জীবের দৈহিক বৈশিষ্ট্য প্রকাশ ও নিয়ন্ত্রণকারী ক্রোমোসোমই হলো অটোসোম।
কোনো জীবের নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণের জিন বা অ্যালিল দুটি একই ধরনের হলে সংশ্লিষ্ট জাইগোটকে হোমোজাইগোট বলে। আর হোমোজাইগোট থেকে যে জীব উৎপন্ন হয় তাকে হোমোজাইগাস (বিশুদ্ধ) জীব বলা হয়। যেমন: লম্বা, বৈশিষ্ট্যধর্মী TT অথবা খাটো বৈশিষ্ট্যধর্মী tt।
A উদ্দীপকে কৃত্রিম গর্ভধারণের আইভিএফ পদ্ধতি দেখানো হয়েছে। স্বাভাবিকভাবে শুক্রাণু ও ডিম্বাণু মিলিত হতে না পারলে জীবনের ধারাবাহিকতা রক্ষায় কৃত্রিম গর্ভধারণ ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়। নিচে কৃত্রিম গর্ভধারণ পদ্ধতি হিসেবে আইভিএফ পদ্ধতির ধাপগুলো বর্ণনা করা হলো-
ধাপ
-১: স্ত্রীর স্বাভাবিক রজঃচক্রকে দমিয়ে রাখতে ওষুধ প্রয়োগ করা হয়।
ধাপ-২: ডিম্বাণুর উৎপাদন বাড়াতে নারীদেহে হরমোনযুক্ত ইনজেকশন প্রয়োগ করা হয়।
ধাপ-৩:অগ্রগতি পরীক্ষা করা হয় এবং রক্ত ও মূত্র পরীক্ষা করা হয়।
ধাপ-৪: ডিম্বাশয় থেকে বিশেষ যন্ত্রের মাধ্যমে পরিপক্ক ডিম্বাণু সংগ্রহ করা হয়।
ধাপ-৫: পুরুষ সঙ্গীর শুক্রাণু সংগ্রহ করে কালচার মিডিয়ামে রাখা হয় এবং সক্রিয় শুক্রাণু নির্বাচন করা হয়।
ধাপ-৬: গবেষণাগারে ইনক্যুবেটরে রাখা সর্বোচ্চ গুণগত মানের শুক্রাণু ও ডিম্বাণু নিষেকের জন্য একসঙ্গে ১৬-২০ ঘণ্টা পেট্রিডিশ বা কাঁচের টিউবে নিষিক্ত করণের জন্য রাখা. হয়।
ধাপ-৭: "নিষিক্ত ডিম্বাণু সংগ্রহের পর ১-৬ দিনের মধ্যে নারীর জরায়ুতে স্থানান্তর করা হয়।
B উদ্দীপকটিতে মেন্ডেলের ২য় সূত্রের ব্যতিক্রম প্রকট এপিস্ট্যাসিস এর জনুর মধ্যে ব্রুস দেখানো হয়েছে।


এখানে চেকার বোর্ড থেকে প্রাপ্ত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায় যে, জনুতে সাদা ও রঙিন পালকযুক্ত মোরগ-মুরগির ফিনোটাইপিক অনুপাত ১৩: ৩।
Related Question
View Allমিউট্যান্ট জিন হলো এমন একটি জিন যা মিউটেশনযুক্ত হয়েছে, যার ফলে এটি স্বাভাবিক জিনের তুলনায় ভিন্ন বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।
বাচ্চাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকলে, ঠান্ডা লাগলে এবং কানের সংক্রমণের ফলে ওটিটিস মিডিয়া বেশি হয়। এছাড়াও মাতৃদুগ্ধ পান না করলে বা কম পান করলে ওটিটিস মিডিয়া হতে পারে।
উদ্দীপকে মূক-বধিরের প্রতীক দেখানো হয়েছে। দুইজন মূক-বধির ব্যক্তির বিয়ে হলে, জনুতে সবাই স্বাভাবিক হবে কিন্তু এপিস্ট্যাটিক জিন বহন করবে। ফলে জনুতে বিভিন্ন অনুপাতে স্বাভাবিক মূক-বধির সন্তান পাওয়া যাবে। নিচে চেকার বোর্ডের মাধ্যমে জনুর ফলাফল দেখানো হলো-
F₁ জনুর মধ্যে ক্রস:

সুতরাং জনুতে স্বাভাবিক বাক শ্রবণক্ষম এবং মূকবধির সন্তানের সংখ্যা হলো যথাক্রমে ৯ এবং ৭ অর্থাৎ ৯: ৭ অনুপাতে এই বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পাবে।
সুতরাং জনুতে সন্তান-সন্ততির মধ্যে স্বাভাবিক বাক-শ্রবণক্ষম এবং মূক-বধির সন্তানের সংখ্যা হবে 'যথাক্রমে ৯ এবং ৭ অর্থাৎ ৯:৭অনুপাতে এই বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পাবে।
দুইজন মূক বধির ব্যক্তির মধ্যে বিয়ে হলে জনুতে ৯:৭ অনুপাতে স্বাভাবিক বাক-শ্রবণক্ষম ও মূক-বধির বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায়। নিচে এর. জিনতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা দেওয়া হলো-
দুটি ভিন্ন লোকাসে অবস্থিত দুটি প্রচ্ছন্ন জিন একে অপরের প্রকট অ্যালিলকে বৈশিষ্ট্য প্রকাশে বাধা প্রদান করলে জিনের সেই আন্তঃক্রিয়াকে বলা হয় দ্বৈত প্রচ্ছন্ন এপিস্ট্যাসিস। মানুষের জন্মগত মূক-বধিরতা দ্বৈত প্রচ্ছন্ন এপিস্ট্যাসিলের কারণে হয়ে থাকে। দুটি ভিন্ন লোকাসে অবস্থিত এপিস্ট্যাটিক প্রচ্ছন্ন জিন এর জন্য দায়ী। এ দুটি জিনের একটি যখন হোমোজাইগাস প্রচ্ছন্ন অবস্থায় থাকে তখন অন্য প্রকট জিনের বৈশিষ্ট্য প্রকাশে বাধা পায়। এখানের জিনোটাইপ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, দ্বৈত এপিস্টাটিক জিন dd অথবা ee এর উপস্থিতিতে মূক-বধির বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায়। ও প্রচ্ছন্ন জিন দ্বৈত অবস্থায় থাকার কারণে প্রকট হোমোজাইগাস জিন DD ও EE বৈশিষ্ট্য প্রকাশে বাধা পায়। ফলে জনুতে স্বাভাবিক বাক-শ্রবণক্ষম ও মূক-বধিরের অনুপাত ৯: ৭ হয়।
জিনগত ভিন্নতার কারণে একই প্রজাতির জীবের মধ্যে যে অমিল দেখা যায় তাই হলো প্রকরণ।
যে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে মাছের বিভিন্ন পাখনার পাখনারশ্মির সংখ্যা প্রকাশ করা হয় তাকে পাখনা সূত্র বলে। রুই মাছের পাখনা সূত্র হলো:
D. 15-16(3/12-13); P1.16-17; P2.9; A. 7(2/5); C. 19 (Rahman, 2005)
এখানে, D = Dorsal fin বা পৃষ্ঠ পাখনা; = Pectoral fin বা বক্ষ
পাখনা; = Pelvic fin বা শ্রোণি পাখনা; A = Anal fin বা. পায়ু
পাখনা এবং C = Caudal fin বা পুচ্ছ পাখনা।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
