ধর্মীয় সম্প্রীতি হলো সমাজে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মিলেমিশে ও শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করা। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সম্প্রীতি ও ন্যায়পরায়ণতার জন্য ইসলাম আমাদের উদ্বুদ্ধ করে। এ বিষয়ে পবিত্র কুরআন ও হাদিসে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা রয়েছে। ন্যায়বিচার ধর্মীয় সম্প্রীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সকল মানুষের প্রতি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বলেন-"কোনো সম্প্রদায়ের প্রতি শত্রুতা যেন তোমাদের প্ররোচিত না করে যে তোমরা ন্যায়বিচার করবে না। ন্যায়বিচার অবলম্বন করো। এটাই তাকওয়ার বেশি নিকটবর্তী।" (সূরা আল-মায়িদা, আয়াত: ৮)
পবিত্র কুরআনের এ শিক্ষা দ্বারা উদ্বুদ্ধ হয়ে আমরা ধর্মীয় সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার জন্য সচেষ্ট হব। সব ধর্মের মানুষের প্রতি ন্যায়বিচার, দয়া, সদ্ব্যবহার, সহানুভূতি ও সহমর্মিতা প্রদর্শন করব। তাদের ধর্মবিশ্বাস ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানের বিষয়ে বিরূপ মন্তব্য করব না। তাদের সঙ্গে ভদ্র ও বিনয়ী আচরণ করব। এভাবে বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে পবিত্র কুরআনে ধর্মীয় সম্প্রীতির নির্দেশনা রয়েছে।
Related Question
View Allবাংলাদেশ ধর্মীয় সম্প্রীতির দেশ।
আমরা ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে ভদ্র ও বিনয়ী আচরণ করব।
ধর্মীয় সম্প্রীতির 'জন্য ন্যায়বিচার গুরুত্বপূর্ণ।
মদিনা সনদ অনুযায়ী মুসলিম ও অমুসলিমরা এক জাতিগোষ্ঠী, একটি সমাজ ও একটি রাষ্ট্র হিসেবে বিরোচিত হয়েছিল।
ভিন্ন ধর্মের সহপাঠীদের যেকোনো সাহায্য-সহযোগিতায় এগিয়ে আসতে পারি
আমরা সকল ধর্মের মানুষের মতামত ও অনুভূতির প্রতি সহনশীল হব।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!