সাম্যকে নিম্নোক্ত কবিতার কথাগুলো ভাবিয়ে তুলল-“পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল। কাননে কুসুমকলি সকলি ফুটিল।" কেননা ভোর হলেই পাখি ডেকে ওঠে, ঘুম ভেঙে যায়।
সাম্য চড়ুই, শালিকের মতো দুয়েকটা পাখি দেখেছে। কিন্তু আরও যে নানা ধরনের পাখি আছে। সেসব পাখির কথা সাম্যর জানতে ইচ্ছে করে। তাই সাম্য মাকে পাখিদের কথা জিজ্ঞেস করে।
পাখিরা ঝোপে-ঝাড়ে, নদীতীরে বিচরণ করে। 'কখনো তারা দল বেঁধে আকাশে উড়ে বেড়ায়। কখনো পাতার ফাঁকে চুপ করে বসে থাকে। কখনো খাবারের জন্য পোকামাকড়ের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।
দোয়েল পাখি ছোটো ডাল, খড়কুটো ও শিকড়বাকড় দিয়ে বাসা বানায়। আর এরা খায় প্রধানত নানা ফুলের মধু এবং কীটপতঙ্গ।
ফসলের শত্রু নাশ করে চড়ুই পাখি। চতুই পাখি ফসলের জন্য অপকারী কীটপতঙ্গ খেয়ে ফসলের শত্রু নাশ করে।
সাম্যর মা পাখিদের মানুষের বন্দু বলেছেন। কারণ পাখিরা অনেক উপকারী। কিছু কিছু পাখি পোকামাকড় খেয়ে পরিবেশকে সুন্দর রাখে। ফসলের কীটপতঙ্গ খেয়ে ফসলের শত্রু নাশ করে।
চড়ুই শারীরিক আকারে ছোট্ট পাখি। এদের মাথা ছাই রঙের। এদের পিঠে বাদামি পালক এবং তার উপরে কালো ছোটো দাগ। ডানার উপরে সাদা অথবা লালচে রেখা।
টুনটুনি ছোট্ট একটি পাখি। এর পালকের রং জলপাই সবুজ। মাথায় লালচে রঙের ছোপ। লম্বা ঠোঁটের রং কালচে খয়েরি। পায়ের রং হলুদাভ।
চড়ুইয়ের মতো চঞ্চল স্বভাবের পাখি বুলবুলি। বুলবুলির মাথা ও গলা কালো। মাথার উপর রাজকীয় কালো ঝুঁটি। এর তলপেট সাদা। তলপেটের শেষে লাল ছোপ।
চিরসবুজের এই বাংলাদেশে পাখপাখালিতে ভরপুর। বিভিন্নভাবে এসব পাখি আমাদের উপকার করে। বিশেষ করে ভোর না হতেই কিচিরমিচির শব্দ করে আমাদেরকে নতুন একটি দিনের সংবাদ দিয়ে থাকে। তাই পাখিদের ভোরের দূত বলা হয়েছে।
আমাদের জাতীয় পাখি দোয়েল। নানা ফুলের মধু ও কীটপতঙ্গ দোয়েলের প্রধান খাদ্য।
চড়ুই পাখি আমাদের ঘরেরই কেউ। কারণ চড়ুই পাখি আমাদের বাসাবাড়ির ঘুলঘুলিতে খড়, টুকরো কাপড়, শুকনো ঘাস ইত্যাদি দিয়ে বাসা তৈরি করে। লোকালয়ই এদের প্রিয় জায়গা। তাই আমরা মনে করি, চড়ুই আমাদের ঘরেরই কেউ।
টুনটুনি পাখি পরিবেশ সুন্দর রাখতে সাহায্য করে। টুনটুনি পাখি মানুষের কাছাকাছি থাকতে ভালোবাসে। তাছাড়া এদের প্রিয় খাবার ফুলের মধু ও পোকামাকড়। আর এভাবেই পোকামাকড় খেয়ে এরা আমাদের পরিবেশ সুন্দর রাখতে সাহায্য করে।
নানা রকম পাখপাখালিতে ভরা আমাদের এ বাংলাদেশ। পরিচিত পাখিগুলোর মধ্যে বুলবুলি দেখতে বেশ সুন্দর। এদের মাথ্য ও গলা কালো। মাথার উপর রাজকীয় কালো ঝুঁটি। এদের তলপেট সাদা। তলপেটের শেষে লাল ছোপ রয়েছে।
Related Question
View Allবিচরণ - বাংলাদেশজুড়ে বিভিন্ন পাখির বিচরণ দেখা যায়।
কীটপতঙ্গ - চড়ুই কীটপতঙ্গ খেয়ে ফসলের শত্রু নাশ করে।
খড়কুটো - আমগাছে একটি পাখি খড়কুটো দিয়ে, বাসা বানিয়েছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!