নিচের বর্ণনামূলক প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও

Updated: 4 weeks ago
উত্তরঃ

আত্মত্যাগের উপকারিতা সম্পর্কে নিচে একটি তালিকা তৈরি করা হলো-
১. আত্মত্যাগের ফলে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জিত হয়।
২. আত্মত্যাগ আমাদের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ববোধ জাগ্রত করে এবং সমাজের কল্যাণে ভূমিকা রাখে।
৩. নিঃস্ব, অসহায়, দুঃখ-কষ্টে জর্জরিত মানুষ সাহায্য লাভ-করে।
৪. আত্মত্যাগ আমাদের উদারতা, সহমর্মিতা ও অপরের কল্যাণে নিজের স্বার্থ ত্যাগ করতে উদ্বুদ্ধ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 weeks ago
উত্তরঃ

পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ হলো একে অপরকে সম্মান ও মূল্যায়ন করা। পরস্পরের মতামত, অনুভূতি ও অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা। এর ফলে মানুষের মধ্যে সুসম্পর্ক সৃষ্টি হয়। নিচে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ সম্পর্কিত চারটি কাজের বিবরণ দেওয়া হলো-
১. সমাজের ছোটো-বড়ো সবার প্রতি শ্রদ্ধাশীল আচরণ করা। সমাজের প্রতিটি মানুষকে তার নিজ অবস্থান অনুযায়ী সম্মান করা।
২. বড়োদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা। বড়োদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা, তাঁদের নির্দেশ মেনে চলা। তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা।
৩. ছোটোদের প্রতি আদর-স্নেহ, যত্ন ও সাহায্য করা।
৪. আপনজন, সহপাঠী ও প্রতিবেশীদের প্রতি বিনয়ী ও শ্রদ্ধাশীল হওয়া।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 weeks ago
উত্তরঃ

নবি ও সাহাবিগণের দৃষ্টান্তের আলোকে আমরা পরমতসহিষ্ণুতা অনুশীলন করব। তা হলো আমরা ইসলামের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে অন্যের মতামত ও দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করব। আমাদের পিতামাতা, ভাইবোন, আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী, সহপাঠী ও বন্ধু-বান্ধব কোনো বিষয়ে আমাদের সঙ্গে দ্বিমত করতে পারেন। আমরা তাদের যৌক্তিক মতামত ধৈর্যসহ শুনব। অযথা তাদের সঙ্গে তর্ক-বিতর্ক, ঝগড়া ও বিবাদে লিপ্ত হব না। যুক্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে তাদের মতামত সম্পর্কে জানতে চেষ্টা করব। আমরাও যুক্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে আমাদের মতামত উপস্থাপন করব। অন্যের মতামত ও দৃষ্টিভঙ্গি মনোযোগ দিয়ে শোনার চেষ্টা করব। নিজের মতের সঙ্গে না মিললেও অন্যের মতামত ও অনুভূতির প্রতি সহানুভূতি জানাব। কেউ আমাদের মতামতের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করলে বিবাদে জড়াব না। সহনশীল থাকার চেষ্টা করব। এভাবে পরমতসহিষ্ণুতার জন্য আমরা ইসলামের নীতি ও নৈতিকতা মেনে চলব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 weeks ago
উত্তরঃ

নিজের দেশ এবং দেশের মানুষকে ভালোবাসা ও তাদের কল্যাণে কাজ করাই হচ্ছে দেশপ্রেম। আমাদের জন্মভূমি বাংলাদেশ। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে এদেশের বহু মানুষ দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও কল্যাণের জন্য বিভিন্ন আন্দোলন ও সংগ্রামে নিজেদের জীবনকে বিসর্জন দিয়েছেন। তাঁদের এ আত্মত্যাগ আমাদের স্বদেশপ্রেমের অনুপ্রেরণা জোগায়। নিজের দেশকে ভালোবাসতে ও দেশের কল্যাণে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করে। দেশ ও সমাজের প্রতি দায়িত্বশীল হতে শেখায়। দেশের সামাজিক ঐক্য ও সংহতি বজায় রাখার জন্য দেশপ্রেমের গুরুত্ব অপরিসীম। দেশপ্রেম আমাদের দেশের আইন মেনে চলতে এবং ন্যায়বিচার, সাম্য ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় উদ্বুদ্ধ করে। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে আমরা দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারি। আমাদের চারপাশের প্রাকৃতিক ও সামাজিক সম্পদ সংরক্ষণে ভূমিকা রাখতে পারি। আমরা বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশবান্ধব কৃষিকাজ করতে পারি। দেশপ্রেম আমাদের দূষণমুক্ত পরিবেশ বজায় রাখতে শেখায়। মানুষ, প্রকৃতি ও জীবজগতের প্রতি ভালোবাসা ও দায়িত্বশীল আচরণ করতে শেখায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 weeks ago
উত্তরঃ

আমি দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে প্রাকৃতিক ও সামাজিক সম্পদ যেভাবে সংরক্ষণ করব তা নিচে উল্লেখ করা হলো- দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে আমরা দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারি। আমাদের চারপাশের প্রাকৃতিক ও সামাজিক সম্পদ সংরক্ষণে ভূমিকা রাখতে পারি। আমরা বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশবান্ধব কৃষিকাজ করতে পারি। দেশপ্রেম আমাদের দূষণমুক্ত পরিবেশ বজায় রাখতে শেখায়। মানুষ, প্রকৃতি ও জীবজগতের প্রতি ভালোবাসা ও দায়িত্বশীল আচরণ করতে শেখায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 weeks ago
উত্তরঃ

যা নিজের জন্য প্রয়োজন তা অন্যের ভালো বা খুশির জন্য ছেড়ে দেওয়াকে আত্মত্যাগ বলে।

আত্মত্যাগের দৃষ্টান্ত: হজরত আবু তালহা (রা.)-এর সবচেয়ে প্রিয় 'বাইরুহা' বাগান ছিল। যখন আল্লাহ প্রিয়বস্তু দান করার নির্দেশ দেন, তখন তিনি সেই বাগানটি আল্লাহর পথে দান করেন। যখন আত্মত্যাগের আয়াতটি নাজিল হয় তখন প্রখ্যাত সাহাবি হজরত আবু তালহা (রা.) ছুটে গিয়ে হজরত মুহাম্মদ (স.)-কে বললেন, "হে আল্লাহর রাসুল! আল্লাহ তোঁ আমাদের নিজেদের সবচেয়ে প্রিয় জিনিস থেকে ব্যয় করার আদেশ দিয়েছেন। 'বাইরুহা' আমার সবচেয়ে প্রিয় বাগান। আমি বাইরুহাকে আল্লাহর জন্য দান করে দিলাম।" রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, "নিকটাত্মীয়দের কাউকে দিয়ে দাও।" অতঃপর তিনি বাগানটি হাসসান 'বিন সাবিত ও উবাই ইবনে কাবকে দিয়ে দেন।" (সহিহ মুসলিম)

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 weeks ago
উত্তরঃ

মহানবি (স.) নিজ জীবনে আত্মত্যাগের বহু দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন। মক্কায় ইসলাম প্রচার করতে গেলে কুরাইশরা তাঁকে বাধা দেয় এবং এর বিনিময়ে বিভিন্ন মূল্যবান পার্থিব সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার প্রলোভন দেখায়। তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন। এমনকি ইসলামের স্বার্থে তিনি নিজের জীবনও বিপন্ন করে তোলেন। লেন। ইসলাম প্রচারের জন্য তিনি নিজের প্রাণপ্রিয় মাতৃভূমি ত্যাগ করেন। ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য নিজের আরাম-আয়েশ পরিহার করে 'অক্লান্ত পরিশ্রম করেন। তিনি মদিনা রাষ্ট্রের প্রধান হয়েও অত্যন্ত সাদাসিধে জীবনযাপন করতেন। নিজের পরিবারের জন্য ত্যাগ স্বীকার করতেন এবং নিজের চাহিদা কমিয়ে সমাজের প্রয়োজনীয়তা পূরণ করতেন। সমাজের দুর্বল ও বঞ্চিতদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি নিজেকে উৎসর্গ করেন। এসব কাজের মধ্য দিয়ে তিনি আত্মত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 weeks ago
উত্তরঃ

মহানবি (স.)-এর আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে তাঁর সাহাবিগণও - আত্মত্যাগের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। হজরত আবু বকর (রা.) ছিলেন মহানবি (স.)-এর সাহাবি এবং ইসলামের প্রথম খলিফা। তিনি তাঁর ধনসম্পদ ইসলামের জন্য অকাতরে দান করেন। ৬৩০ খ্রিস্টাব্দে তাবুকের যুদ্ধ সংঘটিত হয়। যুদ্ধের ব্যয়ভার বহনের জন্য প্রচুর অর্থের প্রয়োজন হয়। ইসলামের স্বার্থে এই যুদ্ধে হজরত আবু বকর (রা.) তাঁর সর্বষ এনে রাসুল (স.)-এর কাছে উপস্থিত করেন। হজরত উমর (রা.) তাঁর সম্পদের অর্ধেক দান করেন। হজরত উসমান (রা.) ৯০০ উট, ১০০ ঘোড়া, প্রায় সাড়ে পাঁচ কেজি স্বর্ণমুদ্রা, প্রায় ২৯ কেজি রৌপ্যমুদ্রা দান করেন এবং দশ হাজার সৈন্যের ব্যয়ভার গ্রহণ করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 weeks ago
উত্তরঃ

পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ হলো একে অপরকে সম্মান ও মূল্যায়ন করা। পরস্পরের মতামত, অনুভূতি ও অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা। এর ফলে মানুষের মধ্যে সুসম্পর্ক সৃষ্টি হয়।
সমাজের সকলের মধ্যে সহানুভূতিশীল মনোভাব তৈরি হয়।
পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ একটি মানবিক গুণ। মানুষ হিসেবে একে অন্যকে সম্মান কর। আমাদের সবার দায়িত্ব। সমাজের প্রতিটি পেশার মানুষের সম্মান রয়েছে। তাই সমাজের ছোটো-বড়ো সবার প্রতি শ্রদ্ধাশীল আচরণ করা প্রয়োজন। সমাজের প্রতিটি মানুষকে তার নিজ অবস্থান অনুযায়ী সম্মান করতে হয়। সেই সঙ্গে তাদের মতামতের প্রতিও গুরুত্ব দেওয়া দরকার। এর মাধ্যমে আমরা পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বাড়াতে পারি। মানুষ হিসেবে একে অপরকে সম্মান করা, অন্যের পছন্দ-অপছন্দকে প্রাধান্য দেওয়া, কারো সঙ্গে খারাপ ব্যবহার না করা ইত্যাদি ভালো গুণও শ্রদ্ধাবোধের অংশ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 weeks ago
উত্তরঃ

মহানবি (স.) নিজে বড়োদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল আচরণ করেছেন। আমাদেরও বড়োদের প্রতি শ্রদ্ধাপূর্ণ আচরণের নির্দেশ দিয়েছেন। তাঁর বহু হাদিসেও পিতামাতা, আত্মীয়-স্বজন ও সর্বস্তরের মানুষের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করার জন্য তাগিদ রয়েছে। মহানবি (স.) বলেছেন, "যে ছোটোদের স্নেহ করে না এবং বড়োদের সম্মান করে না সে আমাদের দলভুক্ত নয়।" (জামে তিরমিজি) মহানবি (স.)-এর সাহাবিগণও পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ পোষণ করতেন। প্রথম খলিফা হজরত আবু বকর (রা.)-এর প্রতি সকল সাহাবির গভীর শ্রদ্ধা ও আনুগত্য ছিল। দ্বিতীয়, খলিফা হজরত উমর (রা.)-এর ন্যায়বিচারে সাহাবিগণ ভরসা রাখতেন! খলিফা হয়েও হজরত উমর (রা.) তাফসিরের জ্ঞানে দক্ষ হজরত ইবনে আব্বাস (রা.)-কে বিশেষ মর্যাদা দিতেন.।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 weeks ago
উত্তরঃ

পবিত্র কুরআন, হাদিস ও সাহাবিগণের আদর্শ দ্বারা উদ্বুদ্ধ হয়ে আমরা পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের অনুশীলন করব। আমাদের উচিত হবে মানুষ হিসেবে একে অপরকে সম্মান করা। অপরের ভালো লাগা-খারাপ লাগাকে বিবেচনায় নেওয়া। কারো সঙ্গে খারাপ ব্যবহার না করা। অন্যের কথা মনোযোগের সঙ্গে শোনা। আমরা সর্বদা পিতা-মাতা ও প্রবীণদের সম্মান করব। সবার প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও যত্নবান হব। আপনজন, সহপাঠী ও প্রতিবেশিদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করব। বড়োদের সালাম দিব। ছোটোদের স্নেহ ও ভালোবাসা দিব। সকলের প্রতি বিনয়ী ও শ্রদ্ধাশীল হব। শিক্ষককে সম্মান করব। তাঁদের কথামতো চলব। তাঁরা মনে কষ্ট পান, এমন কোনো কাজ করব না। এভাবে আমাদের কাজে ও আচরণে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের গুণ অনুশীলন করব।।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 weeks ago
উত্তরঃ

পরমত অর্থ অপরের মত। পরমতসহিষ্ণুতা হলো বিভিন্ন মত, বিশ্বাস, সংস্কৃতি ও দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি সহিষ্ণুতা প্রদর্শন করার মানসিকতা। এটি অন্যের মতামতকে শ্রদ্ধা করাকে বোঝায়। অর্থাৎ অন্যের মনোভাব, মতামত বা বিশ্বাসের সঙ্গে একমত না হয়েও সেসবের প্রতি সহিষ্ণুতা প্রদর্শন করাকে পরমতসহিষ্ণুতা বলে। ইসলাম পরিমতসহিষ্ণুতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করে। সকল মানুষ মহান আল্লাহর সৃষ্টি। সুতরাং মানুষের মতামতের প্রতি সহনশীল হওয়া ইসলামের অন্যতম শিক্ষা। পবিত্র কুরআনে অন্যের ধর্মীয় বিশ্বাস ও অনুভূতিতে আঘাত না করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। মহান আল্লাহ বলেন, "আল্লাহকে ছেড়ে যাদেরকে তারা ডাকে তাদেরকে তোমরা গালি দিও না.। কেননা তারা সীমালঙ্ঘন করে অজ্ঞতাবশত আল্লাহকে গালি দিবে।" (সূরা আল-আনআম, আয়াত: ১০৮)

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 weeks ago
উত্তরঃ

পরমতসহিষ্ণুতার সুফল অনেক। তার মধ্যে এর উল্লেখযোগ্য
৬টি সুফল হলো-
১. সমাজে শান্তি, শৃঙ্খলা ও সম্প্রীতি বজায় থাকে।
২. সংঘাত ও হিংসা কমে যায়।
৩. বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সংহতি বৃদ্ধি পায়।
৪. সকলের মাঝে সৌহার্দ ও সম্প্রীতির সৃষ্টি হয়।
৫. সমাজে সহযোগিতা ও সহাবস্থান প্রতিষ্ঠিত হয়।
৬. পরমতসহিষ্ণুতার ফলে সমাজে নানান মতাদর্শের মানুষ বসবাস করতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 weeks ago
উত্তরঃ

দেশের মানুষকে ভালোবাসা ও তাদের কল্যাণে কাজ করাই হচ্ছে দেশপ্রেম। মহানবি হজরত মুহাম্মদ (স.)-এর প্রিয় জন্মভূমি ছিল পবিত্র মক্কা নগরী। তিনি মক্কা নগরীকে খুব ভালোবাসতেন। মক্কাবাসীদেরও খুব ভালোবাসতেন। ইসলাম প্রচারের প্রথমদিকে মক্কাবাসী তাঁর ওপর নির্মম অত্যাচার শুরু করে। তারা তাঁকে হত্যার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। তখন তিনি মহান আল্লাহর নির্দেশে জন্মভূমি মক্কা ছেড়ে মদিনায় হিজরত করেন। হিজরতের সময় নিজের জন্মভূমি ছেড়ে যেতে তাঁর খুব কষ্ট হচ্ছিল। তিনি অশ্রুভেজা চোখে মক্কার দিকে বারবার ফিরে তাকাচ্ছিলেন আর কাতর কণ্ঠে বলছিলেন- কতই না পবিত্র ও উত্তম শহর তুমি আমার নিকট তুমি কতই না প্রিয়। ক্লাত!
আমার স্বজাতি যদি তোমার নিকট হতে আমাকে বের করে না দিত তবে আমি তোমাকে ব্যতীত অন্য কোথাও বসবাস করতাম না।"

এ হাদিস থেকে আমরা বুঝতে পারলাম যে, স্বদেশের প্রতি মহানবি (স.)-এর ছিল গভীর মমতা ও ভালোবাসা। তাঁর দেশপ্রেম আমাদের জন্য অনুকরণীয় ও অনুসরণীয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 weeks ago
উত্তরঃ

দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে আমরা দেশের কল্যাণে নিচের কাজগুলো করবো--
১. আমাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব ও কর্তব্য নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করব;
২. মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়া করব;
৩. দেশের আইন-শৃঙ্খলা মেনে চলব;
৪. সততা অবলম্বন করে দুর্নীতি ও অন্যায় থেকে বিরত থাকব;
৫. দরিদ্র ও অসহায়কে সহায়তা করব ও অসুস্থকে সেবা করব;
৬. বৃক্ষরোপণ করব এবং এর যত্ন নেব;
আমরা এসব কাজের মাধ্যমে জন্মভূমির উন্নয়নে অবদান রাখব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 weeks ago
32

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews