পৃথিবীকে কেন্দ্র করে ঘুরছে চাঁদ, তাই চাঁদ পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ।
পৃথিবীর মতো এর বায়ুমণ্ডলও মহাকাশে ঘুরছে। এজন্য বায়ুমণ্ডলকে মহাকাশের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয় না। একে পৃথিবীর অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। পৃথিবী থেকে ১৬০ কিলোমিটার উচ্চতায় বায়ুমণ্ডলের শেষ এবং মহাকাশের শুরু।
সৌরজগতের বাসযোগ্য একমাত্র গ্রহ হলো পৃথিবী। B গ্রহটি হলো পৃথিবী। আর পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ হলো চাঁদ। A হলো চাঁদ। গ্রহ ও উপগ্রহ যেভাবে সৃষ্টি হয় তা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের ধারণা নক্ষত্রের জন্মের সময় একেকটি গ্রহকে ঘিরে কয়েকটি মহাজাগতিক মেঘ আবর্তিত হয়। এরা নক্ষত্রের আকর্ষণে ঘনীভূত হয়ে অবশেষে জমাট বেঁধে গ্রহের জন্ম হয়। এভাবেই আবার গ্রহের চারপাশে জমা মহাজাগতিক মেঘ থেকে উপগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। এসব উপগ্রহ হলো প্রাকৃতিক উপগ্রহ।
উদ্দীপকে উল্লেখিত A, B ও C হলো যথাক্রমে চাঁদ, পৃথিবী ও কৃত্রিম উপগ্রহ। পৃথিবী ও চাঁদের সাথে যোগাযোগের ক্ষেত্রে C অর্থাৎ কৃত্রিম উপগ্রহের গুরুত্ব নিচে উপস্থাপন করা হলো-
পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ বা সংবাদ আদান-প্রদানের ব্যাপারে কৃত্রিম উপগ্রহ এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। মহাশূন্যে কৃত্রিম উপগ্রহ স্থাপন করে সেখান থেকে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত করে এক দেশের সংবাদ বহু দূরে অন্য দেশে পাঠানো যাচ্ছে। বেতার ও টেলিভিশন অনুষ্ঠান পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে শোনা ও দেখা সম্ভব হচ্ছে। বর্তমানে এ উপায়ে এক দেশ থেকে অন্য দেশে টেলিফোনে কথাবার্তা বলা এবং টেলিভিশনে ছবি দেখা সম্ভব হচ্ছে। এরূপ কৃত্রিম উপগ্রহের সাহায্যেই চাঁদে নভোচারীদের পদচারণা বা অলিম্পিক খেলার দৃশ্য ও শব্দ পৃথিবীর নানা দেশের লোক এক সঙ্গে দেখতে ও শুনতে পাচ্ছে।
এছাড়াও বর্তমানে চাঁদের বিভিন্ন তথ্য ও ছবি কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে সংগ্রহ করা যাচ্ছে।
উপরের বর্ণনার আলোকে বলা যায়, পৃথিবী ও চাঁদের সাথে যোগাযোগের ক্ষেত্রে কৃত্রিম উপগ্রহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
