নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দিন :

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

সমাস হলো এমন একধরনের শব্দ যা দুটি অথবা ততোধিক পূর্ববর্তী শব্দের যোগফলে গঠিত হয়েছে এবং একই সময়ে ঐ শব্দগুলির অসমর্থনকে দূর করে। সমাসের মাধ্যমে শব্দগুলির যোগফল একটি নতুন শব্দ তৈরি করে তাকে বলা হয় সমাস। এখানে কিছু সমাস এবং তাদের উদাহরণ দেওয়া হলো:

দ্বিনিম্নগুণ সমাস (বহুবচনার সমাস):

  • উদাহরণ: বাগধারা (বাগ + ধারা)
  • এখানে "বাগ" এবং "ধারা" দুইটি পূর্ববর্তী শব্দ, এবং এই দুটি শব্দের মাঝের বিন্দুতে একটি নতুন শব্দ "বাগধারা" গঠিত হয়েছে।

বাহ্যিক সমাস (বাহ্যিক যোগগুলির সমাস):

  • উদাহরণ: হাতকড়ি (হাত + কড়ি)
  • এখানে "হাত" এবং "কড়ি" দুইটি পূর্ববর্তী শব্দ, এবং এই দুটি শব্দের মাঝের বিন্দুতে একটি নতুন শব্দ "হাতকড়ি" গঠিত হয়েছে।

কর্মধারয় সমাস (কর্মধারযোগের সমাস):

  • উদাহরণ: পুস্তকপাঠ (পুস্তক + পাঠ)
  • এখানে "পুস্তক" এবং "পাঠ" দুইটি পূর্ববর্তী শব্দ, এবং এই দুটি শব্দের মাঝের বিন্দুতে একটি নতুন শব্দ "পুস্তকপাঠ" গঠিত হয়েছে।

বহুব্রীহি সমাস (অনেকগুলি ব্রীহি শব্দের যোগগুলির সমাস):

  • উদাহরণ: মহাভারত (মহা + ভারত)
  • এখানে "মহা" এবং "ভারত" দুইটি পূর্ববর্তী শব্দ, এবং এই দুটি শব্দের মাঝের বিন্দুতে একটি নতুন শব্দ "মহাভারত" গঠিত হয়েছে।

বাহ্যিক সমাস (বাহ্যিক যোগগুলির সমাস):

  • উদাহরণ: দূরদর্শন (দূর + দর্শন)
  • এখানে "দূর" এবং "দর্শন" দুইটি পূর্ববর্তী শব্দ, এবং এই দুটি শব্দের মাঝের বিন্দুতে একটি নতুন শব্দ "দূরদর্শন" গঠিত হয়েছে।
Atiqur Rahman
Atiqur Rahman
2 years ago
উত্তরঃ

সূচীপত্র = সূচিপত্র

Partho
Partho
2 years ago
উত্তরঃ

বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী আপনার দেওয়া শব্দগুলোর ভুল বানান এবং তার কারণ নিচে আলোচনা করা হলো:

১. সূচীপত্র:

সঠিক বানান: সূচি (চি) পত্র

কারণ: বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান রীতি অনুযায়ী, তৎসম শব্দে ই-কারান্ত বা উ-কারান্ত শব্দ বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত না হলে সেটি হ্রস্ব রূপে ব্যবহৃত হয়।

২. কাৰ্য্যালয়:

সঠিক বানান: কার্যালয়

কারণ: "কার্য" একটি তৎসম শব্দ। বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান অনুযায়ী, তৎসম শব্দের বানানে সাধারণত পরিবর্তন হয় না।

৩. কৃতীত্ব:

সঠিক বানান: কৃতিত্ব

কারণ: বানানের শেষে ঈ-কার হবে না।

৪. ক্ষিদে:

সঠিক বানান: খিদে

কারণ: এটি একটি আঞ্চলিক বা কথ্য শব্দ, প্রমিত বানানে "ক্ষ" এর পরিবর্তে "খ" ব্যবহৃত হয়।

৫. ফরিয়াদী:

সঠিক বানান: ফরিয়াদি

কারণ: শব্দটির শেষে ঈ-কার ব্যবহার না হয়ে ই-কার হবে।

৬. শুভঙ্কর:

সঠিক বানান: শুভংকর

কারণ: বানানে সাধারণত পরিবর্তন হয় না।

উত্তরঃ

শব্দটির শুদ্ধ বানান কৃতিত্ব। ইন-প্রত্যয়ান্ত শব্দ 'কৃতী'-এর সাথে 'ত্ব' প্রত্যয় যুক্ত হওয়ায় প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী দীর্ঘই-কার (ী) পরিবর্তিত হয়ে হ্রস্বই-কার (ি) হয়।


বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, যেসব শব্দের শেষে দীর্ঘই-কার (ী-কার) রয়েছে (ইন-প্রত্যয়ান্ত শব্দ), সেগুলোর সাথে 'ত্ব', 'তা', 'নী', 'সভা', 'পরিষদ', 'জগত' ইত্যাদি প্রত্যয় বা শব্দ যুক্ত হলে পূর্বপদের দীর্ঘই-কার (ী) হ্রাস পেয়ে হ্রস্বই-কার (ি) হয়।

      
  • শব্দ বিশ্লেষণ: কৃতী + ত্ব = কৃতিত্ব। (এখানে 'কৃতী' শব্দের দীর্ঘই-কার 'ত্ব' প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার পর হ্রস্বই-কারে পরিণত হয়েছে)।
  •   
  • একই নিয়মের আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ:     
            
    • প্রতিযোগী + তা = প্রতিযোগিতা
    •       
    • মন্ত্রী + ত্ব = মন্ত্রিত্ব
    •       
    • স্থায়ী + ত্ব = স্থায়িত্ব
    •       
    • সহযোগী + তা = সহযোগিতা
    •       
    • উপযোগী + তা = উপযোগিতা
    •     
      
Satt AI
Satt AI
2 days ago
উত্তরঃ

কেবল প্রতিযোগীরাই মঞ্চে আসবে 

Partho
Partho
2 years ago
উত্তরঃ তুমি সাক্ষ্য দেওয়ায় অপরাধীর আমরণ কারাদণ্ড হলো।

প্রদত্ত বাক্যটিতে দুটি প্রধান ব্যাকরণগত ভুল রয়েছে:

      
  • শব্দপ্রয়োগজনিত ভুল: 'স্বাক্ষী' শব্দটি 'স্বাক্ষর' (দস্তখত) থেকে এসেছে, যার অর্থ স্বাক্ষরকারী। কিন্তু আদালতে জবানবন্দি বা প্রমাণ পেশ করার ক্ষেত্রে সঠিক শব্দ হলো 'সাক্ষ্য'। তাই 'স্বাক্ষী দেওয়া'-র পরিবর্তে 'সাক্ষ্য দেওয়া' হবে।
  •   
  • বাহুল্য বা পুনরুক্তি দোষ: 'আমরণ' অব্যয়ীভাব সমাসবদ্ধ শব্দ, যার অর্থ 'মরণ পর্যন্ত'। ফলে 'আমরণ' শব্দটির পর পুনরায় 'পর্যন্ত' ব্যবহার করলে বাক্যটিতে বাহুল্য দোষ বা পুনরুক্তি দোষ ঘটে। তাই 'আমরণ পর্যন্ত'-এর বদলে কেবল 'আমরণ' অথবা 'আমৃত্যু' লিখতে হবে।

অতএব, সঠিক ও শুদ্ধ বাক্যটি হবে: তুমি সাক্ষ্য দেওয়ায় অপরাধীর আমরণ কারাদণ্ড হলো। (অথবা: তুমি সাক্ষ্য দেওয়ায় অপরাধীর আমৃত্যু কারাদণ্ড হলো।)

Satt AI
Satt AI
2 days ago
উত্তরঃ তার কনিষ্ঠা কন্যা দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত।

ব্যাখ্যা:

প্রদত্ত বাক্যটিতে ব্যাকরণগত ভুল রয়েছে:

      
  • আতিশয্যজনিত ভুল (বাহুল্য দোষ): 'কনিষ্ঠ' শব্দটির অর্থই হলো 'সবচেয়ে ছোট'। তাই 'কনিষ্ঠ' শব্দের সাথে পুনরায় 'তম' প্রত্যয় যুক্ত করে 'কনিষ্ঠতম' লেখা আতিশয্যজনিত অশুদ্ধি বা বাহুল্য দোষের অন্তর্ভুক্ত।
  •   
  • লিঙ্গ সংক্রান্ত প্রয়োগ: 'কন্যা' শব্দটি স্ত্রীবাচক বিশেষ্য। তাই এর পূর্বে ব্যবহৃত বিশেষণটি স্ত্রীবাচক রূপ 'কনিষ্ঠা' হওয়া অধিক সংগত।

অতএব, বাক্যটির সঠিক ও শুদ্ধ রূপ হলো: তার কনিষ্ঠা কন্যা দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত।

Satt AI
Satt AI
2 days ago
উত্তরঃ আর আমার বাঁচিবার সাধ নাই।

প্রদত্ত বাক্যটিতে 'স্বাদ' শব্দের ভুল ব্যবহারের কারণে বাক্যটি অশুদ্ধ হয়েছে। সঠিক শব্দটি হবে 'সাধ'।

        
  • স্বাদ: শব্দটির অর্থ হলো জিহ্বা দ্বারা গৃহীত অনুভূতি, রস বা আস্বাদন (Taste)। যেমন: আমটির স্বাদ খুব মিষ্টি।
  •     
  • সাধ: শব্দটির অর্থ হলো ইচ্ছা, বাসনা, আকাঙ্ক্ষা বা অভিলাষ (Desire/Wish)। যেমন: তার কবি হওয়ার সাধ আছে।

আলোচ্য বাক্যে জীবন ধারণের ইচ্ছা বা আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করা হয়েছে। তাই 'স্বাদ' শব্দের জায়গায় 'সাধ' ব্যবহার করে বাক্যটি শুদ্ধ করতে হবে।

Satt AI
Satt AI
2 days ago
উত্তরঃ

নিরোগ লোক প্রকৃত অর্থেই সুখী।

MD ZAKARIA
MD ZAKARIA
2 years ago
উত্তরঃ

ক্লাস চলাকালীন 'ইউনিফর্ম' ছাড়া অন্য পোশাক পরা নিষেধ।


প্রদত্ত বাক্যটিতে দুটি প্রধান অশুদ্ধি রয়েছে:

        
  • বাহুল্যজনিত অশুদ্ধি: 'চলাকালীন' শব্দের মধ্যেই 'কাল' বা 'সময়' অর্থটি নিহিত রয়েছে। ফলে 'চলাকালীন সময়ে' বললে একই অর্থ প্রকাশে শব্দের দ্বিরুক্তি বা বাহুল্য দোষ ঘটে। তাই সঠিক রূপ হবে কেবল 'চলাকালীন' অথবা 'ক্লাসের সময়ে'।
  •     
  • বানান ও শব্দপ্রয়োগগত অশুদ্ধি: পোষাক পরিধান করা অর্থে 'পরা' ('র' দিয়ে) ব্যবহৃত হয়। পক্ষান্তরে, 'পড়া' ('ড়' দিয়ে) বলতে কোনো কিছু পাঠ করা (যেমন: বই পড়া) বা নিচে পতিত হওয়া বোঝায়।
Satt AI
Satt AI
2 days ago
উত্তরঃ কাহাকেও ব্যতিব্যস্ত বা হয়রান করা, বা নিজের ইশারায় নাচানো।

'লেজে খেলানো' একটি বাংলা প্রবাদ, যার আভিধানিক অর্থ হলো কোনো ব্যক্তিকে ক্রমাগত বিরক্ত করা, হয়রান করা বা নিজেদের ইচ্ছামতো পরিচালনা করা। এই প্রবাদটি সাধারণত এমন পরিস্থিতিতে ব্যবহৃত হয় যখন একজন ব্যক্তি অন্য কারো উপর সম্পূর্ণ আধিপত্য বিস্তার করে এবং তাকে নিজেদের মর্জিমাফিক কাজ করিয়ে নিতে সক্ষম হয়। এটি সাধারণত নেতিবাচক অর্থে ব্যবহৃত হয়, যেখানে একজন ক্ষমতাবান ব্যক্তি তার প্রভাব খাটিয়ে অন্যকে তার ইচ্ছেমতো নাচায় বা অস্থির করে তোলে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

একই পরিশ্রমে বা একই সঙ্গে দুটি কাজ সম্পাদন করা বা দুটি উদ্দেশ্য সফল করা।


রথ দেখা কলা বেচা প্রবাদটির নিহিতার্থ হলো, একই সময়ে একটি কাজ করার মাধ্যমে দুটি ভিন্ন উদ্দেশ্য বা ফল লাভ করা। এটি এমন একটি পরিস্থিতিকে বোঝায় যেখানে একজন ব্যক্তি একটি নির্দিষ্ট কাজ করতে গিয়ে তার পাশাপাশি অন্য একটি কাজও সেরে ফেলেন, যা তাকে দ্বৈত সুবিধা প্রদান করে। যেমন, কোনো উৎসব দেখতে গিয়ে একই সাথে ব্যবসার কাজও সেরে ফেলা। এই প্রবাদটি সাধারণত দক্ষতা, সময়োপযোগিতা এবং বিচক্ষণতার পরিচায়ক, যেখানে সীমিত সম্পদ বা প্রচেষ্টায় সর্বোচ্চ ফল লাভের চেষ্টা করা হয়।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
উত্তরঃ নিজের জিনিস বা সম্পদ ব্যবহার করে নিজের প্রয়োজন মেটানো বা নিজের উপায় দ্বারা কাজ সিদ্ধ করা।

এই প্রবাদটির মাধ্যমে বোঝানো হয় যে, কোনো ব্যক্তি বা পক্ষ তার নিজস্ব সম্পদ, উপায় বা ক্ষমতা ব্যবহার করে নিজের প্রয়োজন মেটায় বা নিজের উদ্দেশ্য সাধন করে। এটি স্বাবলম্বিতা এবং বিচক্ষণতার পরিচয় বহন করে, যেখানে বাইরের সাহায্যের অপেক্ষা না করে উপলব্ধ উপকরণ দিয়েই সমস্যার সমাধান করা হয়। যেমন, কৈ মাছের নিজের শরীর থেকে বের হওয়া সামান্য তেল দিয়েই সেই মাছ ভাজা যায় – এর অর্থ হলো, বাইরের কোনো উপকরণের প্রয়োজন নেই, নিজের থেকেই সব ব্যবস্থা করা সম্ভব।

Satt AI
Satt AI
4 weeks ago
উত্তরঃ

বাক্যের শ্রেণিবিভাগ সংজ্ঞার্থ ও উদাহরণ নিচে দেওয়া হলো:

সংজ্ঞার্থক বাক্য (বর্ণনামূলক):

  • সংজ্ঞার্থক বাক্য হলো এমন বাক্য যার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে কিছু বর্ণনা করা।
  • উদাহরণ: বইমেলা একটি উপকরণ।

উপমৌক বাক্য (ঘটনার বর্ণনা):

  • উপমৌক বাক্যে কোন ঘটনা, ঘটনার বর্ণনা বা বৃত্তান্ত থাকে।
  • উদাহরণ: রমা বাজারে গিয়ে আম কিনতে আসছে।

সাধারণ বাক্য (উপমৌলক বা সাধারণ কিছু বলার জন্য):

  • এই বাক্যে কোন ঘটনা বা সংভাষণ নেই, এবং মূলত কিছু সাধারিতা বা সাধারণ কিছু বলার জন্য ব্যবহৃত হয়।
  • উদাহরণ: আমি পড়ছি।

কাজের বাক্য (কোন কাজ বা ক্রিয়ার সাথে):

  • এই বাক্যে কোন কাজ বা ক্রিয়ার সাথে সম্পর্কিত তথ্য থাকে।
  • উদাহরণ: সোনার বাংলা দিবসটি পৌরাণিকভাবে উৎসব করা হয়।

অভিধান বা শব্দকোষের বাক্য (শব্দের সংদর্শন অর্থ দেওয়ার জন্য):

  • এই বাক্যে কোন শব্দ বা শব্দগুলির সংদর্শন অর্থ দেওয়ার জন্য একটি বাক্য থাকে।
  • উদাহরণ: "প্রতিবন্ধী" শব্দের বাংলা অর্থ হলো অপেক্ষাকৃত বা সহিত যে ব্যক্তি বা পবিত্র স্থানের মুখ্যকর্মী থাকে।
Atiqur Rahman
Atiqur Rahman
2 years ago
154

Related Question

View All
(৩)

সারাংশ লিখুন:

যে সমাজে বহু ব্যক্তির মানসিক যৌবন আছে, সেই সমাজেরই যৌবন আছে। মানসিক যৌবনকে স্থায়ী করতে হলে শৈশব নয়, বার্ধক্যের দেশ আক্রমণ এবং অধিকার করতে হয়। দেহের যৌবনের অন্তে বার্ধক্যের রাজ্যে যৌবনের অধিকার বিস্তার করবার শক্তি আমরা সমাজ হতেই সংগ্রহ করতে পারি। ব্যক্তিগত জীবনে ফাল্গুন একবার চলে গেলে আবার ফিরে আসে না; কিন্তু সমগ্র সমাজে ফাল্গুন চিরদিন বিরাজ করছে। সমাজে নূতন প্রাণ, নূতন মন নিত্য জন্মলাভ করছে। অর্থাৎ নূতন সুখ দুঃখ, নূতন আশা, নূতন ভালোবাসা, নূতন কর্তব্য ও নূতন চিন্তা নিত্য উদয় হচ্ছে। সমগ্র সমাজের এই জীবন-প্রবাহ যিনি নিজের অন্তরে টেনে নিতে পারবেন, তার মনের যৌবনের আর ক্ষয়ের আশঙ্কা নেই। এবং তিনিই আবার কথায় ও কাজে সেই যৌবন সমাজকে ফিরিয়ে দিতে পারবেন।

উত্তরঃ

যে সমাজে বহু মানুষের মন তারুণ্যে ভরপুর, সেই সমাজ চিরযৌবনা। মনের এই তারুণ্য ধরে রাখতে হলে বার্ধক্যকে জয় করতে হয়। দেহের তারুণ্য শেষ হলেও সমাজের কাছ থেকে আমরা বার্ধক্যের রাজ্যে যৌবনের অধিকার প্রতিষ্ঠার শক্তি পাই। ব্যক্তিগত জীবনে ফাল্গুন বারবার না এলেও সমাজে নতুন জীবন, নতুন মন, নতুন আশা, ভালোবাসা ও চিন্তার জন্ম হয় প্রতিনিয়ত। যে ব্যক্তি সমাজের এই জীবনধারা নিজের মধ্যে ধারণ করতে পারে, তার মনের যৌবন কখনো মলিন হয় না। বরং, সে তার কর্ম ও কথায় সেই তারুণ্য সমাজকে ফিরিয়ে দিতে সক্ষম হয়।

1.5k
উত্তরঃ

বাংলা সাহিত্যে চর্যাপদ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে কারণ এই শৃঙ্গার সাহিত্যে মানব জীবন, মানব সম্পর্ক, এবং ভাবনার বিশেষ দিক উপস্থাপন করে। চর্যাপদ বা শৃঙ্গার সাহিত্যের মাধ্যমে লেখকরা মানবকে একে অপরের সাথে জড়িত করার চেষ্টা করে, সাহিত্যিক ভাবনা এবং ভাষার মাধ্যমে ভারতীয় সমাজের সম্পর্কে বিশেষ পরিকল্পনা প্রদান করে।

চর্যাপদ বা শৃঙ্গার সাহিত্যে ভাষা, ভাবনা, এবং কল্পনা একই সঙ্গে একত্র হয়ে সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়, এবং এটি লেখকের ভাবনা এবং বিশেষ ভাবে যোগান্তর করে। এটি মানব প্রেম, রোমান্টিক আবেগ, সৃষ্টিতত্ত্ব, সুন্দরতা, প্রাকৃতিক বৃদ্ধি, এবং সাধারণ মানব জীবনের অমুক দিক আলোচনা করতে সক্ষম। চর্যাপদ ভাষার সৌন্দর্য্য, সংগতি, এবং সমৃদ্ধির মাধ্যমে পাঠকদের মাধ্যমে অভিজ্ঞান করার জন্য এক অদৃশ্য দৃষ্টিকোণ সৃষ্টি করতে সক্ষম।

চর্যাপদের সাহিত্যিক উপাদানগুলি সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক অধ্যয়নে ব্যবহৃত হয়ে থাকে, এবং এটি সমাজের অধিকাংশ মানুষের জীবনে প্রকাশ করা হয়ে থাকে। এটি ভাষা ও সাহিত্যের প্রতি অভিরুচি, রুচি, এবং সংবাদের সঙ্গে একইভাবে সম্পর্কিত, এবং এর মাধ্যমে চরিত্র, ভাষা, এবং সমাজের বিভিন্ন দিক অনুসন্ধান করা হয়।

চর্যাপদ একটি সংক্ষেপমূলক, সুসংবাদ এবং অসাধারণ সাহিত্যিক উপাদান যা বাংলা সাহিত্যে একটি অমূল্য সম্পত্তি হিসেবে পরিচিত।

Atiqur Rahman
Atiqur Rahman
2 years ago
উত্তরঃ

"অন্ধকার যুগ" বাংলা সাহিত্যে একটি গভীর এবং উদার প্রয়াস, যা সময়ের মোড়ে আসার প্রথম দিকে আত্ম-সচেতনতা এবং জনসাধারণের জীবনের বিভিন্ন দিক উপস্থাপন করতে কাজ করেছে। এই প্রয়াসের মাধ্যমে, লেখকরা সমাজের সমস্যা এবং অস্তিত্বের সম্পর্কে আলোচনা করে, আলোচনার মাধ্যমে প্রকাশ করে এবং সমাজের চেতনা উত্তরাধিকার করতে চেষ্টা করেছে।

"অন্ধকার যুগ" হয়তো সৃষ্টি হয়েছিল বিশেষভাবে 20শ শতাব্দীর দশকে, যখন সমাজে বিভিন্ন সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ উত্থান করতে আরও বেড়ে গেছিল। এই যুগে বিশ্বের বৃহত্তম সাহিত্যিকরা, ভারতের সাহিত্যিক জগতের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলেও, এখানে অতি গভীর ও সংঘর্ষবাদী আবেগ থাকায় তারা সমস্যাগুলি নিজেদের সমাধান প্রস্তুত করতে চাননি।

এই সময়ে ভারতে অসমিক্ষ্য সময়, বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলন, এবং অস্তিত্ব ও নাগরিক অধিকারের লড়াই ছিল একটি মুখোমুখি সংঘর্ষের দিকে, যা সাহিত্যিকরা এবং সাহিত্যের মাধ্যমে অভিব্যক্তি করতে চেষ্টা করেছিল। এই সময়ে বাংলা সাহিত্যে "অন্ধকার যুগ" হয়তো একটি মৌলধর যুগ, যেটি সমাজে অবৈচারিক এবং প্রজন্ম বিতর্কিত ঘটনাগুলির চরম দক্ষতা এবং বিশেষ করে সাহিত্যিক প্রতিষ্ঠানগুলির মাধ্যমে ব্যক্ত হয়।

Atiqur Rahman
Atiqur Rahman
2 years ago
উত্তরঃ

জসীম উদ্দীন বাংলা সাহিত্যে একজন প্রমুখ লেখক এবং বিখ্যাত কবি, কাহিনিকার মাধ্যমে তার বিশিষ্ট শৈলী এবং বৈশিষ্ট্যগুলি জনপ্রিয় হয়েছে। জসীম উদ্দীনের কাহিনিকাব্যসমূহের কিছু বৈশিষ্ট্য নিম্নে উল্লেখ করা হলো:

1. **সামাজিক চিত্রণ:** জসীম উদ্দীনের কাহিনিকার মাধ্যমে সামাজিক ও মানবিক সমস্যা গুলির বিশেষ চিত্রণ রয়েছে। তার লেখায় সামাজিক অসমতা, মূল্যবাদ, পারিবারিক বন্ধন, বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্ষমতা ইত্যাদি বিষয়ে উপস্থাপনা করা হয়েছে।

2. **চিন্তামূলক লেখার শৈলী:** জসীম উদ্দীনের লেখার শৈলী চিন্তামূলক এবং গভীর। তার কাহিনিগুলি সাহিত্যিক উপন্যাস এবং ছোট গল্পের সমন্বিত সংমিশ্রণ, যা পাঠকদের জীবনের বিভিন্ন দিকে চিন্তা করতে উৎসাহিত করে।

3. **মানবিক ভাবনা ও মনের ভাষা:** উদ্দীনের লেখায় মানবিক ভাবনা ও মানসিক চোখে সমস্যা এবং অনুভূতি নিজের ভাষায় অভিব্যক্ত করা হয়েছে। তার লেখায় কয়েকটি অধ্যায় আপনার হৃদয়ে ভূমিকায়িত হবে এবং তার মনের ভাষা পড়ে যাবে।

4. **সাংস্কৃতিক উদ্যানের সাহচর্য:** জসীম উদ্দীনের লেখায় বাংলার সাংস্কৃতিক এবং সাহিত্যিক উদ্যান উপস্থিত থাকে। তার কাহিনিগুলি বাংলার মানবতা, সংস্কৃতি

Atiqur Rahman
Atiqur Rahman
2 years ago
উত্তরঃ

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন (১৮৮০-১৯৩২) এক অনন্য ও ব্যতিক্রমী ব্যক্তিত্ব। তৎকালীন সমাজব্যবস্থায় পিছিয়ে পড়া নারীসমাজকে অন্ধকার ও কুসংস্কারের গহ্বর থেকে মুক্ত করতে তিনি সাহিত্যকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন। তাঁর সাহিত্যকৃতির প্রধান স্বাতন্ত্র্যগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

        
  • নারী জাগরণ ও মুক্তিচিন্তা: বেগম রোকেয়ার সাহিত্যের মূল সুরই হলো নারীমুক্তি ও নারীর আত্মমর্যাদা প্রতিষ্ঠা। 'স্ত্রীজাতির অবনতি', 'অর্ধাঙ্গী' ও 'গৃহ' প্রবন্ধে তিনি অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ও শিক্ষার মাধ্যমে নারীজাতির স্বাবলম্বী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
  •     
  • তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গ ও শ্লেষাত্মক রসবোধ: পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা ও অন্ধ কুসংস্কারের বিরুদ্ধে তিনি তীব্র শ্লেষ ও ব্যঙ্গাত্মক ভাষা ব্যবহার করেছেন। তাঁর 'অবরোধবাসিনী' গ্রন্থে অবরোধপ্রথার অসংগতি ও নির্মম বাস্তবতাকে উপহাসের ছলে অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
  •     
  • প্রথম নারীবাদী বিজ্ঞান কল্পকাহিনী (Science Fiction): বাংলা সাহিত্যে তো বটেই, বিশ্বসাহিত্যেও তিনি অন্যতম প্রথম নারী যিনি বিজ্ঞান কল্পকাহিনী রচনা করেছেন। তাঁর কালজয়ী গ্রন্থ 'Sultana's Dream' (সুলতানার স্বপ্ন) একটি অনন্য নারীবাদী ইউটোপিয়ান বিজ্ঞান কল্পকাহিনী, যেখানে প্রযুক্তিনির্ভর নারীশাসিত সমাজের স্বপ্ন দেখানো হয়েছে।
  •     
  • যুক্তিভিত্তিক ও বিজ্ঞানমনস্ক দৃষ্টিভঙ্গি: তিনি অন্ধ ধর্মীয় প্রথা ও সামাজিক কুসংস্কারকে ধর্মগ্রন্থে বর্ণিত মূল চেতনার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেননি। 'মতিচূর' (১ম ও ২য় খণ্ড) প্রবন্ধগ্রন্থে তাঁর এই বিজ্ঞানমনস্ক ও যুক্তিভিত্তিক চিন্তাধারার সুস্পষ্ট প্রতিফলন ঘটেছে।
  •     
  • স্পষ্টভাষিতা ও বলিষ্ঠ গদ্যরীতি: রোকেয়ার গদ্যরীতি অলংকারবহুল জটিলতা মুক্ত, অত্যন্ত প্রত্যক্ষ, প্রাঞ্জল ও দূরদর্শী। কোনো প্রকার দ্বিধা ছাড়াই তিনি সমাজের মৌলিক সমস্যাগুলো তুলে ধরেছেন।

পরিশেষে বলা যায়, বেগম রোকেয়ার সাহিত্য কেবল নান্দনিকতার সৃষ্টি নয়; বরং তা ছিল সামাজিক সংস্কার ও নারীমুক্তির এক বলিষ্ঠ আন্দোলন—যা তাঁকে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক একক ও স্বাতন্ত্র্যমণ্ডিত মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছে।

Satt AI
Satt AI
2 days ago
103
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

সারাংশ লিখুন:

যে সমাজে বহু ব্যক্তির মানসিক যৌবন আছে, সেই সমাজেরই যৌবন আছে। মানসিক যৌবনকে স্থায়ী করতে হলে শৈশব নয়, বার্ধক্যের দেশ আক্রমণ এবং অধিকার করতে হয়। দেহের যৌবনের অন্তে বার্ধক্যের রাজ্যে যৌবনের অধিকার বিস্তার করবার শক্তি আমরা সমাজ হতেই সংগ্রহ করতে পারি। ব্যক্তিগত জীবনে ফাল্গুন একবার চলে গেলে আবার ফিরে আসে না; কিন্তু সমগ্র সমাজে ফাল্গুন চিরদিন বিরাজ করছে। সমাজে নূতন প্রাণ, নূতন মন নিত্য জন্মলাভ করছে। অর্থাৎ নূতন সুখ দুঃখ, নূতন আশা, নূতন ভালোবাসা, নূতন কর্তব্য ও নূতন চিন্তা নিত্য উদয় হচ্ছে। সমগ্র সমাজের এই জীবন-প্রবাহ যিনি নিজের অন্তরে টেনে নিতে পারবেন, তার মনের যৌবনের আর ক্ষয়ের আশঙ্কা নেই। এবং তিনিই আবার কথায় ও কাজে সেই যৌবন সমাজকে ফিরিয়ে দিতে পারবেন।

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews