মেধাশ্রম হলো মানসিক শ্রম অর্থাৎ আমরা যখন আমাদের চিন্তা, ভাবনা, জ্ঞান ইত্যাদি ব্যবহার করে কোনো কাজ করে থাকি তখন তাকে মেধাশ্রম বলা হয়।
মেধাশ্রম হলো মানুসিক শ্রম যা ছাড়া মানুষের জীবন অচল। আমরা প্রতিদিন যে কাজ করি তা করার জন্য শারীরিক ও মেধাশ্রম উভয়ই প্রয়োজন হয়। আধুনিক যুগে মেধাশ্রম ছাড়া কোনো উন্নয়ন সম্ভব নয়। এজন্য বলা যায় যে, মেধাশ্রম ছাড়া জীবন অচল।
উদ্দীপকে একজন ডাক্তার এবং তাঁর রোগীর মধ্যে কথোপকথনের চিত্র দেখা যাচ্ছে। এখানে 'ক' চিহ্নিত ব্যক্তি একজন ডাক্তার। ডাক্তারি পেশা মেধাশ্রমের পেশা। এ পেশায় ডাস্তার তাঁর মেধাশ্রমকে ব্যবহার করে জীবিকা নির্বাহ করেন।
ডাক্তার রোগীর লক্ষণগুলো চিহ্নিত করে রোগ নির্ণয় করেছেন। তারপর রোগের জন্য নির্দিষ্ট ওষুধ দিয়েছেন। এই পুরো প্রক্রিয়ায় ডাক্তার কোনো শারীরিক পরিশ্রম করেন না, তিনি তাঁর মেধাকে কাজে লাগিয়েছেন। এজন্য ডাক্তারের পরিশ্রমকে মেধাশ্রম বলা হয়ে থাকে।
চিত্রে 'ক' চিহ্নিত ব্যক্তি একজন চিকিৎসক। তিনি তাঁর মেধাশ্রমকে কাজে লাগিয়ে মানবসেবা করে থাকেন।
ডাক্তারের সেবা আমাদের জন্য অতান্ত প্রয়োজনীয়। আমরা যেকোনো ধরনের অসুখের সময় ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়ে থাকি। ডাক্তার তাঁর মেধা খাটিয়ে ওষুধ প্রয়োগ করে আমাদের সুদ্ধ করে তোলেন।
আমরা আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে মেধাশ্রমকে কাজে লাগিয়ে সফলতার ক্ষেত্রে আরও এক ধাপ এগিয়ে যেতে পারি। আমরা প্রতিনিয়ত যেসব সৃজনশীল কাজ করছি তা সবই মেধাশ্রমের ফসল। মেধাশ্রমের ফলেই বিজ্ঞানীরা এতসব প্রযুক্তিগত আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছেন এবং সভ্যতাকে এগিয়ে নিয়েছেন। এক কথায় বলা যায় আধুনিক যান্ত্রিক সভ্যতায় যা কিছু আবিষ্কৃত হয়েছে সবই মেধাশ্রমের ফসল।
আর তাই আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে মেধাশ্রমের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য।
Related Question
View All'আত্ম' অর্থ 'নিজ' আর 'মর্যাদা' অর্থ 'সম্মান'। অর্থাৎ আত্মমর্যাদা অর্থ নিজের প্রতি সম্মান।
আত্মমর্যাদাসম্পন্ন মানুষ বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝায় যে নিজের দায়িত্ব ও কর্তব্য যথাযথভাবে পালন করে থাকে। এছাড়া নিজের চারপাশ ও অবস্থান সম্পর্কে সচেতন থেকে সে অনুযায়ী কাজ করে। অন্যের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়। ন্যায় ও সঠিক কাজ করতে লজ্জাবোধ করে না।
রহিম মিয়ার কাজটি এক ধরনের সৃজনশীল কাজ।
সৃজনশীলতা হলো নতুন কিছু সৃষ্টি করা কিংবা বিদ্যমান কিছু নতুন আঙ্গিকে উপস্থাপন করা। সুতরাং বলা যায়, রহিম মিয়ার কাজের মধ্যে সৃজনশীলতার পরিচয় প্রকাশ পেয়েছে। নিত্য-নতুন ডিজাইন ও হরেক রকম লেখালেখির কাজই তার সৃজনশীলতার বহিঃপ্রকাশ অর্থাৎ এ ধরনের কাজ সৃজনশীলতার পরিচয় বহন করে।
তাই বলা যায় রহিম মিয়ার কাজটি সৃজনশীল কাজ।
রহিম মিয়া বন্ধুদের সাথে যৌথভাবে যে ব্যবসায় চালু করেছিল সেই ব্যবসায়ে কিছুদিন পর লোকসান হয়। এতে রহিম মিয়ার বন্ধুরা হাল ছেড়ে দিলেও রহিম মিয়া দমে যাননি। তিনি নতুন উদ্যমে তাঁর সুন্দর হাতের লেখা কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন ডিজাইন আঁকা ও সাইনবোর্ড লেখার কাজ শুরু করেন। অল্প দিনের মধ্যেই তিনি এই কাজে সফলতা লাভ করেন। রহিম মিয়ার এরূপ উদ্যোগ ও কর্মকান্ডের মধ্য দিয়ে তাঁর চরিত্রে সৃজনশীলতা, আত্মবিশ্বাস, আগ্রহ এবং পরিশ্রম করার মানসিকতার বৈশিষ্ট্যগুলো ফুটে উঠেছে। যার কারণে তিনি ব্যবসায়ে লোকসান হওয়ার পরেও সৃষ্টিশীল কাজের বিনিময়ে ব্যবসায়িক সফলতা লাভ করেন। তাঁর এ সফলতার মূলে রয়েছে কর্মগুণ এবং চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য যা তাঁকে সফলতার দ্বারপ্রান্তে পৌছে দিয়েছে। অতএব বলা যায়, রহিম মিয়ার চারিত্রিক বৈশিস্টাই তাঁর সাফল্যের চাবিকাঠি।
সৃজনশীলতা হলো নতুন কোনোকিছু সৃষ্টি করা অথবা নতুনভাবে করা।
মানুষের ভেতর লুকিয়ে থাকা প্রতিভাকে জাগ্রত করার জন্য সৃজনশীলতার প্রয়োজন রয়েছে। কারণ প্রত্যেক মানুষের মধ্যে কিছু কিছু সৃজনশীল উপাদান রয়েছে। যেমন- ছবি আঁকা, কবিতা লেখা প্রভৃতি। সুজনশীলতার প্রকাশ ঘটলে মানুষের মানস্তাত্ত্বিক উন্নতি ঘটে। তাই সৃজশীলতা আমাদের জন্য প্রয়োজনীয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
