নিউইয়র্কে পাশাপাশি ফ্ল্যাটে বাংলাদেশের শবনম এবং ভারতের চন্দনা পরিবারসহ বাস করে। শবনম একবার চন্দনার কাছ থেকে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতীয় কবি, সাহিত্যিক, শিল্পী, ডাক্তার সর্বোপরি জনসাধারণ কীভাবে বাংলাদেশকে সমর্থন যুগিয়েছিল তার তথ্যবহুল বর্ণনা জানতে পারে। শুধু তাই নয়, এই যুদ্ধে ভারতের পত্র পত্রিকার ভূমিকাও ব্যাপক অবদানের কথা চন্দনা শবনমকে জানায়।

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সোভিয়েত ইউনিয়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় রাশিয়ার তৎকালীন রাষ্ট্রপতি নিকোলাই পদগোর্নি পাকিস্তানকে একটি পত্রের মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের ওপর অমানুষিক নির্যাতন বন্ধের জরুরি আহ্বান জানান। সোভিয়েত ইউনিয়ন (রাশিয়া) আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং স্বাধীনতা বিরোধী দেশগুলোর চক্রান্ত ব্যর্থ করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

উত্তরঃ

চন্দনার দেওয়া তথ্যে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় জনগণের অবদান ফুটে উঠেছে।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারত সরকারের পাশাপাশি ভারতীয় জনগণ তথা শিল্পী-সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবীগণ বেসরকারি পর্যায়েও ব্যাপক ভূমিকা রেখেছিল। তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়কে সভাপতি করে ৮ এপ্রিল বাংলাদেশ-ভারত সহায়ক শিল্পী-সাহিত্যিক-বুদ্ধিজীবী সমিতি গঠিত হয়। ভারতের বিখ্যাত সংগীতজ্ঞ পণ্ডিত রবিশংকর আমেরিকার লস এঞ্জেলস-এ বাংলাদেশ কনসার্টের আয়োজন করে দশ লাখ ডলার ইউনিসেফকে দিয়েছিলেন শরণার্থী শিবিরের শিশুদের জন্য। মকবুল ফিদা হুসেনের মতো আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শিল্পী বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ওপর ছবি এঁকে বোম্বের রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে সাধারণ মানুষকে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন শরণার্থীদের সাহায্য করার জন্য। বিকাশ ভট্টাচার্য, প্রকাশ কর্মকার, শ্যামল দত্ত রায় ও গণেশ পাইনের মতো খ্যাতিমান শিল্পীরা ফুটপাতে দাঁড়িয়ে মাসের পর মাস বাংলাদেশের ওপর ছবি এঁকে বিক্রি করেছেন এবং ছবি বিক্রির টাকা শরণার্থী শিবিরে পৌছে দিয়েছেন। অন্নদাশংকর রায়, মৈত্রেয়ী দেবী, শান্তিময় রায়, সুভাষ মুখোপাধ্যায়, প্রণব রঞ্জন রায়, তরুণ সান্যাল, অধ্যাপক দিলীপ চক্রবর্তী, নির্মল চক্রবাতী, রমেন মিত্র প্রমুখ কবি-সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবীগণ বাড়ি বাড়ি ঘুরে অর্থ সংগ্রহ করেছেন।
এককথায় ভারতের শিল্পী, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবীদের প্রায় সবাই কোনো না কোনোভাবে তখন বাংলাদেশকে সাহায্য করেছেন।

উত্তরঃ

চন্দনার জানানো শেষের অবদান হলো ভারতীয় প্রচার মাধ্যমের অবদান।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অন্যতম সহায়ক ভূমিকা হিসেবে কাজ করেছে ভারতীয় গণমাধ্যম। বিশেষত প্রিন্ট মিডিয়া ও স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র তখন পাশে ছিল এবং স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র সংবাদ, দেশাত্মবোধক গান, মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্ব গাঁথা, রণাঙ্গনের নানা ঘটনা ইত্যাদি দেশ। ও জাতির সামনে তুলে ধরে সাধারণ মানুষকে যুদ্ধে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে অনুপ্রাণিত করে।
ব্রিটিশ সাংবাদিক সাইমন ড্রিং সর্বপ্রথম বিশ্ববাসীকে জানিয়ে দেন পূর্ব-পাকিস্তানে গণহত্যা হয়েছে। তিনি লন্ডনের ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকায় লেখেন, 'ট্যাংকস ক্রাশ রিজেন্ট ইন পাকিস্তান।' ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের পর বাংলাদেশের মুজিবনগর থেকে সর্বপ্রথম 'দৈনিক জয়বাংলা' নামে একটি পত্রিকা প্রকাশিত হয়। এটি ছিল মুজিবনগর থেকে প্রকাশিত প্রথম দৈনিক পত্রিকা।
এছাড়াও ভারতীয় প্রচার মাধ্যম স্বাধীনতা সংগ্রাম ও স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার যৌক্তিকতা এবং নিরীহ বাঙালির বিরুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীর অন্যায় আক্রমণ ইত্যাদি বিষয়ে বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক প্রচারণা চালিয়েছিল। শুধু তাই নয়, মুসলিম বিশ্ব এবং পশ্চিমা শক্তিবর্গকে পাকিস্তানের পর্যায়ক্রমিক অপপ্রচারের বিরুদ্ধাচরণ করা এবং বাংলাদেশের বাস্তবতা তুলে ধরার ক্ষেত্রে এবং বিশ্ব জনমত গঠনের ক্ষেত্রে ভারতের সংবাদপত্র ও অন্যান্য গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। পাশাপাশি বিদেশি গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদেরকে শরণার্থীদের দুর্দশা, মুক্তিযোদ্ধাদের তৎপরতা এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ধ্বংসযজ্ঞের নিদর্শনসমূহ দেখানোর ব্যবস্থাও করেছিল।

228

Role of Bengalies Living Abroad and Other Countries in Our War of Independence

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন অবস্থায় বাঙালির ওপর পাকিস্তানি সৈন্যদের নারকীয় তাণ্ডব এবং তাদের দোষরদের লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, হত্যাযজ্ঞের ভয়াবহতায় বিশ্ব বিবেক থমকে দাঁড়ায়। বিশ্বের বিবেকবান প্রতিটি মানুষ ও বিভিন্ন দেশ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে এগিয়ে আসে, আবার কিছু কিছু দেশ বিরোধিতা করে। মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক ও স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ২৬ মার্চ, ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের প্রথম প্রহরে যে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন তাতে প্রবাসী বাঙালিরা ব্যাপকভাবে সাড়া দেয়। প্রবাসী বাঙালিরা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সমর্থন দিয়ে সহযোগিতার বিভিন্ন স্রোতে ঝাঁপিয়ে পড়ে। মুক্তিযুদ্ধের জন্য অর্থ সংগ্রহ, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সমর্থন আদায়ে বিভিন্ন দেশের পার্লামেন্টে সদস্যদের নিকট আবেদন করা, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে প্রেরণ এবং পাকিস্তান যাতে বহির্বিশ্ব থেকে আর্থিক সাহায্য, অস্ত্র ও গোলাবারুদ সংগ্রহ করতে না পারে সে ব্যাপারে বিভিন্ন দেশের সরকারের নিকট আবেদনসহ জনমত গঠনে প্রবাসী বাঙালি প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেন। প্রবাসী বাঙালিদের এসব উদ্যোগের উদ্যোগের ফলে পাকিস্তানের কর্মকাণ্ডে বিভিন্ন দেশ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায় এবং মুক্তিযুদ্ধের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করে।

পাকিস্তানি আমলে বাংলা ভাষা আন্দোলন ও এর গতি-প্রকৃতি-ড. মোঃ ওয়াহেদুল ইসলাম স্যার এর লেখা বই

Related Question

View All
উত্তরঃ

১৯৭১ সালে মুজিবনগর থেকে সর্বপ্রথম 'দৈনিক জয়বাংলা' নামে একটি পত্রিকা প্রকাশিত হয়।

459
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধকালীন ভারত সরকার বাংলাদেশকে অর্থনৈতিক, কূটনৈতিক, সামরিক দিক দিয়ে নানাভাবে সহায়তা করে।
পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার বিরুদ্ধে ভারত মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির পাশাপাশি শরণার্থী সমস্যা মোকাবিলাসহ সামরিক, রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমর্থন দিয়ে সাহায্য করে। এছাড়া কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান যেমন, বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার, স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র ও মুক্তিবাহিনী গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও ভারত সরকার ব্যাপকভাবে সহায়তা করেছিল।

519
উত্তরঃ

রিফাতের লেখাটি মূলত চীনকে ইঙ্গিত করে লেখা। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে চীনের প্রথম পর্যায়ের ভূমিকা হলো স্বাধীনতা যুদ্ধের শুরু থেকে ১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
মুক্তিযুদ্ধের শুরু হতে ১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর পাক-ভারত যুদ্ধ শুরুর পূর্ব পর্যন্ত চীন পাকিস্তানপন্থি থাকলেও মোটামুটিভাবে বাঙালির সংগ্রাম বিরোধী কোনো মন্তব্য করেনি। তবে গোপনে সে পাকিস্তানের সামরিক চক্রকে নৈতিক শক্তি ও সাহস যুগিয়েছিল এবং সরাসরি সামরিক উপকরণ সরবরাহ করেছিল। ১৯৭১ সালের ৯ আগস্ট ভারত- েচুক্তি স্বাক্ষরের পর চীনের পাকিস্তানপন্থি নীতি আরও প্রকট হয়ে ওঠে। সেপ্টেম্বর মাসে চীন-পাকিস্তানকে এই বলে আশ্বস্ত করে যে, জাতীয় স্বার্থরক্ষায় চীন পাকিস্তানকে সাহায্য করবে। তখন পর্যন্তও চীনের বক্তব্যে বাঙালি বিরোধী তেমন কিছু খুঁজে পাওয়া যায়নি। ১৯৭১ সালের ৫ নভেম্বর চীনাদের আস্থাভাজন ভুট্টোর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল চীন সফরে যায় চীন থেকে অতিরিক্ত অঙ্গীকার বা সাহায্য পাওয়ার আশায়। কিন্তু চীনের ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী চি পেঙ ফি পূর্ব পাকিস্তানের সমস্যার একটি ন্যায়সঙ্গত সমাধান খুঁজে বের করার জন্য আহ্বান জানিয়েছিলেন। বাঙালিবিরোধী বক্তব্য না রাখলেও পশ্চিম পাকিস্তান সীমান্ত দিয়ে চীন নিয়মিতভাবে পাকিস্তানকে সমরাস্ত্র দিয়ে সহযোগিতা করে।
তাই বলা যায়, রিফাতের ইঙ্গিতকৃত দেশটি হলো চীন।

406
উত্তরঃ

বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের প্রথম পর্যায়ে এই দেশটি অর্থাৎ চীনের বিরোধিতার কোনো ছাপ না পাওয়া গেলেও দ্বিতীয় পর্যায়ের ভূমিকা স্বাধীনতা যুদ্ধের পুরোপুরি বিরোধী ছিল।
পাকিস্তান ১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর ভারতের পূর্বাঞ্চলে সামরিক হামলা করলে শুরু হয় সরাসরি পাক-ভারত যুদ্ধ। এ সময় হতে চীন জাতিসংঘে সরাসরি বাঙালিবিরোধী ভূমিকা পালন করতে শুরু করে। পাক-ভারত যুদ্ধের জন্য চীন সোভিয়েত ইউনিয়নকে দায়ী করে। যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য একটি রাজনৈতিক সমাধান খুঁজে বের করা এবং পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতার ফলে সৃষ্ট ধ্বংসযজ্ঞ বন্ধ করার লক্ষ্যে ৫ ও ৭ ডিসেম্বর সোভিয়েত ইউনিয়ন জাতিসংঘে দুটি প্রস্তাব উপস্থাপন করে। কিন্তু প্রস্তাব দুটোর বিরুদ্ধে চীন প্রথম ভেটো প্রয়োগ করে এবং চীনের নিজস্ব প্রস্তাবে ভারতকে আগ্রাসী পক্ষ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এখানে একটি বিষয় উল্লেখ্য যে, চীন জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভের মাত্র ৪০ দিনের মাথায় নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী আসন লাভের পর প্রথম প্রস্তাবেই ভেটো প্রয়োগ করেছিল। এছাড়া, ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হলে চীন এক বিবৃতিতে 'তথাকথিত' বাংলাদেশের সৃষ্টির জন্য সোভিয়েত ইউনিয়ন ও ভারতের তীব্র সমালোচনা করে। তবে পরবর্তীতে চীন তার নীতি পরিবর্তন করে বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
পরিশেষে বলা যায়, এই দেশটির অর্থাৎ চীনের দ্বিতীয় পর্যায়ের ভূমিকা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পুরোপুরি বিরোধী উক্তিটি যথার্থ।

274
উত্তরঃ

১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বরে বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার জন্য। পরিচালিত হত্যাকাণ্ডই হলো বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ড।
ঢাকার মিরপুরের শিয়ালবাড়ি, মোহাম্মদপুরের রায়ের বাজার বদ্ধভূমিসহ বিভিন্ন স্থানে বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড চালানো হয়। জাতির সূর্য সন্তানদের তারা অত্যন্ত নির্মমভাবে হত্যা করে। যুদ্ধের পর বিভিন্ন বধ্যভূমিতে যেসব লাশ পাওয়া যায় তাদের কারও হাত-পা বাঁধা ছিল, কারও জিহ্বা কাটা ছিল, চক্ষু উপড়ানো ছিল কিংবা হাত-পা ভাঙা ছিল। বুদ্ধিজীবী হত্যার দিনটিকে অর্থাৎ ১৪ ডিসেম্বর 'বুদ্ধিজীবী দিবস' ঘোষণা করা হয়।

649
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews