উত্তরঃ

১৯৬৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন শহীদ বরকতের মাতা হাসিনা বেগম।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদের (পরামর্শমূলক এখতিয়ার) অধীনে ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে রাষ্ট্রপতি অন্তবর্তীকালীন সরকার গঠন বিষয়ে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের পরামর্শ চেয়েছিলেন

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (BSEC)।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সেরেঙ্গেটি ন্যাশনাল পার্ক তানজানিয়াতে (আফ্রিকা) অবস্থিত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলার সাথে সংশ্লিষ্ট।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে দোহায় আরব ও মুসলিম দেশগুলোর জরুরী শীর্ষ সম্মেলন মুসলিম ন্যাটো গঠন প্রেক্ষাপটে অনুষ্ঠিত হয়

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ন্যানো-প্রযুক্তি হলো এমন একটি বিজ্ঞান ও প্রকৌশল প্রযুক্তি, যেখানে অতি ক্ষুদ্র কণিকা (১ থেকে ১০০ ন্যানোমিটার আকারের) পদার্থকে নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবহার করা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

আবু সাঈদ ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই পুলিশের গুলিতে শহীদ হন। তিনি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র এবং বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ইস্তাম্বুল নগরীটি দুইটি মহাদেশে অবস্থিত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের সংবিধানে উল্লেখিত দুইটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের নাম ১. নির্বাচন কমিশন ২. মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ১৬ মে, ১৯৭৬ সালে ফারাক্কা মিছিলে নেতৃত্ব দেন

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মাইক্রো-প্লাস্টিক হলো ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা, যা পানি, খাবার ও বাতাসের মাধ্যমে মানুষের দেহে প্রবেশ করে। এগুলো শরীরে জমে গিয়ে কোষ ও অঙ্গের ক্ষতি করে, হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে, শ্বাসযন্ত্র ও হজমতন্ত্রে সমস্যা সৃষ্টি করে, এবং ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের সর্বপ্রথম জাদুঘর বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

'ছিয়াত্তরের মন্বন্তর' নামক দুর্ভিক্ষ বাংলা ১১৭৬ সনে (ইংরেজি ১৭৭০ সাল) ঘটে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

'আসছে ফালগুনে আমরা কিন্তু দ্বিগুণ হব' উক্তিটির স্রষ্টা হলেন জহির রায়হান।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
94
  • ফেইজবুক, অকুট, টুইটার, মাইস্পেস, ইউটিউব - সামাজিক যোগাযোগের সাইট
  • স্কাইপি ইন্টারনেটে ভিডিও কলিং-এ কথা বলার সফটওয়্যার।
  • Chorom দ্রুত ইন্টারনেট ব্যবহারের সফটওয়্যার। 
  •  বাংলাদেশে চতুর্থ প্রজন্ম বা Fourth Generation (4G) চালু হয়- ২০১৮।
  •  পঞ্চম প্রজন্ম চালু করে দক্ষিণ কোরিয়া- ২০২০ সালে। 
  • ফেইজবুক প্রথম চালু হয়- হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।

 

বাংলাদেশে ইন্টারনেট জেনারেশন 

জেনারেশন

সাল 

বাংলাদেশে 

First Generation (1G)জাপান, ১৯৭৯ সালে

১৯৯৩

Second Generation (2G)ফিনল্যান্ড, ১৯৯১ সালে

১৯৯৭

Third Generation (3G)জাপান, ১৯৯৮ সালে

২০১২

Fourth Generation (4G)দক্ষিণ কোরিয়া, ২০০৬ সালে

২০১৮

Fifth Generation(5G)দক্ষিণ কোরিয়া, ২০২০ সালে

২০২১ 

 

Related Question

View All
(ক)
তরুণ বিশ্বশক্তির অধিকারী, অনন্ত সম্ভাবনাপূর্ণ তার জীবন । সে যদি শুধু ঘরের কোনে বসে। পূর্ব পুরুষের লিখিত পুঁথি ঘেঁটে তার অমূল্য মানবজীবনকে সার্থক করতে চায় এবং মনে করে, বর্তমানের সবকিছু অতীতে সৃষ্ট হয়েছিল , তাহলে সে যে শুধু তার অনন্ত শক্তিকে অপব্যয় করে তা নয়, তার সেই শক্তিকেও অবমাননা করে । অতীত সৃষ্টির জন্মদাতা অতীতের ঘটনা ও অতীতের পরিবেষ্টন। বর্তমান ঘটনা ও বর্তমান পরিবেষ্টন চিরকালই নতুন। বর্তমান অতীতের কুঁড়ি বৈ আর কিছু নয়। বর্তমানের আপন শক্তিতে সেই কুঁড়ি ফুটে নব পুষ্পে পরিণত হয়। সুতরাং তার ফলও নতুন হওয়া চাই। কিন্তু দুঃখের বিষয়, মানব-মন অতীতের মােহ ছাড়তে পারে না। সে এই বর্তমানের পরিবর্তিত নব পরিবেষ্টনেও সেই অতীতের ইতিহাসকে হুবহু বজায় রাখতে চায়-বর্তমানের নব প্রসব-বেদনাকে উপেক্ষা করে। তাই মানব ইতিহাসের স্তরে স্তরে দেখতে পাই কত দ্বন্দ্ব, কত সংঘর্ষ, কত বিগ্রহ-বিপ্লব, কত রক্ত-বন্যা। এর মূল কারণ হচ্ছে অতীতের সৃষ্টিকে অক্ষুন্ন রাখার জন্য মানব-মনের স্বাভাবিক দুর্জয়। চিরকালই তরুন ও প্রকৃতির বিরুদ্ধে অভিযান করেছে। বর্তমান বেদনায় অনুভূতির চঞ্চল হয়ে ভবিষ্যতে আদশ সার্থক করার জন্য। (সারাংশ লিখুন)
অথবা
উত্তরঃ

তরুণদের উচিত তাদের অমূল্য জীবনকে সার্থক করার জন্য তাদের অনন্ত শক্তিকে কাজে লাগানো।পূর্বপুরুষদের লিখিত পুঁথি ঘেঁটে বসে না থেকে বরং বর্তমানের নতুন পরিবেষ্টনের সাথে খাপ খাওয়ানো ।তাদের বর্তমানের বেদনাকে উপেক্ষা করে ভবিষ্যতের জন্য আদর্শ স্থাপন করার চেষ্টা করা উচিত।অতীতের প্রতি আসক্তি মানুষকে অন্ধ করে দেয়, বর্তমানের পরিস্থিতি বুঝতে বাধা দেয়, ফলে দ্বন্দ্ব, সংঘর্ষ, বিগ্রহ-বিপ্লব এবং রক্ত-বন্যার মতো ঘটনা ঘটে।মানুষের উচিত অতীতের সৃষ্টিকে অক্ষুন্ন রাখার চেষ্টা না করে বর্তমানের নব পরিবেষ্টনের সাথে খাপ খাওয়ানো।তরুণদের চিরকালই অন্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে হবে।

Arif Hossain
Arif Hossain
2 years ago
1.8k
উত্তরঃ

এ কালের দৃশ্যটি অত্যন্ত মন্দ এবং চিন্তামূলক। সমাজের প্রতিনিধিত্ব করা উচিত পরিস্থিতির মধ্যে পর্যায়ক্রমে হেঁটে যাচ্ছে অস্ত্রোচ্চারণ, অন্ধ প্রতিদ্বন্দ্বীতা, স্বতন্ত্রতার অভাব, এবং নৈতিক মূল্যবোধের হারানো অবস্থা। এ দৃশ্যে অনুভব হচ্ছে ক্রুরতা, অসহ্য প্রহরণ, এবং অমানুষিক ব্যবহারের উত্কৃষ্ট উদাহরণ। প্রত্যাশা ও নিরাপদতা এ সময়ে অস্তিত্বে নেই। এই সময়ে সতর্কতা ও শান্তিপূর্ণতা অত্যন্ত প্রয়োজন।

Arif Hossain
Arif Hossain
2 years ago
1.4k
(ক)
এখন দিন গিয়েছে। অন্ধকার হয়ে আসে। একদিন এই পথকে মনে হয়েছিল আমারই পথ, একান্তই আমার। এখন দেখছি, কেবল একটি বার মাত্র এই পথ দিয়ে চলার হুকুম নিয়ে এসেছি, আর নয়। নেবুতলা উজিয়ে সেই পুকুরপাড়, দ্বাদশ দেউলের ঘাট, নদীর চর, গােয়ালবাড়ি, ধানের গােলা পেরিয়ে- সেই চেনা চাউনি, চেনা মুখের মহলে আর একটি বারও ফিরে গিয়ে বলা হবে না। ইয়ে’! এই পথ যে চলার পথ, ফেরার পথ নয় আর ধূসর সন্ধ্যায় একবার পিছন ফিরে তাকালুম; দেখলুম, এই পথটি বহু বিস্মৃত পদচিহ্নের পদাবলী, ভৈরবীর সুরে বাঁধা। যতকাল যত পথিক চলে গেছে তাদের জীবনের সমস্ত কথাকেই এই পথ আপনার একটি মাত্র ধূলিরেখায় সংক্ষিপ্ত করে এঁকেছে, সে একটি রেখা চলেছে সূর্যোদয়ের দিক থেকে সূর্যাস্তের দিকে, এক সােনার সিংহদ্বার থেকে আর এক সােনার সিংহদ্বার। | (সারাংশ লিখুন)
অথবা
উত্তরঃ

জীবন এক ক্ষণস্থায়ী পথ। এই পথকে একদা নিজের মনে হলেও, তা আসলে কেবল একবারই চলার জন্য নির্দিষ্ট। এ পথে ফেলে আসা চেনা স্থান বা মুখগুলোর কাছে ফিরে যাওয়ার উপায় নেই, কারণ এটি শুধু অগ্রগমনের পথ, প্রত্যাবর্তনের নয়। জীবনপথ মূলত অগণিত বিস্মৃত পদচিহ্নের সমষ্টি, যা অনন্তকাল ধরে পথিকদের জীবনের গল্পকে জন্ম থেকে মৃত্যুর দিকে ধাবমান এক ধূলিরেখায় সংক্ষিপ্ত করে তোলে।

Satt AI
Satt AI
2 months ago
984
উত্তরঃ

কবিতাংশটিতে কবি বর্তমান পৃথিবীর এক অদ্ভুত নৈতিক অধঃপতনের চিত্র তুলে ধরেছেন। এখানে মূল্যবোধের চরম অবক্ষয় হয়েছে, যেখানে অন্ধ, হৃদয়হীন, প্রেমবর্জিত ও করুনাশূন্য মানুষেরাই আজ সমাজের পরিচালক ও পথপ্রদর্শক। তাদের কুমন্ত্রণাতেই পৃথিবী পরিচালিত হচ্ছে। অন্যদিকে, যারা মানবতায় বিশ্বাসী, সত্য, শিল্প ও সাধনার প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং মহৎ মূল্যবোধ ধারণ করে, তাদের হৃদয় শকুন ও শেয়ালের খাদ্যে পরিণত হচ্ছে; অর্থাৎ, সৎ ও বিবেকবান মানুষেরা আজ অবহেলিত, নিগৃহীত ও বিলুপ্তপ্রায়। এটি এক বিপর্যস্ত সময়ের প্রতিচ্ছবি যেখানে শুভ ও কল্যাণের বিপরীতে অশুভ ও জীর্ণতাই প্রাধান্য পাচ্ছে।

Satt AI
Satt AI
2 months ago
1k
(ক)
নব্যযুগের গ্রীসের বিজ্ঞানবল প্লেটোর যুগের এথেন্সের চেয়ে অনেক বেশি। এখন গ্রিসে রেলগাড়ি আছে, সেখানে মটর ছুটছে, স্টীমার ছুটছে; তােপ, কামান, বন্দুক, কলকারখানা সবই আছে; আর প্রাচীন এথেন্সে এসবের কোন চিহ্নই ছিল না। এসব সত্ত্বেও প্লেটোর এথেন্সকে আমরা বান গ্রিস অপেক্ষা বেশি সভ্য বলে মনে করি। এর কারণ কী? এর কারণ হচ্ছে এই যে, প্রাচীন। এথেন্সে মানবাত্মার যে বিকাশ হয়েছিল আজকালকার গ্রিসে তার কোনও লক্ষণ দেখতে পাওয়া যায় না। জীবনের মূল উদ্দেশ্যের সন্ধানে এথেন্স যে বিকাশ দেখিয়েছিল এখনকার গ্রিসে তা -তে পাওয়া যায় না। ব্যক্তিত্বের সম্যক বিকাশের চেষ্টা এথেন্সই করেছিল; এখনকার গিসে সে প্রচেষ্টা নেই। (সারাংশ লিখুন)
828
উত্তরঃ

কবিতাংশটিতে কবি সমাজের এক গভীর হতাশা ও যন্ত্রণার চিত্র তুলে ধরেছেন। তিনি তরুণদের উন্মাদপ্রায় নিষ্ফল আত্মপীড়ন দেখে ব্যথিত। তার কণ্ঠস্বর রুদ্ধ, জীবনের আনন্দ হারিয়েছে, যেন অমাবস্যার অন্ধকার তার ভুবনকে গ্রাস করেছে দুঃস্বপ্নের মতো। যারা পৃথিবীর শুভবোধকে বিষাক্ত করে এবং আশার আলো নিভিয়ে দেয়, তাদের কি ক্ষমা করা যায় বা ভালোবাসা সম্ভব – এই প্রশ্ন উত্থাপন করে কবি সমাজের অশুভ শক্তির প্রতি ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন।

Satt AI
Satt AI
2 months ago
1k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

তরুণ বিশ্বশক্তির অধিকারী, অনন্ত সম্ভাবনাপূর্ণ তার জীবন । সে যদি শুধু ঘরের কোনে বসে। পূর্ব পুরুষের লিখিত পুঁথি ঘেঁটে তার অমূল্য মানবজীবনকে সার্থক করতে চায় এবং মনে করে, বর্তমানের সবকিছু অতীতে সৃষ্ট হয়েছিল , তাহলে সে যে শুধু তার অনন্ত শক্তিকে অপব্যয় করে তা নয়, তার সেই শক্তিকেও অবমাননা করে । অতীত সৃষ্টির জন্মদাতা অতীতের ঘটনা ও অতীতের পরিবেষ্টন। বর্তমান ঘটনা ও বর্তমান পরিবেষ্টন চিরকালই নতুন। বর্তমান অতীতের কুঁড়ি বৈ আর কিছু নয়। বর্তমানের আপন শক্তিতে সেই কুঁড়ি ফুটে নব পুষ্পে পরিণত হয়। সুতরাং তার ফলও নতুন হওয়া চাই। কিন্তু দুঃখের বিষয়, মানব-মন অতীতের মােহ ছাড়তে পারে না। সে এই বর্তমানের পরিবর্তিত নব পরিবেষ্টনেও সেই অতীতের ইতিহাসকে হুবহু বজায় রাখতে চায়-বর্তমানের নব প্রসব-বেদনাকে উপেক্ষা করে। তাই মানব ইতিহাসের স্তরে স্তরে দেখতে পাই কত দ্বন্দ্ব, কত সংঘর্ষ, কত বিগ্রহ-বিপ্লব, কত রক্ত-বন্যা। এর মূল কারণ হচ্ছে অতীতের সৃষ্টিকে অক্ষুন্ন রাখার জন্য মানব-মনের স্বাভাবিক দুর্জয়। চিরকালই তরুন ও প্রকৃতির বিরুদ্ধে অভিযান করেছে। বর্তমান বেদনায় অনুভূতির চঞ্চল হয়ে ভবিষ্যতে আদশ সার্থক করার জন্য। (সারাংশ লিখুন)
এখন দিন গিয়েছে। অন্ধকার হয়ে আসে। একদিন এই পথকে মনে হয়েছিল আমারই পথ, একান্তই আমার। এখন দেখছি, কেবল একটি বার মাত্র এই পথ দিয়ে চলার হুকুম নিয়ে এসেছি, আর নয়। নেবুতলা উজিয়ে সেই পুকুরপাড়, দ্বাদশ দেউলের ঘাট, নদীর চর, গােয়ালবাড়ি, ধানের গােলা পেরিয়ে- সেই চেনা চাউনি, চেনা মুখের মহলে আর একটি বারও ফিরে গিয়ে বলা হবে না। ইয়ে’! এই পথ যে চলার পথ, ফেরার পথ নয় আর ধূসর সন্ধ্যায় একবার পিছন ফিরে তাকালুম; দেখলুম, এই পথটি বহু বিস্মৃত পদচিহ্নের পদাবলী, ভৈরবীর সুরে বাঁধা। যতকাল যত পথিক চলে গেছে তাদের জীবনের সমস্ত কথাকেই এই পথ আপনার একটি মাত্র ধূলিরেখায় সংক্ষিপ্ত করে এঁকেছে, সে একটি রেখা চলেছে সূর্যোদয়ের দিক থেকে সূর্যাস্তের দিকে, এক সােনার সিংহদ্বার থেকে আর এক সােনার সিংহদ্বার। | (সারাংশ লিখুন)
নব্যযুগের গ্রীসের বিজ্ঞানবল প্লেটোর যুগের এথেন্সের চেয়ে অনেক বেশি। এখন গ্রিসে রেলগাড়ি আছে, সেখানে মটর ছুটছে, স্টীমার ছুটছে; তােপ, কামান, বন্দুক, কলকারখানা সবই আছে; আর প্রাচীন এথেন্সে এসবের কোন চিহ্নই ছিল না। এসব সত্ত্বেও প্লেটোর এথেন্সকে আমরা বান গ্রিস অপেক্ষা বেশি সভ্য বলে মনে করি। এর কারণ কী? এর কারণ হচ্ছে এই যে, প্রাচীন। এথেন্সে মানবাত্মার যে বিকাশ হয়েছিল আজকালকার গ্রিসে তার কোনও লক্ষণ দেখতে পাওয়া যায় না। জীবনের মূল উদ্দেশ্যের সন্ধানে এথেন্স যে বিকাশ দেখিয়েছিল এখনকার গ্রিসে তা -তে পাওয়া যায় না। ব্যক্তিত্বের সম্যক বিকাশের চেষ্টা এথেন্সই করেছিল; এখনকার গিসে সে প্রচেষ্টা নেই। (সারাংশ লিখুন)
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews