নাসরিন আক্তার একটি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে - কর্মরত। পড়াশোনার প্রতি তার বেশ আগ্রহ। উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছেন। তিনি বাংলাদেশের অর্থনীতির সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী। নাসরিন আক্তার বিভিন্ন লাইব্রেরি, সেমিনার ও তথ্যকেন্দ্র এবং ইন্টারনেট থেকে তথ্য সংগ্রহ করেন। প্রাপ্ত তথ্য থেকে বাংলাদেশের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে একটি চিত্র তার নিকট পরিষ্কার হয়ে ওঠে।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

ব্রিটিশরা ১৯০ বছর এ দেশ শাসন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

অর্থনৈতিক অবকাঠামো বলতে যেসব অবকাঠামো একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখে সেসব অবকাঠামোকে বোঝায়। একটি দেশের অর্থনীতির প্রাণশক্তি হলো যোগাযোগ, বিদ্যুৎ, শিক্ষা, পয়োনিষ্কাশন, পানি সরবরাহ ইত্যাদির মতো অবকাঠামো। এ সমস্ত অবকাঠামোর মধ্যে আরও রয়েছে তথ্য ও প্রযুক্তি খাত, ব্যাংক, বিমা, ব্যবসায়-বাণিজ্য ইত্যাদি। অর্থনৈতিক অবকাঠামো দ্বারাই একটি দেশ পরিচালিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ, যার অর্থনীতি কৃষিনির্ভর। নাসরিন আক্তার বাংলাদেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য খুঁজতে গিয়ে প্রথমেই দেখেছেন প্রাথমিক খাতের প্রাধান্য, যেখানে কৃষি, মৎস্য, পশুপালন ইত্যাদি জড়িত। জিডিপিতে প্রায় বেশির ভাগ অংশের অবদান প্রাথমিক খাতের এবং দেশের মোট শ্রমশক্তির প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের কর্মসংস্থান হয় এ খাতে। বাংলাদেশের কৃষিতে এখনো সনাতন চাষপদ্ধতি ও প্রকৃতিনির্ভরতা বিদ্যমান। সাম্প্রতিককালে এ খাতের উন্নতি পরিলক্ষিত হচ্ছে, যেখানে ২০১৫-১৬ অর্থবছরের জিডিপিতে সার্বিক কৃষি খাতের অবদান ১৫.৩৩%।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে শিল্প বেশ অনগ্রসর, যেখানে পাটজাত দ্রব্য, চিনি, বস্ত্র, সিমেন্ট, সার, কাগজ ইত্যাদি উৎপাদিত হয়। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান ছিল ৩১.৫০%। বাংলাদেশে জনসংখ্যা অতিরিক্ত হলেও কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর সিংহভাগই অদক্ষ। জনসংখ্যার ঘনত্বের দিক থেকে বাংলাদেশ উপরের দিকে অবস্থান করছে, যেখানে প্রতি বর্গকিলোমিটারে প্রায় ১,০৭৭ জন লোক বসবাস করে এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারও ১.৩৭%।
বাংলাদেশে অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবকাঠামো এখনো অনেক দুর্বল। বাংলাদেশের উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়নের জন্য এবং লেনদেন ঘাটতি মোকাবিলার জন্য বিভিন্ন দাতা দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে প্রতিনিয়ত ঋণ গ্রহণ করতে হচ্ছে, যার ফলে বর্তমানে পুঞ্জীভূত বৈদেশিক বার্ষিক ঋণের পরিমাণ প্রায় ৪০০%। নাসরিন আক্তার বাংলাদেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য খুঁজতে গিয়ে উল্লিখিত বৈশিষ্ট্য খুঁজে পেয়েছেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

নাসরিন আক্তারের প্রাপ্ত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে সহজে বোঝা যায়। উন্নয়নের জন্য যেসব উপকরণের প্রয়োজন তার বেশির ভাগেরই এ দেশে ঘাটতি রয়েছে। বিশেষ করে স্বল্প সম্পদ, তার উপর জনশক্তির অতিরিক্ত চাপ, কৃষি ও শিল্পের অনগ্রসরতা ইত্যাদি দেশের অর্থনীতিকে দরিদ্রতম স্থানে স্থবির করে রেখেছে।
উন্নয়নশীল দেশের প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে অর্থনীতিতে প্রাথমিক খাতের প্রাধান্য, যা বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও বিদ্যমান। বাংলাদেশের জিডিপির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ অবদান প্রাথমিক খাতের এবং দেশের মোট শ্রমশক্তিরও প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের কর্মসংস্থান হয় এ খাতে। কৃষি খাতে প্রাচীন চাষ পদ্ধতি এখনও বিদ্যমান থাকায় বাংলাদেশও এ খাতে পিছিয়ে আছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সেচ, সার, উন্নত বীজ ও আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগ হলেও তা যথেষ্ট নয়। বর্তমানে দেশের মোট শ্রমশক্তির ৪৫.১% এ খাতে নিয়োজিত এবং এ খাতে প্রবৃদ্ধির হার ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ২.৭৯% ছিল।
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে শিল্প বেশ অনগ্রসর হলেও সম্প্রতি নতুন নতুন প্রযুক্তি আমদানি ও উদ্ভাবন করে শিল্পে ব্যবহারের ফলে শিল্পখাতে দারুণ প্রবৃদ্ধি পরিলক্ষিত হচ্ছে। দেশের মোট শ্রমশক্তির ২০.৭% সরাসরি শিল্পক্ষেত্রে নিয়োজিত এবং এ খাতে প্রবৃদ্ধির হার ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ১১.০৯% ছিল।
বাংলাদেশ মানবসম্পদ উন্নয়নে নজির স্থাপন করেছে, যেখানে জাতিসংঘের মানবসম্পদ উন্নয়ন সূচকে (HDI) বিশ্বের ১৮৭টি দেশের মধ্যে ১৩৯তম অবস্থানে খুব অল্প সময়ে চলে এসেছে।
গত দুই দশক বিবেচনায় আনলে বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল প্রায় ৩-এর কাছে। কিন্তু বর্তমানে তা কমে দাঁড়িয়েছে ১.৩৭%। বাংলাদেশে বর্তমানে বৈদেশিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ করার চেষ্টা চলছে। গত দুই দশকে প্রচলিত পণ্যের পরিবর্তে অপ্রচলিত পণ্যের রপ্তানি আয় অধিক পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে, ফলে বৈদেশিক ঋণ পূর্বের তুলনায় কমে গেছে।
উল্লিখিত বিষয়গুলো থেকে বোঝা যায়, বাংলাদেশের অর্থনীতি দিন দিন অগ্রসর হচ্ছে এবং শীঘ্রই বাংলাদেশ একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
14
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

দক্ষিণ এশিয়ার একটি স্বাধীন দেশ হলো বাংলাদেশ। ২০°৩৪′ উত্তর অক্ষাংশ থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বাংলাদেশের। অবস্থান বিস্তৃত। এ দেশের মধ্যভাগ দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে। সাগরের অবস্থান বাংলাদেশের দক্ষিণে হওয়ার কারণে এ দেশের অবস্থান প্রান্তীয়। বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম, পূর্বে ভারতের আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম ও মিয়ানমার এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর ও পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
115
উত্তরঃ

উদ্দীপকে দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র বিষয়টি উপস্থাপিত হয়েছে। নিচে দারিদ্র্যের দুষ্টচক্রের প্রকৃতি তুলে ধরা হলো-

দারিদ্র্য যেকোনো দেশের জন্যই অভিশাপ। সাধারণত স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলো দারিদ্র্যের দুষ্টচক্রে আবদ্ধ থাকে। সেই দেশগুলোর জনগণের আয় অনেক কম থাকার কারণে সেসব দেশে সঞ্চয়ের পরিমাণও কম হয়। একটি দেশে যখন সঞ্চয়ের পরিমাণ কম হয়, তখন স্বাভাবিকভাবেই সেই দেশে বিনিয়োগ কম হবে। বিনিয়োগ যখন কম হয়, তখন সেই দেশের জনগণ বেকার থাকে। তাদের কর্মসংস্থানের অভাব দেখা দেয়, ফলে নিয়োগ কম হয়। একটি দেশে নিয়োগ, কর্মসংস্থান কম থাকার অর্থ সে দেশের উৎপাদন প্রতিষ্ঠানগুলো অচল থাকে অথবা উৎপাদন প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধও থাকতে পারে। ফলে উৎপাদন কম হয়। একটি দেশের উৎপাদন কম হলে আয় কম হবে, এটাই স্বাভাবিক। এভাবেই একটি দেশ দারিদ্র্যের দুষ্টচক্রে আবদ্ধ থাকে।
অতএব বলা যায়, একটি দেশের উন্নয়নের সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা হলো দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
89
উত্তরঃ

বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। অধিক জনসংখ্যা এ দেশের প্রধান বৈশিষ্ট্য। অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৭ অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রায় ২৩.৫ ভাগ লোক বর্তমানে দারিদ্র্যসীমার নিচে অবস্থান করছে।

এ দেশেও তাই দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র বিদ্যমান রয়েছে। এ দেশে অধিক জনসংখ্যার কারণে শ্রম সস্তা। এই সস্তা শ্রমের কারণে জনগণের আয় কম। আয় কম হওয়ার কারণে সঞ্চয় কম। ফলে বিনিয়োগ কম। তবে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ রয়েছে, যার ফলে দেশের অধিক জনসংখ্যার কিছু অংশের কর্মসংস্থান রয়েছে। তার পরও প্রায় ৩ কোটির উপরে বেকার জনগোষ্ঠী এ দেশে রয়েছে। ফলে এই নিয়োগ কম হওয়ায় আশানুরূপ উৎপাদন হচ্ছে না। আশানুরূপ উৎপাদন না হওয়ার কারণে জনগণের আয়ও কম হচ্ছে। এভাবেই দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র বাংলাদেশকে ঘিরে রয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র বিরূপ প্রভাব সৃষ্টি করছে। দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র যত দিন বাংলাদেশ থেকে দূর না হবে, তত দিন বাংলাদেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হবে না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
85
উত্তরঃ

বাংলাদেশের বর্তমান মাথাপিছু আয় ১৭৫২ মার্কিন ডলার।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
94
উত্তরঃ

বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান খাত কৃষি। এদেশের মোট শ্রম শক্তির ৪৫.১% কৃষির উপর নির্ভরশীল এবং প্রায় ৭৫% মানুষ কৃষির উপর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নির্ভরশীল। ২০১৬-১৭অর্থবছরে দেশের জিডিপির ১৪.৭৯% আসে কৃষি থেকে। বাংলাদেশের শিল্পের কাঁচামালের বেশিরভাগই আসে কৃষি থেকে। তাই বলা হয়, বাংলাদেশের অর্থনীতি কৃষিনির্ভর।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
131
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews