পৃথিবীতে প্রথম পরিবার গঠন করেন হযরত আদম ও হাওয়া (আ)।
বিধবা বা তালাকপ্রাপ্তা কন্যাসন্তানকে আশ্রয়দান ও ভরণপোষণের ব্যবস্থা করাকে মহানবি (স) সর্বোত্তম সদকাহ বলেছেন।
কন্যাসন্তানকে বিয়ে দেওয়ার পর যদি সে বিধবা কিংবা তালাকপ্রাপ্তা হয়ে আশ্রয়হীন হয়ে পড়ে তাহলে পিতার দায়িত্ব হলো তাকে আশ্রয় দেওয়া এবং তার ভরণপোষণের ব্যবস্থা করা। আর এটিই হলো পিতার জন্য সর্বোত্তম সদকা। রাসুলুল্লাহ (স) বলেছেন, 'আমি কী তোমাদের সর্বোত্তম সদকার কথা বলে দেব? তাহলো যখন তোমার মেয়ে তোমার কাছে ফিরে আসে এবং তুমি ছাড়া তার ভরণপোষণ দেওয়ার মতো কেউ থাকে না তখন তার ভরণপোষণের দায়িত্ব নেওয়াই হলো সর্বশ্রেষ্ঠ সদকা।'
নাফিসের মা-বাবার কর্মকাণ্ডে ইসলামি পরিবারে সন্তানের প্রতি পিতামাতার কর্তব্যের প্রতিফলন ঘটেছে। পারিবারিক জীবনের সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি নির্ভর করে পরিবারের সদস্যদের পারস্পরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য যথাযথভাবে পালন করার ওপর। ইসলামি পরিবারব্যবস্থায় সন্তানের প্রতি পিতামাতার অনেক দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে। যেমন- সন্তানের পরিচর্যা ও লালন পালন করা, অর্থবহ সুন্দর নাম রাখা, আকিকা করা, পূর্ণ দুই বছর মায়ের দুধ পান করানো, সুন্দর আদব কায়দা শেখানো এবং ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা দেওয়া ইত্যাদি। নাফিসের বাবা- মায়ের ক্ষেত্রে এ বিষয়গুলো লক্ষণীয়।
উদ্দীপকে উল্লেখিত নাফিসের মা-বাবা দু'জনই তাকে অক্ষরজ্ঞান দানসহ ইসলামের মৌলিক বিষয়াবলি পড়াচ্ছেন। তাছাড়া কারো সাথে দেখা হলে সালাম দেওয়া, যেকোনো ভালো কাজের আগে বিসমিল্লাহ বলা ও অন্যান্য আদব-কায়দা শেখাচ্ছেন। তারা নাফিসের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ প্রত্যাশা করেন এবং তাকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে চান। নাফিসের মা-বাবার এসব কাজের মাধ্যমে ইসলামি পরিবারে সন্তানের প্রতি পিতামাতার কর্তব্যের বিষয়টি ফুটে উঠেছে। সুতরাং বলা যায়, ইসলামি পরিবারের বিধান অনুযাযী নাফিসের বাবা-মা তাদের সন্তানের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য যথাযথভাবে পালন করেছেন।
নাফিসের পরিবার একটি ইসলামি পরিবার হওয়ায় বলা যায় এটি ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার একটি আদর্শ স্থান। ইসলামি পরিবার শিশুর জন্য একটি প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। পরিবার থেকেই শিশুরা ধর্মীয় ও নৈতিক বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে প্রাথমিক শিক্ষা পেয়ে থাকে। পিতামাতা সন্তানকে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য পরিবারেই প্রথম প্রচেষ্টা শুরু করেন। পরিবারে যদি শিশুর যথাযথ মানসিক বিকাশ না ঘটে, তাহলে পরিণত বয়সে তারা প্রকৃত মানুষ হতে পারে না। সেজন্য ইসলামি পরিবারের সন্তানদের নৈতিক ও মানবিক গুণাবলি শিক্ষা দেওয়ার জন্য পিতামাতাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নাফিসের পরিবারের ক্ষেত্রে এ বিষয়টি লক্ষ করা যায়।
উদ্দীপকে উল্লেখ করা হয়েছে, নাফিস পিতামাতার একমাত্র সন্তান। তার বাবা-মা তাকে অক্ষরজ্ঞান দানসহ ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলো সম্পর্কে জ্ঞানদান করেন। তাছাড়া ইসলামি সংস্কৃতির বিভিন্ন দিক যেমন- কারো সাথে দেখা হলে সালাম দেওয়া, ভালো কাজের শুরুতে বিসমিল্লাহ বলা ও অন্যান্য আদব-কায়দা শেখাচ্ছেন। নাফিসের বাবা-মা তাকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে চান। নাফিস তার পরিবার থেকে ধর্মীয় ও নৈতিক বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে শিক্ষা লাভ করেছে। এ শিক্ষাই তাকে আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলবে।
উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, নাফিসের পরিবারটি হলো একটি ইসলামি পরিবার। আর ইসলামি পরিবার ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার একটি আদর্শ স্থান।
Related Question
View Allইসলামি পরিবারের প্রধান পিতা।
সন্তানের জন্য পিতার শ্রেষ্ঠ দান হলো সুন্দর আদব-কায়দা শিক্ষা দেওয়া।
ইসলামি পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক ভালোবাসা ও কর্তব্যপরায়ণতা বজায় থাকায় সেখানে সুখ-শান্তি বিরাজ করে। ইসলামের আদর্শ ও মূল্যবোধের ওপর ভিত্তি করে ইসলামি পরিবার গড়ে উঠে। এ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা-স্নেহ, মায়া-মমতা ও ভালোবাসা বজায় থাকে। ইসলামি পরিবারে স্বামী-স্ত্রী, পিতামাতা, সন্তান এবং ভাইবোন প্রত্যেকেই নিজের অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন থাকে। ইসলামি শরিয়তের আলোকে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে তাদের দৈনন্দিন বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়। এসব কারণে ইসলামি পরিবারে শান্তি বজায় থাকে।
স্বামীর প্রতি ইহসান বলতে যথাযথভাবে স্বামীর অধিকার আদায় করাকে বোঝায়। স্ত্রী তার স্বামীর প্রতি অনুগত থাকবেন এবং তার সাথে সদাচরণ করবেন। স্বামীর অক্ষমতার জন্য স্ত্রী তার অবাধ্য হবেন নাবা তাকে গালমন্দ করবেন না। স্বামীর বিপদে-আপদে ধৈর্যধারণ এবং তাকে সহযোগিতা করবেন। প্রয়োজনে স্বামীর বিপদ কাটানোর জন্য স্ত্রী মোহরানা থেকে অর্থ সাহায্য করবেন। এগুলোই স্বামীর প্রতি স্ত্রীর ইহসান।
ফরহাদ সাহেবের সন্তানদের আচরণে পিতামাতার প্রতি কর্তব্য পালনের বিধান লঙ্ঘিত হয়েছে। ইসলামি পরিবারে মাতাপিতার প্রতি সন্তানকে অনেক দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করতে হয়। মাতাপিতার জীবদ্দশায় তাদের প্রতি সন্তানের কর্তব্যসমূহ হলো- তাদের সাথে সদাচরণ করা, তাদের অবাধ্য না হওয়া, অসুস্থ হলে তাদের সেবাযত্ন ও সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা ইত্যাদি। পিতামাতার মৃত্যুর পর সন্তানের জন্য অপরিহার্য কর্তব্য হলো তাদের দাফন-কাফনের ব্যবস্থা করা, ওয়াসিয়ত পূর্ণ করা, ঋণ পরিশোধ করা এবং তাদের জন্য দোয়া ও ইসতিগফার করা ইত্যাদি। ফরহাদ সাহেবের সন্তানদের আচরণে মাতাপিতার প্রতি এসব কর্তব্যে অবহেলার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।
উদ্দীপকের ফরহাদ সাহেবের সন্তানরা পাশ্চাত্য শিক্ষা অর্জন করে নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হয়ে পরিবার নিয়ে আলাদা বসবাস করে। তারা ফরহাদ সাহেবের কোনো খোঁজখবর রাখে না। তিনি অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেও সন্তানরা তার কোনো খোঁজখবর নেয়নি। এমনকি তার মৃত্যুর সংবাদ তাদেরকে জানালে তারা ব্যস্ততার কথা বলে বাবার লাশ 'আনজুমানে মুফিদুল ইসলাম'কে দিয়ে দিতে বলে। তাদের এ ধরনের আচরণে স্পষ্ট বোঝা যায় যে, তারা তাদের পিতার প্রতি সঠিকভাবে কর্তব্য পালন করেনি। অথচ মাতাপিতার প্রতি কর্তব্য পালন করতে আল্লাহ তায়ালা নির্দেশ দিয়েছেন। সুতরাং বলা যায়, ফরহাদ সাহেবের সন্তানরা মাতাপিতার প্রতি কর্তব্য পালনে অবহেলা করে আল্লাহর নির্দেশ অমান্য করেছে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত তালিকার ১ম ও ৪র্থ দায়িত্ব ও কর্তব্য হলো মাতাপিতার মৃত্যুর পর তাদের মাগফিরাত কামনা এবং ওয়াদা পূরণ করা। মাতা বা পিতা কিংবা তারা দুজনই যদি ইন্তেকাল করেন তাহলে সন্তানের কর্তব্য হলো তাদের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা। আল্লাহ তায়ালা পিতামাতার জন্য দোয়া করতে মুসলিম সন্তানদের শিখিয়েছেন- 'হে আমাদের প্রতিপালক! হিসাব- নিকাশের দিন আমাকে, আমার মাতাপিতা ও মুমিনদেরকে ক্ষমা করুন' (সুরা ইবরাহিম: ৪১)। আরেকটি দোয়া হলো- 'হে আমার প্রতিপালক! তাদের প্রতি তেমনই সদয় আচরণ করুন, যেমন তারা শৈশবে আমার প্রতি সদয় আচরণ করেছেন' (সুরা বনি ইসরাইল: ২৪)।
জীবদ্দশায় মাতাপিতা যদি কোনো দান বা ওয়াকফের প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকেন কিংবা কাউকে উত্তরাধিকারী মনোনয়নের অঙ্গীকার করে থাকেন, তাহলে সন্তানের কর্তব্য হবে তাদের সে ওয়াদা পূরণের ব্যবস্থা করা। সুতরাং বলা যায়, পিতামাতার মৃত্যুর পর সন্তানের অন্যতম কর্তব্য হলো তাদের জন্য মাগফিরাত কামনা এবং তাদের ওয়াদা পূরণ করা।
ইসলাম শিক্ষার অভাব ফরহাদ সাহেবের সন্তানদের পিতামাতার প্রতি কর্তব্যে অবহেলার জন্য দায়ী। পৃথিবীতে প্রত্যেক মানুষের কিছু দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে। যেমন- পিতামাতা, ভাইবোন, স্বামী-স্ত্রী, সন্তান, আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীর প্রতি মানুষের বিশেষ কর্তব্য রয়েছে। ইসলাম শিক্ষা একজন ব্যক্তিকে এসব দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন ও নিষ্ঠাবান করে তোলে। এসব কর্তব্য পালনে অবহেলার পরিণতি সম্পর্কেও সতর্ক করে। ইসলামি জীবনব্যবস্থায় প্রত্যেক ব্যক্তিকে - তার দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে - হবে। যারা ইসলামের সঠিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয় তারা - নিজেদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে উদাসীন থাকে। ইসলাম শিক্ষার অভাবে তারা পিতামাতা, পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীর প্রতি দায়িত্বহীন হয়ে উঠে, যেমনটি ফরহাদ সাহেবের সন্তানদের ক্ষেত্রে লক্ষ করা যায়।
উদ্দীপকের ফরহাদ সাহেবের সন্তানরা পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে পরিবার নিয়ে আলাদা বসবাস করে। তারা তাদের পিতার প্রতি কোনো কর্তব্য পালন করে না। ফরহাদ সাহেব অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেও সন্তানরা তার কোনো খোঁজখবর নেয়নি। এমনকি তার মৃত্যুর সংবাদ সন্তানদের জানালে তারা ব্যস্ততার কথা বলে বাবার লাশ 'আনজুমানে মুফিদুল ইসলাম'কে দিয়ে দিতে বলে। তাদের এ ধরনের আচরণে পিতার প্রতি কর্তব্যে অবহেলা বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। আর এর মূল কারণ হলো ইসলাম শিক্ষার অভাব। উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, ইসলামের সঠিক শিক্ষা একজন ব্যক্তিকে তার দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে সচেতন করে তোলে। ফরহাদ সাহেবের সন্তানরা ইসলাম শিক্ষার অভাবে তাদের পিতার প্রতি কর্তব্য পালনে অবহেলা করেছে।
শিক্ষকের নির্দেশনা অনুযায়ী রাইসা পিতামাতার মৃত্যুর পর তাদের প্রতি সন্তানের কর্তব্যের যে তালিকা প্রস্তুত করেছে সেখানে ১ম ও ৪র্থ কর্তব্য ছাড়া আরও কিছু কর্তব্য স্থান পেয়েছে। পিতামাতার ঋণ পরিশোধ, ওয়াসিয়ত, পূরণ এবং পিতামাতার আত্মীয় ও বন্ধুদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখাও সন্তনের দায়িত্ব। মাতাপিতা যদি এমন কোনো ঋণ করে থাকেন যা তারা শোধ করেননি এবং তারা যে সম্পদ রেখে গেছেন তা থেকে যদি সে ঋণ পরিশোধ করা সম্ভব হয়- তাহলে সন্তানের কর্তব্য হবে মাতাপিতার পক্ষে তাদের সে ঋণ শোধ করে দেওয়া। সন্তানের সামর্থ্য থাকলে নিজের সম্পদ দিয়ে হলেও তাদেরকে দায়মুক্ত করা উচিত। আর মাতাপিতার পরিত্যক্ত সম্পদের এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত সম্পদ দিয়ে তাদের ওয়াসিয়াত পূর্ণ করা সন্তানের দায়িত্ব। এমনকি তাদের ওয়াসিয়াত পূর্ণ না করে মাতাপিতার পরিত্যক্ত সম্পদের মিরাস বণ্টন করা উচিত নয়। মাতাপিতার মৃত্যুর পর সন্তানের আরেকটি কর্তব্য হলো তাদের আত্মীয় ও বন্ধুদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখা। তাদের খোঁজ-খবর নেওয়া এবং তাদের প্রতি সদাচরণ করা।
সুতরাং বলা যায়, পিতামাতার মৃত্যুর পর তাদের মাগফিরাত কামনা, ঋণ পরিশোধ, ওয়াসিয়াত পূরণ করা, ওয়াদা ইত্যাদি পূর্ণ করা সন্তানের জন্য আবশ্যক।
ইসলামকে সঠিকভাবে জানা এবং তা মানার মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করাই ইসলাম শিক্ষার উদ্দেশ্য।
কুরআন ও সুন্নাহর নির্দেশনা অনুযায়ী যে পরিবার গড়ে ওঠে এবং পরিচালিত হয় তাকে ইসলামি পরিবার বলে।
ইসলামি পরিবারব্যবস্থায় মোহরানার গুরুত্ব অপরিসীম। মোহরানা মুসলিম স্ত্রীর ন্যায়সংগত ও আল্লাহ প্রদত্ত অধিকার। ইসলামি বিবাহরীতিতে স্বামীর প্রথম কর্তব্য হলো স্ত্রীর মোহরানা আদায় করা। স্বামী নিজের সামর্থ্য ও স্ত্রীর যোগ্যতা অনুযায়ী মোহরানা নির্ধারণ করবে এবং খুশি মনে তা পরিশোধ করবে। এ সম্পর্কে আল্লাহ বলেন- 'তোমরা সন্তুষ্টচিত্তে স্ত্রীদের মোহরানা আদায় করো' (সুরা আন-নিসা: ৪)।
স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক অধিকার ও মর্যাদার প্রতি গুরুত্বারোপ করে আল্লাহ তায়ালা বলেন, "তারা তোমাদের ভূষণ এবং তোমরা তাদের ভূষণ" (সুরা আল বাকারা: ১৮৭)। ইসলামি পরিবারে স্বামী-স্ত্রীর অধিকার ও মর্যাদা সমান। তারা একে অন্যের পরিপূরক। স্বামী ও স্ত্রী পরস্পরকে যথাযথ সম্মান, মর্যাদা ও অধিকার দেবে। তারা যেন পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকে এবং কেউ যেন অন্যকে হেয় প্রতিপন্ন না করে এজন্য আল্লাহ তায়ালা স্বামী-স্ত্রীকে পরস্পরের পোশাক বা ভূষণ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!