চিরসবুজের এই বাংলাদেশে পাখপাখালিতে ভরপুর। বিভিন্নভাবে এসব পাখি আমাদের উপকার করে। বিশেষ করে ভোর না হতেই কিচিরমিচির শব্দ করে আমাদেরকে নতুন একটি দিনের সংবাদ দিয়ে থাকে। তাই পাখিদের ভোরের দূত বলা হয়েছে।
Related Question
View Allসাম্যকে নিম্নোক্ত কবিতার কথাগুলো ভাবিয়ে তুলল-“পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল। কাননে কুসুমকলি সকলি ফুটিল।" কেননা ভোর হলেই পাখি ডেকে ওঠে, ঘুম ভেঙে যায়।
সাম্য চড়ুই, শালিকের মতো দুয়েকটা পাখি দেখেছে। কিন্তু আরও যে নানা ধরনের পাখি আছে। সেসব পাখির কথা সাম্যর জানতে ইচ্ছে করে। তাই সাম্য মাকে পাখিদের কথা জিজ্ঞেস করে।
পাখিরা ঝোপে-ঝাড়ে, নদীতীরে বিচরণ করে। 'কখনো তারা দল বেঁধে আকাশে উড়ে বেড়ায়। কখনো পাতার ফাঁকে চুপ করে বসে থাকে। কখনো খাবারের জন্য পোকামাকড়ের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।
দোয়েল পাখি ছোটো ডাল, খড়কুটো ও শিকড়বাকড় দিয়ে বাসা বানায়। আর এরা খায় প্রধানত নানা ফুলের মধু এবং কীটপতঙ্গ।
ফসলের শত্রু নাশ করে চড়ুই পাখি। চতুই পাখি ফসলের জন্য অপকারী কীটপতঙ্গ খেয়ে ফসলের শত্রু নাশ করে।
সাম্যর মা পাখিদের মানুষের বন্দু বলেছেন। কারণ পাখিরা অনেক উপকারী। কিছু কিছু পাখি পোকামাকড় খেয়ে পরিবেশকে সুন্দর রাখে। ফসলের কীটপতঙ্গ খেয়ে ফসলের শত্রু নাশ করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!