নিচের চিত্রটি লক্ষ কর: 

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

যেসব জ্যোতিষ্কের নিজস্ব আলো আছে তাদের নক্ষত্র বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে নিজ অক্ষে সর্বদা পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে আবর্তিত হচ্ছে। একবার আপন অক্ষে ঘুরতে পৃথিবীর সময় লাগে ২৪ ঘণ্টা বা একদিন। পৃথিবীর আবর্তনে দিবারাত্রি সংঘটিত হয় বিধায় এ গতিকে দৈনিক গতি বা আহ্নিক গতি বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের চিত্রটি হলো চাঁদের দশা পরিবর্তন। নিচে চাঁদের দশা পরিবর্তনের কারণ ব্যাখ্যা করা হলো-

চাঁদ ২৭ দিন ৮ ঘণ্টায় একবার পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে। চাঁদ পৃথিবীর চারপাশে ঘুরতে ঘুরতে একসময় চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে চলে আসে। এই রাতে আমরা চাঁদকে একেবারেই দেখতে পাই না। যাকে আমরা অমাবস্যা বলি। তার পরের রাতে সরু একফালি চাঁদ পশ্চিম আকাশে অল্প সময়ের জন্য দেখা যায়, যা প্রতিরাতে বড় হতে থাকে। দুই সপ্তাহ পর চাঁদকে একটি থালার মতো দেখায় যাকে আমরা পূর্ণিমা বলি। পূর্ণিমার পরের রাত থেকে চাঁদ আবার ছোট হতে থাকে। এভাবে ছোট হতে হতে আবার দুই সপ্তাহ পর চাঁদকে কোনো এক রাতে একবারের জন্যও দেখা যায় না। এ পরিবর্তনটি পর্যায়ক্রমিক ঘটে ফলে ২৯ বা ৩০ দিন পর চাঁদ যখন এর পরিক্রমা শেষ করে তখন চন্দ্রমাস পূর্ণ হয়। চন্দ্র মাসের প্রতিদিন চাঁদের এই পর্যায়ক্রমিক
অবস্থার পরিবর্তনই হলো চাঁদের দশা পরিবর্তন

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবী সূর্যের একটি গ্রহ। আর চাঁদ হলো পৃথিবীর একটি উপগ্রহ। সূর্যকে কেন্দ্র করে আবর্তনশীল গ্রহ এবং গ্রহকে কেন্দ্র করে আবর্তনশীল উপগ্রহের কারোরই নিজস্ব আলো ও উত্তাপ নেই। যেহেতু চাঁদ পৃথিবীর উপগ্রহ তাই চাঁদেরও নিজস্ব কোনো আলো নেই। সূর্যের আলো দ্বারা চাঁদ আলোকিত হয়। আর এ সূর্যের আলো প্রতিফলিত হয়ে আমাদের কাছে পৌঁছায় বলে আমরা চাঁদকে উজ্জ্বল দেখি। আবার চাঁদ পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করার এক পর্যায়ে যখন চাঁদ, সূর্য ও পৃথিবী একই মেরুরেখায় অবস্থান করে সে সময় সূর্যের আলো চাঁদের পৃষ্ঠে পড়লে অপর পৃষ্ঠ আমরা অন্ধকার দেখি, আমরা একে অমাবস্যা বলি। কিন্তু চাঁদ পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করার পরবর্তী পর্যায়ে এর আলোকিত অংশের অংশবিশেষ পৃথিবীর দিকে চলে আসে। এ থেকেই প্রমাণ হয় যে, চাঁদের নিজস্ব কোনো আলো নেই।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
85

আমাদের বাসভূমি পৃথিবী, অন্য সাতটি গ্রহ এবং আরও কিছু জ্যোতিষ্ক সূর্যকে কেন্দ্র করে সব সময় ঘুরছে। সূর্য এবং একে কেন্দ্র করে ঘূর্ণায়মান সকল জ্যোতিষ্ক ও ফাঁকা জায়গা নিয়ে আমাদের সৌরজগত গঠিত। সৌরজগতের বেশির ভাগ জায়গাই ফাঁকা। আমাদের এই পৃথিবী দুই ভাবে ঘুরছে। পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর পাক খাচ্ছে আবার সূর্যকে কেন্দ্র করে এক বছরে একবার ঘুরে আসছে। পৃথিবীর এই দুই ধরনের ঘোরার ফলেই যথাক্রমে দিন-রাত হয়, এবং ঋতু পরিবর্তিত হয়।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা

  • সৌরজগতের গঠন ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • সৌরজগতের সদস্যদের ভৌত বৈশিষ্ট্য তুলনা করতে পারব।
  • সৌরজগতের গঠন কাঠামোর চিত্র অঙ্কন করতে পারব।
  • পৃথিবী ঘূর্ণনের প্রভাব এবং এর ফলে সৃষ্ট ফলাফল ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • জীবজগতে পৃথিবীর ঘূর্ণনের প্রভাব উপলব্ধি করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

পৃথিবী নিজ অক্ষের উপর কেন্দ্র করে ২৪ ঘণ্টায় একবার পশ্চিম থেকে পূর্বে আবর্তন করাই আহ্নিক গতি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
227
উত্তরঃ

জুনের মাঝামাঝি সময়ে বাংলাদেশ সূর্যের কিছুটা কাছে চলে আসে। তাই এ সময়ে সূর্যকে আমরা মাথার উপরে দেখতে পাই। এই সময়ে দিন সবচেয়ে বড় ও রাত সবচেয়ে ছোট হয়। খাড়াভাবে এবং দীর্ঘ সময় সূর্যের তাপ পাওয়ার কারণে এই সময়টিতে এবং এর কাছাকাছি সময়ে বাংলাদেশে বেশ গরম পড়ে। তবে মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে এই সময়ে বাংলাদেশে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
459
উত্তরঃ

২১ ডিসেম্বর দক্ষিণ গোলার্ধে রাত সবচেয়ে ছোট এবং দিন সবচেয়ে বড় হয়। উদ্দীপকের চিত্রে আমরা দেখি যে, ২১ ডিসেম্বর দক্ষিণ গোলার্ধের একটি অংশ সূর্যের দিকে মুখ করে থাকে। ফলে সূর্য তখন দক্ষিণ গোলার্ধে খাড়াভাবে কিরণ দেয়। অতএব ২১ জুন ও এর কাছাকাছি সময়ে উত্তর গোলার্ধে যেরূপ সর্বাপেক্ষা অধিক উষ্ণ হয় ২১ ডিসেম্বরও এর কাছাকাছি সময়ে দক্ষিণ গোলার্ধে সেইরূপ সর্বাপেক্ষা অধিক উষ্ণ হয়। অতএব ২১ ডিসেম্বর দক্ষিণ গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল এবং এর বিপরীত কারণে উত্তর গোলার্ধে শীতকাল থাকে। তাই বলা যায়, ২১ ডিসেম্বর দক্ষিণ গোলার্ধে রাত সবচেয়ে ছোট এবং দিন সবচেয়ে বড় হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
1.7k
উত্তরঃ

উত্তর গোলার্ধে ৩০ ডিসেম্বর দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য কেমন হবে তা যুক্তিসহ নিচে উপস্থাপন করা হলো-

পৃথিবীর বিষুব রেখার দুই পার্শ্বকে দুটি গোলার্ধে ভাগ করা হয়। উত্তর অংশকে বলে উত্তর গোলার্ধ। পৃথিবী সূর্যের চারপাশে কিছুটা হেলে প্রদক্ষিণ করে। তবে পৃথিবী বছরের বিভিন্ন সময়ে তার হেলানো অবস্থার পরিবর্তন করে। ২৩ সেপ্টেম্বরের পর উত্তর মেরু সূর্য থেকে দূরে সরে যেতে থাকে আর দক্ষিণ মেরু তখন নিকটবর্তী হয়। এমতাবস্থায় উত্তর গোলার্ধে দিনের পরিমাণ কমতে থাকে এবং রাত্রি বড় হতে থাকে। ২১ ডিসেম্বর দক্ষিণ গোলার্ধের একটি অংশ সূর্যের দিকে মুখ করে থাকে আর তখন বাংলাদেশ সূর্য থেকে দূরে অবস্থান করে। তাই তখন বাংলাদেশে দিন ছোট হয় এবং রাত বড় হয়। অর্থাৎ ২১ ডিসেম্বর পৃথিবী এমন এক অবস্থানে পৌঁছে যখন উত্তর গোলার্ধে সূর্য থেকে অনেক দূরে অবস্থান করে। ফলস্বরূপ বলা যায়, উত্তর গোলার্ধে ৩০ ডিসেম্বর দিনের দৈর্ঘ্য ছোট হয় এবং রাতের দৈর্ঘ্য বড় হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
486
উত্তরঃ

প্লুটো নামক জ্যোতিষ্কটিকে পূর্বে গ্রহ বলা হতো। কিন্তু এটি একটি ক্ষুদ্র ও অসম্পূর্ণ গ্রহ। গ্রহের নিজস্ব কক্ষপথ থাকে। কিন্তু প্লুটোর নিজস্ব কোনো কক্ষপথ নেই। তাই ২০০৯ সালে বিজ্ঞানীরা সিদ্ধান্ত নেন যে প্লুটো সৌরজগতের সদস্য নয়। তাই প্লুটোকে সৌরজগতের সদস্য ধরা হয় না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
648
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews