আঁশ ও তত্ত্বময় অপাচ্য অংশযুক্ত খাবারকে রাফেজযুক্ত খাবার বলে।
দেহকোষ ও দেহে তরলের জন্য একটি অত্যাবশ্যকীয় উপাদান হলো খনিজ লবণ। ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, ক্লোরিন, আয়োডিন, লৌহ, সালফার ইত্যাদি খনিজ লবণ জাতীয় দ্রব্য যা খাদ্যের সাথে দেহে প্রবেশ করে ও দেহ গঠনে সাহায্য করে। এসব উপাদান দেহে মৌলিক উপাদান হিসেবে থাকে না, অন্য পদার্থের সঙ্গে জৈব ও অজৈব যৌগরূপে থাকে।
উদ্দীপকে A খাদ্য উপাদান হলো ভাত, আলু, রুটি, চিনি যা শর্করা জাতীয় খাদ্য। নিচে শর্করা জাতীয় খাদ্যের শ্রেণিবিভাগ ছক আকারে বর্ণনা করা হলো-
শর্করা শ্রেণি | গঠন | উদাহরণ | উৎস |
এক শর্করা | এক অণুবিশিষ্ট শর্করা | গ্লুকোজ | মধু, ফলের রস |
দ্বি-শর্করা | দুই অণুবিশিষ্ট শর্করা | সুক্রোজ, ল্যাকটোজ | চিনি ও দুধ |
বহু শর্করা | বহু অণুবিশিষ্ট শর্করা | শ্বেতসার, গ্লাইকোজেন | চাল, আটা, সবুজ পাতা, আলু, শাকসবজি ইত্যাদি |
উদ্দীপকে ৪ খাদ্য উপাদান হলো- আমিষ জাতীয় খাদ্য এবং C খাদ্য উপাদান হলো- ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ খাবার। একজন ব্যক্তির ক্ষেত্রে আমিষ এবং ভিটামিন-'এ' -এই উভয় প্রকার খাদ্য উপাদানেরই প্রয়োজন আছে। নিচে যুক্তিসহকারে আমার মতামত দেওয়া হলো- আমিষ জাতীয় খাদ্য- ১. দেহের অস্থি, পেশি, বিভিন্ন অঙ্গতন্ত্র, রক্তকণিকা তৈরিতে সহায়তা করে।
২. দেহের কোষ গঠনে সহায়তা করে।
৩. দেহের বৃদ্ধিসাধন, গঠন ও ক্ষয়পূরণে মুখ্য ভূমিকা পালন করে।
৪. রক্তের হিমোগ্লোবিন তৈরিতে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে।
৫. কোষীয় বিপাকের মাধ্যমে তাপশক্তির চাহিদা পূরণ করে।
ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ খাদ্য-
১. দৃষ্টিশক্তি স্বাভাবিক রাখে।
২. ত্বক ও শ্লেষ্মাঝিল্লিকে সুস্থ রেখে দেহকে বিভিন্ন সংক্রামক রোগের আক্রমণ হতে রক্ষা করে।
৩. খাদ্যবস্তু পরিপাক ও ক্ষুধার উদ্রেক করে।
৪. রক্তের স্বাভাবিক অবস্থা বজায় রাখে।
অর্থাৎ উপরোক্ত আলোচনা হতে বলা যায় যে, একজন ব্যক্তির ক্ষেত্রে আমিষ এবং ভিটামিন-'এ'- এই উভয় প্রকার খাদ্য উপাদানের প্রয়োজন আছে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!