উদ্দীপকে পরীবায় ভালো ফলাফল করার জন্য রাইসা একটানা দীর্ঘৰণ পড়াশোনা করে যা যুক্তিসঙ্গত নয়। কারণ এভাবে পড়াশোনা করে ভালো ফলাফল করা সম্ভব নয়। এতে অসুস্থ হয়ে পড়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। এভাবে পড়াশোনা করার কারণে রাইসা মানসিকভাবে অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। তাই উক্ত সমস্যা পরিহার করে ভালো ফলাফল করতে হলে তাকে অবশ্যই কিছু উপায় অবলম্বন করতে হবে। নিচে রাইসার জন্য অনুসরণীয় পন্থা বর্ণনা করা হলো:
১. প্রথমত, তাকে একটানা পড়া বা একটানা অঙ্ক করার অভ্যাস পরিহার করে মাঝে মাঝে বিশ্রাম নেওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। এতে তার মধ্যে চিন্তাশক্তি, বিচারশক্তি ও নির্ভুল করার বমতা
২. পড়াশোনা আরম্ভ করার আগে তাকে মানসিকভাবে প্রস্তুত হতে হবে এবং কতটুকু সিলেবাস শেষ করবে তা আগেই ঠিক করে নিতে হবে। কারণ এতে সে চাপমুক্ত থাকবে। আর চাপমুক্ত থাকতে পারলেই কৰ্মদৰতা বেড়ে যাবে এবং ভুল করার সম্ভাবনা কমে যাবে।
৩. নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমানোর অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে এবং একঘেয়েমি পরিহার করার চেষ্টা করতে হবে।
৪.তাকে সবচেয়ে বেশি গুরবত্ব দিতে হবে পড়ার কবের পরিবেশের দিকে। কারণ পড়ার কবের পরিবেশ উপযুক্ত না হলে কখনো পড়ায় মনোযোগ দেওয়া যায় না। এতে করে পরীবার আগে তার উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে মানসিক অবসাদগ্রস্ততার সৃষ্টি করে এবং পরীবার ফলাফলের উপর প্রভাব পড়ে। তাই পড়ার কবের পরিবেশ অবশ্যই আলোবাতাসযুক্ত থাকতে হবে।
৫ . ভাল ফলাফলের জন্য তার পিতা-মাতাকে তার প্রতি যত্নশীল হওয়া বাঞ্ছনীয়।
পরিশেষে বলা যায়, উপরিউক্ত পন্থাগুলো অবলম্বন করলে রাইসার পৰে পরীৰায় ভালো ফলাফল করা সম্ভব হবে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!