 \times 23 + 12 + 3 \times 16 + 10 \times (2 \times 1 + 16)
\]
\[
= 46 + 12 + 48 + 10 \times 18
\]
\[
= 46 + 12 + 48 + 180
\]
\[
= 286 \text{ g/mol}
\]
2. **মোলারিটি নির্ণয়:**
\[
\text{দ্রবণে Na₂CO₃.10H₂O এর পরিমাণ} = 22.5 \text{ g}
\]
\[
\text{দ্রবণের পরিমাণ} = 200 \text{ cm}^3 = 0.200 \text{ L}
\]
\[
\text{মোলারিটি} = \frac{\text{মোল সংখ্যা}}{\text{ভলিউম (L)}}
\]
\[
\text{মোল সংখ্যা} = \frac{\text{মাস}}{\text{মোলার ভর}} = \frac{22.5 \text{ g}}{286 \text{ g/mol}} \approx 0.0787 \text{ mol}
\]
\[
\text{মোলারিটি} = \frac{0.0787 \text{ mol}}{0.200 \text{ L}} = 0.393 \text{ M}
\]
3. **নরমালিটি নির্ণয়:**
- Na₂CO₃ একটি ট্রাই-ভ্যালেন্ট বেস (যা এক্সচেঞ্জ করার ক্ষমতা 2)।
- নরমালিটি = মোলারিটি × সমষ্টি এক্সচেঞ্জযোগ্যতা।
\[
\text{নরমালিটি} = 0.393 \text{ M} \times 2 = 0.786 \text{ N}
\]
**উত্তর:**
- **মোলারিটি** = 0.393 M
- **নরমালিটি** = 0.786 N
নরমালিটি: কোন দ্রবণের প্রতি লিটারে দ্রবীভূত দ্রবের তুল্য ভরকে ঐ দ্রবণের নরমালিটি বলে।
মোলালিটি: প্রতি কেজি দ্রাবকে দ্রবীভূত দ্রবের মোল সংখ্যাকে ঐ দ্রবণের মোলালিটি বলে।
এর আণবিক ভর
Related Question
View Allহাইড্রোজেন বিকিরণ বর্ণালির পাঁচটি সারির নামঃ
- লাইমেন
- বামার
- প্যশ্চেন
- ব্র্যাকেট
- ফুনড্
বোরের পরমাণু মডেলের অনেক সফলতা থাকলেও এর কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে।
বোরের পরমাণু মডেলের সীমাবদ্ধতা গুলি নিম্নরূপঃ
১. বোর পরমাণু মডেল এক ইলেকট্রন বিশিষ্ট হাইড্রোজেন পরমাণুর বর্ণালী ব্যাখ্যা করতে পারলেও একাধিক ইলেকট্রন বিশিষ্ট পরমাণুসমূহের বর্ণালী ব্যাখ্যা করতে পারে না।
২. বোরের পরমাণু মডেল হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তা নীতির পরিপন্থী।
৩. এ মডেল ইলেকট্রনের কণা ধর্ম ব্যাখ্যা করতে পারলেও তরঙ্গ ধর্ম ব্যাখ্যা করতে পারে না।
৪. এক শক্তিস্তর হতে অপর শক্তিস্তরে ইলেকট্রনের স্থানান্তর ঘটলে বোর পরমাণু মডেল অনুসারে বর্ণালীতে একটি করে রেখা সৃষ্টি হওয়ার কথা। কিন্তু পরবর্তীতে গবেষণা করে দেখা গেছে প্রতিটি রেখা একাধিক সূক্ষ্ম রেখায় বিভক্ত। এর ব্যাখ্যা বোর মডেল দিতে পারেনা।
৫. বোরের পরমাণু মডেল হতে পরমাণুর ত্রিমাত্রিক কাঠামো সম্পর্কে কোন ধারণা পাওয়া যায় না।
বোর পরমাণু মডেলের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও এ মডেল পরমাণু স্থায়িত্ব ব্যাখ্যা করতে পারে।
এজন্য বোর পরমাণু মডেল সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে।
তাপমাত্রা বাড়ালে বিক্রিয়া পশ্চার দিকে গমন করবে এবং কমালে সম্মুখ দিকে গমন করবে
সাম্যবস্থায় চাপ বৃদ্ধি করা হলে সম্মুখ দিকে গমন করবে এবং হ্রাস করা হলে পশ্চাৎমুখী হবে
কোন বিক্রিয়ার সাম্য ধ্রুবক এবং বিক্রিয়ার হার ধ্রুবক উভয়েই তাপমাত্রা দ্বারা প্রভাবিত হয়
কিন্তু সাম্যাবস্থা ধ্রুবকের(K) উপর প্রভাবকের কোন প্রভাব নেই
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!