উত্তরঃ

মানুষের কল্যাণে সৃষ্টিজগতের ভূমিকা অপরিসীম।
মহান আল্লাহ আসমান ও জমিনের সবকিছু সৃষ্টি করেছেন। তিনি সমগ্র সৃষ্টিকে মানুষের কল্যাণে নিয়োজিত করেছেন। পবিত্র কুরআনের মহান আল্লাহ বলেন, "আর তিনি (তোমাদের কল্যাণে) আসমান ও জমিনের সবকিছুকে তোমাদের অধীন করে দিয়েছেন। এতে চিন্তাশীল মানুষদের জন্য অবশ্যই অনেক নিদর্শন আছে।" (সূরা আল-জাসিয়া, আয়াত:-১৩)
মহাকাশে রয়েছে চন্দ্র, সূর্য, মেঘমালা ও বায়ুপ্রবাহ ইত্যাদি। পৃথিবীতে রয়েছে ফল-ফসল, নদী-নালা, গাছপালা, পর্বতমালা ইত্যাদি। উপরের আয়াত থেকে বোঝা যায় যে, মহান আল্লাহ এসব মানুষের উপকারের জন্য নিয়োজিত রয়েছেন। পৃথিবীতে বেঁচে থাকার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শক্তির উৎস হলো সূর্য। সূর্য পৃথিবীতে আলো ও তাপ দেয়। উদ্ভিদ ক্ষতিকর কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে বায়ুকে দূষণমুক্ত করে, আমাদের জীবনধারণের জন্য পানির প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। মহান আল্লাহ পানি দিয়েছেন জীবনের জন্য এক অমূল্য নিয়ামত হিসেবে। সুতরাং মানুষের কল্যাণে সৃষ্টিজগতের অনেক ভূমিকা রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

জীববৈচিত্র্যের প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হাদিসে সৃষ্টিজগতের প্রতি ভালোবাসা 'প্রদর্শন করে একজন ব্যক্তির বেহেশতে যাওয়ার কথা বর্ণিত হয়েছে। উক্ত হাদিসটি হলো এই যে, মহানবি (স.) বলেছেন, "রাস্তা দিয়ে চলতে চলতে একজন লোকের ভীষণ পিপাসা পেল। সে কূপে নেমে পানি পান করল। এরপর বের হয়ে দেখতে পেল একটি কুকুর হাঁপাচ্ছে। পিপাসায় কাতর হয়ে মাটি চাটছে। সে ভাবল, কুকুরটিরও তার মতো পিপাসা লেগেছে। সে কূপের মধ্যে নামল। নিজের মোজা ভরে পানি নিয়ে উপরে ওঠে এসে কুকুরটিকে পানি পান করাল। মহান আল্লাহ তার আমল কবুল করলেন এবং তার গুনাহ মাফ করে দিলেন। সাহাবিগণ বললেন, হে আল্লাহর রাসুল! চতুষ্পদ জন্তুর উপকার করলেও কি আমাদের সাওয়াব হবে? তিনি বললেন, প্রত্যেক প্রাণীর উপকার করাতেই সাওয়াব রয়েছে।" (সহিহ বুখারি) এই হাদিস থেকে আমরা শিখি যে, মানুষসহ প্রাণী, গাছপালা -ও সমস্ত জীবের প্রতি ভালোবাসা ও সহানুভূতি প্রদর্শন করা আল্লাহর সন্তুষ্টির পথ। আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য তাই জীববৈচিত্র্যের যত্ন নেওয়া ও তাদের প্রতি দয়া করা আমাদের করণীয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

বৃক্ষরোপণ পৃথিবীর কল্যাণে সহায়ক। ইসলাম আমাদেরকে বৃক্ষরোপণ ও পরিচর্যার জন্য উদ্বুদ্ধ করে। বৃক্ষরোপণ ও পরিচর্যার জন্য আমি যা যা কাজ করব তার একটি তালিকা নিচে দেওয়া হলো-
১. বৃক্ষরোপণের জন্য রোদ ও বাতাসযুক্ত জায়গা বেছে নিব।
২. বাড়ির আঙিনা ও স্কুলের পাশে বেশি বেশি গাছ লাগাব।:
৩. নিয়মিত গাছে পানি দেব।
৪. গাছের চারপাশের আগাছা তুলে পরিষ্কার রাখব।
৫. সুস্থ ও সবল চারা বেছে সঠিক নিয়মে বৃক্ষরোপণ করব।
৬. গাছকে পশু বা ক্ষতিকর জিনিস থেকে রক্ষা করতে বাঁশের খুঁটি বা বেড়া গাছের সাথে বেঁধে দিব

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

মহান আল্লাহ সমগ্র সৃষ্টিকে মানুষের কল্যাণে নিয়োজিত, করেছেন। আমরা মনে করি, সৃষ্টিজগতের প্রতি দায়িত্ব পালন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মহান আল্লাহ আমাদের উপকারের জন্য অসংখ্য জীব ও বন্ধু সৃষ্টি করেছেন। সবকিছুই আমাদের প্রতি তার অনুগ্রহ ও দান। এর মধ্যে আমাদের জন্য নিদর্শন রয়েছে। এসব দানের জন্য আমরা আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া প্রকাশ করব। তার হুকুম বা বিধি-বিধান মেনে চলব এবং সৃষ্টি জগতের প্রতি তিনি আমাদের যেসব দায়িত্ব দিয়েছেন তা পালন করব।
সৃষ্টিজগতের প্রতি যত্নশীল হওয়া ও তাদের পরিচর্যা করা আমাদের দায়িত্ব। আমরা পৃথিবীতে মহান আল্লাহর খলিফা বা প্রতিনিধি। আমাদের দায়িত্ব সৃষ্টিজগতের প্রাণ ও প্রকৃতির যত্ন নেওয়া। আমাদের নিজেদের কল্যাণেই এগুলোর যত্ন ও পরিচর্যা করা প্রয়োজন।
ইসলামে সৃষ্টিজগতের প্রতি যত্নশীল হওয়া ও তাদের পরিচর্যা করার জন্য উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে। ইসলামপূর্ব যুগে জীবজন্তুকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হতো। তাদের খাবার ও সুস্থতার প্রতি লক্ষ করা হতো না। তাদেরকে নির্দয়ভাবে খাটানো হতো। বিশ্রাম দেওয়া হতো না। নির্মমভাবে শাস্তি দেওয়া হতো। মহানবি (স.) তাদের প্রতি সদয় হওয়ার নির্দেশ দেন। সুতরাং এজন্যই আমাদের উচিত সৃষ্টিজগতের প্রতি দায়িত্ব পালন করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

মহান আল্লাহ আসমান ও জমিনের মধ্যবর্তী যা কিছু সৃষ্টি করেছেন, সেই সবকিছুকে একত্রে সৃষ্টিজগৎ বলা হয়। চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ, নক্ষত্র, পাহাড়-পর্বত, নদী-নালা এবং সকল জীব ও জড়বস্তু এই সৃষ্টিজগতের অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ এসবকিছু মানুষের কল্যাণের জন্যই সৃষ্টি করেছেন।
সৃষ্টিজগতের প্রতিটি উপাদান একে অপরের ওপর নির্ভরশীল হয়ে প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রাখে। গাছপালা আমাদের অক্সিজেন দেয় এবং পশুপাখি পরিবেশের পরিচ্ছন্নতা ও পরাগায়নে সহায়তা করে। নদী ও সাগর পানির চক্র সচল রাখে, যা জীবজগতের বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য। এই শৃঙ্খল ভেঙে পড়লে পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে পড়বে, তাই প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় প্রতিটি সৃষ্টির ভূমিকা অপরিসীম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

উদ্ভিদ আমাদের নিশ্বাস নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয়
অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং বাতাস থেকে ক্ষতিকর কার্বন ডাইঅক্সাইড শুষে নেয়। গাছ থেকে আমরা সুস্বাদু ফলমূল, কাঠ, ছায়া এবং জীবন রক্ষাকারী বিভিন্ন ঔষধ পেয়ে থাকি। এছাড়া গাছপালা মাটির ক্ষয়রোধ করে এবং পরিবেশকে শীতল রাখে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং দূষণমুক্ত পৃথিবী গড়তে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। গাছপালা অধিক বৃষ্টিপাতে সাহায্য করে এবং বজ্রপাত ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের হাত থেকে আমাদের রক্ষা করে। মহানবি (স.) গাছ লাগানোকে সদকা বা দান হিসেবে অভিহিত করেছেন, কারণ একটি গাছ থেকে মানুষ ও পশুপাখি দীর্ঘকাল উপকার পায়। তাই সুন্দর ভবিষ্যৎ ও সুস্থ জীবনের জন্য আমাদের বেশি করে গাছ লাগানো ও তার যত্ন নেওয়া উচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

পানি মানবজীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং মানুষের জন্য বিশেষ নিয়ামত। মহান আল্লাহ আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেন। তিনি বলেন- আর আল্লাহ আসমান থেকে বৃষ্টি বর্ষণ করেন। অতঃপর তা দিয়ে জমিনকে তার মৃত্যুর পর সজীব করেছেন। (সূরা আন-নাহল, আয়াত: ৬৫)
পান খুবই মূল্যবান সম্পদ। মহান আল্লাহ পানি দিয়েছেন জীবনের জন্য এক অমূল্য নিয়ামত হিসেবে। আমাদের জীবধারণের জন্য পানির প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। পানি আমরা পান করি। কৃষিকাজে ব্যবহার করি। পানি দ্বারা আমাদের জীবিকার জন্য ফলমূল উৎপাদিত হয়। আমাদের বেঁচে থাকার জন্য নদ-নদী, খাল-বিল ও সাগর-মহাসাগরের পানি প্রয়োজন। এজন্যই মানবজীবনের জন্য পানি গুরুত্বপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

মৌমাছি তার মৌচাক থেকে আমাদের জন্য অত্যন্ত.
পুষ্টিকর ও ঔষধি গুণসম্পন্ন মধু সংগ্রহ করে দেয়। মধু, আহরণের সময় তারা এক ফুল থেকে অন্য ফুলে উড়ে বেড়ায়, যা উদ্ভিদের পরাগায়ন ও ফল উৎপাদনে প্রধান ভূমিকা রাখে।মৌমাছির কারণেই আমরা' পৃথিবীতে এত বৈচিত্র্যময় ফল ও শস্য পেয়ে থাকি।
মৌমাছির জীবন থেকে আমরা কঠোর পরিশ্রম, শৃঙ্খলা এবং দলগতভাবে কাজ করার মহান শিক্ষা লাভ করি। তারা অনেক কষ্ট করে তিল তিল করে মধু জমায় যা অন্যের উপকারে আসে, যা আমাদের পরোপকারী হতে শেখায়। আল্লাহর ছোটো, একটি, সৃষ্টি কীভাবে জগতের এত বড়ো উপকার করতে পারে, তা আমাদের চিন্তাশীল হতে উদ্বুদ্ধ করে। প্রকৃতির প্রতিটি ক্ষুদ্র-, প্রাণের যে বিশেষ গুরুত্ব আছে, মৌমাছি তার এক অনন্য উদাহরণ

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

মানুষ আল্লাহর প্রতিনিধি বা খলিফা, তাই বাকশক্তিহীন জীবজন্তুর প্রতি আমাদের অত্যন্ত দয়ালু ও সহানুভূতিশীল হওয়া উচিত। পশুপাখিকে অকারণে কষ্ট দেওয়া, মারধর করা বা তাদের ওপর অতিরিক্ত বোঝা চাপিয়ে দেওয়া ইসলামে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। মহানবি (স.) সৃষ্টির প্রতি দয়া দেখালে স্রষ্টার 'দয়া পাওয়া যায় বলে ঘোষণা করেছেন।
গৃহপালিত বা বন্য সব ধরনের প্রাণীর জন্য নিরাপদ আশ্রয় ও পর্যাপ্ত খাবারের ব্যবস্থা করা আমাদের দায়িত্ব। পশুপাখি অসুস্থ:
হলে তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা এবং তাদের থাকার জায়গা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা প্রয়োজন। তৃষ্ণার্ত প্রাণীকে পানি পান করানো অনেক বড়ো সওয়াবের কাজ, যা মানুষের গুনাহ মাফের উসিলা হতে পারে। প্রাণীদের প্রতি মানবিক আচরণ মূলত আল্লাহর সৃষ্টির প্রতি আমাদের ভালোবাসারই বহিঃপ্রকাশ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

মাটি, পানি ও বায়ু যখন ক্ষতিকর বর্জ্য বা উপাদানের কারণে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে, তাকে পরিবেশ দূষণ বলে। প্লাস্টিক, কলকারখানার ধোঁয়া এবং যত্রতত্র ময়লা ফেলার কারণে আমাদের চারপাশ দিন দিন দূষিত হচ্ছে। দূষিত পরিবেশ. মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করে এবং রোগব্যাধি ছড়ায়।
শিক্ষার্থীরা সচেতন থাকলে বিদ্যালয় ও বাড়ির আঙিনা পরিষ্কার রাখার মাধ্যমে দূষণ রোধে বড়ো ভূমিকা রাখতে পারে। পলিথিন, বা প্লাস্টিক বর্জ্য যত্রতত্র না ফেলে নির্দিষ্ট ডাস্টবিনে ফেলার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। অন্যদের পরিবেশ রক্ষায় উদ্বুদ্ধ করা এবং নিয়মিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করা শিক্ষার্থীদের নৈতিক দায়িত্ব। ছোটো ছোটো সচেতনতামূলক পদক্ষেপের মাধ্যমেই আমরা একটি দূষণমুক্ত সুন্দর পৃথিবী গড়ে তুলতে পারি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

মহান আল্লাহ মানুষকে জ্ঞান ও বিবেক দিয়ে পৃথিবীতে তার খলিফা বা প্রতিনিধি হিসেবে পাঠিয়েছেন। এর অর্থ হলো আল্লাহর সৃষ্টিজগতকে সুন্দরভাবে পরিচালনা করা এবং এর রক্ষণাবেক্ষণ করার দায়িত্ব মানুষের ওপর অর্পিত হয়েছে। মানুষ কেবল নিজের জন্য নয়, বরং পুরো সৃষ্টিজগতের মঙ্গলের জন্য কাজ করবে।
প্রতিনিধি হিসেবে আমার প্রধান কর্তব্য হলো আল্লাহর দেওয়া প্রাকৃতিক সম্পদগুলো অপচয় না করে সঠিকভাবে ব্যবহার করা। -- পশুপাখি ও গাছপালার কোনো ক্ষতি না করে তাদের বিকাশে সহায়তা করা আমার দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত। পরিবেশকে দূষণমুক্ত রাখা এবং আল্লাহর প্রতিটি সৃষ্টির প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শন করা আমার 'ইমানি দায়িত্ব। সৃষ্টির সেবা করার মাধ্যমেই আমি আল্লাহর একজন যোগ্য প্রতিনিধি হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করতে পারি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

হাদিসে সৃষ্টিজগতের প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শন সম্পর্কে মহানবি (স.) বলেছেন, "রাস্তা দিয়ে চলতে চলতে একজন লোকের ভীষণ পিপাসা পেল। সে কূপে নেমে পানি পান করল। এরপর বের হয়ে দেখতে পেল একটু কুকুর হাঁপাচ্ছে। পিপাসায় কাতর হয়ে মাটি চাটছে। সে ভাবল, কুকুরটিরও তার মতো পিপাসা লেগেছে। সে কূপের মধ্যে নামল। নিজের মোজা ভরে পানি নিয়ে উপরে ওঠে এসে কুকুরটিকে পানি পান করাল। মহান আল্লাহ তার আমল কবুল করলেন এবং তার গুনাহ মাফ করে দিলেন। সাহাবিগণ বললেন, হে আল্লাহর রাসুল! চতুষ্পদ জন্তুর উপকার করলেও কি আমাদের সাওয়াব হবে? তিনি বললেন, প্রত্যেক প্রাণীর উপকার করাতেই সাওয়াব রয়েছে।" (সহিহ বুখারি)

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

বৃক্ষরোপণ পৃথিবীর জন্য কল্যাণে সহায়ক। ইসলামে বৃক্ষরোপণকে একটি দানমূলক ও সাওয়াবের কাজ বলা হয়েছে। মহানবি (স.) বলেছেন, "যে ব্যক্তি বৃক্ষরোপণ করে, মহান আল্লাহ তার বিনিময়ে তাঁকে ওই বৃক্ষের ফলের সমপরিমাণ সাওয়াব দান করবেন।" (মুসনাদে আহমাদ) তিনি আরও বলেছেন- "যে বস্তি বৃক্ষরোপণ করে, ফলবান হওয়া পর্যন্ত ধৈর্যসহকারে তার পরিচর্যা ও সংরক্ষণ করে, তার প্রতিটি ফল যদি নষ্টও হয়ে যায়, তবুও তার বিনিময়ে মহান আল্লাহ তাকে সদকার নেকি দান করবেন।" (মুসনাদে আহমাদ)
বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরে অন্য এক হাদিসে মহানবি (স.) বলেন- "যদি কোনো মুসলমান একটি বৃক্ষরোপণ করে অথবা কোনো শস্য উৎপাদন করে এবং তা থেকে কোনো মানুষ কিংবা পাখি অথবা পশু খায়, তবে তা উৎপাদনকারীর জন্য সদকাস্বরূপ গণ্য হবে।" (সহিহ বুখারি) এসব হাদিস থেকে বোঝা যায়, ইসলামে বৃক্ষরোপণ অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ কাজ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
21
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews