খাদ্যে উপস্থিত প্রধান পুষ্টি উপাদানগুলো হলো শর্করা, আমিষ এবং চর্বি। এছাড়া রয়েছে ভিটামিন ও খনিজ লবণ। একেকটি পুষ্টি উপাদান আমাদের শরীরের একেক কাজে লাগে।
যেমন- শর্করা থেকে আমরা কাজ করার শক্তি পাই। আমিষ আমাদের দেহ গঠন ও ক্ষয়পূরণ করে। চর্বি বা তেলজাতীয় খাবার শরীরে শক্তি সঞ্চিত রাখে এবং দেহের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। ভিটামিন ও খনিজ লবণ আমাদের কর্মক্ষম ও সুস্থ রাখে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। সুতরাং আমাদের শরীরে খাদ্যের পুষ্টি উপাদানের প্রয়োজনীয়তা অনেক।
ছকে ফলগুলোকে ঋতুভিত্তিক শ্রেণিকরণ করা হলো-
| গ্রীষ্মকালীন ফল | শীতকালীন ফল | বারোমাসি ফল |
| পেয়ারা, কাঁঠাল, আম, তাল, তরমুজ | বরই | কলা, পেঁপে |
ভাত ও রুটি উদ্ভিদ থেকে পাওয়া যায়।
তিনটি প্রাণীজ খাদ্যের নাম হলো-
১। মাছ, ২। মাংস ও ৩। ডিম।
পাউরুটি ও বিস্কুট তৈরি করে নিতে হয়। এগুলো তৈরি হয় আটা ও ময়দা দিয়ে। এই আটা ও ময়দা আসে গমসহ বিভিন্ন শস্য থেকে। আর আমরা গম পাই উদ্ভিদ থেকে। তাই বলা যায় পাউরুটি ও বিস্কুট উদ্ভিদ থেকে তৈরি হয়।
যেসব ফল সারা বছর পাওয়া যায় না। নির্দিষ্ট কোনো
ঋতু বা মৌসুমে পাওয়া যায়, সেসব ফলকে মৌসুমি ফল বলে।
আমাদের দেশে পাওয়া ফলগুলোকে ঋতুভেদে তিনটি শ্রেণিতে
ভাগ করা যায়। যথা-
১। গ্রীষ্মকালীন ফল আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, পেয়ারা, আমড়া ইত্যাদি।
২। শীতকালীন ফল; বরই, কমলা, আমলকী, জলপাই ইত্যাদি।
৩। বারোমাসি ফল: কলা, পেঁপে, নারিকেল ইত্যাদি।
যেসব সবজি সারা বছর পাওয়া যায় না নির্দিষ্ট কোনো ঋতু বা মৌসুমে পাওয়া যায় সেগুলোকে মৌসুমি সবজি বলে।
আমাদের দেশে পাওয়া সবজিগুলোকে গ্রীষ্মকালীন, শীতকালীন এবং বারোমাসি-এ তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
গ্রীষ্মকালীন সবজি: পটোল, করলা, ঢেঁড়স, মিষ্টিকুমড়া, চালকুমড়া, কাঁকরোল, ঝিঙ্গা, ধুন্দল, চিচিঙ্গা, শসা ইত্যাদি।
শীতকালীন সবজি: শিম, লাউ, মুলা, টেমেটো, বাঁধাকপি, ফুলকপি, গাজর ইত্যাদি।
বারোমাসি সবজি: পেঁপে, কাঁচাকলা ইত্যাদি।
বেঁচে থাকা এবং শক্তি পাওয়ার জন্য আমরা খাবার খাই। যেসব খাবার সাধারণত পুষ্টিহীন এবং এতে উচ্চমাত্রায় ক্যালরি, চিনি, লবণ ও চর্বি থাকে সেগুলোকে জাঙ্ক খাবার বা ফাস্টফুড বলে। যেমন- বিস্কুট, কেক, চিপস, কোমল পানীয়, বার্গার, পিৎজা ইত্যাদি। নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যগুলো হলো- তাজা শাকসবজি, ফলমূল, ভাত, রুটি, দুধ, ডিম, ডাল, মাছ, মাংস ইত্যাদি। এসব খাবার থেকে আমরা আমাদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাই।
যে পানীয় স্বাস্থ্যকর, জীবাণুমুক্ত এবং মানবদেহের জন্য ক্ষতিকারক নয় সেই পানীয়কে নিরাপদ পানীয় বলে।
তিনটি নিরাপদ পানীয় হলো-
১। ফলের রস,
২। লেবুর শরবত ও
৩। ডাবের পানি।
বিশুদ্ধ পানিতে বিভিন্ন ধরনের খনিজ লবণ মিশ্রিত থাকে। আবার লেবুর রসে ভিটামিন, খনিজ লবণ এবং উপকারী আরো উপাদান থাকে। এ কারণে লেবুর শরবত তৈরিতে বিশুদ্ধ পানি ব্যবহার করা হয়।
যে পানীয়তে ময়লা, আবর্জনা ও জীবাণু থাকে সেটাই অনিরাপদ পানীয়।
অনিরাপদ পানীয়ের তিনটি উদাহরণ হলো-
১। নানা রকমের বোতলজাত পানীয়।
২। রাস্তার ধারে বিক্রি হওয়া বিভিন্ন ধরনের রস ও শরবত।
৩। কোমল পানীয়।
নিরাপদ পানীয় থেকে আমরা প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান পাই। একই সাথে শরীরের পানির চাহিদাও পূরণ হয়। কিন্তু অনিরাপদ কিছু পানীয় শরীরে নানা ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করে। অনিরাপদ পানীয় পান করার ফলে পানিবাহিত বিভিন্ন রোগ হয়। যেমন-কলেরা, আমাশয়, জন্ডিস ইত্যাদি হতে পারে।
Related Question
View Allশর্করা জাতীয় খাদ্য থেকে আমরা শক্তি পাই।
টিউবওয়েলের পানিতে বিভিন্ন ধরনের খনিজ লবণ মিশ্রিত থাকে।
ডিমের সাদা অংশ আমিষ আর কুসুম চর্বি জাতীয় পদার্থ।
মানুষ ফাস্টফুড খেলে, তাদের শরীর মোটা হয়ে যায়।
বিস্কুট, পাউরুটি উদ্ভিদ থেকে আসা খাদ্য।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!