সৌরজগতের বাসযোগ্য একমাত্র গ্রহ হলো পৃথিবী। B গ্রহটি হলো পৃথিবী। আর পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ হলো চাঁদ। A হলো চাঁদ। গ্রহ ও উপগ্রহ যেভাবে সৃষ্টি হয় তা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের ধারণা নক্ষত্রের জন্মের সময় একেকটি গ্রহকে ঘিরে কয়েকটি মহাজাগতিক মেঘ আবর্তিত হয়। এরা নক্ষত্রের আকর্ষণে ঘনীভূত হয়ে অবশেষে জমাট বেঁধে গ্রহের জন্ম হয়। এভাবেই আবার গ্রহের চারপাশে জমা মহাজাগতিক মেঘ থেকে উপগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। এসব উপগ্রহ হলো প্রাকৃতিক উপগ্রহ।
দিনের বেলা আকাশের দিকে তাকালে আমরা সূর্যকে দেখতে পাই। রাতের মেঘমুক্ত আকাশ আমাদের বিস্মিত করে। রাতের আকাশে থাকে চাঁদ ও মিটমিট করে জ্বলা অসংখ্য তারা। এদের সৌন্দর্য আমাদের মুখ করে। আমাদের মাথার উপর রয়েছে অনন্ন আকাশ, সীমাহীন ফাঁকা জায়গা বা মহাকাশ। সূর্য, চাঁদ, গ্রহ, ভারা, মহাকাশ, হায়াগব, গ্যালাক্সি ইত্যাদি দেখা না দেখা সবকিছুকে নিয়ে মহাবিশ্ব। মহাবিশ্বের সকল কিছুকে বলা হয় নভোমণ্ডলীয় কস্তু। এই অধ্যারে আমরা মহাবিশ্ব নিম্নে আলোচনা করব।
এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-
• মহাকাশ এবং মহাবিশ্ব ব্যাখ্যা করতে পারব;
• প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম উপগ্রহ ব্যাখ্যা করতে পারব;
• উপগ্রহের কক্ষপথে চলার গতি ব্যাখ্যা করতে পারব;
• কৃত্রিম উপগ্রহের ব্যবহার ও গুরুত্ব বর্ণনা করতে পারব;
• কৃত্রিম উপগ্রহের অবদান উপলব্ধি করতে পারব।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
