নিম্নোক্ত প্রশ্নগুলোর উত্তর দিন:

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

স্বভাবতই মূর্ধন্য-ণ হয় এরূপ দুটি বাংলা শব্দ হলো মণি, মাণিক।

উত্তরঃ

দম্ভোক্তি = দম্ভ ও উক্তি (দ্বন্দ্ব সমাস)

উত্তরঃ

দিগ্বিদিক = দিক্ + বিদিকি

উত্তরঃ

'যেহেতু কোথাও পথ পেলাম না সেহেতু আপনার কাছে এসেছি'  = কোথাও পথ পেলাম না বলে আপনার কাছে এসেছি।

উত্তরঃ

'সর্ববিষয়ে বাহুল্যতা বর্জন করবে'। = সব বিষয়ে বাহুল্য বর্জন করবে।

62

Related Question

View All
উত্তরঃ

গতিই জীবন, স্থিতিতে মৃত্যু

মূলভাব: জীবন মানেই প্রবাহ, পরিবর্তন ও প্রগতি। এই বিশ্বজগতের প্রতিটি কণা যেমন নিরন্তর চলমান, তেমনি মানবজীবনের সার্থকতা নিহিত তার গতির মধ্যে। যে থেমে থাকে, সে জীবনের উদ্দেশ্য থেকে বিচ্যুত হয়; আর যে চলে, সে জয় করে নতুন দিগন্ত। তাই গতিই হলো জীবনের ধর্ম এবং স্থিতাবস্থাই হলো মৃত্যুর সমতুল্য।

সম্প্রসারিত ভাব: দার্শনিক এই উক্তিটি জীবন ও জগতের এক গভীর সত্যকে উন্মোচন করে। প্রকৃতিতে আমরা দেখি নদী যত প্রবহমান, তার জল তত স্বচ্ছ ও জীবন্ত; বায়ু যত সঞ্চরণশীল, জগৎ তত প্রাণবন্ত। কিন্তু নদীর স্রোত থমকে গেলে যেমন তাতে পচন ধরে, জীবনের গতি থেমে গেলেও তেমনি আসে স্থবিরতা। এই স্থবিরতা কেবল শারীরিক নয়, বরং মানসিক ও আত্মিক পঙ্গুত্ব। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই এই গতি অপরিহার্য। মানুষ যখন নতুন জ্ঞান অন্বেষণ করে, নতুন উদ্ভাবনে ব্রতী হয়, কিংবা প্রতিকূলতার মোকাবিলা করে সামনে এগিয়ে যায়, তখনই তার জীবন অর্থবহ হয়ে ওঠে। গতি মানুষকে দেয় উদ্দীপনা, চ্যালেঞ্জ গ্রহণের সাহস এবং নতুন অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ। ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে জাতি বা সমাজের অগ্রগতি সবকিছুই নির্ভর করে নিরবচ্ছিন্ন চেষ্টার উপর। অলসতা, ভয়, বা গতানুগতিকতার মধ্যে নিজেকে আবদ্ধ করে রাখলে ব্যক্তি কেবল সময়ের স্রোতে পিছিয়েই পড়ে না, বরং জীবনধারণের সক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। যে মানুষ তার জ্ঞানকে শীলিত করে না, কর্মে নিযুক্ত থাকে না, তার জীবন ধীরে ধীরে মূল্যহীন হয়ে পড়ে, যা জীবন্ত মৃত্যুরই নামান্তর। পক্ষান্তরে, যারা জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে গতিশীল রাখে, তারা অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে চলে। তারা কেবল জীবন যাপন করে না, বরং জীবনকে জয় করে। এই চলমানতাই মানুষকে নিত্য নতুন সাফল্যের শিখরে পৌঁছে দেয় এবং জীবনের পূর্ণতা এনে দেয়।

উপসংহার: সুতরাং, জীবনের মৌল মন্ত্রই হলো সম্মুখে ধাবমান হওয়া। আমাদের মনে রাখতে হবে, থেমে যাওয়া কোনো সমাধান নয়; বরং তা বিনাশের পথ। জীবনকে সার্থক ও সফল করে তুলতে হলে সকল প্রকার জড়তা পরিহার করে কর্মের মাধ্যমে নিজেকে সর্বদা সচল রাখতে হবে। কারণ, প্রগতির পথে নিরন্তর চলাই জীবন এবং নিশ্চলতাই ধ্বংসের প্রতিচ্ছবি।

উত্তরঃ

মানুষের জীবন, সমাজ ও সভ্যতার প্রতিটি স্তরে অতীতের প্রভাব অনস্বীকার্য। অতীত কেবল গত হয়ে যাওয়া কালখণ্ড নয়, বরং এটি বর্তমানের ভিত্তি এবং ভবিষ্যতের দিশারি। উপরিউক্ত পঙ্‌ক্তিমালায় অতীতের এই গভীর ও সুদূরপ্রসারী প্রভাবকেই ইঙ্গিত করা হয়েছে।

অতীত ভুবনে ভুবনে অর্থাৎ জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে, সমাজের প্রতিটি কোণে এবং সভ্যতার প্রতিটি স্তরে গোপনে গোপনে কাজ করে চলে। এর অর্থ হলো, অতীত সরাসরি সামনে এসে বর্তমানকে নিয়ন্ত্রণ না করলেও, এর অদৃশ্য প্রভাব প্রতিটি সিদ্ধান্ত, প্রতিটি ঘটনার পেছনে ক্রিয়াশীল থাকে। একটি জাতির সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, রীতিনীতি, বিশ্বাস, এমনকি তার অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কাঠামোও অতীতের ধারাবাহিকতা থেকেই গড়ে ওঠে। উদাহরণস্বরূপ, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ আমাদের বর্তমান জাতিসত্তার ভিত্তি স্থাপন করেছে, যার মূল নিহিত ছিল দীর্ঘদিনের শোষণ, বঞ্চনা ও ভাষার জন্য সংগ্রামের অতীতে।

ব্যক্তিজীবনেও অতীতের ভূমিকা অপরিসীম। প্রতিটি মানুষের চরিত্র, অভ্যাস, মূল্যবোধ এবং দৃষ্টিভঙ্গি তার শৈশব, কৈশোর ও তার পূর্বপুরুষদের কাছ থেকে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতা ও শিক্ষার ফল। অতীতের ভুল-ত্রুটি বা সাফল্য থেকেই আমরা শিক্ষা গ্রহণ করি, যা আমাদের বর্তমান পথচলাকে সঠিক নির্দেশনা দেয় এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি নিতে সাহায্য করে।

অতএব, অতীতকে কেবল ফেলে আসা অধ্যায় হিসেবে দেখলে ভুল হবে। এটি একটি চলমান শক্তি যা নিরন্তর আমাদের জীবন ও জগতকে প্রভাবিত করে চলেছে। এর অদৃশ্য কিন্তু শক্তিশালী প্রভাবকে উপলব্ধি করা এবং অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে বর্তমানকে সাজানোই বুদ্ধিমানের কাজ। এই উপলব্ধিই জাতিকে প্রগতি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যায়।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
69
উত্তরঃ

সত্যবাদিতা হলো সকল গুণের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ যা একজন মানুষকে সত্যিই মহান করে তোলে। যদি আমরা সত্য বলার অভ্যাস গড়ে না তুলি, তাহলে আমরা কখনই অন্যদের সম্মান অর্জন করতে পারব না। মিথ্যা কখনও বেশিক্ষণ লুকিযে থাকে না। আজ হোক কাল হোক তা প্রকাশ্যে আসে। তখন মিথ্যাবাদীর আসল চরিত্র উন্মোচিত হয এবং কেউ তাকে বিশ্বাস করে না।

562
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews