উত্তরঃ

ব্যাসবাক্য: যিনি জজ তিনি সাহেব।

সমাস: কর্মধারয় সমাস।


কর্মধারয় সমাস হলো এমন একটি সমাস যেখানে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়। এই সমাসে দুটি পদ একই ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করে এবং পূর্বপদ সাধারণত পরপদের গুণ, বৈশিষ্ট্য বা পরিচয় প্রকাশ করে।

'জজ সাহেব' পদটিতে 'জজ' শব্দটি একটি পদবি বা পরিচয়, যা 'সাহেব' নামক ব্যক্তিকে বিশেষিত করছে। এখানে যিনি জজ, তিনিই সাহেব—অর্থাৎ, উভয় পদ একই ব্যক্তিকে নির্দেশ করছে এবং 'সাহেব' পদের অর্থই এখানে প্রধান। তাই এটি কর্মধারয় সমাসের একটি উদাহরণ। এই ধরনের কর্মধারয় সমাসে সাধারণত ব্যাসবাক্য করার সময় 'যিনি... তিনি...' অথবা 'যে... সে...' ব্যবহার করা হয়।

কর্মধারয় সমাসের কয়েকটি প্রকারভেদ রয়েছে, যেমন: সাধারণ কর্মধারয়, মধ্যপদলোপী কর্মধারয়, উপমান কর্মধারয়, উপমিত কর্মধারয় এবং রূপক কর্মধারয়। 'জজ সাহেব' পদটি সাধারণ কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত।

অন্যান্য উদাহরণ:

        
  • নীলপদ্ম = নীল যে পদ্ম (সাধারণ কর্মধারয়)
  •     
  • সিংহাসন = সিংহ চিহ্নিত আসন (মধ্যপদলোপী কর্মধারয়)
  •     
  • কাজলকালো = কাজলের ন্যায় কালো (উপমান কর্মধারয়)
  •     
  • চাঁদমুখ = চাঁদের ন্যায় মুখ (উপমিত কর্মধারয়)
  •     
  • বিষাদসিন্ধু = বিষাদ রূপ সিন্ধু (রূপক কর্মধারয়)
Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

একই কর্মে নিযুক্ত যে – বহুব্রীহি সমাস


সমাস হলো বাংলা ব্যাকরণের একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে দুই বা ততোধিক পদকে একত্রিত করে একটি নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করা হয়। এর ফলে বাক্য সংক্ষিপ্ত, সুস্পষ্ট ও শ্রুতিমধুর হয়।

'সহকর্মী' পদটি বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ। বহুব্রীহি সমাসে সমস্যমান পদগুলির কোনোটির অর্থ প্রধান না হয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি তৃতীয় অর্থ প্রাধান্য লাভ করে। 'সহকর্মী' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো 'একই কর্মে নিযুক্ত যে'। এখানে 'সহ' বা 'কর্মী' কোনো একটি পদের অর্থ প্রধান নয়, বরং এই দুটি পদের সমন্বয়ে একটি নতুন অর্থ – অর্থাৎ 'একই পেশায় নিয়োজিত একজন ব্যক্তি' – প্রকাশিত হচ্ছে, যা তৃতীয় একটি অর্থ। এটি বহুব্রীহি সমাসের সংজ্ঞানুসারে গঠিত হয়েছে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ দোদুল্যমান

"এক শব্দে প্রকাশ" বা "বাক্য সংক্ষেপণ" বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যেখানে একটি দীর্ঘ বাক্য বা বাক্যাংশকে একটিমাত্র শব্দে সংক্ষিপ্ত করা হয়। এর ফলে ভাষা আরও সংক্ষেপ, স্পষ্ট, সুনির্দিষ্ট এবং শ্রুতিমধুর হয়। এটি বাংলা ভাষার সৌন্দর্য ও প্রকাশভঙ্গিকে উন্নত করে। বিশেষ করে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা যেমন - বিসিএস, ব্যাংক, বা অন্যান্য সরকারি ও বেসরকারি চাকরির পরীক্ষায় বাংলা ব্যাকরণের এই অংশ থেকে প্রশ্ন এসে থাকে। "যা বার বার দুলছে" এই বাক্যাংশটিকে এক শব্দে প্রকাশ করলে হয় "দোদুল্যমান"।

উদাহরণস্বরূপ আরও কিছু এক শব্দে প্রকাশ:

        
  • উপকার করার ইচ্ছা – উপচিকীর্ষা
  •     
  • যার সীমা নেই – অসীম
  •     
  • আকাশে চরে যে – খেচর
  •     
  • দেখার ইচ্ছা – দিদৃক্ষা
  •     
  • শোনবার ইচ্ছা – শুশ্রূষা

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ প্রত্যুৎপন্নমতি

এক শব্দে প্রকাশ বা বাক্য সংক্ষেপণ বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এর মাধ্যমে একটি বড় বাক্য বা বাক্যাংশকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করা হয়, যা ভাষার সংক্ষেপণ ও সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। 'যার উপস্থিত বুদ্ধি আছে' বাক্যটিকে এক শব্দে 'প্রত্যুৎপন্নমতি' বলা হয়, যার অর্থ দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার বা তাৎক্ষণিক সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা। এটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা ও বাংলা ভাষার দক্ষতা যাচাইয়ে ব্যবহৃত হয়।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

অর্থ: লজ্জা বা শরমের অভাব; নির্লজ্জতা।

বাক্য রচনা: আজকাল অনেকে সামান্য স্বার্থের জন্য চোখের পর্দা ফেলে যেকোনো অন্যায় করতে দ্বিধা করে না।


‘চোখের পর্দা’ একটি বহুল প্রচলিত বাংলা বাগধারা যার আক্ষরিক অর্থ চোখের উপর থাকা আবরণ হলেও, এর ভাবার্থ হলো লজ্জা বা শালীনতাবোধ। মানুষের মধ্যে যে নৈতিক বোধ বা সম্ভ্রম থাকে, যা তাকে অন্যায় কাজ করা থেকে বিরত রাখে, তাকেই এই বাগধারার মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। যখন কোনো ব্যক্তি নির্লজ্জের মতো আচরণ করে বা কোনো অন্যায় কাজ করতে দ্বিধা করে না, তখন বলা হয় তার ‘চোখের পর্দা’ নেই বা ‘চোখের পর্দা’ উঠে গেছে। এটি কারো চরম নির্লজ্জতা বা নৈতিক অবক্ষয় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ অতি সতর্ক বা পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে হিসাব করা। ব্যাংকে নতুন কর্মচারী হিসেবে সব কাগজপত্র ছ কড়া ন কড়া দেখে বুঝে নেবে।

“ছ কড়া ন কড়া” বাগধারাটি অতি সতর্কতা, পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে হিসাব করা, অথবা সূক্ষ্মভাবে পর্যবেক্ষণ করার অর্থ প্রকাশ করে। এর আক্ষরিক অর্থ প্রাচীন মুদ্রাব্যবস্থায় কড়ি বা কড়া (ক্ষুদ্রতম একক) হিসাব করার সঙ্গে যুক্ত, যেখানে সামান্য পরিমাণও যেন ভুল না হয় সেদিকে সর্বোচ্চ মনোযোগ দেওয়া হতো। এটি এমন একটি অবস্থা বোঝায় যেখানে কোনো কাজে সামান্যতম ভুল বা অবহেলা এড়ানোর জন্য সর্বোচ্চ মনোযোগ এবং যত্ন নেওয়া হয়। সাধারণত আর্থিক লেনদেন, আইনি প্রক্রিয়া বা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে এই বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়, যা পেশাগত জীবনে নির্ভুলতা ও দক্ষতার গুরুত্ব তুলে ধরে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

প্রত্যুষ


প্রদত্ত শব্দ 'প্রত্যূস' ভুল বানানে লেখা হয়েছে। এর সঠিক বানান হলো 'প্রত্যুষ'।

বাংলা ভাষায় 'প্রত্যুষ' শব্দটি একটি তৎসম শব্দ, যা সংস্কৃত থেকে এসেছে। এর অর্থ হলো ভোরের প্রারম্ভ বা সকাল। এটি 'প্রতি' (প্রতি) এবং 'ঊষা' (ভোর) শব্দের সন্ধির মাধ্যমে গঠিত হয়েছে। এখানে মূর্ধন্য 'ষ' (ষ) ব্যবহার করা হয়েছে, যা বাংলা বানানরীতির একটি সুনির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করে। ভুল বানানে 'স' (স) ব্যবহারের ফলে শব্দের মূল অর্থ বা উচ্চারণগত কোনো পরিবর্তন না হলেও, তা প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী অশুদ্ধ।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ পাকস্থলী

“পাকস্থলী” একটি তৎসম শব্দ এবং এর সঠিক বানান হলো 'পাকস্থলী', যেখানে শেষ বর্ণে দীর্ঘ-ঈ-কার (ী) ব্যবহৃত হয়। বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, কিছু তৎসম শব্দে দীর্ঘ-ঈ-কার ব্যবহারের প্রচলন রয়েছে, যদিও তদ্ভব শব্দে সাধারণত হ্রস্ব-ই-কার ব্যবহৃত হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সঠিক বানানের জ্ঞান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ নিরীক্ষণ

প্রদত্ত শব্দটি ছিল "নীরিক্ষন", যা ভুল বানান। এর শুদ্ধ রূপ হলো "নিরীক্ষণ"।

"নিরীক্ষণ" শব্দটি "নির" উপসর্গ এবং "ঈক্ষণ" মূল শব্দাংশ থেকে এসেছে। এখানে 'ঈ' (দীর্ঘ ই-কার) ব্যবহৃত হবে কারণ এটি মূল 'ঈক্ষণ' শব্দের অংশ। এছাড়া, 'র' ধ্বনির পর 'ণ' (মূর্ধন্য-ণ) বসে, যেখানে সাধারণত 'ন' (দন্ত্য-ন) বসে না, এটি বাংলা বানানের একটি প্রচলিত নিয়ম।

অর্থ: গভীরভাবে দেখা, মনোযোগ সহকারে পরীক্ষা করা বা পর্যবেক্ষণ করা।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

নূন্যতম


বাংলা বানানে এটি একটি সাধারণ ভুল। 'নুন্যতম' সঠিক বানান নয়, সঠিক বানান হলো 'নূন্যতম'। 'নূন্যতম' শব্দটি 'নূন' এবং 'তম' প্রত্যয়ের সমন্বয়ে গঠিত। 'নূন' অর্থ অল্প বা কম। এর সঙ্গে 'তম' প্রত্যয় যোগ হয়ে superlative অর্থ বোঝায়, অর্থাৎ সবচেয়ে কম বা সর্বনিম্ন। এখানে 'নূ' (দীর্ঘ ঊ কার) ব্যবহার করা হয়, 'নু' (হ্রস্ব উ কার) নয়।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ তোমাকে দেওয়ার মতো কিছু আমার নেই।

বাক্য রূপান্তর বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যেখানে বাক্যের অর্থ অপরিবর্তিত রেখে তার গঠন পরিবর্তন করা হয়। প্রদত্ত বাক্যটি একটি জটিল বাক্য এবং এটিকে সরল বাক্যে রূপান্তর করতে বলা হয়েছে।

        
  • সরল বাক্য: যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা (উদ্দেশ্য) এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (বিধেয়) থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে। যেমন: আমি ভাত খাই।
  •     
  • জটিল বাক্য: যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য এবং এক বা একাধিক অপ্রধান খণ্ডবাক্য সংযোজক অব্যয় (যেমন: যে, যা, যিনি, যেই, যখন, তখন, যদি, তবে ইত্যাদি) দ্বারা যুক্ত থাকে, তাকে জটিল বাক্য বলে। যেমন: যিনি সৎ, তিনিই সুখী।

প্রদত্ত জটিল বাক্যটি হলো "আমার এমন কিছু নেই যা তোমাকে দিতে পারি।" এখানে "আমার এমন কিছু নেই" এটি প্রধান খণ্ডবাক্য এবং "যা তোমাকে দিতে পারি" এটি অপ্রধান খণ্ডবাক্য। অপ্রধান খণ্ডবাক্যটিকে একটি বিশেষ্য বা বিশেষণ স্থানীয় পদগুচ্ছে পরিবর্তন করে সরল বাক্যে রূপান্তর করা হয়েছে।

রূপান্তরিত সরল বাক্য: "তোমাকে দেওয়ার মতো কিছু আমার নেই।" এই বাক্যে "আমার" কর্তা এবং "নেই" সমাপিকা ক্রিয়া। "তোমাকে দেওয়ার মতো কিছু" এই অংশটি একটি বিশেষ্য স্থানীয় পদগুচ্ছ হিসেবে কাজ করছে, যা বাক্যের মূল অর্থ অপরিবর্তিত রেখেছে। বাক্য রূপান্তরের এই দক্ষতা চাকরিপ্রার্থীদের জন্য প্রমিত বাংলা লেখায় নির্ভুলতা ও সাবলীলতা আনতে সহায়ক হয়।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ বাবা জিজ্ঞেস করলেন তাদের নির্বাচনি পরীক্ষা কবে থেকে শুরু হবে।
উক্তি পরিবর্তনের নিয়মানুসারে, যখন কোনো প্রশ্নবোধক প্রত্যক্ষ উক্তিকে পরোক্ষ উক্তিতে রূপান্তর করা হয়, তখন রিপোর্টিং ভার্ব হিসেবে 'বললেন' এর পরিবর্তে 'জিজ্ঞেস করলেন', 'জানতে চাইলেন' ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়। প্রশ্নবোধক বাক্যটি যদি 'কবে', 'কী', 'কেন', 'কোথায়', 'কেমন' ইত্যাদি প্রশ্নসূচক শব্দ দিয়ে শুরু হয়, তাহলে পরোক্ষ উক্তিতে সেই প্রশ্নসূচক শব্দটিই সংযোজক (conjunction) হিসেবে কাজ করে। এক্ষেত্রে সাধারণত 'যে' সংযোজকটি ব্যবহৃত হয় না। এছাড়া, সর্বনামের পরিবর্তন বক্তা ও শ্রোতার সাপেক্ষে হয় এবং পরোক্ষ উক্তিটি একটি সাধারণ বর্ণনামূলক বাক্যের মতো গঠিত হয়, অর্থাৎ প্রশ্নবোধক চিহ্ন উঠে গিয়ে পূর্ণচ্ছেদ বসে।
Satt AI
Satt AI
1 week ago
115

বানান শুদ্ধিকরণ

বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের রয়েছে হাজার বছরেরও বেশি দিনের গৌরবময় ইতিহাস; অথচ বাংলা বানানের ইতিহাস এখনো দুইশ বছরও হয়নি। উনিশ শতকের পূর্বে বাংলা বানানের নিয়ম বলতে তেমন কিছু ছিল না। উনিশ শতকের শুরুর দিকে যখন বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের সূত্রপাত ঘটে এবং ঐ সাহিত্যের বাহন হিসেবে সাহিত্যিক গদ্যের উন্মেষ হয়, তখন বাংলা বানানের একটি নিয়ম নির্ধারণ করা হয়। উল্লেখ্য যে, এই বানানের নিয়ম সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম মেনে রচনা করা হয়েছিল।

পরবর্তীতে বিশ শতকের বিশের দশকে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় এবং ১৯৩৬ সালে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে বাংলা বানানের নিয়ম প্রবর্তিত হলেও বাংলা বানানের সমতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ১৯৮৮ সালে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড কর্মশালা করে ও বিশেষজ্ঞ কমিটির মাধ্যমে বাংলা বানানের নিয়মের একটি খসড়া প্রস্তুত করে। বিশ্বভারতী, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানের অনুসৃত বাংলা বানানের নিয়মের আলোকে ১৯৯২ সালে বাংলা একাডেমি 'প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম' প্রণয়ন করে।

বাংলা একাডেমির 'প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম' ভাবনা-কেন্দ্রে রেখে বাংলা বানানের প্রধান নিয়মগুলো সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো:

ই-কার যুক্ত শব্দ:

শব্দের শেষে জগৎ, বাচক, বিদ্যা, সভা, ত্ব, তা, নী, ণী, পরিষদ, তত্ত্ব ইত্যাদি থাকলে তার পূর্বে ঈ-কার না হয়ে সাধারণত ই-কার হয়। যেমন-

অগ্নিবীণাঅধিকারিণীটিপ্পনীতপস্বিনী
প্রাণিবিদ্যাপ্রতিদ্বন্দ্বিতাপুনর্মিলনীপ্রণয়িনী
প্রাণিবাচকপ্রতিদ্বন্দ্বিতাভবিষ্যদ্বাণীমন্ত্রিপরিষদ
সহযোগিতাসহপাঠিনীস্থায়িত্বস্বয়ম্ভু

ঈ-কার যুক্ত শব্দ:

→ পুংলিঙ্গ শব্দ: গুণী, সুখী, মেধাবী, বাগ্মী, কর্মী, জয়ী, শ্রমী ইত্যাদি।

→ স্ত্রীলিঙ্গ শব্দ: যামিনী, সখী, ব্যাঘ্রী, নদী, তরী, রজনী, ইন্দ্রাণী ইত্যাদি।

ঈ-কার যুক্ত বিবিধ শব্দ:

অঙ্গীকারইদানীংঅন্তরীপঅবীরা
অভীষ্টঅলীকঅধীনআত্মীয়
আভীরআশীর্বাদঈপ্সাঈপ্সিত
ঈর্ষাঈশ্বরঈষৎউড্ডীন
উদীচীউদীয়মানউন্মীলিতউড়িয়া/উড়ীয়া
উন্মীলনউশীরএকান্নবর্তীকরণীয়
কালীনকীচককীটকীদৃশ
কীর্তনকীর্তিকুলীনকীদৃশ
কৌপীনক্ষীণজীবীক্ষুৎপীড়িতগরীয়ান
গরীয়সীগম্ভীরগীতিকাগরীয়ান
গীষ্পতিগ্রীবাগ্রীষ্মচীন
চীবরচীরজিজীষাটীকা
তন্ত্রীতীর্ণতিতীর্ষুতিস্তিড়ী
তীক্ষ্ণতীব্রদধীচিদিলীপ
দীধিতিদীপ্তদ্বিতীয়দ্বীপ (দ্বিপ: হস্তী)
ধীরবনিমীলিতনিপীড়িতনিরীক্ষণ
নিরীহনিশীথনিশীথিনীনিষ্ঠীবন
নীচনিবীতনীড়নীহার
নীরবনীরসনীরোগপ্রতীক্ষা
পরীক্ষাপ্রতীয়মানপ্রবীণপীড়া
পিপীলিকাপ্রাচীনপীঠপ্রীত
প্রতীচ্যপৃথিবীপ্রতীকপ্রীতি
বীথিপ্রতীচীপ্রতীতিবিপরীত
বিবাদীবীপ্সাবাল্মীকিবুদ্ধিজীবী
বল্মীকবীভৎসবাণীব্রীহি
বীণাবীরবিকীর্ণবেণী
ভীরুবীজব্যতীতবীজন
ভীষণভীতভগীরথভাগীরথী
মহীভীমমঞ্জুরীমরীচিকা
শরীরমহীয়ানমীমাংসাশ্লীপদ
শর্বরীশিরীষশীঘ্রশীল
শালীনশীকরশীতলশীতাতপ
সীমাশীর্ণসীতাসুধী
স্ফীতসম্মুখীনসমীরণসরীসৃপ
সীমন্তসমীপসমীহসমীচীন
সুশ্রীহরীতকী

ঊ বা ঊ-কার যুক্ত স্ত্রীবাচক শব্দ: বধূ, শ্বশ্রু ইত্যাদি।

ঊ-কার যুক্ত বিবিধ শব্দ:

অনসূয়াঅসূয়াআহূতউলূক
ঊর্মিঊর্ণাঊর্ণনাভঊরু
উদূখলঊনঊঢ়ঊর্ধ্ব
ঊর্মিলাঊষরঊষাঊর্বর (উর্বর)
ঊহ্যকূটকূর্মকূল
কৌতূহলগণ্ডুষগূঢ়গোধূম
ঘূর্ণিঘূর্ণনঘূর্ণায়মানঘূর্ণমান/ঘূর্ণ্যমান
চূড়াচূতচূর্ণচূষ্য
জাগরূকজীমূতজ্ঞানভূষিততাম্রকূট
তূণতাম্বূলতূণীরতূর্ষ
তূর্ণতূলিকাতূলীত্যূষ (প্রত্যুষ)
দূরীভূতদূতদুকূলদূর্বা
দূষণীয়দূষকদূষিতদূর
দ্যূতধূমধূমধূপ
ধূর্জটিধূর্তধূলিধূসর
নিষ্ঠ্যূতনিব্যূঢ়নূতননূপুর
ন্যূনতমপূর্তিপূষাপূর্ব
প্রতিভূপ্রসূপ্রসূতপ্রসূতি
প্রসূয়পীযূষপূপপূরণ
পূতিপূতপূরকপূতিকা
বিদূষকব্যূহবাবদূকভূমি
ভূভূমাভূতভূয়ঃ
ভূতিভূষণভ্রূভ্রূণ
মূঢ়মূত্রমূর্ছামূল্য
ময়ূরমূর্খমূর্তমূষিক
মুহূর্তমুমূর্ষুমূর্তিমন্ডূক
মূকমরুভূমিমূর্ধন্যমন্ডূর
ময়ূখযবাগূযূথযূথিকা
যূনীযূপযূষরূপ
রূঢ়শার্দূলশূকশুশ্রূষা
শূদ্রশূন্যশূকরশূল
সূক্তসূচনাসূত্রসূপ
সূক্ষ্মসিন্দূরসূদনসূর
সূচিসূচকসদ্ভূয়সূর্য
সূতস্তূপসমূহস্ফূর্তি
সম্ভূয়হূন

অদ্ভুত, ভুতুড়ে ছাড়া সব ভূত উ-কার হবে। যেমন- উদ্ভূত, পরাভূত, দূরীভূত, কিম্ভুত, অভূতপূর্ব প্রভৃতি।

চন্দ্রবিন্দু-যুক্ত শব্দ: মূল শব্দে ঙ, ঞ, ণ, ন, ম থাকলে তার পূর্বস্বরে চন্দ্রবিন্দু যুক্ত হয়। যেমন-

আঁধারআঁক (অঙ্ক)গোঁফকাঁটা (কণ্টক)
ছেঁড়াছোঁয়াছোঁছোঁয়াচে
দাঁতদাঁড়িধাঁধাপাঁচ
পাঁজিবাঁকাবাঁশশাঁখ
হাঁটাহাঁস

ড়-কার যুক্ত শব্দ: আগড়, কড়াই, কড়া, পড়া (পাঠ), পাহাড়, বড়, বুড়া প্রভৃতি।

ব-ফলা যুক্ত কয়েকটি শব্দ। যেমন-

উচ্ছ্বাসউজ্জ্বলপার্শ্বদ্বন্দ্ব
প্রজ্বলিতপ্রতিদ্বন্দ্বীবিশ্বাসপক্ব
বিদ্বানবিশ্বস্তশ্বাসবন্ধুত্ব
মহত্ত্বরৌদ্রকরোজ্জ্বলস্বাদশাশ্বত
শ্বশ্রূশ্বশুরস্বত্বসান্ত্বনা
স্বচ্ছস্বাতন্ত্র্যস্বাধীনস্বায়ত্ত
স্বচ্ছন্দসরস্বতীস্বস্তিস্বায়ত্তশাসন
স্বীকারস্বরূপস্বাক্ষরসত্ব (সত্তা)
স্বতন্ত্রস্বার্থ (সার্থক)
  • বিস্ময়সূচক অব্যয় (যেমন- বাঃ/ ছিঃ / উঃ ইত্যাদি) ছাড়া শব্দের শেষে বিসর্গ (ঃ) থাকবে না। যেমন-

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

প্রধানতঃপ্রধানতবস্তুতঃবস্তুত
প্রায়শঃপ্রায়শকার্যতঃকার্যত
  • বিসর্গ (ঃ) যুক্ত শুদ্ধ শব্দ:
অতঃপরইতঃপূর্বেদুঃসময়দুঃসহ
দুঃস্বপ্নদুঃশাসনদুঃসাধ্যনিঃসন্দেহ
মনঃকষ্টমনঃক্ষুন্নশিরঃপীড়াস্বতঃস্ফূর্ত
  • যে-কোনো দেশ, ভাষা ও জাতির নাম লিখতে ই-কার (ি) হবে। যেমন-

দেশ: আমেরিকা, গ্রিস, জার্মানি, ইতালি, হাঙ্গেরি।

[ব্যতিক্রম: চীন, শ্রীলংকা, মালদ্বীপ]

ভাষা: আরবি, হিন্দি, ফারসি, ইংরেজি, গ্রিক ইত্যাদি।

জাতি: বাঙালি, পর্তুগিজ, তুর্কি, বিহারি, ইরানি, আফগানি।

  • অপ্রাণিবাচক শব্দ ও ইতর প্রাণিবাচক অ-তৎসম শব্দের শেষে ই-কার ((ি) হবে। যেমন-

অপ্রাণিবাচক শব্দ : বাড়ি, গাড়ি, শাড়ি, চাবি ইত্যাদি।

ইতর প্রাণিবাচক শব্দ: পাখি, হাতি, মুরগি, চড়ুই ইত্যাদি।

  • তৎসম স্ত্রীবাচক শব্দের শেষে সর্বদা ঈ-কার হবে। যেমন-জননী, স্ত্রী, নারী, সাধ্বী ইত্যাদি।
  • বিদেশি শব্দের বানানে (ষ, ণ, ছ, ঢ়, ড়) এই পাঁচটি বর্ণ ব্যবহার করা যাবে না। যেমন-

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

ইছলামইসলামকর্ণেলকর্নেল
ব্যারিষ্টারব্যারিস্টারবামুণবামুন
ষ্টডিওস্টুডিওষ্টেশনস্টেশন
পোষ্টপোস্ট
  • বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী একই শব্দের দুটি বানানই শুদ্ধ।
অন্তরীক্ষ-অন্তরিক্ষঅন্তঃস্থ-অন্তস্থঈর্ষা-ঈর্ষ্যা
কুমির-কুমীরকলস-কলশকিশলয়-কিসলয়
কুটির-কুটীরকুটির-কুটীরতরণি-তরণী
দেবকী-দৈবকীদাদি-দাদীদিঘি-দীঘি
নিমিষ-নিমেষপাখি-পাখীপ্রতিকার-প্রতীকার
বাড়ি-বাড়ীবাঁশি-বাঁশীমসুর-মসূর
মর্ত-মর্ত্যরজনি-রজনীশ্রেণি-শ্রেণী
সূচি-সূচীস্বামি-স্বামীহাতি-হাতী

স্ক/ষ্ক সংক্রান্ত সমস্যা:

ক. ই/উ যুক্ত বিসর্গ (ঃ) এর পর ক, খ, প, ফ থাকলে সাধারণত 'ষ' হবে। যেমন- আবিষ্কার, পরিষ্কার, দুষ্কর, দুষ্কার্য, নিষ্কলঙ্ক, নিষ্কর, জ্যোতিষ্ক প্রভৃতি।

খ. অ-যুক্ত বা মুক্ত বর্ণের পরে সাধারণত 'স' হবে। যেমন-নমস্কার, তিরস্কার, কুসংস্কার।

  • আলি প্রত্যয়যুক্ত শব্দে সর্বদা ই-কার হবে। যেমন-

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

খেয়ালীখেয়ালিগীতালীগীতালি
বর্ণালীবর্ণালিমিতালীমিতালি
রূপালীরূপালিসোনালীসোনালি
  • রেফ এর পরে ব্যঞ্জনবর্ণে দ্বিত্ব হবে না। যেমন-

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

কার্ত্তিককার্তিককার্য্যকার্য
ধর্মসভাধর্মসভানিদ্দিষ্টনির্দিষ্ট
পর্ব্বতপর্বতমাধুর্য্যমাধুর্য
  • নিম্নলিখিত শব্দসমূহে কখনোই 'ং' প্রযুক্ত হবে না; কেবল 'ঙ' ব্যবহৃত হবে। যেমন-
অঙ্কঅঙ্গআঙ্গুলকঙ্কাল
অপাঙ্ক্তেয়অনুপুঙ্খআশঙ্কাগঙ্গা
অঙ্গীকারআকাঙ্ক্ষাইঙ্গিতপঙ্কিল
শৃঙ্খলশিক্ষাঙ্গনশঙ্কা
  • নিম্নলিখিত শব্দসমূহে কখনোই ও প্রযুক্ত হবে না; কেবল ং ব্যবহৃত হবে। যেমন-
অংশুঅংশবংশবারংবার
সংজ্ঞাসংবরণসংবর্ধনাসংবাদ
সংবিধানসংসারসংলাপহিংসা

নিম্নলিখিত শব্দসমূহে ঙ এবং ং উভয়ই ব্যবহৃত হবে।

অলঙ্কারঅলংকারঅহঙ্কারঅহংকার
পংক্তিপঙ্ক্তিভয়ঙ্করভয়ংকর
রঙরংশুভংকরশুভঙ্কর
সঙ্গীতসংগীতসংঘটনসঙ্ঘটন
  • লিঙ্গ-ঘটিত অশুদ্ধি:

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

অধীনীঅধীনাঅনাথিনীঅনাথা
অভাগিনীঅভাগাঅর্ধাঙ্গিনীঅর্ধাঙ্গী
অপ্সরীঅপ্সরাগোপিনীগোপী
চাতকিনীচাতকীচতুর্থাচতুর্থী (কন্যা)
দিগম্বরীদিগম্বরানিরাপরাধিনীনিরাপরাধা
নাগিনীনাগীনির্দোষিনীনির্দোষা
পণ্ডিতানীপণ্ডিতাপিশাচিনীপিশাচী
বন্দিনীবন্দীবৈবাহিকাবৈবাহিকী
বিহঙ্গিনীবিহঙ্গীবিষহরীবিষহরা
ভুজঙ্গিনীভুজঙ্গারজকিনারজকী/রজকিনী
শিষ্যাণীশিষ্যাশুদ্রাণীশূদ্রা/শূদ্রী
সর্পিনীসর্পীসুকেশীনীসুকেশী/সুকেশা
  • সন্ধি-ঘটিত অশুদ্ধি

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

অধঃগতিঅধোগতিঅদ্যপিঅদ্যাপি
উপরোক্তউপর্যুক্তএতদ্বারাএতদ্‌দ্বারা
কিম্বাকিংবাকিম্বদন্তিকিংবদন্তি
চক্ষুন্মীলনচক্ষুরুন্মীলনজ্যোতীন্দ্রজ্যোতিরিন্দ্র
জগৎবন্ধুজগবন্ধুজগচন্দ্রজগৎচন্দ্র
তেজচন্দ্রতেজশ্চন্দ্রতিরষ্কারতিরস্কার
তেজেন্দ্রতেজ-ইন্দ্রদুরাদৃষ্টদুরদৃষ্ট
দুরাবস্থাদুরবস্থানিরসনীরস
নিরোগনীরোগনিস্ফলনিষ্ফল
পশ্বাধমপশ্বধমবাগেশ্বরীবাগীশ্বরী
ব্যাবসাব্যবসাব্যাবধানব্যবধান
ব্যপারব্যাপারবন্দোপাধ্যায়বন্দ্যোপাধ্যায়
বশম্বদবশংবদমন্তোষমনস্তোষ
মরুদ্যানমরূদ্যানমনরথমনোরথ
মনোকষ্টমনঃকষ্টমনমোহনমনোমোহন
মনযোগমনোযোগমৃতে্যুত্তীর্ণমৃত্যুত্তীর্ণ
মনান্তরমনোন্তরযশলাভযশোলাভ
যশপ্রভাযশঃপ্রভালজ্জাস্করলজ্জাকর
শিরোপরিশিরউপরিশরচন্দ্রশরচ্চন্দ্র
শরদেন্দুশরবিন্দুশিরচ্ছেদশিরশ্ছেদ
শিরোপীড়াশিরঃপীড়াশ্রদ্ধাঞ্জলীশ্রদ্ধাঞ্জলি
সন্মুখসম্মুখস্বয়ম্বরস্বয়ংবর
  • প্রত্যয়-ঘটিত অশুদ্ধিঃ

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

আলসতাআলস্যঐক্যতাঐক্য/একতা
উৎকর্ষতাউৎকর্ষদারিদ্রতাদারিদ্র্য
দোষণীয়দূষণীয়নিন্দুকনিন্দক
পরিত্যজ্যপরিত্যাজ্যপ্রযুজ্যপ্রযোজ্য
বিদ্যানবিদ্বানবরিতবৃত
ভাগ্যমানভাগ্যবানমহিমাময়মহিমময়
লক্ষ্মীমানলক্ষ্মীবানশমতাশম
সখ্যতাসখ্যসৌজন্যতাসৌজন্য
সিঞ্চিতসিক্তসিঞ্চিনসেচন
সৃজিতসৃষ্ট

বচন-ঘটিত অশুদ্ধি: একই সাথে দুবার বহুবচন বাচক প্রত্যয় বা শব্দ ব্যবহৃত হয় না। যেমন-

অশুদ্ধ

শুদ্ধ

একশ বালকগণএকশ বালক
নানাবিধ পক্ষীগণনানাবিধ পক্ষী
প্রমুখ বিশিষ্ট ব্যক্তিবৃন্দপ্রমুখ বিশিষ্ট ব্যক্তিবৃন্দ
ব্রাহ্মণগণেরাব্রাহ্মণগণ
যাবতীয় লোকসমূহযাবতীয় লোক
যাবতীয় ভদ্রমহোদয়গণযাবতীয় ভদ্রমহোদয়/ভদ্রমহোদয়গণ
সকল শিক্ষকগণসকল শিক্ষক / শিক্ষকগণ
সকল পরীক্ষকগণসকল পরীক্ষক / পরীক্ষকগণ
সব মাছগুলিসব মাছ / মাছগুলি
সকল ছাত্ররাসকল ছাত্ররা
সুন্দর-সুন্দর বইগুলিসুন্দর বইগুলি / সুন্দর সুন্দর বই

Related Question

View All
উত্তরঃ

মাছের মায়ের কান্না বাগধারার অর্থ মিথ্যাশোক।

বাক্য: খেলার সময় একটু আঘাত পেয়েই সে মাছের মার কান্না করছে।

Arif Hossain
Arif Hossain
2 years ago
2k
উত্তরঃ

কান পাতলা অর্থ যে সব বিশ্বাস করে
>সে একজন কান পাতলা মানুষ তাকে সব কথা বলতে নেই।

Arif Hossain
Arif Hossain
2 years ago
832
উত্তরঃ

কলির সন্ধ্যা বাগধারাটির অর্থ দুর্দিন বা দুঃখের সূত্রপাত।

বাক্য: চাকরি চলে যাওয়ায় তার জীবনে কলির সন্ধ্যা নেমে এসেছে।

Arif Hossain
Arif Hossain
2 years ago
785
উত্তরঃ

লম্বা দেওয়া বাগধারাটির অর্থ: চম্পট দেওয়া

বাক্য: সে অনেক টাকা হাতিয়ে নিয়ে লম্বা দিয়েছে।

Arif Hossain
Arif Hossain
2 years ago
1.9k
উত্তরঃ

সোনায় সোহাগা

অর্থ: উপযুক্ত মিলন
বাক্য: তার সুন্দর চোখ আবার মিষ্টি হাসি যেন সোনায় সোহাগা।

Arif Hossain
Arif Hossain
2 years ago
1.1k
উত্তরঃ

মিছরির ছুরি বাগধারাটির অর্থ হল মুখে মধু অন্তরে বিষ।
বাক্য: সে মিছরির ছুরি দিয়ে অনেকের সাথে প্রতারণা করেছে।

Arif Hossain
Arif Hossain
2 years ago
5.3k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews