মহান আল্লাহর পাঁচটি সৃষ্টির নাম হলো- ১. চন্দ্র, ২. সূর্য, ৩. মেঘমালা, ৪. গাছপালা ও ৫. পর্বতমালা।
জীবের প্রতি দয়া ও ভালোবাসা প্রদর্শনের জন্য আমরা জীবের প্রতি যত্নশীল হব ও তাদের পরিচর্যা করব। জীরজন্তুকে হত্যা করা থেকে বিরত থাকব। জীবের সুস্থতার প্রতি লক্ষ রাখব। এভাবেই আমরা জীবের প্রতি দয়া ও ভালোবাসা প্রদর্শন করি।
পরিবেশ দূষণ রোধে আমরা যেসব ব্যবস্থা গ্রহণ, করতে পারি তা হলো-
১. পরিবেশ দূষণ রোধে আমরা আশপাশ পরিষ্কার রাখব।
২. ময়লা-আবর্জনা যেখানে-সেখানে না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলব।.
৩. বেশি বেশি গাছ লাগাব।
৪. নদী, খাল ও পুকুরে ময়লা ফেলব না।
সৃষ্টিজগৎ হলো মহান আল্লাহর নিয়ামত বা অনুগ্রহ। এসব সৃষ্টি প্রতিনিয়ত আমাদের প্রয়োজন মেটায়। আমাদের কল্যাণে-অবদান রাখে। মহান আল্লাহর প্রতিনিধি হিসেবে এসব সৃষ্টিকে ভালোবাসা, যত্ন নেওয়া ও রক্ষা করা আমাদের পবিত্র দায়িত্ব।
মহান আল্লাহ আসমান ও জমিনের সবকিছু মানুষের কল্যাণে সৃষ্টি করেছেন।
সূর্য হলো পৃথিবীতে বেঁচে থাকার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শক্তির উৎস।
উদ্ভিদ ক্ষতিকর কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে বায়ুকে দূষণমুক্ত করে।
আমরা মৌচাক বা মৌমাছি থেকে মধু পাই।
উদ্ভিদ আমাদের জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের জোগান দেয়।
প্রত্যেক প্রাণীর উপকার করাতেই সাওয়াব বা পুণ্য রয়েছে।
গাছের চারা রোপণ একটি দানমূলক বা সদকা জাতীয় কাজ।
মহান আল্লাহর প্রতিনিধি হিসেবে আমাদের দায়িত্ব সৃষ্টিজগতের প্রাণ ও প্রকৃতির যত্ন নেওয়া।
গরু, ছাগল, মহিষ, উট ও ভেড়া থেকে আমরা দুধ ও মাংস পাই।
পানি আমাদের জীবনধারণের জন্য অপরিহার্য এবং এটি ছাড়া কৃষিকাজ বা জীবনযাপন সম্ভব নয় বলে একে অমূল্য নেয়ামত বলা হয়েছে।
আসমান ও জমিনের চন্দ্র, সূর্য, মেঘ, বায়ু এবং পৃথিবীর পাহাড়-নদী সবকিছুই আল্লাহ মানুষের উপকারের জন্য তৈরি করেছেন।
সূর্যের আলো ও তাপ ছাড়া কোনো উদ্ভিদ জন্মাতে পারে না এবং উদ্ভিদ ছাড়া কোনো প্রাণী বা মানুষ বেঁচে থাকতে পারে না।
বৃষ্টির পানি মৃতপ্রায় জমিনকে সজীব করে তোলে, কৃষিকাজে সহায়তা করে এবং এর ফলে আমাদের প্রয়োজনীয় ফলমূল ও খাদ্য উৎপাদিত হয়।
কারণ রোপণ করা বৃক্ষ থেকে যখন কোনো মানুষ, পশু বা পাখি ফল বা শস্য খায়, তখন তার সওয়াব রোপণকারী ব্যক্তি পেতে থাকেন।
আমরা শিখতে পারি যে, সামান্য একটি প্রাণীর প্রতি দয়া দেখালেও মহান আল্লাহ খুশি হয়ে মানুষের বড়ো বড়ো গুনাহ মাফ করে দেন।
মহানবি (স.) বাকশক্তিহীন জন্তুর ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করতে বলেছেন; তাই তাদের ক্ষুধার্ত রাখা বা কষ্ট দেওয়া ইসলামের দৃষ্টিতে গর্হিত কাজ।
মৌমাছি আমাদের মধু দেয় এবং এটি ফুলের পরাগায়নে সহায়তা করে, যার ফলে শস্য ও ফল উৎপন্ন হয়।
উদ্ভিদ পরিবেশ থেকে বিষাক্ত কার্বন-ডাই-অক্সাইড শুষে নেয় এবং অক্সিজেন ছেড়ে দিয়ে আমাদের সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে সাহায্য করে।
কারণ গাছপালা আমাদের খাদ্য, কাঠ, জ্বালানি ও ওষুধ সরবরাহ করে; এগুলো রক্ষা না করলে আমাদের জীবনই হুমকির মুখে পড়বে।
আল্লাহর সৃষ্টিকে ভালোবাসা, তাদের যত্ন নেওয়া এবং তার দেওয়া নেয়ামতগুলো অপচয় না করে শুকরিয়া জানানো যায়
উদ্ভিদ প্রাণীকে অক্সিজেন ও খাদ্য দেয়, আর প্রাণী উদ্ভিদের পরাগায়নে সাহায্য করে এবং কার্বন-ডাই-অক্সাইড দিয়ে উদ্ভিদের জীবন রক্ষায় ভূমিকা রাখে।
ইসলামপূর্ব যুগে প্রাণীদের নিষ্ঠুরভাবে খাটানো ও হত্যা করা হতো, কিন্তু ইসলাম তাদের প্রতি সদয় হওয়ার এবং আহার দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
বড়ো প্রাণী (যেমন, গরু) আমাদের দুধ-মাংস দেয়, আবার ক্ষুদ্র কীটপতঙ্গ (যেমন মৌমাছি) শস্য উৎপাদনের জন্য। পরাগায়ন ঘটায়-উভয়ই আমাদের জন্য সমান উপকারী।
উভয় স্তরের সৃষ্টিই (যেমন সূর্য ও নদ-নদী) মহান আল্লাহ কেবল মানুষের কল্যাণের উদ্দেশ্যে তৈরি করেছেন।
ব্যক্তিগতভাবে আমরা যেমন 'নিজের যত্ন নেই, আল্লাহর প্রতিনিধি হিসেবে তেমনি সৃষ্টিজগতের প্রাণ ও প্রকৃতির যত্ন নেওয়া আমাদের পবিত্র দায়িত্ব।
শুকরিয়া আদায় করা মানেই হলো আল্লাহর দেওয়া নেয়ামতের সঠিক ব্যবহার করা এবং তার বিধি-বিধান মেনে চলা।
উভয়ই সমান গুরুত্বপূর্ণ; কেবল চারা রোপণ করলেই হবে না, ফলবান হওয়া পর্যন্ত ধৈর্যসহকারে তার যত্নও নিতে হবে।
বন উজাড় পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে, আর বৃক্ষরোপণ পরিবেশ রক্ষা করে এবং রোপণকারীর জন্য সওয়াবের কারণ হয়।
পানি পান করা যেমন প্রাণের তৃষ্ণা মেটায়, তেমনি কৃষিকাজে ব্যবহারের মাধ্যমে আমাদের খাদ্য সংস্থান নিশ্চিত হয়।
উভয়ই আল্লাহর সৃষ্টি এবং উভয় প্রাণীর ব্যাপারেই মহান আল্লাহকে ভয় করতে ও তাদের প্রতি সদয় হতে বলা হয়েছে।
চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, মেঘমালা ও বায়ুপ্রবাহ।
পাহাড়-পর্বত, নদ-নদী, সাগর, গাছপালা এবং ফল-ফসল।
অক্সিজেন, খাদ্য এবং ওষুধ।
গরু (দুধ দেয়), ভেড়া (মাংস দেয়) এবং মৌমাছি (মধু দেয়)।
পশুপাখির যত্ন নেওয়া, বৃক্ষরোপণ করা এবং চারপাশ পরিষ্কার রাখা।
প্রাণীদের বিনা কারণে মারা, তাদের ক্ষুধার্ত রাখা এবং বন উজাড় করা।
অপ্রয়োজনে বৈদ্যুতিক বাতি বা পানির কল ছেড়ে না রাখা।
যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা না ফেলা।
নিজের মোজা ভরে কুয়া থেকে পানি তুলে তৃষ্ণার্ত কুকুরকে পান করানো।
বন উজাড় রোধ করা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ দূষণমুক্ত. রাখতে কাজ করা।
আমি তার প্রতি সদয় হব এবং সাধ্যমতো তাকে খাদ্য, পানীয় ও আশ্রয় দেওয়ার চেষ্টা করব।
আমি উক্ত জায়গায় বৃক্ষরোপণ করব এবং গাছটি বড়ো না হওয়া পর্যন্ত নিয়মিত তার পরিচর্যা করব।
আমি তাকে গাছ না কাটার অনুরোধ করব এবং প্রয়োজনে একটি গাছ কাটলে সেখানে অন্তত দুটি গাছ লাগাতে বলব'।
আমি খাবারের কোনো অংশ অপচয় করব না এবং পানি ব্যবহারের সময় মিতব্যয়ী হব।
আমি যত্রতত্র ময়লা না ফেলে তা ডাস্টবিনে ফেলব যাতে পরিবেশ দূষণমুক্ত থাকে।
কারণ তারা আল্লাহর বিস্ময়কর সৃষ্টি এবং পরাগায়নের মাধ্যমে আমাদের খাদ্য উৎপাদনে সাহায্য করে।
আমরা দলগতভাবে আমাদের বিদ্যালয়ের আঙিনা বা চারপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব নিতে পারি।
আমি বাড়ির ছাদে বা আঙিনায় পাত্রে পানি ভরে রাখব যাতে পাখিরা তৃষ্ণা মেটাতে পারে
মহাকাশে রয়েছে চন্দ্র, সূর্য, মেঘমালা ও বায়ুপ্রবাহ ইত্যাদি। আর পৃথিবীতে রয়েছে ফল-ফসল, নদী-নালা, গাছপালা, পর্বতমালা ইত্যাদি।
সৃষ্টিজগৎ হলো আল্লাহর বিশেষ নিয়ামত যা প্রতিনিয়ত আমাদের অনেক প্রয়োজন মেটায়। আল্লাহর প্রতিনিধি হিসেবে এসব সৃষ্টিকে ভালোবাসা ও রক্ষা করা আমাদের পবিত্র দায়িত্ব।' প্রকৃতির সব প্রাণীর প্রতি দয়া দেখালে মহান আল্লাহ আমাদের ওপর খুশি হন।
মহান আল্লাহ আসমান ও জমিনের সবকিছু মানুষের উপকারের জন্য সৃষ্টি করেছেন। চন্দ্র, সূর্য, নদী-নালা এবং পশুপাখি সবকিছুই আমাদের জীবনকে সহজ ও সুন্দর করে তোলে। এসব নিদর্শনের মাধ্যমে আমরা আল্লাহর ক্ষমতা ও দয়া সম্পর্কে জানতে পারি।
মহান আল্লাহর এক বিস্ময়কর সৃষ্টি হলো সূর্য। এটি পৃথিবীতে বেঁচে থাকার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শক্তির উৎস। সূর্য পৃথিবীতে আলো ও তাপ দেয়। এর আলো ছাড়া কোনো উদ্ভিদ বাঁচতে পারে না। উদ্ভিদ ছাড়া কোনো প্রাণী বাঁচতে পারে না। এজন্য সূর্যকে মহান আল্লাহর বিস্ময়কর সৃষ্টি বলা হয়।
সূর্য পৃথিবীতে আলো ও তাপের প্রধান উৎস, যা ছাড়া কোনো প্রাণী বেঁচে থাকতে পারে না। সূর্যের আলো পেয়ে উদ্ভিদ বেড়ে ওঠে এবং আমাদের জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের জোগান দেয়। উদ্ভিদের মাধ্যমে আমরা খাদ্য, কাঠ ও ওষুধ পাই যা আমাদের সুস্থতার জন্য অপরিহার্য।
পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে যে, আল্লাহ আকাশ থেকে বৃষ্টি বর্ষণ করে মৃত জমিনকে সজীব করেন। পানি জীবনের জন্য এক অমূল্য নিয়ামত, যা আমাদের পান করা ও কৃষিকাজের জন্য প্রয়োজন। নদ-নদী ও সাগরের পানি আমাদের বেঁচে থাকা ও জীবিকা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
গরু, ছাগল ও ভেড়ার মতো প্রাণী থেকে আমরা পুষ্টিকর দুধ ও মাংস পেয়ে থাকি। এসব প্রাণী আমাদের কৃষিকাজে সাহায্য করে এবং আমাদের পুষ্টির জোগান দেয়। মহান আল্লাহর এই. বিশেষ অনুগ্রহের জন্য আমাদের সবসময় তার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা উচিত।
মৌমাছি আমাদের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি পতঙ্গ যা মৌচাক থেকে আমাদের মধু দান করে। মধু আহরণের পাশাপাশি মৌমাছি ফুলের পরাগায়নে সহায়তা করে যা থেকে ফল ও শস্য উৎপন্ন হয়। এই ছোটো পতঙ্গটির মাধ্যমে আল্লাহ আমাদের খাদ্যের ব্যবস্থা ও সুস্বাস্থ্যের জোগান দেন।
মানুষ হলো পৃথিবীতে মহান আল্লাহর খলিফা বা প্রতিনিধি। আমাদের প্রধান দায়িত্ব হলো আল্লাহর সৃষ্টিজগৎ ও প্রকৃতির সঠিক যত্ন নেওয়া ও পরিচর্যা করা। নিজেদের ও পৃথিবীর মঙ্গলের জন্যই আমাদের সব প্রাণীর প্রতি সদয় হওয়া প্রয়োজন।
মানবকল্যাণের জন্য উদ্ভিদ গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো-উদ্ভিদ ছাড়া কোনো প্রাণী বাঁচতে পারে না। উদ্ভিদ ক্ষতিকর কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে, বায়ুকে দূষণমুক্ত করে। আমাদের জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের জোগান দেয়। আমাদের খাদ্য, কাঠ, জ্বালানি, ওষুধ ইত্যাদি সরবরাহ করে।
ইসলাম আসার আগে মানুষ জীবজন্তুর প্রতি অত্যন্ত নিষ্ঠুর আচরণ করত এবং তাদের নির্মমভাবে হত্যা করত। পশুদের সঠিক খাবার দেওয়া হতো না এবং তাদের ওপর অমানবিক পরিশ্রমের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হতো। মহানবি (স.) এসে এসব বাকশক্তিহীন প্রাণীর প্রতি দয়া দেখানোর নির্দেশ দেন।
একবার মহানবি (স.) একটি ক্ষুধার্ত উটের কষ্ট বুঝতে পেরে সাহাবিদের সতর্ক করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন যে এসব প্রাণীর ব্যাপারে আমাদের আল্লাহকে ভয় করা উচিত। প্রাণীদের সুস্থ রাখা, উত্তম আহার দেওয়া এবং তাদের ওপর দয়া করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
এক ব্যক্তি নিজের মোজায় করে পানি এনে একটি পিপাসার্ত কুকুরকে পান করিয়েছিলেন। মহান আল্লাহ তার এই কাজ কবুল করে তার সব গুনাহ মাফ করে দিয়েছিলেন। এই ঘটনা আমাদের শেখায় যে প্রতিটি প্রাণীর উপকার করাতেই অনেক সাওয়াব রয়েছে।
মহানবি (স.)-এর মতে, কেউ গাছ লাগালে সেই গাছের প্রতিটি ফলের বিনিময়ে আল্লাহ তাকে সদকার নেকি দেন। এমনকি সেই গাছ থেকে যদি কোনো পশুপাখি বা মানুষ খাবার খায়, তাও সদকা হিসেবে গণ্য হয়। গাছ লাগানো কেবল পরিবেশ রক্ষা নয়, বরং এটি একটি অনেক বড়ো ইবাদত।
আমাদের উচিত চারপাশে বেশি করে বৃক্ষরোপণ করা এবং বন উজাড় রোধ করা। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় আমাদের সম্পদের অপচয় রোধ ও সঠিক ব্যবহার করতে হবে। সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য আমাদের চা সবসময় পরিষ্কার ও দূষণমুক্ত রাখা প্রয়োজন।
আমরা যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলব না কারণ এতে প্রকৃতি ও মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আমাদের উচিত নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেল্লা এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করা। বিদ্যালয় ও বাড়ির আঙিনা পরিষ্কার রাখা আমাদের দায়িত্বশীল আচরণের পরিচয় দেয়।
ইসলাম কেবল গাছ লাগাতে বলেনি, বরং ফলবান হওয়া * পর্যন্ত তার পরিচর্যা করতে উদ্বুদ্ধ করেছে। একটি চারা গাছের সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচর্যার বিনিময়ে মহান আল্লাহ অনেক সওয়ার দান করেন। প্রকৃতির কল্যাণে আমাদের নিয়মিত গাছে পানি দেওয়া ও তাদের যত্ন নেওয়া উচিত।
আল্লাহর দেওয়া নেয়ামতগুলোর সঠিক পরিচর্যা ও ভালোবাসার মাধ্যমেই প্রকৃত শুকরিয়া প্রকাশ পায়। পশুপাখির যত্ন নেওয়া এবং পরিবেশ দূষণ না করাই হলো আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো। সৃষ্টির সেবায় নিয়োজিত থেকে তার বিধি-বিধান মেনে চললে আমরা আখিরাতে সফল হবো।
সৃষ্টিজগতের প্রতি যত্নশীল হওয়া ও তাদের পরিচর্যা করা আমাদের দায়িত্ব। আমরা পৃথিরীতে মহান আল্লাহর খলিফা বা প্রতিনিধি। আমাদের দায়িত্ব সৃষ্টিজগতের প্রাণ ও প্রকৃতির যত্ন নেওয়া। আমাদের নিজেদের কল্যাণেই এগুলোর যত্ন ও পরিচর্যা করা প্রয়োজন।
১. পশুপাখির যত্ন নেওয়া।
২. প্রাণীদের প্রতি দয়া প্রদর্শন করা।
৩. পরিবেশ রক্ষার কাজে অংশ নেওয়া।
৪. বৃক্ষরোপণ করা।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allমহান আল্লাহর এক বিস্ময়কর সৃষ্টি হলো সূর্য
আমরা মৌচাক থেকে মধু পাই।
বৃক্ষরোপণ পৃথিবীর কল্যাণে সহায়ক
মহান আল্লাহর সৃষ্টিকে ভালোবাসা, যত্ন নেওয়া ও রক্ষা করা আমাদের পবিত্র দায়িত্ব।
মহান আল্লাহর দানের জন্য আমরা তার প্রতি শুকরিয়া প্রকাশ করব।
মহান আল্লাহ আসমান ও জমিনের সবকিছু সৃষ্টি করেছেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!