পহেলা বৈশাখে রুমা ও রনি রমনার বটমূলে নববর্ষের অনুষ্ঠান দেখতে গিয়েছিল। সেখানে তারা নানা আয়োজন দেখে মুগ্ধ হয়। নববর্ষের বর্ণিল আয়োজন ও মেলার বিভিন্ন বাহারী জিনিসপত্র তাদের মন কেড়ে নেয়।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

ফসল উৎপাদনের ভিন্ন ভিন্ন মৌসুমকে কৃষি মৌসুম বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

মানুষের বেঁচে থাকার জন্য অত্যাবশ্যকীয় চাহিদাগুলোকে মৌলিক চাহিদা বলে। মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলো হলো খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, স্বাস্থ্য ও বিনোদন ইত্যাদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

রুমা ও রনির দেখা নববর্ষ আমার এলাকার নববর্ষ উৎযাপন থেকে কিছুটা ভিন্ন।
আমার এলাকায় নববর্ষকে ঘিরে সবার মাঝে একটি উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়। এই উৎসবের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো মেলা। চৈত্র সংক্রান্তির দিনে এবং পহেলা বৈশাখের সকালে মেলা বসে। এই মেলা থেকে গ্রামের মানুষ হাঁড়ি-ঝুড়ি, দা-কান্তে থেকে শুরু করে সংসারের যাবতীয় তৈজসপত্র ক্রয় করে। পহেলা বৈশাখে হাট বাজারের দোকানিরাও তাদের গ্রাহক খদ্দেরদের আপ্যায়ন করেন। খদ্দেররা বাকি পাওনা পরিশোধ করে মিষ্টিমুখে আপ্যায়িত হন। যাত্রাপালা, কবিগান,খেলাধুলা ও ঘোড়দৌড়ের আয়োজনও করা হয়। অর্থাৎ, শহর ও গ্রামে নববর্ষ উদযাপনে ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

লাউদ্দীপকের রুমা ও রনি শহরে থাকে। তারা নববর্ষ উৎযাপনের জন্য রমনা বটমূলে যায়। সেখানে তারা নানা আয়োজন দেখে মুগ্ধ হয়।
রুমা ও রনির দেখা নববর্ষের উৎসব গ্রামের মেলা থেকে ভিন্নতর। রমনা বটমূলের উৎসবে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। এছাড়া এখানে বিভিন্ন বাহারী জিনিস বিক্রিয় হয় যার বেশির ভাগই দামী ও বিদেশি পণ্য। অপরদিকে গ্রামের মেলায় নানা প্রয়োজনীয় তৈজসপত্র নিয়ে পসারিরা বিক্রি করতে বসে। পাশপাশি এখানে তাঁতের কাপড়, লুঙ্গি, গামছা, চুড়ি, মেয়েলি প্রসাধনী, কামার-কুমারের তৈরি নানা ধাতব বা মাটির জিনিসপত্র, বইপত্র, পাটি ইত্যাদিও বিক্রি হয়। বিনোদনেরও নানা আয়োজন দেখা যায়। রাতভর চলে যাত্রা বা পালাগান।
সর্বোপরি বলা যায়, গ্রাম্য ও শহুরে নববর্ষের মেলার মাঝে পার্থক্য থাকলেও উভয়ক্ষেত্রে আমাদের বাঙালি ঐতিহ্যের ছোঁয়া বিদ্যমান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
78

কৃষির সঙ্গে সংস্কৃতির সম্পর্ক রয়েছে। মানব সমাজের ইতিহাস এগিয়েছে মানুষের কৃষিকাজ শুরু করার মাধ্যমে। মানুষের খাদ্য, বস্ত্র, আবাসন ইত্যাদি মৌলিক প্রয়োজন মেটানোর জন্য কৃষিকে প্রধান উৎপাদন ব্যবস্থা হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। জীবনকে নিরাপদ ও আনন্দঘন করার জন্য মানুষের হাজার বছরের ক্রমাগত প্রচেষ্টা চলেছে। এর মধ্য দিয়েই নানা পরিবেশে নানা আঞ্চলিক ও জাতিগত বৈশিষ্ট্য নিয়ে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র গড়ে উঠেছে। উৎপাদন কর্মকান্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত মানুষের এই অর্জনগুলোই ক্রমে ঐ মানবগোষ্ঠীর সংস্কৃতি হিসেবে গণ্য হয়েছে। কৃষি ও সংস্কৃতির এই আন্তঃসম্পর্কই এই অধ্যায়ে আলোচনা করা হয়েছে।

এ অধ্যায় শেষে আমরা -
  • পরিবার ও সমাজ গঠনে কৃষির ভূমিকা ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • বিজ্ঞানভিত্তিক কৃষি এবং কৃষকের উপর মানুষের নির্ভরশীলতার সম্পর্ক স্থাপন করতে পারব;
  • কৃষি পরিবেশ ও ঋতু পরিবর্তনের সাথে কৃষি উৎপাদনের সম্পর্ক স্থাপন করতে পারব;
  • কৃষির বৈচিত্র্যপূর্ণ উৎপাদন বর্ণনা করতে পারব;
  • সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সাথে কৃষি মৌসুমের সম্পর্ক তৈরি করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

কৃষিকে পেশা হিসেবে নেওয়ার আগে মানুষ ২টি উপায়ে, যথা-পশুপাখি শিকার অথবা ফলমূল আহরণ করে খাদ্য সংগ্রহ করত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
360
উত্তরঃ

কতদিনের দৈর্ঘ্যের তারতম্যের কারণে বিভিন্ন ঋতুতে বিভিন্ন ফসল জন্মায়। কিন্তু কলা সব ঋতুতে জন্মায়, কারণ দিনের দৈর্ঘ্যের তারতম্য কলার ফুল ধারণের ওপর কোন প্রভাব ফেলে না। তাই কলাকে ঋতু নিরপেক্ষ ফল বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
374
উত্তরঃ

উদ্দীপকে রফিকের কৃষিজ সম্পদ বলতে একটি ছোট্ট বসতবাড়ি, ভর মাঝারি আকারের পুকুর ও ৫০ শতাংশ ফসলি জমি ছিল।

রফিক তাঁর চাচার পরামর্শমতো কৃষিজ সম্পদ সঠিকভাবে ব্যবহারের দ উদ্যোগ নেন। তিনি পুকুরে মাছ চাষ শুরু করেন। উৎপাদিত মাছের ৬ মাধ্যমে তাঁর পরিবারের প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ হয়। অতিরিক্ত মাছ নয় তিনি বাজারে বিক্রি করেন, যার ফলে তাঁর অর্থনৈতিক সংকট দূর হয়। পরবর্তীতে রফিক তাঁর জমিতে ঋতুভিত্তিক ও লাভজনক ফসলের চাষাবাদ ২ শুরু করেন। এক্ষেত্রেও পারিবারিক খাদ্য চাহিদা পূরণের পাশাপাশি জন অতিরিক্ত ফসল বিক্রি করে তিনি বাণিজ্যিকভাবে লাভবান হন।

অর্থাৎ, রফিক উল্লিখিত উপায়ে তাঁর কৃষিজ সম্পদের বহুমাত্রিক ব্যবহার জন করে লাভবান হয়েছিলেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
246
উত্তরঃ

রফিক তাঁর পুকুরে মাছ চাষ ও ৫০ শতাংশ জমিতে ফসল আবাদের উদ্যোগ নেন।

ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাহিদা পূরণ করতে গিয়ে বাংলাদেশের কৃষি জমি, নদনদী ও খালবিল ভরাট হয়ে যাচ্ছে। ফলে দেখা দিচ্ছে খাদ্য ও পুষ্টির ঘাটতি। একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দৈনিক ৮০ গ্রাম আমিষের প্রয়োজন অথচ আমরা বর্তমানে গড়ে মাত্র ২১ গ্রাম আমিষ পেয়ে থাকি। রফিকের পুকুরে মাছ চাষ করার উদ্যোগ তাঁর পরিবারের সদস্যদের আমিষের চাহিদা পূরণ করবে। এছাড়াও অতিরিক্ত মাছ বাজারে বিক্রির ফলে তার অর্থনৈতিক সংকট দূর হবে এবং দেশে মাছের মোট উৎপাদনের সাথে সেটা যোগ হবে। এই বাড়তি উৎপাদন দেশের খাদ্য ও পুষ্টির ঘাটতি কিছুটা হলেও কমিয়ে আনবে। জমি পতিত না রেখে যথাযথভাবে ব্যবহারের ফলে দেশের খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।

সুতরাং, রফিকের কৃষিজ সম্পদ ব্যবহারের উদ্যোগগুলো যুক্তিযুক্ত ও সময়োপযোগী।   

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
198
উত্তরঃ

পরিবার হলো মানব সমাজের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
খাদ্যসহ সার্বিক নিরাপত্তার প্রথম ও প্রধান কেন্দ্র হলো পরিবার। পরিবারসমূহ স্নেহ, ভালোবাসা, নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধ দিয়ে সুরক্ষিত।
এছাড়া বয়স ও সক্ষমতা অনুযায়ী পরিবারের সদস্যরা কাজ ভাগ করে নেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
356
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews