রাজপুঁটি মাছের অপর নাম থাই সরপুঁটি।
মৃগেল মাছের বৈশিষ্ট্য হলো-
১. মাথা দেহের তুলনায় ছোট।
২. মুখ কিছুটা নিচের দিকে।
৩. দেহ লম্বাটে, নিচের অংশ লম্বালম্বি সোজা।
৪. মুখের দুই পাশে দুই জোড়া শুড় আছে।
চিত্রের-১ নং মাছের নাম কাতলা এবং ২নং মাছের নাম রূপচাদা। নিচে এদের পার্থক্য উপস্থাপন করা হলো-
| কাতলা | রূপচাঁদা |
| ১. এটি স্বাদু পানির মাছ। ২. এটি চাষযোগ্য মাছ। ৩. এ মাছের আকৃতি বড়। ৪. কৃত্রিমভাবে এ মাছের পোনা উৎপাদন করা যায়। | ১. এটি লোনা পানির মাছ। ২. এটি চাষযোগ্য নয়। ৩. এ মাছের আকৃতি কাতলা মাছের চেয়ে ছোট। ৪. শুধুমাত্র প্রাকৃতিকভাবেই এ মাছের পোনা উৎপাদন হয়। |
যেসব মাছ দ্রুত বর্ধনশীল, সহজে পোনা পাওয়া যায়, পুকুরের সকল স্তর থেকে খাদ্য গ্রহণ করে, বেশি সংখ্যায় পুকুরে ছাড়া যায় এবং মিশ্রভাবে চাষ করা যায়- সেগুলো পুকুরে চাষের জন্য উপযোগী। চিত্রের ১নং মাছটি অর্থাৎ কাতলা মাছ এসব বৈশিষ্ট্যের অধিকারী হওয়ায় কাতলা মাছ পুকুরে চাষের জন্য খুবই উপযোগী। পক্ষান্তরে চিত্র- ২ এর রূপচাঁদা মাছটি এসব বৈশিষ্ট্যের অধিকারী নয়। এ মাছটি শুধুমাত্র সমুদ্রের লোনা পানিতেই প্রাকৃতিকভাবে জন্মায়। সুতরাং চিত্র-১ এর কাতলা মাছটিই পুকুরে চাষের জন্য বেশি উপযোগী।
Related Question
View Allবসতবাড়ির আশপাশের উঁচু জমিতে বাগান করে যে ফুল, ফল,, শাকসবজি ইত্যাদি ফলানো হয় তাকে উদ্যান ফসল বলে।
লালশাকের বীজ অত্যন্ত ছোট বলে সঠিকভাবে বপন করা যায় না। তাই বপনের সময়ে বীজ যাতে সব জায়গায় সমভাবে পড়ে তা নিশ্চিত করার জন্য বীজের সাথে বালি বা ছাই মিশিয়ে নেওয়া হয়।
রওশন আরার টমেটো চাষের জমির পরিমাণ ৩ শতাংশ।
আমরা জানি,
১ শতাংশ জমিতে গোবর সার লাগে ৩০ – ৫০ কেজি
৩ শতাংশ জমিতে গোবর সার লাগবে (৩০-৫০) ৩
= ৯০ – ১৫০ কেজি
সুতরাং ৯০ – ১৫০ কেজি গোবর সার প্রয়োগ করেছিল।
একজন পূর্ণ বয়স্ক ব্যক্তির দৈনিক ২৭৫ গ্রাম শাকসবজি খাওয়া উচিত। অথচ বেশিরভাগ মানুষই অর্থ ও সচেতনতার অভাবে এ চাহিদা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়। আমাদের প্রত্যেকের বাড়ির পাশে কিছু না কিছু খালি জায়গা পড়ে থাকে। আমরা যদি এ খালি জায়গায় নানা রকম শাকসবজি চাষ করি তবে খুব সহজেই আমরা আমাদের প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় পুষ্টি চাহিদা পূরণ করতে পারি। অথচ শুধুমাত্র উদ্যোগের অভাবে আমরা এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। যেমন উদ্যোগ নিয়েছেন রওশন আরা। তার শাকসবজি চাষের উদ্যোগটি তার পরিবারের পুষ্টি চাহিদা পূরণে যথেষ্ট হবে। অধিকন্তু অতিরিক্ত সবজি বিক্রি করে সে টাকা দিয়ে তিনি নানা রকম ফল ক্রয় করতে পারেন। যা তার পরিবারের সদস্যদের দৈনিক ফলের চাহিদাও পূরণ করবে।
অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে পারিবারিক খাদ্য ও পুষ্টি চাহিদা পূরণে রওশন আরার উদ্যোগটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
যে সকল মাছের পোনা সহজলভ্য, তাড়াতাড়ি বাড়ে, পুষ্টিমান ভালো ও খেতে সুস্বাদু সেসব মাছকেই চাষযোগ্য মাছ বলে ।
বাজারে মাছের চাহিদা প্রচুর। তাই যে কেউ মাছ চাষ করে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে পারে। একই সাথে দেশীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
