আদালত গারনিশি অর্ডার জারি করেন।
আদালত কর্তৃক গ্রাহক দেউলিয়া ঘোষিত হলে এবং গারনিশি অর্ডার জারি করা হলে গ্রাহকের ব্যাংক হিসাবের অবসান ঘটে।
গ্রাহক তার পাওনাদারের অর্থ পরিশোধে অক্ষম হলে পাওনাদার আদালতে গ্রাহককে দেউলিয়া ঘোষণার অনুরোধ জানায়। আদালত তা যাচাই-বাছাই করে তাকে দেউলিয়া ঘোষণা করলে আদালত কর্তৃক উক্ত গ্রাহকের হিসাব বন্ধ করে দেওয়া হয়। এছাড়াও আদালতের কাছ থেকে কোনো গ্রাহকের ওপর গারনিশি অর্ডার অর্থাৎ হিসাব স্থগিত করার নির্দেশ দিলে ব্যাংক উক্ত হিসাব বন্ধ করে দেয়।
উদ্দীপকে পলির ব্যাংক হিসাবে উপযুক্ত পরিমাণ অর্থ না থাকায় ব্যাংক তার আদেশকৃত চেকের অমর্যাদা করেছে।
আমানতকারী কর্তৃক কোনো চেক ব্যাংকে উপস্থাপিত হওয়ার পর ব্যাংক উক্ত চেকের অর্থ পরিশোধ করতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে চেক অমর্যাদা বা চেক প্রত্যাখ্যান বলে। এক বা একাধিক ন্যায়সংগত কারণে ব্যাংক চেকের অর্থ পরিশোধে অস্বীকৃতি জানাতে পারে।
উদ্দীপকে পলির ব্যাংক হিসাবে ৮০,০০০ টাকা জমা রয়েছে। তবে তিনি সজীবকে দেওয়ার উদ্দেশ্যে তার হিসাবের বিপরীতে একটি ১ লক্ষ টাকার বাহক চেক ইস্যু করেন। সজীব চেকটি উপস্থাপনের পর ব্যাংক উক্ত চেকের অর্থ পরিশোধে অস্বীকৃতি জানায়। অর্থাৎ পলির ব্যাংক হিসাবে জমাকৃত অর্থের চেয়ে বেশি পরিমাণ টাকার চেক তিনি ইস্যু করেন, যা ব্যাংকের পক্ষে পরিশোধ করা সম্ভব নয় বলে ব্যাংক তা প্রত্যাখ্যান করে। এক্ষেত্রে ব্যাংক গ্রাহকের হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থের ঘাটতি থাকায় চেকের অর্থ পরিশোধ করতে পারেনি, যা চেক অমর্যাদাকৃত হওয়ার প্রত্যক্ষ কারণ। তাই হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থের ঘাটতি থাকায় ব্যাংক পলির দেওয়া চেকটি প্রত্যাখ্যান করে।
উদ্দীপকে পরবর্তীকালে সজীবকে দেওয়া পলির চেকটি তার হিসাবের উদ্বৃত্তের অর্থ দ্বারা অঙ্কনই ছিল পলির পদক্ষেপ।
ব্যাংকের চেক লেখকের হিসাবে উপযুক্ত পরিমাণ অর্থ না থাকলে বা জমাতিরিক্ত ঋণের কোনো ব্যবস্থা না থাকলে ব্যাংক উক্ত চেক অমর্যাদা করে। এক্ষেত্রে ব্যাংক কেবল হিসাবের পর্যাপ্ত অর্থ দ্বারা চেক ইস্যু হলে তা পরিশোধে বাধ্য থাকে।
উদ্দীপকে পলি তার হিসাবের উদ্বৃত্তের চেয়ে বেশি একটি চেক ইস্যু করে সজীবকে দিলে তা ব্যাংকে উপস্থাপনের পর ব্যাংক তা প্রত্যাখ্যান করে। অর্থাৎ সজীব চেকের অর্থ উত্তোলনে ব্যর্থ হয়। পরবর্তীতে পলি আরেকটি চেক ইস্যু করলে ব্যাংক উক্ত চেকের অর্থ সজীবকে পরিশোধ = করে। অর্থাৎ পরবর্তী চেকটিতে চেক অমর্যাদা হাওয়ার কোনো বৈশিষ্ট্য না থাকায় ব্যাংক তা পরিশোধে বাধ্য ছিল।
পলি প্রথম চেকে তার হিসাবের উদ্বৃত্তের অধিক টাকার পরিমাণ উল্লেখ করায় ব্যাংক তা পরিশোধ করতে পারেনি। তবে পরবর্তী চেকটি তার হিসাব লিমিট দ্বারা পূরণে সক্ষম হয়েছে। অর্থাৎ পলি দ্বিতীয় চেক অঙ্কনে হিসাবের উদ্বৃত্ত অর্থের পরিমাণ জেনে উক্ত পরিমাণ অর্থ পরিশোধে ব্যাংককে চেকের মাধ্যমে নির্দেশনা দিয়েছে। এ পদক্ষেপের মাধ্যমে উক্ত চেকটি সজীব দ্বারা ব্যাংকে উপস্থাপন মাত্র ব্যাংক তা পরিশোধে বাধ্য থাকায় সজীব চেকের অর্থ পেতে সক্ষম হয়েছে।
Related Question
View Allব্যাংকিং ব্যবসায়ের মূলমন্ত্র হলো "জনগণের বিশ্বাস ও মানসম্পন্ন সেবা প্রদান।"
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
