উত্তরঃ সুন্দর, শোভন, মনোরম

যেসব শব্দ ভিন্ন ভিন্ন হওয়া সত্ত্বেও একই অর্থ প্রকাশ করে, তাদের প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ বলে। বাংলা ভাষায় শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ করার জন্য এবং লেখার সৌন্দর্য ও বৈচিত্র্য বৃদ্ধির জন্য প্রতিশব্দের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি শব্দ প্রয়োগে দক্ষতা বাড়ায় এবং একই শব্দের পুনরাবৃত্তি এড়াতে সাহায্য করে। বিশেষ করে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা এবং পেশাগত জীবনে শুদ্ধ ও সমৃদ্ধ বাংলা ভাষা ব্যবহারের জন্য প্রতিশব্দ সম্পর্কে ধারণা থাকা অপরিহার্য।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ জিঘাংসা

বাক্য সংকোচন বা এক কথায় প্রকাশ হলো একাধিক পদ বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার প্রক্রিয়া। এর মাধ্যমে ভাষাকে সংক্ষিপ্ত, সুনির্দিষ্ট এবং শ্রুতিমধুর করা যায়। বাংলা ব্যাকরণে এর গুরুত্ব অপরিসীম কারণ এটি লেখার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং কম কথায় বেশি অর্থ প্রকাশের ক্ষমতা যোগায়। 'হনন করার ইচ্ছা' এর এককথায় প্রকাশ হলো 'জিঘাংসা'।

বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা এবং ভাষার দক্ষতা মূল্যায়নে বাক্য সংকোচন একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এর কিছু উদাহরণ হলো:

        
  • উপকার করার ইচ্ছা – উপচিকীর্ষা
  •     
  • গমন করার ইচ্ছা – জিগমিষা
  •     
  • ভোজন করার ইচ্ছা – বুভুক্ষা
  •     
  • মুক্তি লাভের ইচ্ছা – মুমুক্ষা
  •     
  • জানার ইচ্ছা – জিজ্ঞাসা
Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ অপচয়, অপমান, অপকার

যে সকল অব্যয় বা অব্যয়ের অংশ ধাতু বা শব্দের আগে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে বা শব্দের অর্থের পরিবর্তন ঘটায়, সেগুলোকে উপসর্গ বলে। বাংলা ভাষায় তিন প্রকার উপসর্গ রয়েছে: বাংলা উপসর্গ, সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। 'অপ' একটি সংস্কৃত উপসর্গ, যা কোনো শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে সাধারণত 'নিকৃষ্ট', 'বিরুদ্ধ', 'হীনতা', 'দূরত্ম', 'বিপরীত' ইত্যাদি অর্থ প্রকাশ করে।

যেমন:

        
  • অপ + ব্যয় = অপব্যয় (নিকৃষ্ট ব্যয় বা বৃথা ব্যয়)
  •     
  • অপ + মান = অপমান (সম্মানের অভাব বা বিরুদ্ধ)
  •     
  • অপ + কার = অপকার (অকল্যাণ)
  •     
  • অপ + হরন = অপহরন (দূরে নিয়ে যাওয়া)
  •     
  • অপ + যশ = অপযশ (খারাপ খ্যাতি)
Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ ছয় প্রকার। যথা:
        
  1. কর্তৃ কারক
  2.     
  3. কর্ম কারক
  4.     
  5. করণ কারক
  6.     
  7. সম্প্রদান কারক
  8.     
  9. অপাদান কারক
  10.     
  11. অধিকরণ কারক

ক্রিয়াপদের সাথে বাক্যস্থিত বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের যে সম্পর্ক, তাকে কারক বলে। কারক মূলত ছয় প্রকারের হয়ে থাকে, যা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো:

        
  • কর্তৃ কারক: বাক্যে যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে কর্তৃ কারক বলে। 'কে' বা 'কারা' দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাই কর্তৃ কারক। যেমন: শিক্ষক ছাত্রদের পড়াচ্ছেন। (কে পড়াচ্ছেন? – শিক্ষক)
  •     
  • কর্ম কারক: যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে কর্ম কারক বলে। 'কী' বা 'কাকে' দ্বারা ক্রিয়াকে প্রশ্ন করলে কর্ম কারক পাওয়া যায়। যেমন: আমি বই পড়ি। (কী পড়ি? – বই)
  •     
  • করণ কারক: ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, সহায়ক বা উপায়কে করণ কারক বলে। 'কী দ্বারা' বা 'কিসের দ্বারা' প্রশ্ন করলে করণ কারক পাওয়া যায়। যেমন: কলম দিয়ে লিখি। (কিসের দ্বারা লিখি? – কলম দিয়ে)
  •     
  • সম্প্রদান কারক: যাকে নিঃস্বার্থভাবে কোনো কিছু দান করা হয়, সেই দান-গ্রহীতা পদকে সম্প্রদান কারক বলে। 'কাকে' (যদি নিঃস্বার্থ দান বোঝায়) প্রশ্ন করলে সম্প্রদান কারক পাওয়া যায়। যেমন: ভিখারিকে ভিক্ষা দাও। (কাকে ভিক্ষা দাও? – ভিখারিকে)
  •     
  • অপাদান কারক: যা থেকে কিছু বিচ্যুত, গৃহিত, জাত, বিরত, আরম্ভ বা ভীত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। 'কোথা হতে', 'কী হতে' বা 'কিসের থেকে' প্রশ্ন করলে অপাদান কারক পাওয়া যায়। যেমন: গাছ থেকে পাতা পড়ে। (কোথা থেকে পাতা পড়ে? – গাছ থেকে)
  •     
  • অধিকরণ কারক: ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান, কাল বা বিষয়কে অধিকরণ কারক বলে। 'কোথায়', 'কখন' বা 'কিসে' প্রশ্ন করলে অধিকরণ কারক পাওয়া যায়। যেমন: বই টেবিলে আছে (স্থান); সকালে সূর্য ওঠে (কাল)।
Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ পিতাম্বর, রাজপুত্র

বাংলা ব্যাকরণে 'সমাস' একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয়। এটি দুই বা ততোধিক পদকে একপদে পরিণত করার প্রক্রিয়া, যার ফলে নতুন একটি শব্দ গঠিত হয় এবং বাক্য সংক্ষেপিত হয়। এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো ভাষার সৌন্দর্য ও গতি বৃদ্ধি করা, এবং একই সাথে একাধিক অর্থবোধক পদকে একটি একক শব্দে প্রকাশ করা। এর ফলে ভাষা আরও সুনির্দিষ্ট এবং অর্থপূর্ণ হয়ে ওঠে, যা বিশেষ করে সরকারি চাকরির পরীক্ষা বা উচ্চশিক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলায় মূলত ছয় প্রকার সমাস প্রচলিত আছে, যা নিচে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো:

        
  • দ্বন্দ্ব সমাস: যে সমাসে সমস্যমান প্রতিটি পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে এবং ব্যাসবাক্যে 'ও', 'এবং', 'আর' ইত্যাদি অব্যয় পদ ব্যবহূত হয়, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। যেমন: মা-বাবা (মা ও বাবা), ভাই-বোন (ভাই ও বোন), ভালো-মন্দ (ভালো ও মন্দ)।
  •     
  • কর্মধারয় সমাস: বিশেষণ ও বিশেষ্য পদের মধ্যে অথবা বিশেষণ ও বিশেষণ পদের মধ্যে যে সমাস হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। এই সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান রূপে প্রতীয়মান হয়। এটি সাধারণত চার প্রকার: মধ্যপদলোপী, উপমান, উপমিত ও রূপক কর্মধারয়। যেমন: নীলপদ্ম (নীল যে পদ্ম), মহাজন (মহান্ যে জন), সিংহাসন (সিংহ চিহ্নিত আসন)।
  •     
  • তত্পুরুষ সমাস: এই সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি (দ্বিতীয়া থেকে সপ্তমী পর্যন্ত) লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান রূপে প্রতীয়মান হয়। বিভক্তিভেদে এটি ছয় প্রকার। যেমন: রাজপুত্র (রাজার পুত্র - ষষ্ঠী তত্পুরুষ), বিপদাপন্ন (বিপদকে আপন্ন - দ্বিতীয়া তত্পুরুষ), মনগড়া (মন দিয়ে গড়া - তৃতীয়া তত্পুরুষ)।
  •     
  • বহুব্রীহি সমাস: যে সমাসে সমস্যমান পদগুলির কোনোটিরই অর্থ প্রাধান্য না পেয়ে অন্য কোনো তৃতীয় পদের অর্থ প্রাধান্য পায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। এটি বিভিন্ন প্রকারের হতে পারে, যেমন: সমানাধিকরণ, ব্যাধিকরণ, ব্যতিহার, নঞর্থক ইত্যাদি। যেমন: দশানন (দশ আনন যার - রাবণ), পিতাম্বর (পীত অম্বর যার - বিষ্ণু), হাতাহাতি (হাতে হাতে যে যুদ্ধ)।
  •     
  • দ্বিগু সমাস: যে সমাসে পূর্বপদ সংখ্যাবাচক বিশেষণ হয় এবং পরপদ বিশেষ্য হয়, এবং সমাসবদ্ধ পদটি সমষ্টি বা সমাহার অর্থ প্রকাশ করে, তাকে দ্বিগু সমাস বলে। এটি কর্মধারয় সমাসেরই একটি বিশেষ রূপ। যেমন: তেমাথা (তিন মাথার সমাহার), পঞ্চনদ (পঞ্চ নদের সমাহার), ত্রিকাল (ত্রিকাল বা তিন কালের সমাহার)।
  •     
  • অব্যয়ীভাব সমাস: এই সমাসে পূর্বপদে অব্যয় যুক্ত থাকে এবং অব্যয়ের অর্থই প্রধান রূপে প্রতীয়মান হয়। এই সমাসবদ্ধ পদটি ক্রিয়া বিশেষণ বা অব্যয়রূপে ব্যবহৃত হয়। যেমন: আমরণ (মরণ পর্যন্ত), প্রতিদিন (দিনের পর দিন), উপকূল (কূলের সমীপে)।

উপরে প্রদত্ত 'পিতাম্বর' শব্দটি বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ (পীত অম্বর যার), এবং 'রাজপুত্র' শব্দটি তত্পুরুষ সমাসের উদাহরণ (রাজার পুত্র)। সমাস নির্ণয় ও প্রয়োগের দক্ষতা বাংলা ব্যাকরণে দখল ও পরীক্ষায় ভালো ফল করার জন্য অপরিহার্য।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
124

সমাস মানে সংক্ষেপ, মিলন, একাধিক পদের একপদীকরণ। অর্থসম্বন্ধ আছে এমন একাধিক শব্দের এক সঙ্গে যুক্ত হয়ে একটি নতুন শব্দ গঠনের প্রক্রিয়াকে সমাস বলে। যেমন : দেশের সেবা = দেশসেবা, বই ও পুস্তক = বইপুস্তক, নেই পরোয়া যার বেপরোয়া। বাক্যে শব্দের ব্যবহার সংক্ষেপ করার উদ্দেশ্যে সমাসের = সৃষ্টি। সমাস দ্বারা দুই বা ততোধিক শব্দের সমন্বয়ে নতুন অর্থবোধক পদ সৃষ্টি হয়। এটি শব্দ তৈরি ও প্রয়োগের একটি বিশেষ রীতি। সমাসের রীতি সংস্কৃত থেকে বাংলায় এসেছে। তবে খাঁটি বাংলা সমাসের দৃষ্টান্তও প্রচুর পাওয়া যায়। সেগুলোতে সংস্কৃতের নিয়ম খাটে না।

সমাসের প্রক্রিয়ায় সমাসবদ্ধ বা সমাসনিষ্পন্ন পদটির নাম সমস্ত পদ।

 

সমস্ত পদ বা সমাসবদ্ধ পদটির অন্তর্গত পদগুলোকে সমস্যমান পদ বলে। সমাসযুক্ত পদের প্রথম অংশ (শব্দ)-কে বলা হয় পূর্বপদ এবং পরবর্তী অংশ (শব্দ)-কে বলা হয় উত্তরপদ বা পরপদ ।

সমস্ত পদকে ভেঙে যে বাক্যাংশ করা হয়, তার নাম সমাসবাক্য, ব্যাসবাক্য বা বিগ্রহবাক্য। উদাহরণ-বিলাত – ফেরত রাজকুমার সিংহাসনে বসলেন। এখানে বিলাত-ফেরত, রাজকুমার ও সিংহাসন এ তিনটিই - সমাসবদ্ধ পদ। এগুলোর গঠন প্রক্রিয়া ও রকম বিলাত হতে ফেরত, রাজার কুমার,সিংহ চিহ্নিত আসন এগুলো হচ্ছে ব্যাসবাক্য। এসব ব্যাসবাক্যে 'বিলাত’, ফেরত’, ‘রাজা, ‘কুমার,’ ‘সিংহ’, ‘আসন' হচ্ছে এক একটি সমস্যমান পদ। আর বিলাত-ফেরত, রাজকুমার এবং সিংহাসন সমস্ত পদ। বিলাত, রাজা ও সিংহ হচ্ছে পূর্বপদ এবং ফেরত, কুমার ও আসন হচ্ছে পরপদ। -

 

সমাস প্রধানত ছয় প্রকার : দ্বন্দ্ব, কর্মধারয়, তৎপুরুষ, বহুব্রীহি, দ্বিগু ও অব্যয়ীভাব সমাস ।

 

[ দ্বিগু সমাসকে অনেক ব্যাকরণবিদ কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। আবার কেউ কেউ কর্মধারয়কেও তৎপুরুষ সমাসের অন্তর্ভুক্ত বলে মনে করেছেন। এদিক থেকে সমাস মূলত চারটি : দ্বন্দ্ব, তৎপুরুষ, বহুব্রীহি, অব্যয়ীভাব। কিন্তু সাধারণভাবে ছয়টি সমাসেরই আলোচনা করা গেল। এছাড়া, প্রাদি, নিত্য, অলুক ইত্যাদি কয়েকটি অপ্রধান সমাস রয়েছে। সংক্ষেপে সেগুলোরও আলোচনা করা হয়েছে। ]

Related Question

View All
উত্তরঃ অযৌক্তিক

বাংলা ব্যাকরণে 'এক কথায় প্রকাশ' বা 'বাক্য সংকোচন' হলো একটি বাক্য বা বাক্যাংশকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করা, যা মূল অর্থকে অক্ষুণ্ণ রাখে। এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং বক্তব্যকে সংক্ষিপ্ত ও সুনির্দিষ্ট করে তোলে।

প্রদত্ত বাক্য "যুক্তিসংগত নয়" বলতে এমন কিছুকে বোঝায় যার পেছনে কোনো যুক্তি, কারণ বা ভিত্তি নেই, যা অযৌক্তিক বা অসমর্থনীয়। এই অর্থকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করতে হলে 'অযৌক্তিক' শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত। এখানে 'অ' উপসর্গটি 'নয়' বা 'বিরুদ্ধ' অর্থ প্রকাশ করে এবং 'যৌক্তিক' শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে 'যুক্তিসংগত নয়' ভাবটি সম্পূর্ণভাবে তুলে ধরে।

বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় (যেমন - বিসিএস, ব্যাংক, সরকারি ও বেসরকারি চাকরি) বাংলা ব্যাকরণের এই অংশটি প্রায়শই আসে। এটি ভাষার সঠিক ব্যবহার এবং শব্দভান্ডার যাচাইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

কিছু প্রাসঙ্গিক উদাহরণ:

        
  • যা কষ্টে লাভ করা যায় – দুর্লভ
  •     
  • যা দমন করা যায় না – অদম্য
  •     
  • যা সহজে ভেঙে যায় – ভঙ্গুর
  •     
  • যার সীমা নেই – অসীম
Satt AI
Satt AI
1 month ago
577
উত্তরঃ উক্ত

এক কথায় প্রকাশ হলো বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যেখানে একটি বাক্য বা বাক্যাংশকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করা হয়। এর মাধ্যমে ভাষার সংক্ষিপ্ততা ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং শব্দভাণ্ডারের ওপর দখল বোঝা যায়। 'যা বলা হয়েছে' বাক্যটিকে একটি মাত্র শব্দে প্রকাশ করলে হয় 'উক্ত'। এটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা ও চাকরির পরীক্ষায় প্রায়শই দেখা যায়।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
694
উত্তরঃ অনুসন্ধিৎসা

বাংলা ব্যাকরণে একাধিক পদকে একটি পদে সংক্ষেপ করাকে বাক্য সংক্ষেপণ বা এক কথায় প্রকাশ বলা হয়। 'ইচ্ছা' সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ নিচে উল্লেখ করা হলো, যা বিভিন্ন সরকারি ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় নিয়মিত আসে:

      
  • অনুসন্ধান করবার ইচ্ছা: অনুসন্ধিৎসা
  •   
  • জানার ইচ্ছা: জিজ্ঞাসা
  •   
  • জয় করার ইচ্ছা: জিগীষা
  •   
  • বেঁচে থাকার ইচ্ছা: জিজীবিষা
  •   
  • মুক্তি পাওয়ার ইচ্ছা: মুমুক্ষা
  •   
  • করবার ইচ্ছা: চিকিৎসা
  •   
  • দেখবার ইচ্ছা: দিদৃক্ষা
  •   
  • লাভ করার বা পাওয়ার ইচ্ছা: লিপ্সা
  •   
  • খাবার ইচ্ছা: বুভুক্ষা
Satt AI
Satt AI
4 days ago
608
উত্তরঃ সমসাময়িক

'একই সময়ে বর্তমান' বাক্যটির সঠিক বাক্য সংক্ষেপণ বা এক কথায় প্রকাশ হলো সমসাময়িক (বা সমকালীন)।

চাকরির পরীক্ষা ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য সময় সংক্রান্ত আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাক্য সংক্ষেপণ নিচে দেওয়া হলো:

      
  • একই সময়ে বর্তমান: সমসাময়িক / সমকালীন
  •   
  • একই সময়ে উৎপন্ন বা ঘটে এমন: যুগপৎ
  •   
  • সমান বয়সের যিনি: সমবয়সী / সমবয়স্ক
  •   
  • সব সময়ে বিদ্যমান: শাশ্বত / সর্বকালীন
  •   
  • পূর্ববর্তী সময়ের: ভূতপূর্ব
  •   
  • পরবর্তী সময়ের: উত্তরকালীন
Satt AI
Satt AI
4 days ago
577
উত্তরঃ চাক্ষুষ

ব্যাখ্যা: 'চক্ষু দ্বারা গৃহীত' বাক্যটির এক কথায় প্রকাশ হলো চাক্ষুষ (বা গোচর)। বাক্য সংকোচন বা এক কথায় প্রকাশ হলো দীর্ঘ বাক্য বা বাক্যাংশকে সংক্ষিপ্ত করে একটি শব্দে রূপান্তর করা, যা ভাষার সৌন্দর্য ও বোধগম্যতা বৃদ্ধি করে।

বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা ও চাকরির পরীক্ষার জন্য 'চক্ষু' সম্পর্কিত আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাক্য সংকোচন নিচে দেওয়া হলো:

      
  • চক্ষুর সম্মুখে সংঘটিত: প্রত্যক্ষ বা চাক্ষুষ
  •   
  • চক্ষুর অগোচরে: পরোক্ষ
  •   
  • যা অক্ষি বা চক্ষুর সম্মুখে বিদ্যমান: প্রত্যক্ষ
  •   
  • যার চক্ষু লজ্জিত নয় / অক্ষির লজ্জাহীন: চশমখোর
  •   
  • যা চক্ষুর বিষয় বা ইন্দ্রিয় দ্বারা গ্রাহ্য: গোচর
Satt AI
Satt AI
4 days ago
563
উত্তরঃ অশ্রুতপূর্ব

ব্যাখ্যা: বাক্য সংক্ষেপণ বা এক কথায় প্রকাশ হলো একাধিক পদকে একটি শব্দে রূপান্তর করা। অনুরূপ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাক্য সংক্ষেপণ নিচে উল্লেখ করা হলো:

        
  • যা পূর্বে শোনা যায় নি: অশ্রুতপূর্ব
  •     
  • যা পূর্বে দেখা যায় নি: অদৃষ্টপূর্ব
  •     
  • যা পূর্বে ঘটে নি: অভূতপূর্ব
  •     
  • যা পূর্বে বলা হয় নি: অনুক্ত
  •     
  • যা পূর্বে ছিল এখন নেই: ভূতপূর্ব
Satt AI
Satt AI
4 days ago
535
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews