পরিবেশ বিপর্যয় ও জীবজগতের অস্তিত্ব রক্ষায় ঘটনা-২ এর সম্পদটি তথা পানি সম্পদের গুরুত্ব অপরিসীম।
উদ্দীপকের ঘটনা-২ এ জনাব মাজহারুল ক্লাসে যে প্রাকৃতিক সম্পদের কথা ইঙ্গিত করেছেন তা প্রকৃতিতে সহজে পাওয়া যায়। আবার এ সম্পদের সংকট দেশের উত্তরাঞ্চলে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বর্তমানে এ সম্পদ নিয়ে ব্যাপক গবেষণা চলছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। সুতরাং, উক্ত সম্পদটি হলো পানি। কেননা পানি প্রকৃতি থেকে সহজেই আহরণ করা যায়, ফারাক্কা বাঁধ ও পলি জমে যাওয়াসহ বিভিন্ন কারণে উত্তরাঞ্চলে পানির সংকট উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বর্তমানে পানি সম্পদ নিয়ে ব্যাপক গবেষণা চলছে। বাংলাদেশ পৃথিবীর সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ দেশ। স্বাধীনতার চল্লিশ বছরে দেশের জনসংখ্যা হয়েছে দ্বিগুণেরও অধিক। ফলে পানিদূষণ ও দুষ্প্রাপ্যতা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়ে খাদ্যোৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে অপরিহার্য বিষয়গুলো হুমকির সম্মুখীন। শুষ্ক মৌসুমে পর্যাপ্ত পানি পাওয়া যাচ্ছে না বলে খাদ্যোৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশের অনেক নদী শুকিয়ে যাওয়ার কারণে কৃষি, বাণিজ্য, মৎস্য চাষ, যাতায়াত ব্যবস্থা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। শুষ্ক মৌসুমে ও শীতকালে পানির অভাবে মাছ আহরণ কমে যায় বলে পর্যাপ্ত আমিষের অভাবে পুষ্টিহীনতা বৃদ্ধি পায়। ফলে নদী তীরবর্তী এলাকায় বসবাসরতদের জীবন ও জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পানির অভাবে নদী প্রবাহ হারিয়ে গেলে নদীর তীরে যেসব গাছপালা, বাগান বাড়ি, সবুজ বৃক্ষের সমারোহ গড়ে উঠেছে। সেগুলো নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাতে মানুষ, মাছ, পশুপাখি, গাছ-তরুলতা ইত্যাদির অস্তিত্ব বিপন্ন হতে পারে।
তাই বলা যায় যে, পরিবেশ বিপর্যয় জীবজগতের অস্তিত্ব রক্ষায় ঘটনা-২ এর সম্পদ তথা পানি সম্পদের গুরুত্ব অপরিহার্য।
Related Question
View Allতিব্বতের মানস সরোবরে ব্রহ্মপুত্র নদের উৎপত্তি হয়ে আসাম হয়ে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলায় এটি প্রবেশ করেছে। ১৭৮৭ সালের পূর্বে ব্রহ্মপুত্রের প্রধান ধারাটি ময়মনসিংহের মধ্য দিয়ে উত্তর- পশ্চিম দিক থেকে দক্ষিণ-পূর্বদিকে আড়াআড়িভাবে প্রবাহিত হতো। কিন্তু ১৭৮৭ সালে সংঘটিত ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের তলদেশ উত্থিত হওয়ায় পানি ধারণ ক্ষমতার বাইরে চলে যায় এবং নতুন স্রোতধারার শাখা নদীর সৃষ্টি হয়। আর এ শাখা নদীটি যমুনা নামে পরিচিতি।
অনুচ্ছেদে বর্ণিত বনভূমিটি হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাংশের ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পত্রপতনশীল বনভূমি এলাকা।
সাধারণ উষ্ণ ও আর্দ্র ভূমির কিছু এলাকা জুড়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা, তরুলতা, ঝোপঝাড় ও গুল্ম জন্ম নেয়। এসব গাছের পাতা একত্রে ফোটেও না, ঝরেও না। ফলে সারা বছর বনগুলো সবুজ থাকে। অবশ্য সে কারণেই এসব বনকে চিরহরিৎ বা চিরসবুজ বনভূমি বলা হয়। চাপালিশ, ময়না, তেলসুর, মেহগনি, জারুল, সেগুন, গর্জন এ বনভূমির উল্লেখযোগ্য গাছ। তবে বর্তমানে এসব বনভূমি রাবার চাষও হচ্ছে। তাছাড়া এ বনগুলো অনেক সৌন্দর্যের রূপ পরিগ্রহ করে।
উদ্দীপকের জাহিদ তার বিদেশি বন্ধুদের সাথে নিয়ে এই চিরহরিৎ বনভূমিতে বেড়াতে গিয়ে বনের সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হয়। প্রায় প্রতিনিয়তই সেখানে দেশি-বিদেশি পর্যটকেরা যাওয়া-আসা করে থাকেন।
উদ্দীপকে জাহিদের করা মন্তব্যটি যথার্থ।
উদ্দীপকে বর্ণিত নদীটির নাম কর্ণফুলী। কর্ণফুলি নদী বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদী। এ নদীর উৎপত্তিস্থল লুসাই নামক পাহাড়ে। ৩২০ কি.মি. দৈর্ঘ্যের এ নদীটি চট্টগ্রাম শহরের খুব নিকট দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত। পানি বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং চট্টগ্রাম বন্দরের জন্য এ নদীর গুরুত্ব অপরিসীম। তাছাড়া এ নদীটি আমাদের জাতীয় অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। উদ্দীপকে জাহিদ ছুটিতে তার বিদেশি সহপাঠীদের নিয়ে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব অংশের পাহাড়ি অঞ্চলে ফেরার পথে বেড়াতে গিয়ে সে অঞ্চলের প্রধান নদীটি সম্পর্কে যে মন্তব্যটি করে তা কর্ণফুলি নদীকেই বুঝিয়েছে যা আলোচনায় স্পষ্ট।
তাই আমরা নিঃসন্দেহে বলতে পারি, উদ্দীপকে জাহিদের মন্তব্যটি যথার্থ।
বঙ্গোপসাগরের তলদেশে গ্যাস আবিষ্কৃত হয়েছে।
নিরক্ষীয় নিম্ন অক্ষাংশ অঞ্চলে সূর্য বছরের প্রায় সব সময়ই লম্বভাবে কিরণ দেয়। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার অপরাপর দেশগুলো নিরক্ষীয় বা ক্রান্তীয় অঞ্চলে অবস্থিত। আর তাই দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে প্রচুর সৌরশক্তি পাওয়া যায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!