কৃষকের হাঁসটি প্রতিদিন একটি করে সোনার ডিম পাড়ত। এতে কৃষক ভাবল, হাঁসটির পেটে আরও সোনার ডিম রয়েছে। সব ডিম একসাথে পেতে সে হাঁসটিকে জবাই করল। এতে হাঁসটি মারা গেল এবং কৃষকের সোনার ডিম পাওয়াও বন্ধ হয়ে গেল। মূলত অতি লোভের কারণেই কৃষকের করুণ পরিণতি হয়েছিল।
সংসারের সচ্ছলতা টিকিয়ে রাখতে কৃষক সোনার ডিম পাড়া হাঁসের সঠিক যত্ন নিতে পারত। সে প্রতিদিন একটি সোনার ডিম নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে পারত। সে হাঁসটিকে জবাই না করে প্রতিদিন একটি করে সোনার ডিম সংগ্রহ করতে পারত। এই ডিম নিয়ে সে হাটে বিক্রি করে সংসারের অভাব মেটাতে পারত। কৃষক যদি বেশি লোভ না করে অল্পতে তুষ্ট থাকত তবে সে সংসারের সচ্ছলতা টিকিয়ে রাখতে পারত।
লোভ মানুষের জীবনে করুণ পরিণতি ডেকে আনে। লোভকরলে কখনো আত্মতৃপ্তিতে থাকা যায় না। লোভের ফলে মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট হয়। কেননা, লোভী মানুষকে কেউ পছন্দ করে না। তাই আমরা কখনো লোভ করব না।
Related Question
View Allক্যাঙ্গারু বললেই অস্ট্রেলিয়া এবং সিংহ বললেই আফ্রিকার কথা মনে পড়ে।
বিভিন্ন ধরনের বাঘ সম্পর্কে বর্ণনা দেওয়া হলো-
১. রয়েল বেঙ্গল টাইগার: বাঘদের মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত হলো
রয়েল বেঙ্গল টাইগার। এর স্বভাব চরিত্র রাজার মতো। এ বাঘের আবাসস্থল সুন্দরবন। গায়ে ডোরাকাটা এ বাঘ দেখতে যেমন সুন্দর তেমনি ভয়ংকর।
২. চিতাবাঘ: সবচেয়ে দ্রুতগতির বাঘ হলো চিতাবাঘ। এছাড়া এই বাঘের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, এরা গাছে উঠতে পারে, যা অন্যান্য বাঘ পারে না।
৩. ওলবাঘ: একসময় অন্যান্য বাঘের পাশাপাশি সুন্দরবনে ওলবাঘ নামের এক জাতীয় বাঘ ছিল। কিন্তু বর্তমানে এ ধরনের বাঘ আর দেখা যায় না।
পশুপাখি ও জীবজন্তু যেকোনো দেশের জন্য অমূল্য সম্পদ। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। নানা প্রকার প্রাকৃতিক বিপর্যয় যেমন: বন্যা, খরা, ঝড় ইত্যাদি থেকে রক্ষার পেছনে এসব প্রাণিকুলের অবদান রয়েছে। একটি দেশের পরিবেশ রক্ষায় কোনো কোনো প্রাণীর অবদান গুরুত্বপূর্ণ। যেমন: শকুন মানুষের পক্ষে ক্ষতিকর সব আবর্জনা খেয়ে পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখে। এছাড়া পশুপাখি ও জীবজন্তু পরিবেশের সঙ্গে মিলেমিশে দেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের অনেক উপকার করে।
শকুন নানাভাবে মানুষের উপকার করে। শকুন আমাদের চারপাশের যাবতীয় আবর্জনা নিজের খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে। মানুষের পক্ষে যা কিছু ক্ষতিকর, সেইসব আবর্জনা খেয়ে শকুন আমাদের চারপাশ পরিচ্ছন্ন ও বসবাসের উপযোগী রাখে। এভাবে নোংরা আবর্জনা খেয়ে শকুন মানুষের উপকার করে।
গাছপালার মতোই বন্য পশুপাখি জীবজন্তু স্বাভাবিক পরিবেশ রক্ষার জন্য অপরিহার্য। পৃথিবীতে কোনো প্রাণীই অপ্রয়োজনীয় নয়। কোনো না কোনোভাবে তারা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় অবদান রাখে। যেমন: শকুন মানুষের পক্ষে যেসব ক্ষতিকর সেইসব আবর্জনা খেয়ে পরিবেশকে পরিচ্ছন্ন রাখে। পৃথিবীতে পশুপাখি, জীবজন্তু না থাকলে পরিবেশের ভারসাম্যে ব্যাঘাত ঘটবে। ফলে দেখা দেবে নানা রকম প্রাকৃতিক দুর্যোগ। এসব কারণে পৃথিবীতে মানুষের জীবনধারণ হুমকির মধ্যে পড়বে।
বাংলাদেশের দক্ষিণে সমুদ্রের কোল ঘেঁষে গড়ে উঠেছে বিশাল বন। এর নাম সুন্দরবন। এই বনে রয়েছে প্রচুর গাছপালা, তেমনি রয়েছে নানা প্রাণী ও জীবজন্তু। বাংলাদেশের নামের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা রয়েল বেঙ্গল টাইগার থাকে এই সুন্দরবনে ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!