ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়। উল্লেখ্য, দায়রা আদালত, মেট্রোপলিটন দায়রা আদালত, স্পেশাল কোর্ট, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ফৌজদারি আদালতের অন্তর্ভুক্ত।
ঐতিহাসিক ৬ দফার প্রবক্তা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। পূর্ব বাংলার জনগণের প্রতি পাকিস্তান রাষ্ট্রের চরম বৈষম্যমূলক আচরণ ও অবহেলার বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রাম গভীর ও সুস্পষ্ট রূপ লাভ করে ৬ দফার স্বায়ত্তশাসনের দাবিনামায়। ১৯৬৬ সালের ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলসমূহের এক সম্মেলনে যোগদান করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক শেখ মুজিবুর রহমান। সেখানে তিনি সংবাদ সম্মেলন করে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের অধিকার রক্ষার জন্য ৬ দফা দাবি তুলে ধরেন।
মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা ২নং সেক্টরের অধীন ছিল। উল্লেখ্য, ঢাকা, কুমিল্লা, আখাউড়া, ভৈরব, নোয়াখালী ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ। মেলাঘর, আগরতলা, ত্রিপুরা, ভারতে এই সেক্টরের সদরদপ্তর ছিলো আর সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ এবং মেজর এ. টি. এম. হায়দার।
বাংলাদেশ রেলওয়ের সর্ববৃহৎ কারখানা অবস্থিত সৈয়দপুর, নীলফামারী (প্রতিষ্ঠা ১৮৭০ সালে)। উল্লেখ্য, রেলওয়ে ক্যারেজ অ্যান্ড ওয়াগন কারখানা দুইটি (চট্টগ্রাম এবং সৈয়দপুর)। রেলওয়ের লোকোমোটিভ কারখানা চারটি (ঢাকায় ১টি, পার্বতীপুরে ২টি এবং চট্টগ্রামে ১টি)। বাংলাদেশের বৃহত্তম রেলওয়ে জংশন পার্বতীপুর। পার্বতীপুর চার লাইনের রেলওয়ে জংশন, অন্যদিকে ঈশ্বরদী তিন লাইনের রেলওয়ে জংশন ।
জলবায়ু উদ্বাস্তুদের জন্য কক্সবাজারের খুরুশকুলে প্রস্তুত করা হয়েছে দেশের সর্ববৃহৎ আশ্রয়ণ কেন্দ্র। ২৩ জুলাই, ২০২০ সালে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এখানে প্রায় ৪,৪০৯টি পরিবার স্থান পাবে।
Related Question
View Allস্বাধীনতা যুদ্ধকালে বাংলাদেশকে ১১টি (বিভক্ত করেন কর্নেল এম এ জি ওসমানী) সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল ১১ জুলাই ১৯৭১ সালে। উল্লেখ্য, মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়। ১০নং সেক্টর সরাসরি প্রধান সেনাপতির অধীনে ছিল। সম্মুখ সমরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হওয়ার জন্য ৩টি (জেড ফোর্স, কে ফোর্স, এস ফোর্স) নিয়মিত ব্রিগেড গঠন করা হয়।
সেক্টর ২ঃ কুমিল্লা, নোয়াখালী, আখাউড়া, ভৈরব, ঢাকা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ। আগরতলার ২০ মাইল দক্ষিণে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর।
মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে এবং ৩টি ব্রিগেড ফোর্সে বিভক্ত করা হয়েছিল।
২ নং সেক্টর।
২ নং সেক্টর।
মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টর এবং ৬৪টি সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল।
মুক্তিযুদ্ধে সময় বাংলাদেশকে ১১ টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!