ডায়রিয়া হলে রোগীর ঘন ঘন পাতলা পায়খানা হয়। যার ফলে আক্রান্ত রোগীর দেহে পানিশূন্যতা দেখা দেয়। এই পানিশূন্যতা রোধে আক্রান্ত রোগীকে যথেষ্ট পানীয় বা স্যালাইন পান করাতে হয়।
অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধের উপায়গুলো হলো-
১। স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন করা।
২। দূষণমুক্ত নির্মল পরিবেশে থাকা।
৩। তামাকজাত পণ্য ব্যবহার ও ধূমপান থেকে বিরত থাকা।
৪। মদ্যপান ও অন্যান্য নেশাজাতীয় দ্রব্য গ্রহণ না করা।
৫। অস্বাস্থ্যকর ও সুষম নয় এমন খাবার (যেমন- ফাস্টফুড, অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাদ্য-পানীয়; অতিরিক্ত লবণ ইত্যাদি) গ্রহণ না করা।
৬। সুষম ও স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করা।
৭। নিয়মিত শরীরচর্চা (যেমন- খেলাধুলা) করা।
আমরা বিভিন্ন কারণে রোগাক্রান্ত হতে পারি। রোগাক্রান্ত হওয়ার তিনটি কারণ নিচে লেখা হলো-
১। রোগাক্রান্ত একজন হতে আরেকজনের মাধ্যমে।
২। নানা রকম অণুজীব দ্বারা।
৩। কোনো অঙ্গের কাজ করার ক্ষমতা নষ্ট হলে।
যেসব রোগ একজনের থেকে আরেকজনে ছড়ায় সেগুলোকে সংক্রামক রোগ বলে। যেমন- সর্দি, চোখ ওঠা; বসন্ত, করোনা, হাম ইত্যাদি।
সংক্রামক রোগগুলো ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক বা অন্য কোনো পরজীবীর কারণে হয়ে থাকে। যেমন- সর্দি, চোখ ওঠা, বসন্ত, করোনা, হাম ইত্যাদি।
তিনটি সংক্রামক রোগের নাম হলো-
১। সর্দি,
২। চোখ ওঠা ও
৩। বসন্ত।
যেসব রোগ একজনের থেকে অন্যজনের ছড়ায় না সেসব রোগকে অসংক্রামক রোগ বলে। যেমন- হৃদরোগ, রাতকানা, আলঝেইমার, ডায়াবেটিস, ক্যান্সার, মানসিক রোগ ইত্যাদি।
অসংক্রামক রোগ জীবাণু দ্বারা ছড়ায় না। সাধারণত শরীরের কোনো অঙ্গের কার্যক্ষমতা হ্রাস বা বিপাকীয় কার্যক্রম বাধা পেলে মানুষ অসংক্রামক রোগে আক্রান্ত হয়। যেমন-হৃদরোগ, রাতকানা, ডায়াবেটিস, ক্যান্সার, মানসিক রোগ ইত্যাদি।
তিনটি অসংক্রামক রোগের নাম হলো-
১। ডায়াবেটিস,
২। ক্যান্সার ও
৩। মানসিক রোগ।
বিস্তারের মাধ্যমের উপর ভিত্তি করে সংক্রামক রোগগুলো নানা নামে পরিচিত। যেমন-
১। পানিবাহিত রোগ,
২। বায়ুবাহিত রোগ ও
৩। প্রাণিবাহিত রোগ।
পানির মাধ্যমে যেসব রোগ ছড়ায় সেগুলোকে পানিবাহিত রোগ বলে। যেমন- ডায়রিয়া, আমাশয়, টাইফয়েড, হেপাটাইটিস-এ ইত্যাদি।
যেসব রোগ প্রাণীর মাধ্যমে মানুষের শরীরে ছড়ায় সেগুলোকে প্রাণিবাহিত রোগ বলে। যেমন- ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু, প্লেগ, জলাতঙ্ক ইত্যাদি।
বিভিন্ন প্রাণীর মাধ্যমে প্রাণিবাহিত রোগ ছড়ায়। যেমন-
১। মশার কামড়ের মাধ্যমে ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গু।
২। ইঁদুরের কামড়ে প্লেগ।
৩। কুকুরের কামড়ে জলাতঙ্ক।
পানিবাহিত তিনটি রোগের নাম হলো - ১। ডায়রিয়া, ২। আমাশয় ও ৩। টাইফয়েড।
বায়ুবাহিত তিনটি রোগ হলো-
১। ইনফ্লুয়েঞ্জা,
২। ফুসফুসের যক্ষ্মা ও
৩। কোভিড-১৯ ইত্যাদি।
প্রাণিবাহিত তিনটি রোগ হলো-
১। ম্যালেরিয়া, ২। প্লেগ ও ৩। জলাতঙ্ক।
বিভিন্ন কারণে মানুষ সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হতে পারে। নিচে তিনটি কারণ লেখা হলো-
১। সংক্রামক রোগে আক্রান্ত রোগীর কাছাকাছি থাকলে।
২। জীবাণু দ্বারা দূষিত পানি পান করলে।
৩। জীবাণু রহনকারী প্রাণীর মাধ্যমে।
রোগ একজন থেকে আরেকজনের দেহে ছড়ানোই হলো রোগের বিস্তার। যেমন- জীবাণু দ্বারা দূষিত পানি পান বা ব্যবহার করলে পানিবাহিত রোগ হয়।
হাঁচি-কাশি বায়ুবাহিত রোগ। এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি কথাবার্তা বলার সময় জীবাণু বাতাসে ছড়িয়ে সুস্থ ব্যক্তির শরীরে প্রবেশ করে।
মশার কামড়ে হয় এমন তিনটি রোগ হলো-
১। ম্যালেরিয়া, ২। ডেঙ্গু ও ৩। চিকুনগুনিয়া।
সর্দি রোগের লক্ষণ হলো-
১। নাক দিয়ে অনবরত তরল পড়তে থাকে।
২। নাক লাল হয়ে যায়।
৩। নাকের ভেতরে চুলকানি হয়।
চোখ ওঠা রোগের তিনটি লক্ষণ হলো-
১। চোখ লাল হয়ে যায়।
২। চোখে চুলকানি ও জ্বালা অনুভূত হয়।
৩। চোখে পিচুটি জমা হয়ে এর দুটি পাতা আটকে যায়।
ডায়রিয়া রোগের তিনটি লক্ষণ হলো-
১। ঘনঘন পাতলা পায়খানা হয়।
২। অতিরিক্ত পানি পিপাসা পায়।
৩। পেট ব্যথা করে।
ম্যালেরিয়া জ্বরের লক্ষণ হলো-
১। কিছু সময় পরপর কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে।
২। মাথা ও পেটসহ সারা শরীর ব্যথা হয়।
৩। বমি বমি ভাব হয়।
অ্যাজমা রোগের তিনটি লক্ষণ হলো-
১। এ রোগে শ্বাসকষ্ট হয়।
২। শ্বাসের সাথে শোঁ শোঁ শব্দ হয়।
৩। কাশির সাথে কখনো কখনো সাদা কফ বের হয়।
ডায়াবেটিস রোগের তিনটি লক্ষণ হলো-
১। ঘনঘন পানির পিপাসা পায়।
২। বার বার প্রস্রাব হয়।
৩। শরীরের ওজন কমতে থাকে।
ফুসফুসের যক্ষ্মা রোগের তিনটি লক্ষণ হলো-
১। দীর্ঘমেয়াদি কাশি থাকে,
২। কাশির সাথে মাঝে মাঝে রক্তপাত হয় ও
৩। বুকে ব্যথা হয়।
জ্বরে আক্রান্ত রোগীর তিনটি প্রতিকার হলো-
১। মাথায় জলপট্টি দেওয়া,
২। ভেজা কাপড় দ্বারা শরীর স্পঞ্জ করা,
৩। পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া।
রোগ প্রতিরোধের তিনটি উপায় নিচে লেখা হলো-
১। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা।
২। হাঁচি-কাশির সঠিক নিয়ম মানা।
৩। সুষম খাদ্য গ্রহণ করা।
স্বাস্থ্য রক্ষার বিভিন্ন নিয়ম রয়েছে। নিচে তিনটি নিয়ম লেখা হলো-
১। খাওয়ার আগে ও টয়লেট ব্যবহারের পরে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া।
২। অতিরিক্ত তেল-মসলা ও গুরুপাক খাবার না খাওয়া।
৩। নিয়মিত শরীরচর্চা ও খেলাধুলা করা।
সংক্রামক রোগগুলো পরজীবীর কারণে হয়ে থাকে ।
বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার মতে মাদকাসক্তি একটি রোগ ।
ইনফ্লুয়েঞ্জা রোগ বায়ুর মাধ্যমে ছড়ায় ।
ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গু রোগ মশার মাধ্যমে ছড়ায় ।
ইঁদুরের মাধ্যমে ছড়ায় প্লেগ রোগ ।
কুকুরের কামড়ে জলাতঙ্ক রোগ হয় ।
জলাতঙ্ক প্রাণিবাহিত ধরনের রোগ ।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় পুষ্টিহীনতার কারণে ।
বায়ু দূষণের কারণে অ্যাজমা রোগ দেখা দেয় ।
ভিটামিনের অভাবে রাতকানা রোগ হয় ।
ভিটামিন এ - অভাবে রাতকানা রোগ হয় ।
ভিটামিন ডি-এর অভাবে রিকেটস রোগ হয় ।
সর্দি হলে নাক দিয়ে অনবরত তরল পড়তে থাকে ।
চামড়া কুঁচকে যায় ডায়রিয়া রোগে ।
ডায়াবেটিস ধরনের রোগীর ঘন ঘন পানির পিপাসা পায় ।
দীর্ঘমেয়াদি কাশি থাকে যক্ষ্মা রোগে ।
ডায়রিয়া রোগীর দেহের পানিশূন্যতা রোধে স্যালাইন পান করাতে হয় ।
রোগীর কফ-থুথু নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলা উচিত ।
রোগ প্রতিরোধের অন্যতম উপায় দূষণমুক্ত নির্মল পরিবেশ।
স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর পানীয় কোমল পানীয়।
বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার সর্বশেষ শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী মাদকাসক্তি একটি রোগ।
কুকুরের কামড়ে জলাতঙ্ক রোগ ছড়ায়।
বায়ুর মাধ্যমে ছড়ায়।
সংক্রামক রোগের কারণ হলো বিভিন্ন রোগের জীবাণু।
ভিটামিন-ডি-এর অভাবে রিকেটস রোগ হয় ।
এডিস মশার কামড়ে ডেঙ্গু রোগ হয়।
কোনো রোগে আক্রান্ত হলে, আমাদের শরীর ও আচরণে যে পরিবর্তন হয় তাই ঐসব রোগের লক্ষণ।
ঘনঘন পাতলা পায়খানা হওয়া ডায়রিয়া রোগের লক্ষণ।
বংশগত দুটি রোগ হলো-১। বর্ণান্ধতা ও ২। হিমোফিলিয়া।
সংক্রামক রোগ থেকে বাঁচার দুটি উপায় হলো-১। টিকা গ্রহণ করা ও ২। মাস্ক ব্যবহার করা।
Related Question
View Allযেকোনো রোগই আমাদের কষ্ট দেয়।
সাধারণত অণুজীবের দ্বারা রোগ সৃষ্টি হয়।
বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী মাদকাসক্তি একটি রোগ।
মশার মাধ্যমে ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গু রোগ হয়।
ইঁদুরের মশার মাধ্যমে রোগ হয়।
কুকুরের কামড়ে জলাতঙ্ক রোগ হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!