উত্তরঃ

সমাস হলো এমন একধরনের শব্দ যা দুটি অথবা ততোধিক পূর্ববর্তী শব্দের যোগফলে গঠিত হয়েছে এবং একই সময়ে ঐ শব্দগুলির অসমর্থনকে দূর করে। সমাসের মাধ্যমে শব্দগুলির যোগফল একটি নতুন শব্দ তৈরি করে তাকে বলা হয় সমাস। এখানে কিছু সমাস এবং তাদের উদাহরণ দেওয়া হলো:

দ্বিনিম্নগুণ সমাস (বহুবচনার সমাস):

  • উদাহরণ: বাগধারা (বাগ + ধারা)
  • এখানে "বাগ" এবং "ধারা" দুইটি পূর্ববর্তী শব্দ, এবং এই দুটি শব্দের মাঝের বিন্দুতে একটি নতুন শব্দ "বাগধারা" গঠিত হয়েছে।

বাহ্যিক সমাস (বাহ্যিক যোগগুলির সমাস):

  • উদাহরণ: হাতকড়ি (হাত + কড়ি)
  • এখানে "হাত" এবং "কড়ি" দুইটি পূর্ববর্তী শব্দ, এবং এই দুটি শব্দের মাঝের বিন্দুতে একটি নতুন শব্দ "হাতকড়ি" গঠিত হয়েছে।

কর্মধারয় সমাস (কর্মধারযোগের সমাস):

  • উদাহরণ: পুস্তকপাঠ (পুস্তক + পাঠ)
  • এখানে "পুস্তক" এবং "পাঠ" দুইটি পূর্ববর্তী শব্দ, এবং এই দুটি শব্দের মাঝের বিন্দুতে একটি নতুন শব্দ "পুস্তকপাঠ" গঠিত হয়েছে।

বহুব্রীহি সমাস (অনেকগুলি ব্রীহি শব্দের যোগগুলির সমাস):

  • উদাহরণ: মহাভারত (মহা + ভারত)
  • এখানে "মহা" এবং "ভারত" দুইটি পূর্ববর্তী শব্দ, এবং এই দুটি শব্দের মাঝের বিন্দুতে একটি নতুন শব্দ "মহাভারত" গঠিত হয়েছে।

বাহ্যিক সমাস (বাহ্যিক যোগগুলির সমাস):

  • উদাহরণ: দূরদর্শন (দূর + দর্শন)
  • এখানে "দূর" এবং "দর্শন" দুইটি পূর্ববর্তী শব্দ, এবং এই দুটি শব্দের মাঝের বিন্দুতে একটি নতুন শব্দ "দূরদর্শন" গঠিত হয়েছে।
Atiqur Rahman
Atiqur Rahman
2 years ago
উত্তরঃ

সূচীপত্র = সূচিপত্র

Partho
Partho
2 years ago
উত্তরঃ

বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী আপনার দেওয়া শব্দগুলোর ভুল বানান এবং তার কারণ নিচে আলোচনা করা হলো:

১. সূচীপত্র:

সঠিক বানান: সূচি (চি) পত্র

কারণ: বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান রীতি অনুযায়ী, তৎসম শব্দে ই-কারান্ত বা উ-কারান্ত শব্দ বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত না হলে সেটি হ্রস্ব রূপে ব্যবহৃত হয়।

২. কাৰ্য্যালয়:

সঠিক বানান: কার্যালয়

কারণ: "কার্য" একটি তৎসম শব্দ। বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান অনুযায়ী, তৎসম শব্দের বানানে সাধারণত পরিবর্তন হয় না।

৩. কৃতীত্ব:

সঠিক বানান: কৃতিত্ব

কারণ: বানানের শেষে ঈ-কার হবে না।

৪. ক্ষিদে:

সঠিক বানান: খিদে

কারণ: এটি একটি আঞ্চলিক বা কথ্য শব্দ, প্রমিত বানানে "ক্ষ" এর পরিবর্তে "খ" ব্যবহৃত হয়।

৫. ফরিয়াদী:

সঠিক বানান: ফরিয়াদি

কারণ: শব্দটির শেষে ঈ-কার ব্যবহার না হয়ে ই-কার হবে।

৬. শুভঙ্কর:

সঠিক বানান: শুভংকর

কারণ: বানানে সাধারণত পরিবর্তন হয় না।

উত্তরঃ

একই পরিশ্রমে বা একই সঙ্গে দুটি কাজ সম্পাদন করা বা দুটি উদ্দেশ্য সফল করা।


রথ দেখা কলা বেচা প্রবাদটির নিহিতার্থ হলো, একই সময়ে একটি কাজ করার মাধ্যমে দুটি ভিন্ন উদ্দেশ্য বা ফল লাভ করা। এটি এমন একটি পরিস্থিতিকে বোঝায় যেখানে একজন ব্যক্তি একটি নির্দিষ্ট কাজ করতে গিয়ে তার পাশাপাশি অন্য একটি কাজও সেরে ফেলেন, যা তাকে দ্বৈত সুবিধা প্রদান করে। যেমন, কোনো উৎসব দেখতে গিয়ে একই সাথে ব্যবসার কাজও সেরে ফেলা। এই প্রবাদটি সাধারণত দক্ষতা, সময়োপযোগিতা এবং বিচক্ষণতার পরিচায়ক, যেখানে সীমিত সম্পদ বা প্রচেষ্টায় সর্বোচ্চ ফল লাভের চেষ্টা করা হয়।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ নিজের জিনিস বা সম্পদ ব্যবহার করে নিজের প্রয়োজন মেটানো বা নিজের উপায় দ্বারা কাজ সিদ্ধ করা।

এই প্রবাদটির মাধ্যমে বোঝানো হয় যে, কোনো ব্যক্তি বা পক্ষ তার নিজস্ব সম্পদ, উপায় বা ক্ষমতা ব্যবহার করে নিজের প্রয়োজন মেটায় বা নিজের উদ্দেশ্য সাধন করে। এটি স্বাবলম্বিতা এবং বিচক্ষণতার পরিচয় বহন করে, যেখানে বাইরের সাহায্যের অপেক্ষা না করে উপলব্ধ উপকরণ দিয়েই সমস্যার সমাধান করা হয়। যেমন, কৈ মাছের নিজের শরীর থেকে বের হওয়া সামান্য তেল দিয়েই সেই মাছ ভাজা যায় – এর অর্থ হলো, বাইরের কোনো উপকরণের প্রয়োজন নেই, নিজের থেকেই সব ব্যবস্থা করা সম্ভব।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

বাক্যের শ্রেণিবিভাগ সংজ্ঞার্থ ও উদাহরণ নিচে দেওয়া হলো:

সংজ্ঞার্থক বাক্য (বর্ণনামূলক):

  • সংজ্ঞার্থক বাক্য হলো এমন বাক্য যার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে কিছু বর্ণনা করা।
  • উদাহরণ: বইমেলা একটি উপকরণ।

উপমৌক বাক্য (ঘটনার বর্ণনা):

  • উপমৌক বাক্যে কোন ঘটনা, ঘটনার বর্ণনা বা বৃত্তান্ত থাকে।
  • উদাহরণ: রমা বাজারে গিয়ে আম কিনতে আসছে।

সাধারণ বাক্য (উপমৌলক বা সাধারণ কিছু বলার জন্য):

  • এই বাক্যে কোন ঘটনা বা সংভাষণ নেই, এবং মূলত কিছু সাধারিতা বা সাধারণ কিছু বলার জন্য ব্যবহৃত হয়।
  • উদাহরণ: আমি পড়ছি।

কাজের বাক্য (কোন কাজ বা ক্রিয়ার সাথে):

  • এই বাক্যে কোন কাজ বা ক্রিয়ার সাথে সম্পর্কিত তথ্য থাকে।
  • উদাহরণ: সোনার বাংলা দিবসটি পৌরাণিকভাবে উৎসব করা হয়।

অভিধান বা শব্দকোষের বাক্য (শব্দের সংদর্শন অর্থ দেওয়ার জন্য):

  • এই বাক্যে কোন শব্দ বা শব্দগুলির সংদর্শন অর্থ দেওয়ার জন্য একটি বাক্য থাকে।
  • উদাহরণ: "প্রতিবন্ধী" শব্দের বাংলা অর্থ হলো অপেক্ষাকৃত বা সহিত যে ব্যক্তি বা পবিত্র স্থানের মুখ্যকর্মী থাকে।
Atiqur Rahman
Atiqur Rahman
2 years ago
(৩)

সারাংশ লিখুন:

যে সমাজে বহু ব্যক্তির মানসিক যৌবন আছে, সেই সমাজেরই যৌবন আছে। মানসিক যৌবনকে স্থায়ী করতে হলে শৈশব নয়, বার্ধক্যের দেশ আক্রমণ এবং অধিকার করতে হয়। দেহের যৌবনের অন্তে বার্ধক্যের রাজ্যে যৌবনের অধিকার বিস্তার করবার শক্তি আমরা সমাজ হতেই সংগ্রহ করতে পারি। ব্যক্তিগত জীবনে ফাল্গুন একবার চলে গেলে আবার ফিরে আসে না; কিন্তু সমগ্র সমাজে ফাল্গুন চিরদিন বিরাজ করছে। সমাজে নূতন প্রাণ, নূতন মন নিত্য জন্মলাভ করছে। অর্থাৎ নূতন সুখ দুঃখ, নূতন আশা, নূতন ভালোবাসা, নূতন কর্তব্য ও নূতন চিন্তা নিত্য উদয় হচ্ছে। সমগ্র সমাজের এই জীবন-প্রবাহ যিনি নিজের অন্তরে টেনে নিতে পারবেন, তার মনের যৌবনের আর ক্ষয়ের আশঙ্কা নেই। এবং তিনিই আবার কথায় ও কাজে সেই যৌবন সমাজকে ফিরিয়ে দিতে পারবেন।

উত্তরঃ

যে সমাজে বহু মানুষের মন তারুণ্যে ভরপুর, সেই সমাজ চিরযৌবনা। মনের এই তারুণ্য ধরে রাখতে হলে বার্ধক্যকে জয় করতে হয়। দেহের তারুণ্য শেষ হলেও সমাজের কাছ থেকে আমরা বার্ধক্যের রাজ্যে যৌবনের অধিকার প্রতিষ্ঠার শক্তি পাই। ব্যক্তিগত জীবনে ফাল্গুন বারবার না এলেও সমাজে নতুন জীবন, নতুন মন, নতুন আশা, ভালোবাসা ও চিন্তার জন্ম হয় প্রতিনিয়ত। যে ব্যক্তি সমাজের এই জীবনধারা নিজের মধ্যে ধারণ করতে পারে, তার মনের যৌবন কখনো মলিন হয় না। বরং, সে তার কর্ম ও কথায় সেই তারুণ্য সমাজকে ফিরিয়ে দিতে সক্ষম হয়।

উত্তরঃ

বাংলা সাহিত্যে চর্যাপদ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে কারণ এই শৃঙ্গার সাহিত্যে মানব জীবন, মানব সম্পর্ক, এবং ভাবনার বিশেষ দিক উপস্থাপন করে। চর্যাপদ বা শৃঙ্গার সাহিত্যের মাধ্যমে লেখকরা মানবকে একে অপরের সাথে জড়িত করার চেষ্টা করে, সাহিত্যিক ভাবনা এবং ভাষার মাধ্যমে ভারতীয় সমাজের সম্পর্কে বিশেষ পরিকল্পনা প্রদান করে।

চর্যাপদ বা শৃঙ্গার সাহিত্যে ভাষা, ভাবনা, এবং কল্পনা একই সঙ্গে একত্র হয়ে সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়, এবং এটি লেখকের ভাবনা এবং বিশেষ ভাবে যোগান্তর করে। এটি মানব প্রেম, রোমান্টিক আবেগ, সৃষ্টিতত্ত্ব, সুন্দরতা, প্রাকৃতিক বৃদ্ধি, এবং সাধারণ মানব জীবনের অমুক দিক আলোচনা করতে সক্ষম। চর্যাপদ ভাষার সৌন্দর্য্য, সংগতি, এবং সমৃদ্ধির মাধ্যমে পাঠকদের মাধ্যমে অভিজ্ঞান করার জন্য এক অদৃশ্য দৃষ্টিকোণ সৃষ্টি করতে সক্ষম।

চর্যাপদের সাহিত্যিক উপাদানগুলি সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক অধ্যয়নে ব্যবহৃত হয়ে থাকে, এবং এটি সমাজের অধিকাংশ মানুষের জীবনে প্রকাশ করা হয়ে থাকে। এটি ভাষা ও সাহিত্যের প্রতি অভিরুচি, রুচি, এবং সংবাদের সঙ্গে একইভাবে সম্পর্কিত, এবং এর মাধ্যমে চরিত্র, ভাষা, এবং সমাজের বিভিন্ন দিক অনুসন্ধান করা হয়।

চর্যাপদ একটি সংক্ষেপমূলক, সুসংবাদ এবং অসাধারণ সাহিত্যিক উপাদান যা বাংলা সাহিত্যে একটি অমূল্য সম্পত্তি হিসেবে পরিচিত।

Atiqur Rahman
Atiqur Rahman
2 years ago
উত্তরঃ

"অন্ধকার যুগ" বাংলা সাহিত্যে একটি গভীর এবং উদার প্রয়াস, যা সময়ের মোড়ে আসার প্রথম দিকে আত্ম-সচেতনতা এবং জনসাধারণের জীবনের বিভিন্ন দিক উপস্থাপন করতে কাজ করেছে। এই প্রয়াসের মাধ্যমে, লেখকরা সমাজের সমস্যা এবং অস্তিত্বের সম্পর্কে আলোচনা করে, আলোচনার মাধ্যমে প্রকাশ করে এবং সমাজের চেতনা উত্তরাধিকার করতে চেষ্টা করেছে।

"অন্ধকার যুগ" হয়তো সৃষ্টি হয়েছিল বিশেষভাবে 20শ শতাব্দীর দশকে, যখন সমাজে বিভিন্ন সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ উত্থান করতে আরও বেড়ে গেছিল। এই যুগে বিশ্বের বৃহত্তম সাহিত্যিকরা, ভারতের সাহিত্যিক জগতের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলেও, এখানে অতি গভীর ও সংঘর্ষবাদী আবেগ থাকায় তারা সমস্যাগুলি নিজেদের সমাধান প্রস্তুত করতে চাননি।

এই সময়ে ভারতে অসমিক্ষ্য সময়, বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলন, এবং অস্তিত্ব ও নাগরিক অধিকারের লড়াই ছিল একটি মুখোমুখি সংঘর্ষের দিকে, যা সাহিত্যিকরা এবং সাহিত্যের মাধ্যমে অভিব্যক্তি করতে চেষ্টা করেছিল। এই সময়ে বাংলা সাহিত্যে "অন্ধকার যুগ" হয়তো একটি মৌলধর যুগ, যেটি সমাজে অবৈচারিক এবং প্রজন্ম বিতর্কিত ঘটনাগুলির চরম দক্ষতা এবং বিশেষ করে সাহিত্যিক প্রতিষ্ঠানগুলির মাধ্যমে ব্যক্ত হয়।

Atiqur Rahman
Atiqur Rahman
2 years ago
উত্তরঃ

জসীম উদ্দীন বাংলা সাহিত্যে একজন প্রমুখ লেখক এবং বিখ্যাত কবি, কাহিনিকার মাধ্যমে তার বিশিষ্ট শৈলী এবং বৈশিষ্ট্যগুলি জনপ্রিয় হয়েছে। জসীম উদ্দীনের কাহিনিকাব্যসমূহের কিছু বৈশিষ্ট্য নিম্নে উল্লেখ করা হলো:

1. **সামাজিক চিত্রণ:** জসীম উদ্দীনের কাহিনিকার মাধ্যমে সামাজিক ও মানবিক সমস্যা গুলির বিশেষ চিত্রণ রয়েছে। তার লেখায় সামাজিক অসমতা, মূল্যবাদ, পারিবারিক বন্ধন, বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্ষমতা ইত্যাদি বিষয়ে উপস্থাপনা করা হয়েছে।

2. **চিন্তামূলক লেখার শৈলী:** জসীম উদ্দীনের লেখার শৈলী চিন্তামূলক এবং গভীর। তার কাহিনিগুলি সাহিত্যিক উপন্যাস এবং ছোট গল্পের সমন্বিত সংমিশ্রণ, যা পাঠকদের জীবনের বিভিন্ন দিকে চিন্তা করতে উৎসাহিত করে।

3. **মানবিক ভাবনা ও মনের ভাষা:** উদ্দীনের লেখায় মানবিক ভাবনা ও মানসিক চোখে সমস্যা এবং অনুভূতি নিজের ভাষায় অভিব্যক্ত করা হয়েছে। তার লেখায় কয়েকটি অধ্যায় আপনার হৃদয়ে ভূমিকায়িত হবে এবং তার মনের ভাষা পড়ে যাবে।

4. **সাংস্কৃতিক উদ্যানের সাহচর্য:** জসীম উদ্দীনের লেখায় বাংলার সাংস্কৃতিক এবং সাহিত্যিক উদ্যান উপস্থিত থাকে। তার কাহিনিগুলি বাংলার মানবতা, সংস্কৃতি

Atiqur Rahman
Atiqur Rahman
2 years ago
371

প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদ। এর ভাষা ও বিষয়বস্তু দুর্বোধ্য এবং এর কবিরা ছিলেন বৌদ্ধ সাধক। এতে বিধৃত হয়েছে বৌদ্ধ ধর্মের তত্ত্বকথা। এ সময়ের সাহিত্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো গোষ্ঠী কেন্দ্রিকতা ও ধর্মনির্ভরতা। ধর্মের বিষয়টি সমাজজীবনের চিন্তাভাবনাকে নিয়ন্ত্রিত করেছে, তাই সাহিত্যে ধর্মের কথা বড় হয়ে দেখা দিয়েছে।

প্রাচীন যুগের সময়কাল-

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এর মতে৬৫০-১২০০ খ্রি.
ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় এর মতে৯৫০-১২০০ খ্রি.
ড. সুকুমার সেনের মতে৯০০-১৩৫০ খ্রি.

চর্যাপদ: বাংলা ভাষার প্রথম কাব্য/কবিতা সংকলন চর্যাপদ। এটি বাংলা সাহিত্যের আদিযুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন। ডক্টর হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজ দরবারের গ্রন্থাগার হতে ১৯০৭ সালে 'চর্যাচর্য বিনিশ্চয়' নামক পুঁথিটি আবিষ্কার করেন। চর্যাপদের সাথে 'ডাকার্ণব' ও 'দোহাকোষ' নামে আরও দুটি বই নেপালের রাজ দরবারের গ্রন্থাগার হতে আবিষ্কৃত হয়। ১৯১৬ সালে সবগুলো বই একসাথে 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা' নামে প্রকাশ করেন।

বাংলার পাল বংশের রাজারা ছিলেন বৌদ্ধধর্মালম্বী। তাদের আমলে চর্যাগীতিগুলোর বিকাশ ঘটেছিল। সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে পদগুলো রচিত। পাল বংশের পরে আসে সেন বংশ। সেন বংশ হিন্দুধর্ম এবং ব্রাহ্মণ্যসংস্কার রাজধর্ম হিসাবে গ্রহণ করে। ফলে বৌদ্ধ সিদ্ধচার্যেরা এদেশ হতে বিতাড়িত হয় এবং নেপালে আশ্রয় গ্রহণ করে। তাই বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন বাংলাদেশের বাহিরে নেপালে পাওয়া গেছে।

হরপ্রসাদ শাস্ত্রী - উইকিপিডিয়া
ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী

চর্যাপদের শব্দগুলো অপরিচিত, শব্দ ব্যবহারের রীতি বর্তমানের রীতি থেকে ভিন্ন --এর কবিতাগুলো পড়ে বুঝতে কষ্ট হয়। এজন্য চর্যাপদের ভাষাকে 'সন্ধ্যা ভাষা'ও বলে। চর্যাপদের কবিতাগুলো গাওয়া হত। তাই এগুলো একইসাথে গান ও কবিতা।

সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় তার 'বাঙলা ভাষার উৎপত্তি ও বিকাশ' (Origin and Development of Bengali language) নামক গ্রন্থে ধ্বনি তত্ত্ব ব্যাকরণ ও ছন্দ বিচার করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন যে, পদসংকলনটি আদি বাংলা ভাষায় রচিত। কেউ কেউ একে মৈথিলি, উড়িয়া বা আসামি ভাষা বলে দাবি করেন। ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, সেকালের বাংলা, উড়িয়া বা আসামি ভাষার পার্থক্য ছিল সামান্যই। উল্লেখ্য যে, চর্যাপদ উড়িষ্যা, বিহার, আসাম, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের নিজ নিজ ভাষা ও সাহিত্যের আদি নিদর্শন হিসাবে বিবেচিত।

এতে মোট ৫১ টি পদ'রয়েছে। কয়েক পাতা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সর্বমোট সাড়ে ৪৬টি পদ পাওয়া গেছে। ২৩ নং পদটি খণ্ডিত আকারে উদ্ধার করা হয়েছে অর্থাৎ এর শেষাংশ পাওয়া যায়নি। ২৪, ২৫ ও ৪৮ নং পদগুলো পাওয়া যায়নি। চর্যাপদের মোট পদকর্তা ২৪। অনেকের মতে, আদি চর্যাকার লুইপা। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে প্রাচীনতম চর্যাকার শবরপা এবং আধুনিকতম সরহ বা ভুসুকু। কাহ্নপা সর্বাধিক ১৩ টি পদ রচনা করেন।

রাজশাহী কলেজ গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত দুর্লভ চর্যাপদ এর অংশবিশেষ

চর্যাপদের কবি / পদকর্তা-

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এর মতে২৩ জন
ড. সুকুমার সেনের মতে২৪ জন

পদকর্তা: লুই, শবর, ককুরী, বিরুআ, গুণ্ডারী, চাটিল, ভুসুকু, কাহ্ন, কামলি, ডোম্বী, শান্তি, মহিত্তা, বীণা, সরহ, আজদেব, ঢেণ্টণ, দারিক, ভাদে, তাড়ক, কঙ্কণ, জঅনন্দি, ধাম, তন্ত্রী ও লাড়ীডোম্বী। পদকর্তাদের নামের শেষে সম্মানসূচক 'পা' যোগ করা হয়। যেমন: লুই থেকে লুইপা, শবর থেকে শবরপা।

কাহ্ন : ১৩ টি পদ রচনা করেন।

ভুসুকু : ৮ টি পদ রচনা করেন।

সরহ : ৪ টি পদ রচনা করেন।

লুই, শান্তি ও শবরী: ২ টি করে পদ রচনা করেন।

বাকিরা : ১ টি করে পদ রচনা করেন।

লাড়ীডোম্বী : কোন পদ পাওয়া যায়নি।

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর 'Buddhist Mystic Songs' গ্রন্থের মতে, পদ সংখ্যা ৫০টি এবং প্রাপ্ত পদ সাড়ে ছেচল্লিশটি।

ড. সুকুমার সেনের 'বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস' গ্রন্থের মতে, পদ সংখ্যা ৫১টি।

চর্যাপদের যে পদ পদ পাওয়া যায়নিঃ

২৩ নং অর্ধেক, ২৪, ২৫ ও ৪৮ নং পদ।

যেসব পদ পাওয়া যায়নি সেগুলোর রচয়িতাঃ

২৩- ভুসুকুপা, ২৪- কাহ্নপা, ২৫- তান্তীপা, ৪৮- কুকুরীপা।

চর্যাপদের প্রথম পদের রচয়িতাঃ

লুইপা। তিনি ২টি পদ রচনা করেন। যথা: ১, ২৯। হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর মতে, তিনি রাঢ় অঞ্চলের বাঙালি কবি হিসেবে পরিচিত। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, তিনি শবরপার শিষ্য ছিলেন। লুইপাকে আদি চর্যাকার হিসেবে ধরে নেয়া হয়।

চর্যাপদের প্রথম পদটিঃ

কাআ (শরীর) তরুবর পঞ্চ বি ডাল।

চঞ্চল চীএ পইঠো কাল ॥

দিঢ় করিঅ মহাসুহ পরিমাণ।

লুই ভণই (বলে) গুরু পুচ্ছিঅ জাণ ॥

সঅল সহিঅ কাহি করিঅই।

সুখ দুখেতে নিচিত মরিঅই ॥

এড়ি এউ ছান্দক বান্ধ করণক পাটের আস।

সুনুপথ ভিতি লেহু রে পাস ॥

ভণই লুই আমহে ঝাণে দিঠা।

ধমণ চমণ বেণি পিত্তি বইঠা ॥

মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর মতে, সন্ধ্যা বা সান্ধ্য ভাষা বা আলো-আঁধারির ভাষা।

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, এর ভাষার নাম 'বঙ্গকামরূপী'। এটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।

চর্যাপদের অনুবাদক

ভাষা

অনুবাদক

অনূদিত নাম

তিব্বতিকীর্তিচন্দ্র-
হিন্দিরাহুল সাংকৃত্যায়নদোহাকোষ (১৯৫৭)
ইংরেজিহাসনা জসীমউদ্দীন মওদুদমিস্টিক পোয়েট্রি অব বাংলাদেশ (২০১৭)
সংস্কৃতপ্রবোধচন্দ্র বাগচী-
চিত্রঃ কাহ্নপার নকশা

Related Question

View All
উত্তরঃ

সমাজে বসবাস করতে হলে মানুষকে একে অপরের সাথে সম্পর্ক বজায় রেখে চলতে হয় এবং সমাজে শত্রু-মিত্র উভয়ের সাথেই কোন না কোনভাবে মেলামেশা হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয় সেটি হল শিক্ষা। মানুষের বন্ধু নির্বাচনের ক্ষেত্রে শিক্ষার মানদণ্ডটি অতীব জরুরি। কেননা, অশিক্ষিত বন্ধুর যত আন্তরিকতাই থাক না কেন, সে যে কোন মুহূর্তে নিজের অজ্ঞতাবশত অনেক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। বলা হয়, মূর্খ ব্যক্তি পশুর সমান। ভালোমন্দ বিচার করার যথাযথ ক্ষমতা তার নেই। অনেক সময় বন্ধুর ভালোর জন্য কিছু করলেও তার অজ্ঞতার কারণে তা বন্ধুর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। এজন্য তাকে দোষও দেওয়া যায় না। অন্যদিকে, শত্রুকে আমরা সাধারণত অনিষ্টের কারণ হিসেবেই বিবেচনা করি। কিন্তু তুলনামূলক বিচারে দেখা যায়, একজন মুর্খ বন্ধু অজ্ঞতাবশত যা করতে পারে, একজন শিক্ষিত শত্রু সজ্ঞানে তেমনটি করতে পারে না। জ্ঞানের নির্মল পরশ অন্তত তাকে এ কাজ থেকে ফিরিয়ে রাখতে পারে। যদি অনিষ্ট সে করে তবে সেটা হবে তার দুরাচার। আর মানুষ সব সময়ই শত্রুর দুরাচার সম্পর্কে সজাগ থাকে। ফলে শত্রুর এ চেষ্টা সফল নাও হতে পারে। কিন্তু বন্ধুর ব্যাপারে কোন সন্দেহ না থাকায় মানুষ এতটা সতর্ক থাকে না। অথচ এ অসতর্কতার ফাঁকে মূর্খ বন্ধুর অজ্ঞতাই তার জন্য কাল হয়ে দাঁড়াতে পারে।

 

তাই বন্ধু নির্বাচনে জ্ঞান, প্রজ্ঞা আর শিক্ষাকে গুরুত্ব দিতে হবে। কেননা, জ্ঞান আলো এবং মূর্খতা অন্ধকারের সমতুল্য। আলোতে অনেক বিপদেও নিরাপদ থাকা যায়, অন্যদিকে অন্ধকারে সর্বদাই বিপদের আশঙ্কা থাকে

ABDUL MALEK
ABDUL MALEK
2 years ago
4.7k

"ভাবের ললিত ক্রোড়ে না রাখি নিলীন, কর্মক্ষেত্রে করি দাও সক্ষম স্বাধীন।" 

এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের "যতদিন ছিলে" কবিতার একটি অংশ। 

**ভাব-সম্প্রসারণ:** 

এই উদ্ধৃতিটি একটি গভীর জীবনদর্শনের প্রতিফলন। এখানে 'ভাবের ললিত ক্রোড়ে না রাখি নিলীন' বলতে বোঝানো হচ্ছে যে, ব্যক্তিগত চিন্তা, অনুভূতি বা ভাবনাগুলোকে শুধুমাত্র মনস্তাত্ত্বিক বা আবেগগতভাবে না রেখে বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করতে হবে। 'নিলীন' শব্দের মাধ্যমে এখানে অভ্যন্তরীণ চিন্তা বা অনুভূতির গভীরতা প্রকাশ করা হয়েছে, যা শুধুমাত্র অন্তরেও লুকিয়ে থাকলে চলবে না। অন্যদিকে, 'কর্মক্ষেত্রে করি দাও সক্ষম স্বাধীন' বাক্যে বলা হচ্ছে যে, আমাদের দক্ষতা, কর্মক্ষমতা ও স্বাধীনতা কার্যক্ষেত্রে প্রয়োগ করা উচিত। কর্মক্ষেত্রে আমরা যে সিদ্ধান্ত নিতে পারি এবং যে কাজ করতে পারি, তা যেন আমাদের স্বাধীনতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে হয়। এখানে স্বাধীনতার সাথে সক্ষমতার সম্মিলন প্রস্ফুটিত হচ্ছে, যেখানে ব্যক্তি নিজের দক্ষতা অনুযায়ী স্বাধীনভাবে কাজ করার স্বাধীনতা পায়। সংক্ষেপে, এই উদ্ধৃতিটি আমাদেরকে উৎসাহিত করে যে, আমাদের অভ্যন্তরীণ ভাবনা বা চিন্তাকে শুধু মনে সীমাবদ্ধ না রেখে, বাস্তব জীবনের কাজে লাগিয়ে কার্যকরীভাবে ব্যবহারের মাধ্যমে কর্মক্ষেত্রে নিজের সক্ষমতা ও স্বাধীনতা প্রমাণ করতে হবে।

উত্তরঃ

আমরা সবসময় ভাবের গহনায়, অনুভূতির গভীরতায় হারিয়ে থাকি, যেখানে কোনো এক নিস্তব্ধতা বা মাধুর্য লুকিয়ে থাকে। কিন্তু কর্মক্ষেত্রে, বাস্তব জীবনে সেই ভাবনার পরিবর্তে আমাদের প্রমাণিত করতে হয় আমাদের ক্ষমতা এবং স্বাধীনতার। সেখানে ভাবের বন্দি হয়ে থাকার সুযোগ নেই। আমরা যদি শুধু ভাবনায় নিমজ্জিত থাকি, তবে বাস্তবতার চাহিদার সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারব না।

এখানে "ভাবের ললিত ক্রোড়ে" বলতে বোঝানো হচ্ছে যে আমরা আমাদের ভাবনাগুলোকে এতটাই গুরুত্ব দিই যে সেগুলো আমাদের কর্মক্ষমতা বা স্বাধীনতার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু বাস্তবিকভাবে আমাদের শক্তি এবং স্বাধীনতা আমাদের কাজের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়। আমাদের উচিত আমাদের ভাবনার সাথে সাথে কর্মক্ষেত্রে সক্রিয়ভাবে কাজ করা, যাতে আমাদের সক্ষমতা এবং স্বাধীনতা স্বতন্ত্রভাবে প্রকাশ পায়।

এইভাবে, কবি আমাদের শেখাতে চাইছেন যে ভাবনা ও কর্মের মধ্যে সমন্বয় প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। ভাবনার সৌন্দর্য বা গভীরতা তার স্থানেই মূল্যবান, কিন্তু কর্মক্ষেত্রে দক্ষতা ও স্বাধীনতার প্রয়োগই আসল বিষয়।

Shamim Hossan
Shamim Hossan
1 year ago
2.1k
(ক)
তরুণ বিশ্বশক্তির অধিকারী, অনন্ত সম্ভাবনাপূর্ণ তার জীবন । সে যদি শুধু ঘরের কোনে বসে। পূর্ব পুরুষের লিখিত পুঁথি ঘেঁটে তার অমূল্য মানবজীবনকে সার্থক করতে চায় এবং মনে করে, বর্তমানের সবকিছু অতীতে সৃষ্ট হয়েছিল , তাহলে সে যে শুধু তার অনন্ত শক্তিকে অপব্যয় করে তা নয়, তার সেই শক্তিকেও অবমাননা করে । অতীত সৃষ্টির জন্মদাতা অতীতের ঘটনা ও অতীতের পরিবেষ্টন। বর্তমান ঘটনা ও বর্তমান পরিবেষ্টন চিরকালই নতুন। বর্তমান অতীতের কুঁড়ি বৈ আর কিছু নয়। বর্তমানের আপন শক্তিতে সেই কুঁড়ি ফুটে নব পুষ্পে পরিণত হয়। সুতরাং তার ফলও নতুন হওয়া চাই। কিন্তু দুঃখের বিষয়, মানব-মন অতীতের মােহ ছাড়তে পারে না। সে এই বর্তমানের পরিবর্তিত নব পরিবেষ্টনেও সেই অতীতের ইতিহাসকে হুবহু বজায় রাখতে চায়-বর্তমানের নব প্রসব-বেদনাকে উপেক্ষা করে। তাই মানব ইতিহাসের স্তরে স্তরে দেখতে পাই কত দ্বন্দ্ব, কত সংঘর্ষ, কত বিগ্রহ-বিপ্লব, কত রক্ত-বন্যা। এর মূল কারণ হচ্ছে অতীতের সৃষ্টিকে অক্ষুন্ন রাখার জন্য মানব-মনের স্বাভাবিক দুর্জয়। চিরকালই তরুন ৭ প্রকৃতির বিরুদ্ধে অভিযান করেছে। বর্তমান বেদনায় অনুভূতির চঞ্চল হয়ে ভবিষ্যতে আদশ সার্থক করার জন্য। (সারাংশ লিখুন)
অথবা
উত্তরঃ

তরুণদের উচিত তাদের অমূল্য জীবনকে সার্থক করার জন্য তাদের অনন্ত শক্তিকে কাজে লাগানো।পূর্বপুরুষদের লিখিত পুঁথি ঘেঁটে বসে না থেকে বরং বর্তমানের নতুন পরিবেষ্টনের সাথে খাপ খাওয়ানো ।তাদের বর্তমানের বেদনাকে উপেক্ষা করে ভবিষ্যতের জন্য আদর্শ স্থাপন করার চেষ্টা করা উচিত।অতীতের প্রতি আসক্তি মানুষকে অন্ধ করে দেয়, বর্তমানের পরিস্থিতি বুঝতে বাধা দেয়, ফলে দ্বন্দ্ব, সংঘর্ষ, বিগ্রহ-বিপ্লব এবং রক্ত-বন্যার মতো ঘটনা ঘটে।মানুষের উচিত অতীতের সৃষ্টিকে অক্ষুন্ন রাখার চেষ্টা না করে বর্তমানের নব পরিবেষ্টনের সাথে খাপ খাওয়ানো।তরুণদের চিরকালই অন্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে হবে।

Arif Hossain
Arif Hossain
2 years ago
1.7k
উত্তরঃ

এ কালের দৃশ্যটি অত্যন্ত মন্দ এবং চিন্তামূলক। সমাজের প্রতিনিধিত্ব করা উচিত পরিস্থিতির মধ্যে পর্যায়ক্রমে হেঁটে যাচ্ছে অস্ত্রোচ্চারণ, অন্ধ প্রতিদ্বন্দ্বীতা, স্বতন্ত্রতার অভাব, এবং নৈতিক মূল্যবোধের হারানো অবস্থা। এ দৃশ্যে অনুভব হচ্ছে ক্রুরতা, অসহ্য প্রহরণ, এবং অমানুষিক ব্যবহারের উত্কৃষ্ট উদাহরণ। প্রত্যাশা ও নিরাপদতা এ সময়ে অস্তিত্বে নেই। এই সময়ে সতর্কতা ও শান্তিপূর্ণতা অত্যন্ত প্রয়োজন।

Arif Hossain
Arif Hossain
2 years ago
1.4k
উত্তরঃ

লেখাপড়ায় তার মনোযোগ নেই

= লেখাপড়ায় তার মনোযোগ নেয়।

Shamim Reza
Shamim Reza
3 years ago
1.1k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

তরুণ বিশ্বশক্তির অধিকারী, অনন্ত সম্ভাবনাপূর্ণ তার জীবন । সে যদি শুধু ঘরের কোনে বসে। পূর্ব পুরুষের লিখিত পুঁথি ঘেঁটে তার অমূল্য মানবজীবনকে সার্থক করতে চায় এবং মনে করে, বর্তমানের সবকিছু অতীতে সৃষ্ট হয়েছিল , তাহলে সে যে শুধু তার অনন্ত শক্তিকে অপব্যয় করে তা নয়, তার সেই শক্তিকেও অবমাননা করে । অতীত সৃষ্টির জন্মদাতা অতীতের ঘটনা ও অতীতের পরিবেষ্টন। বর্তমান ঘটনা ও বর্তমান পরিবেষ্টন চিরকালই নতুন। বর্তমান অতীতের কুঁড়ি বৈ আর কিছু নয়। বর্তমানের আপন শক্তিতে সেই কুঁড়ি ফুটে নব পুষ্পে পরিণত হয়। সুতরাং তার ফলও নতুন হওয়া চাই। কিন্তু দুঃখের বিষয়, মানব-মন অতীতের মােহ ছাড়তে পারে না। সে এই বর্তমানের পরিবর্তিত নব পরিবেষ্টনেও সেই অতীতের ইতিহাসকে হুবহু বজায় রাখতে চায়-বর্তমানের নব প্রসব-বেদনাকে উপেক্ষা করে। তাই মানব ইতিহাসের স্তরে স্তরে দেখতে পাই কত দ্বন্দ্ব, কত সংঘর্ষ, কত বিগ্রহ-বিপ্লব, কত রক্ত-বন্যা। এর মূল কারণ হচ্ছে অতীতের সৃষ্টিকে অক্ষুন্ন রাখার জন্য মানব-মনের স্বাভাবিক দুর্জয়। চিরকালই তরুন ৭ প্রকৃতির বিরুদ্ধে অভিযান করেছে। বর্তমান বেদনায় অনুভূতির চঞ্চল হয়ে ভবিষ্যতে আদশ সার্থক করার জন্য। (সারাংশ লিখুন)
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews