যে কাজগুলো করলে মহান আল্লাহ খুশি হন এবং যে কাজগুলো মানুষের জন্য কল্যাণ বয়ে আনে সেগুলো ভালো কাজ বা ন্যায় কাজ। যেমন- মহান আল্লাহর ইবাদত করা।যে কাজগুলো করলে মহান আল্লাহ অখুশি হন এবং যে কাজগুলো মানুষের জন্য অকল্যাণ বয়ে আনে সেগুলোই মন্দ কাজ বা অন্যায় কাজ। যেমন- মা-বাবা ও শিক্ষকের কথা না শোনা।
উদারতা হলো একটি মানবিক ও নৈতিক গুণ। অন্যের সঙ্গে ভালো আচরণ, নম্র ব্যবহার, সহানুভূতি ও দয়া প্রদর্শন ইত্যাদি হলো উদারতা।
পরোপকার হলো অন্যের উপকার করা। বিপদ-আপদে অন্যকে সাহায্য করা। অন্যের কল্যাণ সাধনের জন্য কাজ করা। অর্থ ও শ্রম দিয়ে, জ্ঞান বিতরণ করে বা অন্য কোনো উপায়ে পরোপকার করা যায়।
হিজরতের সময় মক্কার দিকে তাকিয়ে মহানবি (স.) বলেছিলেন, "হে মক্কা তুমি কতই না সুন্দর! আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি। আমার আপন জাতি যদি আমাকে বিতাড়িত না করত, আমি কখনোই তোমাকে ছেড়ে যেতাম না।"
(মিশকাতুল মাসাবিহ)
দেশপ্রেমমূলক দুটি কাজের উদাহরণ হলো-
১. প্রাকৃতিক ও সামাজিক সম্পদ সংরক্ষণ করা এবং সম্পদের অপচয় না করা। যেমন- সূর্যের আলো, বাতাস, গ্যাস ইত্যাদি প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণে সচেতন হতে হবে।
২. বেশি করে গাছ লাগাব এবং গাছের যত্ন নেব।
যে কাজগুলো করলে মহান আল্লাহ খুশি হন এবং যা মানুষের জন্য কল্যাণ বয়ে আনে, সেগুলোই ভালো কাজ।
যে কাজগুলো করলে মহান আল্লাহ অখুশি হন এবং যা মানুষের জন্য অকল্যাণ বয়ে আনে, সেগুলোই মন্দ কাজ।
অন্যের সঙ্গে ভালো আচরণ, নম্র ব্যবহার, সহানুভূতি ও দয়া প্রদর্শন করা হলো উদারতা।
অন্যের উপকার করা এবং বিপদ-আপদে অন্যকে সাহায্য করাকে পরোপকার বলে।
নিজের দেশকে ভালোবেসে তার কল্যাণে কাজ করা হলো দেশপ্রেম।
যিনি কোনো কিছু পাওয়ার আশা ছাড়াই অন্যদের জন্য নিজের সময়, অর্থ ও সম্পদ ব্যয় করেন।
কর্জে হাসানা অর্থ হলো উত্তম ঋণ।
মদিনার সকল মুসলিম ও অমুসলিমদের অধিকার রক্ষার জন্য মহানবি (স.) যে চুক্তি করেছিলেন তা মদিনা সনদ নামে পরিচিত।
সূর্যের আলো, বাতাস, পানি, কয়লা, গ্যাস, গাছপালা ও খনিজ সম্পদ হলো প্রাকৃতিক সম্পদ।
বিদ্যালয়, পাঠাগার, হাসপাতাল, উপাসনালয়, খেলার মাঠ, রাস্তাঘাট ইত্যাদি হলো সামাজিক সম্পদ।
হাদিস অনুযায়ী, যখন প্রতিবেশীরা কাউকে ভালো কাজ করতে দেখে ভালো বলে, তখন সে ভালো কাজ করেছে; আর তারা মন্দ বললে সেটি মন্দ কাজ।
উদার ব্যক্তি নিঃস্বার্থভাবে উপকার করে আনন্দ ও তৃপ্তি লাভ করেন, ফলে তার মানসিক অবস্থা ভালো থাকে এবং তিনি জীবনে সুখী হন।
পরোপকার করলে অন্যের উপকার হয় এবং মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ বৃদ্ধি পায়; এছাড়া, আল্লাহও পরোপকারীকে সাহায্য করেন।
প্রাকৃতিক সম্পদ আমাদের দেশের অমূল্য সম্পদ; এগুলো অপচয় করলে দেশের ক্ষতি হয়, তাই এগুলো মিতব্যয়িতার সাথে ব্যবহার করা উচিত।
দেশপ্রেম একটি মহান গুণ; মহানবি (স.) নিজেও তার জন্মভূমি মক্কাকে খুব ভালোবাসতেন এবং দেশের কল্যাণে কাজ করা ইমানের অংশ।
মেয়েটি মনে করেছিল যে খলিফা না দেখলেও মহান আল্লাহ সব দেখছেন, তাই আল্লাহর কাছে জবাবদিহিতার ভয়ে সে পানি মেশাতে রাজি হয়নি।
ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হজরত উমর (রা.)-এর সঙ্গে তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের মিল থাকায় তাকে 'দ্বিতীয় উমর' বলা হয়।
তিনি অমুসলিমদের জানমালের নিরাপত্তা দিতেন, অসুস্থ হলে দেখতে যেতেন এবং ধর্মীয় অধিকার নিশ্চিত করতে চুক্তি করতেন।
যে বান্দা তার ভাইকে সাহায্য করবে, আল্লাহ সে বান্দাকে দুনিয়া ও আখিরাতে সাহায্য করবেন।
তিনি কাতরকণ্ঠে বলেছিলেন যে, মক্কাকে তিনি অনেক ভালোবাসেন এবং নিজ জাতি বিতাড়িত না করলে তিনি কখনো মক্কা ছেড়ে যেতেন না।
ভালো কাজ উপকারী ও নৈতিকভাবে সঠিক, আর মন্দ কাজ ক্ষতিকর ও নৈতিকভাবে সঠিক নয়।
প্রাকৃতিক সম্পদ প্রকৃতি থেকে পাওয়া যায় (যেমন-পানি, গ্যাস), আর সামাজিক সম্পদ মানুষের সুবিধার জন্য তৈরি করা হয় (যেমন- স্কুল, ব্রিজ)।
দেশপ্রেমিক দেশের স্বার্থকে নিজের স্বার্থের চেয়ে বড়ো মনে করেন, কিন্তু স্বার্থপর ব্যক্তি কেবল নিজের লাভ খোঁজেন।
উভয় গুণই মানুষকে অন্যের কল্যাণে কাজ করতে এবং নিঃস্বার্থ হতে উৎসাহিত করে।
অণু পরিমাণ ভালো কাজ করলে তার ফল দেখতে পাওয়া যাবে এবং অণু পরিমাণ মন্দ কাজ করলে তার ফলও দেখতে পাওয়া যাবে।
যেমন আবু বকর (রা.) তাবুকের যুদ্ধে সব সম্পদ দিয়ে দিয়েছিলেন এবং উমর (রা.) অর্ধেক সম্পদ দিয়ে দৃষ্টান্ত রেখেছিলেন।
সৎকর্ম ও পরহেজগারিতে পরস্পরকে সাহায্য করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কিন্তু মন্দকর্ম ও সীমালঙ্ঘনে সাহায্য করতে নিষেধ করা হয়েছে।
উদার ব্যক্তিকে সবাই পছন্দ করে এবং তার সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলে, কিন্তু অনুদার ব্যক্তিকে মানুষ এড়িয়ে চলে।
দানশীলতা একটি ভালো কাজ যা পরোপকারের অংশ, আর কৃপণতা একটি মন্দ কাজ।
সত্য কথা বলা একটি উচ্চতর নৈতিক গুণ, আর প্রতারণা করা মানুষের জন্য অকল্যাণকর ও মন্দ কাজ।
সত্য কথা বলা, মা-বাবার কথা মানা এবং দরিদ্রকে দান করা।
মিথ্যা বলা, গালি দেওয়া এবং অপব্যয় করা।
অসহায়কে দান করা, পরমতসহিষ্ণুতা দেখানো এবং বিনয়ী হওয়া।
সহপাঠীকে পড়া বুঝতে সাহায্য করা এবং কলম না আনলে তাকে কলম ধার দেওয়া।
দেশের মঙ্গলে কাজ করা এবং জাতীয় সম্পদ রক্ষা করা।
সূর্যের আলো, পানি এবং গ্যাস।
খেলার মাঠ, হাসপাতাল এবং রাস্তাঘাট।
তৃষ্ণার্ত কুকুরকে পানি পান করানো বা ক্ষুধার্ত প্রাণীকে খাবার দেওয়া।
গাছ লাগানো এবং যেখানে-সেখানে ময়লা না ফেলা।
অন্ধ বা বৃদ্ধ মানুষকে রাস্তা পার হতে সাহায্য করা।
আমি নিজের দোষ অন্যের ওপর চাপাব না, বরং ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাইব।
আমি তার মতের প্রতি সহনশীল থাকব এবং রাগ না করে নম্রভাবে কথা বলব।
পরোপকারের শিক্ষা অনুযায়ী আমি তা রাস্তা থেকে সরিয়ে ফেলব যাতে কারও কষ্ট না হয়।
আমি অপ্রয়োজনে বাতি বা পানির কল চালু রাখব না এবং সম্পদের অপচয় রোধ করব।
আমি পরোপকার ও দয়া প্রদর্শনের জন্য তাকে দেখতে যার এবং তার সেবা করব।
উদারতা ও মানবিকতার খাতিরে আমি তাকে সাধ্যমতো অর্থ বা খাবার দিয়ে সাহায্য করব।
দেশপ্রেম ও সামাজিক সম্পদ রক্ষার খাতিরে আমি এগুলো নষ্ট করব না এবং পরিচ্ছন্ন রাখব।
যেসব কাজ আমাদের জন্য উপকারী এবং নৈতিকভাবে সঠিক, সেগুলোই হলো ভালো কাজ। যে কাজগুলো করলে মহান আল্লাহ খুশি হন এবং মানুষের জন্য কল্যাণ বয়ে আনে তাকেই ভালো কাজ বলা হয়। যেমন- মা-বাবার কথা মানা, সত্য কথা বলা এবং বড়োদের শ্রদ্ধা করা।
যেসব কাজ আমাদের জন্য ক্ষতিকর এবং নৈতিকভাবে সঠিক নয়, সেগুলোই হলো মন্দ কাজ। যে কাজগুলো করলে মহান আল্লাহ অখুশি হন এবং মানুষের অকল্যাণ হয় তাকে মন্দ কাজ বলে। যেমন- মিথ্যা বলা, চুরি করা, গালি দেওয়া এবং অন্যের ক্ষতি করা।
ইসলামে ভালো কাজ করা এবং অন্যায় কাজ থেকে বিরত থাকার গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। ইসলামে ভালো কাজের গুরুত্ব সম্পর্কে মহান আল্লাহ বলেন, সৎকর্ম ও পরহেজগারিতে তোমরা পরস্পরের সহযোগিতা করো। মন্দকাজ ও সীমালঙ্ঘনে পরস্পরের সহযোগিতা করো না। (সূরা আল-মায়িদা, আয়াত: ২)
মহানবি (স.)-এর মতে, যখন তোমার প্রতিবেশীরা বলে যে তুমি ভালো কাজ করেছ, তবে তুমি আসলেই ভালো কাজ করেছ। আর যখন তারা বলে যে তুমি মন্দ কাজ করেছ, তখন বুঝতে হবে তুমি মন্দ কাজ করেছ। প্রতিবেশীর সুচিন্তিত মতামত থেকে নিজের কাজের প্রকৃতি বোঝা যায়।
কেউ অণু পরিমাণ ভালো কাজ করলে কিয়ামতের দিন সে তা দেখতে পাবে এবং পুরস্কৃত হবে। দুনিয়াতে কোনো মুমিনের দুঃখ দূর করলে আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার দুঃখ-কষ্ট দূর করে দিবেন। ভালো কাজ করলে আল্লাহ খুশি হন এবং আখিরাতে শান্তি দান করেন।
মহানবি (স.) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোনো মুসলিমের দোষ-ত্রুটি গোপন রাখবে, আল্লাহ দুনিয়া ও আখিরাতে তার দোষ-ত্রুটি গোপন রাখবেন। এটি একটি বড়ো মাপের নৈতিক ও মানবিক গুণ। অন্যের সম্মান রক্ষা করলে আল্লাহ কিয়ামতের দিন নিজের সম্মান রক্ষা করবেন।
মা দুধে পানি মিশাতে বললেও মেয়েটি রাজি হয়নি কারণ সে জানত খলিফা না দেখলেও আল্লাহ সব দেখছেন। মেয়েটির এমন সততা ও আল্লাহর প্রতি ভয় দেখে খলিফা উমর (রা.) অনেক মুগ্ধ হয়েছিলেন। এই ঘটনাটি আমাদের শেখায় যে গোপনেও কখনও অন্যায় কাজ করা উচিত নয়।
উমাইয়া খলিফা উমর বিন আবদুল আজিজ (রহ.)-কে 'দ্বিতীয় উমর' বলা হয়। তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের সাথে ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হজরত উমর (রা.)-এর অনেক মিল ছিল। তিনি সবসময় আল্লাহর বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা ও মানুষের সেবা করতেন।
অন্যের সঙ্গে ভালো আচরণ, নম্র ব্যবহার, সহানুভূতি ও দয়া প্রদর্শন করাকেই উদারতা বলে। উদার ব্যক্তি কোনো কিছু পাওয়ার আশা ছাড়াই অন্যদের জন্য নিজের সময় ও সম্পদ ব্যয় করেন। এটি একটি মহৎ মানবিক গুণ, যা মানুষকে নিঃস্বার্থভাবে উপকার করতে শেখায়।
অসহায় ও দরিদ্রদের সাধ্যমতো দান করা একটি বড়ো উদারতামূলক কাজ। এছাড়া বৃদ্ধ ও অসুস্থদের সাহায্য করা এবং অন্যের প্রতি সহনশীল আচরণ করাও উদারতা। পরমতসহিষ্ণুতা প্রদর্শন এবং অন্যকে ঘৃণা বা অবজ্ঞা না করাও এর অন্তর্ভুক্ত।
উদার ব্যক্তিরা নিজেদের প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য এতিম ও মিসকিনদের খাবার দান করে। তারা এর বিনিময়ে কারও কাছে কোনো প্রতিদান বা কৃতজ্ঞতা আশা করে না। তারা কেবল আল্লাহর খুশির জন্যই মানুষের সেবা করে।
মহানবি (স.) অমুসলিম প্রতিবেশীদের সঙ্গে সবসময় ভালো ব্যবহার করতেন এবং তাদের জানমালের নিরাপত্তা দিতেন। তিনি অমুসলিমদেরও। স্বাধীনভাবে ধর্ম পালনের অধিকার দিতেন এবং তারা অসুস্থ হলে দেখতে যেতেন। তিনি সবাইকে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সম্মান করতে বলতেন।
মক্কাবাসীরা মহানবি (স.)-কে অনেক অত্যাচার করেছিল এবং একসময় মক্কা ছাড়তে বাধ্য করেছিল। কিন্তু মক্কা বিজয়ের পর তিনি প্রতিশোধ না নিয়ে তাদের সবাইকে উদারভাবে ক্ষমা করে দিলেন। তার এই মহৎ ক্ষমা ও উদারতা পৃথিবীর ইতিহাসে এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
পরোপকার হলো অন্যের উপকার করা এবং বিপদের সময় অন্যকে সাহায্য করা। অর্থ, শ্রম বা নিজের জ্ঞান বিতরণের মাধ্যমেও অন্যের কল্যাণ সাধন করা যায়। পরোপকার করলে মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি, ভালোবাসা ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধি পায়।
অভাবী মানুষের উপকারের জন্য ফেরত পাওয়ার শর্তে যে ঋণ দেওয়া হয় তার্কে কর্জে হাসানা বলে। আল্লাহ এই ঋণের বিনিময়ে মানুষের জন্য সম্মানজনক প্রতিদান নির্ধারণ করে রেখেছেন। এটি অসহায় মানুষের বিপদ দূর করার একটি বিশেষ ইসলামি মাধ্যম।
দুনিয়াতে কোনো অসুস্থ মানুষের সেবা করলে এবং ক্ষুধার্তকে খাবার খাওয়ালে আল্লাহর সেবা করা হয়। কিয়ামতের দিন আল্লাহ বলবেন যারা তার বিপদগ্রস্ত বান্দার সেবা করেছে তারা আসলে তারই সেবা করেছে। আর্তমানবতার সেবা করাই হলো আল্লাহর সন্তুষ্টি পাওয়ার অন্যতম পথ।
হজরত বিলাল (রা.) ইসলাম গ্রহণ করায় তার মালিক তাকে প্রচণ্ড নির্যাতন করত। হজরত আবু বকর (রা.) নিজের অর্থ দিয়ে বিলাল (রা.)-কে সেই দাসত্ব ও নির্যাতন থেকে মুক্ত করে দিয়েছিলেন। এটি সাহাবিদের পরোপকার ও ইসলামের প্রতি ত্যাগের এক মহৎ উদাহরণ।
নিজের দেশকে মনেপ্রাণে ভালোবাসা এবং দেশের কল্যাণে কাজ করাকেই দেশপ্রেম বলে। একজন দেশপ্রেমিক ব্যক্তি নিজের স্বার্থের চেয়ে দেশের স্বার্থকে সবসময় বড়ো করে দেখেন। প্রয়োজনে তিনি নিজের জন্মভূমির মঙ্গলের জন্য জীবন দিতেও পিছপা হন না।
মক্কা ছেড়ে হিজরত করার সময় মহানবি (স.) বারবার প্রিয় জন্মভূমির দিকে ফিরে তাকাচ্ছিলেন। তিনি কাতরকণ্ঠে বলেছিলেন যে, তিনি মক্কাকে অনেক বেশি ভালোবাসেন। আপন জাতি তাকে বিতাড়িত না করলে তিনি কখনই। তার সুন্দর জন্মভূমি ছাড়তেন না।
আমরা অপ্রয়োজনে বৈদ্যুতিক বাতি, ফ্যান ও গ্যাসের চুলা জ্বালিয়ে রাখব না। পলিথিনের বদলে পরিবেশবান্ধব পাটের ব্যাগ ব্যবহার করব এবং বেশি করে গাছ লাগাব। প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহারে আমাদের সবসময় মিতব্যয়ী ও সচেতন হতে হবে।
Related Question
View Allঅপব্যয় করা মন্দ কাজ শুদ্ধ ।
উদার ব্যক্তি নিজের স্বার্থ বড়ো করে দেখেন অশুদ্ধ ।
দান-সদকা মানুষের আয়ু বৃদ্ধি করে শুদ্ধ ।
জ্ঞান বিতরণ করে পরোপকার করা যায় না অশুদ্ধ ।
দেশপ্রেমী নিজের স্বার্থের চেয়ে দেশের স্বার্থ বড়ো করে দেখেন শুদ্ধ।
মাতা-পিতা ও' 'বড়োদের শ্রদ্ধা করা শুদ্ধ ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!