নিচের প্রায় সমোচ্চারিত শব্দগুলোর অর্থ পার্থক্য লিখুন:

Updated: 8 months ago
উত্তরঃ

আবরণ: ঢাকনা, আচ্ছাদন, আচ্ছাদনী, বস্ত্র

আভরণ: অলংকার, ভূষণ, গহনা


বাংলা ব্যাকরণে কিছু শব্দ রয়েছে যা উচ্চারণগত দিক থেকে প্রায় একই রকম শোনায়, কিন্তু তাদের অর্থ সম্পূর্ণরূপে ভিন্ন। এই ধরনের শব্দগুলোকে 'প্রায় সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ' বলা হয়। যেমন: 'আবরণ' এবং 'আভরণ' শব্দদুটি শুনতে একই রকম মনে হলেও এদের অর্থ ভিন্ন।

        
  • আবরণ: এই শব্দটি মূলত কোনো কিছু ঢাকা বা আচ্ছাদিত করার অর্থে ব্যবহৃত হয়। এটি দিয়ে বাইরের আচ্ছাদন বা পোশাক বোঝানো হয়। উদাহরণস্বরূপ: "শীতের কারণে লোকটি মোটা আবরণে নিজেকে ঢেকেছে।"
  •     
  • আভরণ: এই শব্দটি অলংকার বা ভূষণ অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে পরা হয়। উদাহরণস্বরূপ: "নববধূ সোনায় মোড়া আভরণে সেজেছে।"

প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলোতে, বিশেষ করে বিসিএস, ব্যাংক বা অন্যান্য সরকারি চাকরির পরীক্ষায় বাংলা অংশে প্রায় সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন প্রায়শই আসে। সঠিকভাবে এই শব্দগুলোর অর্থ পার্থক্য অনুধাবন করা ব্যাকরণিক জ্ঞান এবং শব্দভান্ডার বৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য। এটি লেখার নির্ভুলতা এবং অর্থের স্পষ্টতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। এই শব্দগুলোর সঠিক প্রয়োগ ভাষার সমৃদ্ধি ও প্রমিত ব্যবহারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

Satt AI
Satt AI
1 day ago
উত্তরঃ

মুখপত্র: কোনো সংস্থা, দল বা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব প্রকাশিত সংবাদপত্র, সাময়িকপত্র বা প্রচারপত্র, যা তাদের নীতি, আদর্শ বা বক্তব্য প্রকাশ করে।

মুখপাত্র: যিনি কোনো ব্যক্তি, দল বা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি হিসেবে কথা বলেন বা বক্তব্য দেন; মুখপাত্র।


বাংলা ভাষায় এমন অনেক শব্দ আছে যাদের উচ্চারণ প্রায় একই রকম হলেও অর্থ সম্পূর্ণ ভিন্ন। এদেরকে প্রায় সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ বলা হয়। প্রশ্নোক্ত 'মুখপত্র' ও 'মুখপাত্র' দুটি শব্দই এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ এবং এদের অর্থগত পার্থক্য জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে শুদ্ধ প্রয়োগের ক্ষেত্রে।

      
  • মুখপত্র: এটি সাধারণত একটি অজীব বস্তু বা মাধ্যমকে বোঝায়, যেমন – সংবাদপত্র, পত্রিকা, সাময়িকী, বা কোনো সংগঠনের বুলেটিন। এটি হলো সেই মাধ্যম যার মাধ্যমে কোনো দল, প্রতিষ্ঠান বা সরকার তাদের আনুষ্ঠানিক বার্তা, নীতি, আদর্শ বা বিবৃতি জনসমক্ষে প্রকাশ করে। যেমন: "এই সংবাদপত্রটি সরকারের মুখপত্র হিসেবে কাজ করে।"
  •   
  • মুখপাত্র: এটি দ্বারা একজন ব্যক্তিকে বোঝানো হয়। ইনি এমন একজন ব্যক্তি যিনি কোনো ব্যক্তি, দল, সংস্থা বা সরকারের পক্ষ থেকে জনসম্মুখে কথা বলেন, বক্তব্য দেন অথবা বিবৃতি প্রদান করেন। ইনি সেই প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি বা মুখপাত্র হিসেবে কাজ করেন। যেমন: "দলের মুখপাত্র আজ সাংবাদিকদের কাছে নতুন নীতি ব্যাখ্যা করেছেন।"

সুতরাং, সহজভাবে বললে, 'মুখপত্র' হলো একটি প্রকাশনা বা মাধ্যম, আর 'মুখপাত্র' হলেন একজন ব্যক্তিগত প্রতিনিধি

Satt AI
Satt AI
1 day ago
উত্তরঃ

কুজন: খারাপ লোক, মন্দ লোক।

কূজন: পাখির ডাক, পাখিদের সুমধুর শব্দ।


বাংলা ভাষায় প্রায় সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দগুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে শুদ্ধ প্রয়োগ ও অর্থ বোঝার ক্ষেত্রে। এই ধরনের শব্দগুলি শুনতে প্রায় একই রকম মনে হলেও এদের বানান ও অর্থ ভিন্ন হয়।

  • কুজন: এই শব্দটি মূলত 'কু' (খারাপ/মন্দ) উপসর্গ এবং 'জন' (মানুষ) শব্দদ্বয়ের সমন্বয়ে গঠিত। এর অর্থ হলো মন্দ লোক, খারাপ স্বভাবের মানুষ অথবা দুষ্ট ব্যক্তি। যেমন: "মন্দ লোকের কুজন সমাজের জন্য ক্ষতিকর।"
  • কূজন: এই শব্দটি পাখির ডাক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। 'কূ' এখানে কোনো উপসর্গ নয়, বরং পুরো শব্দটিই পাখির সুমধুর ডাককে নির্দেশ করে। এটি সাধারণত পাখির মিষ্টি আওয়াজ বা কলরব অর্থে প্রয়োগ হয়। যেমন: "ভোরে পাখির কূজন মনকে স্নিগ্ধ করে তোলে।"

সুতরাং, এই দুটি শব্দের মধ্যে পার্থক্য কেবল একটি দীর্ঘস্বর (ূ) এবং হ্রস্বস্বর (ু) এর ব্যবহারেই নয়, এদের অর্থ সম্পূর্ণ ভিন্ন। সঠিক প্রয়োগের জন্য এই পার্থক্য জানা জরুরি।

Satt AI
Satt AI
1 day ago
উত্তরঃ

কোণ: জ্যামিতিক পরিমাপ (যেমন: ৯০ ডিগ্রি কোণ), অথবা কোনো কিছুর প্রান্ত বা সংযোগস্থল (যেমন: ঘরের কোণ)।

কোন: এটি একটি সর্বনাম। এটি জিজ্ঞাসা (যেমন: 'কোন বইটি তোমার?') অথবা অনির্দিষ্টতা বোঝাতে (যেমন: 'কোন এক দিন যাব') ব্যবহৃত হয়।


বাংলা ভাষায় এমন অনেক শব্দ আছে যাদের উচ্চারণ প্রায় একরকম হলেও অর্থ এবং ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে ভিন্ন। কোণ এবং কোন তেমনই দুটি শব্দ, যা প্রায় সমোচ্চারিত শব্দের একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ এবং এদের অর্থ পার্থক্য সঠিকভাবে জানা বাংলা ভাষার নির্ভুল প্রয়োগের জন্য জরুরি।

        
  • কোণ: এই শব্দটি একটি বিশেষ্য পদ। এর দুটি প্রধান অর্থ রয়েছে—         
                  
    • জ্যামিতিক পরিমাপ: দুটি সরলরেখা বা তল একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে মিলিত হলে যে স্থান তৈরি হয়, তাকে কোণ বলে। যেমন: সমকোণ (right angle), সূক্ষ্মকোণ (acute angle), স্থূলকোণ (obtuse angle)।
    •             
    • প্রান্ত বা কিনারা: কোনো কিছুর শেষ প্রান্ত, কিনারা বা ভেতরের সংযোগস্থল বোঝাতেও এটি ব্যবহৃত হয়। যেমন: ঘরের কোণ, টেবিলের কোণ, রাস্তার মোড় বা কোণ।
    •         
            

    উদাহরণ: ত্রিভুজের তিনটি কোণ থাকে। শিশুরা ঘরের কোণে খেলছে।

        
  •     
  • কোন: এটি একটি সর্বনাম পদ। এর দুটি প্রধান ব্যবহার দেখা যায়—         
                  
    • প্রশ্নসূচক সর্বনাম: জিজ্ঞাসা বা প্রশ্ন বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। এটি 'কোনটি', 'কোন জন', 'কোন বিষয়ে' ইত্যাদির সংক্ষিপ্ত রূপ। যেমন: তুমি কোন বইটি পড়ছ? কোন ছাত্রটি আজ আসেনি? কোন ফল তোমার পছন্দ?
    •             
    • অনির্দিষ্টতাবাচক সর্বনাম: যখন কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুকে চিহ্নিত করা না হয়, তখন অনির্দিষ্টতা বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। যেমন: কোন এক দিন দেখা হবে। কোন না কোন উপায়ে কাজটা হয়ে যাবে।
    •         
            

    উদাহরণ: তোমার কোন জায়গায় যেতে ভালো লাগে?

        

এই দুটি শব্দের সঠিক ব্যবহার বাংলা ভাষার নির্ভুল প্রয়োগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এবং লিখিত যোগাযোগের ক্ষেত্রে এই ধরনের শব্দের অর্থ পার্থক্য প্রায়শই জিজ্ঞাসা করা হয়।

Satt AI
Satt AI
1 day ago
উত্তরঃ অবিমিশ্র: ভেজালহীন, বিশুদ্ধ, খাঁটি। অবিমৃষ্য: অবিবেচক, চিন্তাভাবনাহীন, হঠকারী।

বাংলা ভাষায় এমন অনেক শব্দ আছে যাদের উচ্চারণ প্রায় একই রকম শোনায়, কিন্তু তাদের অর্থ সম্পূর্ণ ভিন্ন। এদেরকে প্রায় সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ (Homophones or Homonyms) বলা হয়। এই শব্দগুলোর সঠিক অর্থ জানা না থাকলে বাক্য প্রয়োগে ভুল হতে পারে বা অর্থের বিকৃতি ঘটতে পারে।

        
  • অবিমিশ্র: এই শব্দটির অর্থ হলো যা মিশ্রিত নয়, অর্থাৎ বিশুদ্ধ বা খাঁটি। যেমন, "অবিমিশ্র ভালোবাসা" বলতে কোনো ভেজাল বা স্বার্থহীন ভালোবাসা বোঝায়।
  •     
  • অবিমৃষ্য: এই শব্দটির অর্থ হলো যে বিচার-বিবেচনা করে কাজ করে না, অর্থাৎ অবিবেচক বা হঠকারী। যেমন, "অবিমৃষ্যকারী কাজ" বলতে কোনো চিন্তাভাবনা না করে করা কাজকে বোঝায়, যার পরিণতি খারাপ হতে পারে।

এই দুটি শব্দের সামান্য উচ্চারণগত পার্থক্য থাকলেও তাদের অর্থগত ভিন্নতা বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করেছে এবং বাক্য গঠনে সূক্ষ্মতা এনেছে।

Satt AI
Satt AI
1 day ago
79

Related Question

View All
উত্তরঃ

যেসকল পদ দ্বারা কোন কাজ করা, ঘটা বা হওয়া বোঝায় এবং যা দ্বারা বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ হয়, তাদের ক্রিয়াপদ বলে। ক্রিয়াপদ ছাড়া বাক্য সম্পূর্ণ হয় না। বাংলা ব্যাকরণে ক্রিয়াপদের বিভিন্ন শ্রেণিবিভাগ রয়েছে, যা নিচে উদাহরণসহ আলোচনা করা হলো:

১. সমাপিকা ও অসমাপিকা ক্রিয়া:

        
  •         সমাপিকা ক্রিয়া: যে ক্রিয়াপদ দ্বারা বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ পায় এবং বাক্য শেষ হয়, তাকে সমাপিকা ক্রিয়া বলে।
            উদাহরণ: আমি বই পড়ি। (এখানে 'পড়ি' ক্রিয়াটি দ্বারা বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ হয়েছে।)     
  •     
  •         অসমাপিকা ক্রিয়া: যে ক্রিয়াপদ দ্বারা বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ পায় না এবং বাক্য শেষ হয় না, তাকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলে। অসমাপিকা ক্রিয়া সাধারণত 'ইয়া', 'ইলে', 'ইতে' প্রত্যয় দিয়ে গঠিত হয় এবং এর পর আরেকটি সমাপিকা ক্রিয়া বসে বাক্যকে সম্পূর্ণ করে।
            উদাহরণ: আমি ভাত খেয়ে স্কুলে যাব। (এখানে 'খেয়ে' অসমাপিকা ক্রিয়া, যা বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করেনি। 'যাব' সমাপিকা ক্রিয়া দ্বারা বাক্য সম্পূর্ণ হয়েছে।)     

২. কর্ম অনুসারে ক্রিয়া:

        
  •         সকর্মক ক্রিয়া: যে ক্রিয়াপদের কর্ম (object) থাকে, তাকে সকর্মক ক্রিয়া বলে। 'কী' বা 'কাকে' দিয়ে প্রশ্ন করলে যদি উত্তর পাওয়া যায়, তবে তা সকর্মক ক্রিয়া।
            উদাহরণ: মা ভাত রান্না করছেন। (কী রান্না করছেন? – ভাত। এখানে 'ভাত' কর্ম।)     
  •     
  •         অকর্মক ক্রিয়া: যে ক্রিয়াপদের কর্ম থাকে না, তাকে অকর্মক ক্রিয়া বলে। 'কী' বা 'কাকে' দিয়ে প্রশ্ন করলে কোন উত্তর পাওয়া যায় না।
            উদাহরণ: সে ঘুমায়। (কী ঘুমায়? কাকে ঘুমায়? – কোনো উত্তর নেই। এখানে 'ঘুমায়' অকর্মক ক্রিয়া।)     
  •     
  •         দ্বিকর্মক ক্রিয়া: যে ক্রিয়াপদের দুটি কর্ম থাকে, তাকে দ্বিকর্মক ক্রিয়া বলে। একটি মুখ্য কর্ম (বস্তুবাচক) ও অন্যটি গৌণ কর্ম (প্রাণিবাচক) হয়।
            উদাহরণ: শিক্ষক ছাত্রদের বাংলা পড়াচ্ছেন। (কাকে পড়াচ্ছেন? – ছাত্রদের (গৌণ কর্ম)। কী পড়াচ্ছেন? – বাংলা (মুখ্য কর্ম)।)     

৩. গঠন অনুসারে ক্রিয়া:

        
  •         মৌলিক ক্রিয়া: যে ক্রিয়াপদ ধাতু থেকে সরাসরি উৎপন্ন হয় এবং যাকে আর বিশ্লেষণ করা যায় না, তাকে মৌলিক ক্রিয়া বলে।
            উদাহরণ: সে দেখে। (মূল ধাতু: দেখ্)     
  •     
  •         যৌগিক ক্রিয়া: একটি অসমাপিকা ক্রিয়া ও একটি সমাপিকা ক্রিয়া একত্রিত হয়ে যখন একটি বিশেষ বা সম্প্রসারিত অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে যৌগিক ক্রিয়া বলে।
            উদাহরণ: রোগা শরীরটা শুকিয়ে যাচ্ছে। (এখানে 'শুকিয়ে' অসমাপিকা ক্রিয়া এবং 'যাচ্ছে' সমাপিকা ক্রিয়া একত্রিত হয়ে একটি বিশেষ অবস্থা বোঝাচ্ছে।)     
  •     
  •         প্রযোজক ক্রিয়া: যে ক্রিয়াপদে কর্তা নিজে কাজটি না করে অন্যকে দিয়ে কাজটি করায়, তাকে প্রযোজক ক্রিয়া বলে। এখানে একজন প্রযোজক কর্তা (যিনি কাজ করাচ্ছেন) এবং একজন প্রযোজ্য কর্তা (যিনি কাজটি করছেন) থাকে।
            উদাহরণ: মা শিশুকে চাঁদ দেখাচ্ছেন। (এখানে মা প্রযোজক কর্তা এবং শিশু প্রযোজ্য কর্তা।)     
  •     
  •         নামধাতুর ক্রিয়া: বিশেষ্য, বিশেষণ বা অব্যয়ের সঙ্গে 'আ' প্রত্যয় যোগ করে যে ধাতু গঠিত হয় এবং তা থেকে যে ক্রিয়া উৎপন্ন হয়, তাকে নামধাতুর ক্রিয়া বলে।
            উদাহরণ: সে আমার সাথে মিশিয়াছে। (এখানে 'মিশ' একটি বিশেষ্য, যা থেকে 'মিশিয়াছে' ক্রিয়া গঠিত হয়েছে।)     
Satt AI
Satt AI
1 day ago
123
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews