পাকসেনারা থানায় ঘাঁটি স্থাপন করলে এলাকার মানুষের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করে। সবাই পালাতে শুরু করলে কলিমদ্দি দফাদার ভিন্ন পরিকল্পনা করেন। তিনি পাকসেনাদের ঘায়েল করার জন্য তাদের সাথে যোগাযোগ শুরু করেন। আর গোপনে সব খবর পৌঁছে দেন, প্রস্তুত থাকতে বলেন। একদিন সুযোগমতো পাকসেনাদের গ্রামে এনে ভাঙা পুলের গোড়ায় দাঁড় করিয়ে কলিমদ্দি দফাদার তা পার হতে গিয়ে পরিকল্পনামাফিক জলে পড়ে যান। সাথে সাথে গর্জে ওঠে ওৎ পেতে থাকা মুক্তিযোদ্ধাদের অস্ত্র। আর খতম হয় সব কজন পাকসেনা। 

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

বুধা প্রায়ই কাকতাড়ুয়া সাজত।

উত্তরঃ

'আধা-পোড়া বাজারটার দিকে তাকিয়ে ওর চোখ লাল হতে থাকে।'- কারণ সেদিকে তাকিয়ে হানাদারদের প্রতি বুধার ক্ষোভ ও প্রতিশোধস্পৃহা বাড়তে থাকে। অন্যায় কিছু দেখলে বুধার খুব রাগ হয়। আর রাগ হলে তার চোখ লাল হতে থাকে। হানাদাররা একদিন হঠাৎ করে বুধাদের গ্রামে এলো। বাজারের অনেক মানুষকে গুলি করে মারল। অবশেষে আগুন দিয়ে বাজারটা পুড়িয়ে দিল। তারা যাওয়ার পর গ্রামের বাকি মানুষরা আগুন নেভানোর চেষ্টা করল। বুধা নিজেও মাটির হাঁড়ি নিয়ে ডোবা থেকে পানি আনে। পাকিস্তানি হানাদারদের প্রতি ওর রাগ বাড়তে থাকে। ও মনে মনে ফুঁসতে থাকে। প্রতিশোধ নেওয়ার কথা ওর বুকের ভেতর ঢুপচাপ শব্দ তোলে। একসময় আগুন নিভে গেলে আধা-পোড়া বাজারটার দিকে তাকিয়ে ওর চোখ লাল হতে থাকে।

সারকথা: হানাদাররা মানুষ হত্যা করে অবশেষে বাজারে আগুন লাগিয়ে দেয়। এ অন্যায় দেখে বুধার খুব রাগ হয়। আর রেগে গেলেই বুধার চোখ লাল হতে থাকে।

উত্তরঃ

কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসের বুধা অত্যন্ত কৌশলী কিশোর। তার এ চরিত্রের সঙ্গে উদ্দীপকের কলিমদ্দি দফাদারের সাদৃশ্য রয়েছে।
শক্তি দিয়েই সবকিছু হয় না। পৃথিবীতে শক্তির চেয়ে বুদ্ধির মূল্য অনেক বেশি। শক্তি দিয়ে যে কাজ করা প্রায় অসম্ভব, বুদ্ধি দিয়ে তা সাধন করা খুব সহজ। বুদ্ধিমত্তার কারণেই মানুষ পৃথিবীর সেরা জীব। যারা বোকা, তারাই শক্তি দিয়ে কাজ সাধনের চেষ্টা করে। লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করে।
উদ্দীপকে কলিমদ্দি দফাদারের বুদ্ধিমত্তার পরিচয় পাওয়া যায়। পাকসেনারা থানায় ঘাঁটি স্থাপন করে। ফলে এলাকার সবাই পালাতে থাকে। তখন কলিমদ্দি দফাদার ভিন্ন পরিকল্পনা করেন। পাক হানাদারদের বুঝতে না দিয়ে তাদের দলের লোক হিসেবে অভিনয় করেন। এমন ভাব করেন যে, মনে হয় তিনি রাজাকারে যোগ দিয়েছেন। প্রকৃতপক্ষে গোপনে তিনি যোগাযোগ রাখেন মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে। একদিন তিনি মিলিটারিদের ভাঙা পুলের সামনে নিয়ে আসেন। পুলে উঠে তিনি পানিতে ঝাঁপ দেন। আর সঙ্গে সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের গুলিতে হানাদাররা খতম হয়ে যায়। 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসেও এমন কৌশল পাওয়া যায় বুধার চরিত্রে। বুধা শ্রমিকদের সঙ্গে বাঙ্কার বানাতে যায়। বাঙ্কার তৈরি করা মানে হানাদারদের শক্তি বেড়ে যাওয়া। বুধা সবার সঙ্গে বাঙ্কার তৈরির কাজ করে। তারপর মুক্তযোদ্ধা কমান্ডার শাহাবুদ্দিনের কথামতো সে বাঙ্কারের তলায় মাইন পুঁতে আসে। হানাদাররা বাঙ্কারে ঢুকে মাইনে পা দিতেই সব ধ্বংস হয়ে যায়। এভাবে উদ্দীপকের কলিমদ্দি দফাদারের সঙ্গে 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসের বুধার মিল লক্ষ করা

সারকথা: 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসের বুধ্য অত্যন্ত বুদ্ধিমান চরিত্র। কৌশলে সে। মুক্তিযুদ্ধে অনেক অবদান রাখে। উদ্দীপকের কলিমদ্দি দফাদারও
কৌশলী চরিত্র। তার বুদ্ধির কারণে হানাদাররা ধ্বংস হয়।

উত্তরঃ

না, উদ্দীপকটি 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসের সমগ্র ভাবকে ধারণ করে না। কারণ উদ্দীপকে বর্ণিত দিকটিই 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসের একমাত্র দিক নয়। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এদেশের বুকে তান্ডব চালিয়েছিল, অসংখ্য মানুষকে হত্যা করেছিল। তারা ভেবেছিল বাংলার মানুষ
ভিতু। অস্ত্রের মুখে এরা ভয়ে পিছিয়ে যাবে। বাঙালি তাদের চিন্তাকে সম্পূর্ণ পাল্টে দিল। বাঙালিরা মহাপ্রতিরোধ গড়ে তোলে হানাদারদের বিরুদ্ধে। অবশেষে ত্রিশ লাখ প্রাণের বিনিময়ে অর্জন করে কাঙ্ক্ষিত বিজয়।
উদ্দীপকের কলিমদ্দি দফাদার বুদ্ধিমান মানুষ, তার বুকভরা দেশপ্রেম। পাকিস্তানি হানাদাররা থানায় ঘাঁটি স্থাপন করায় এলাকায় লোকজন আতঙ্কিত হয়ে বাড়ি ছেড়ে পালাতে শুরু করে। তখন কলিমদ্দি দফাদার না পালিয়ে তাদের ঘায়েল করার কৌশল অবলম্বন করেন। হানাদারদের সঙ্গে থেকে তিনি গোপনে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। একদিন হানাদারদের তিনি গ্রামের পুলের কাছে নিয়ে যান এবং পুল পার হতে গিয়ে পরিকল্পনা অনুযায়ী পানিতে ঝাঁপ দেন। তখন মুক্তিযোদ্ধাদের গুলিতে সব হানাদার নিহত হয়। 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসেও এরূপ চরিত্রের সন্ধান পাওয়া যায়। সেই চরিত্রটি হলো বুদ্ধিমান কিশোর বুধা। সে পাগলের মতো আচরণ করে যাতে কেউ তাকে সন্দেহ করতে না পারে। রাজাকার কমান্ডার আর চেয়ারম্যানের বাড়িতে আগুন লাগায়। হানাদারদের ক্যাম্পের খবর সংগ্রহ করে, কাজের সুযোগে বাঙ্কারে মাইন পুঁতে হানাদারদের হত্যা করে।

181

Related Question

View All
উত্তরঃ

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়


বাংলা সাহিত্যে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তাঁর প্রথম সফল উপন্যাস হলো 'দুর্গেশনন্দিনী', যা ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাসের মাধ্যমে তিনি বাংলা উপন্যাসের একটি শক্ত ভিত্তি স্থাপন করেন এবং এর শিল্পরূপকে পরিপূর্ণতা দান করেন। তাঁর রচিত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাসগুলো হলো 'কপালকুণ্ডলা', 'বিষবৃক্ষ', 'কৃষ্ণকান্তের উইল' ইত্যাদি। তিনি বাংলা উপন্যাসের পথিকৃৎ হিসেবে আজও সমাদৃত।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
721
উত্তরঃ

বুধা তার পরিবারের সকল সদস্যকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে নির্মমভাবে হারানোর বেদনা ও প্রতিশোধের স্পৃহা থেকে মাটি কাটার দলে যোগ দেয়। সে মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণ করে দেশমাতৃকার সেবা করতে এবং ঘাতকদের প্রতি ঘৃণা থেকে মুক্তি সংগ্রামীদের সহযোগী হতে চেয়েছিল।

বুধার মনে স্বাধীন দেশ ও মানুষের প্রতি গভীর ভালোবাসা ছিল। সে ছোট হলেও দেশের ক্রান্তিকালে বসে থাকতে রাজি ছিল না। পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতা ও ধ্বংসযজ্ঞ দেখে তার ভেতর প্রতিবাদী সত্তা জাগ্রত হয় এবং এই মহৎ উদ্দেশ্য পূরণের জন্যই সে সক্রিয়ভাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে মাটি কাটার কঠিন কাজ বেছে নেয়।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
1.4k
উত্তরঃ

'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসের যে বিশেষ দিকটি উদ্দীপকে ফুটে উঠেছে, তা হলো যুদ্ধের ভয়াবহতা ও মানবতাবিরোধী নৃশংসতার শিকার হয়ে সাধারণ মানুষের বাস্তুচ্যুতি, চরম অনিশ্চয়তা এবং জীবন-মৃত্যুর সংগ্রাম। মুক্তিযুদ্ধকে কেন্দ্র করে রচিত এই উপন্যাসটিতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা, ধ্বংসযজ্ঞ এবং সাধারণ বাঙালির অসহায়ত্ব ও প্রতিরোধের চিত্র বর্ণিত হয়েছে।

উদ্দীপকে মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর উপর সে দেশের সরকারি বাহিনীর নির্বিচার হত্যাযজ্ঞ, তাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া এবং প্রাণভয়ে দলে দলে বাংলাদেশে পালিয়ে আসার বর্ণনা করা হয়েছে। এটি জাতিগত নিধন, গণহত্যা এবং চরম মানবিক বিপর্যয়ের এক বাস্তব চিত্র তুলে ধরে, যেখানে নিরপরাধ মানুষ নিজ দেশ ও ভূমি থেকে বিতাড়িত হয়ে আশ্রয়হীন জীবন বেছে নিতে বাধ্য হচ্ছে।

'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসেও বুধাকে কেন্দ্র করে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীর একই ধরনের বর্বরতার চিত্র দেখা যায়। বুধার পরিবার পাকিস্তানি সেনাদের হাতে নিহত হয়, তার গ্রাম ধ্বংস হয়ে যায় এবং সে বাস্তুহারা হয়ে পড়ে। প্রতিকূল পরিবেশে তাকে বেঁচে থাকার জন্য এক কঠিন সংগ্রাম করতে হয়। উদ্দীপকের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জীবন-মৃত্যুর সংগ্রাম এবং বাস্তুচ্যুতির ঘটনা 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসে বর্ণিত যুদ্ধের ভয়াবহতা, ধ্বংসলীলা ও মানবজীবনের বিপর্যয়ের একই দিককে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
807
উত্তরঃ

উদ্দীপকে মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে রোহিঙ্গাদের উপর সংঘটিত অমানবিক নির্যাতন এবং নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞের ফলে তাদের জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়ার ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। অন্যদিকে, সেলিনা হোসেন রচিত 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসের প্রতিপাদ্য বিষয় হলো ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ, যেখানে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরীহ বাঙালির উপর একইরকম নৃশংসতা চালিয়েছিল। প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ, কারণ ঘটনাগত সাদৃশ্য থাকলেও এ দুটি বিষয়ের মূল প্রতিপাদ্য সম্পূর্ণ ভিন্ন।

উদ্দীপকে বর্ণিত রোহিঙ্গা নিধন ও তাদের দেশত্যাগের চিত্রটি 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসে বর্ণিত পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতা ও গণহত্যার সাথে ঘটনাগত দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ। উভয় ক্ষেত্রেই দেখা যায়, একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রীয় শক্তি নিরীহ ও নিরস্ত্র জনগোষ্ঠীর উপর অমানবিক অত্যাচার চালাচ্ছে, নির্বিচারে হত্যা করছে, ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিচ্ছে এবং মানুষকে বাধ্য করছে নিজেদের ভিটেমাটি ছেড়ে পালাতে। বুধা ও তার পরিবারের উপর পাকিস্তানি হানাদারদের নির্মমতা, গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দেওয়া, আর প্রাণভয়ে মানুষের ছুটে চলা - এসবই উদ্দীপকের ঘটনার সাথে এক ধরণের মিল তৈরি করে। উভয় ঘটনাতেই চরম মানবিক বিপর্যয় ও শরণার্থীর জীবন ফুটিয়ে উঠেছে।

তবে, এই ঘটনাগত সাদৃশ্য সত্ত্বেও উদ্দীপক ও 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসের প্রতিপাদ্য বিষয় ভিন্ন। উদ্দীপকের মূল প্রতিপাদ্য হলো একটি জাতিগোষ্ঠীর উপর পরিচালিত জাতিগত নির্মূল অভিযান, মানবাধিকার লঙ্ঘন, এবং তাদের জীবন বাঁচানোর জন্য দেশান্তরী হয়ে অন্য দেশে আশ্রয় গ্রহণ। এটি মূলত মানবতা বিরোধী অপরাধ, শরণার্থী সংকট এবং জাতিগত নিপীড়নের চিত্র। অন্যদিকে, 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হলো পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে স্বাধীনতা অর্জনের সংগ্রাম, দেশপ্রেম, আত্মত্যাগ এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। বুধার মতো এক সাধারণ কিশোরের অসাধারণ দেশপ্রেম এবং মুক্তির নেশায় হানাদারদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতির স্বাধীনতা অর্জনের আকাঙ্ক্ষা ও সাহসিকতার গল্পই এই উপন্যাসের প্রাণ।

সুতরাং, উভয় ক্ষেত্রেই নিপীড়ন ও মানবিক বিপর্যয়ের চিত্র থাকলেও, উদ্দীপকের ঘটনা একটি জাতিগোষ্ঠীর অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রাম এবং শরণার্থীর বেদনাকে তুলে ধরে, আর 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাস একটি জাতির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য আত্মদানের মহিমাকে ধারণ করে। তাই, মন্তব্যটি সম্পূর্ণ যথার্থ যে, ঘটনাগত সাদৃশ্য থাকলেও উদ্দীপকের বিষয় এবং 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসের প্রতিপাদ্য বিষয় সম্পূর্ণ ভিন্ন।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
674
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews