পাবন সময়ে চারপাশ জলে ভরে যায় কেন?

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

পাবন সময়ে বর্ষার অবিরাম বৃষ্টির ধারায় চারপাশ পানিতে ভরে ওঠে।
বর্ষাকালে প্রতিনিয়তই ঝরতে থাকে অবিরল বৃষ্টির ধারা। বৃষ্টির পূর্বমুহূর্তে ঘন ঘন মেঘের গর্জনে মুখরিত হয় প্রকৃতি। কোনো কিছুকেই তোয়াক্কা না করে বৃষ্টির জল অবিরাম বর্ষিত হয়। ফলে চারদিকে পানিতে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে। এভাবে থই থই পানিতে বর্ষাকালে এক মনোরম পরিবেশ তৈরি হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
78


প্রথমে বসন্ত ঋতু নবীন পল্লব ।
 দুই পক্ষ আগে পাছে মধ্যে সুমাধব ৷৷
 মলয়া সমীর হৈলা কামের পদাতি ।
 মুকুলিত কৈল তবে বৃক্ষ বনস্পতি ৷৷
 কুসুমিত কিংশুক সঘন বন লাল ৷
 পুষ্পিত সুরঙ্গ মল্লি লবঙ্গ গুলাল ৷৷
 ভ্রমরের ঝঙ্কার কোকিল কলরব। 
শুনিতে যুবক মনে জাগে অনুভব ৷৷
 নানা পুষ্প মালা গলে বড় হরষিত ।
 বিচিত্র বসন অঙ্গে চন্দন চৰ্চিত ৷৷

নিদাঘ সমএ অতি প্রচণ্ড তপন । 
রৌদ্র ত্রাসে রহে ছায়া চরণে সরণ ॥ 
চন্দন চম্পক মাল্য মলয়া পবন ।
 সতত দম্পতি সঙ্গে ব্যাপিত মদন ৷৷

পাবন সময় ঘন ঘন গরজিত।
নির্ভয়ে বরিষে জল চৌদিকে পূরিত ৷৷
 ঘোর শব্দে কৈলাসে মল্লার রাগ গাত্র ।
দাদুরী শিখীনি রব অতি মন ভাএ ॥
কীটকুল রব পুনি ঝঙ্কারে ঝঙ্কারে ।
শুনিতে যুবক চিত্ত হরষিত ডরে ৷
আইল শারদ ঋতু নির্মল আকাশে ।
দোলাএ চামর কেশ কুসুম বিকাশে ৷
নবীন খঞ্জন দেখি বড়হি কৌতুক ।
উপজিত যামিনী দম্পতি মনে সুখ ৷
প্রবেশে হেমন্ত ঋতু শীত অতি যায় ।
পুষ্প তুল্য তাম্বুল অধিক সুখ হয় ৷৷
শীতের তরাসে রবি তুরিতে লুকাএ ।
অতি দীর্ঘ সুখ নিশি পলকে পোহাএ ॥
পুষ্প শয্যা ভেদ ভুলি বিচিত্র বসন ।
উরে উরে এক হৈলে শীত নিবারণ ৷৷
কাফুর কস্তুরী চুয়া যাবক সৌরভ।
দম্পতির চিত্তেত চেতন অনুভব ৷৷

Related Question

View All
উত্তরঃ

মল্লার হলো সংগীতের একটি রাগ; রাত্রির দ্বিতীয় প্রহরে গাওয়া হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
212
উত্তরঃ

রৌদ্র ত্রাসে রহে ছায়া চরণে সরণে' বলতে গ্রীষ্মে সূর্যের প্রখরতায় মানুষের ছায়াও চরণতলে আশ্রয় নেওয়ার বিষয়টি বোঝানো হয়েছে।
'ঋতু বর্ণন' কবিতায় কবি আলাওল গ্রীষ্মের তাপদাহের কথা বলেছেন। এ সময় সূর্যের প্রচণ্ড তাপ থাকে। প্রকৃতিতে গ্রীষ্মের আগমনে চারদিক প্রচণ্ড উত্তাপে ফেটে পড়ে। সূর্য তার সমস্ত রাগ নিয়ে যেন হাজির হয়। রৌদ্রের এই প্রখরতার জনজীবন অতীষ্ঠ হয়ে পড়ে। সূর্যের কিরণ থাকে মাথার উপর। ফলে দুপুরে ছায়াও মানুষের সোজা পায়ের নিচ বরাবর যেন আশ্রয় নেয়। আর এ বিষয়টি বোঝাতে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলা হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
235
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বসন্তের সৌন্দর্যের কথা বর্ণিত হয়েছে যা 'ঋতু বর্ণন' কবিতার বসন্ত ঋতুর বর্ণনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
'ঋতু বর্ণন' কবিতায় বসন্তের অপরূপ সৌন্দর্যের কথা বলা হয়েছে। এই ঋতুতে চারিদিক ফুলে ফুলে শোভিত থাকে। দখিনা বাতাস প্রেমের দেবতার বার্তাবাহক হয়ে হাজির হয়। চারপাশের গাছপালায় নতুন পাতা এবং ফুলের সমারোহ থাকে। ফলে বনে বনে সৌন্দর্য উপভোগের সাড়া পড়ে যায়।
উদ্দীপকে বসন্তের অপরূপ সৌন্দর্যের কথা বলা হয়েছে। এই সময় জোছনা রাতে সবাই বনে বনে সৌন্দর্য উপভোগ করতে গিয়েছে। বসন্তের মাতাল সমীরণ সবাইকে সৌন্দর্য উপভোগের বার্তা দিয়ে গিয়েছে। বসন্তের এই অপরূপ সৌন্দর্য 'ঋতু বর্ণন' কবিতায়ও আমরা দেখতে পাই। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের সঙ্গো 'ঋতু বর্ণন' কবিতার বসন্ত ঋতুর সাদৃশ্য রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
151
উত্তরঃ

ঋতু বর্ণন' কবিতায় বাংলার ষড়ঋতুর অপরূপ সৌন্দর্যের কথা বলা হলেও উদ্দীপকে কেবল বসন্ত ঋতুর কথা বর্ণিত হয়েছে বিধায় উদ্দীপকটি কবিতার সমগ্র ভাব ধারণ করেনি।
'ঋতু বর্ণন' কবিতায় ষড়ঋতুর রূপবৈচিত্র্য এবং এর সঙ্গে মানবমন্ত্রে সম্পর্কের দিকটি বর্ণিত হয়েছে। বাংলার প্রকৃতিতে বসন্তে নবীন পত্র-পুষ্প, 'গ্রীষ্মের সূর্যতাপ, বর্ষার অবিরল জলধারা, শরতের নির্মল আকাশ, হেমন্তের পুষ্পতুল্য তাম্বুল, শীতের দীঘল রজনি যে পরিবর্তন সাধন করে তা কবি তাঁর কবিতায় সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। প্রকৃতির এই রূপমাধুরী মানুষের মনেও প্রভাব ফেলে। প্রকৃতির মতোই মানুষের মনও একেক ঋতুতে একেক রূপ ধারণ করে।
উদ্দীপকে বসন্তের মাতাল সমীরণের কথা বলা হয়েছে। এই ঋতুতে জোছনা রাতে সবাই বনে সৌন্দর্য উপভোগ করতে গিয়েছে। কেননা বসন্তের বন ফুলে ফুলে শোভিত থাকে। এই শোভা উপভোগ করার আনন্দ সবাই পেতে চায়। বসন্তের এই অপরূপ সৌন্দর্য তুলে ধরার জন্যই উদ্দীপকটির অবতারণা করা হয়েছে। 'ঋতু বর্ণন' কবিতায়ও বসন্ত ঋতুর প্রায় একইরকম বর্ণনা ফুটে উঠেছে।
উদ্দীপকে বসন্তের রূপ বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু 'ঋতু বর্ণন' কবিতায় বসন্তের রূপ ছাড়াও বাংলার সব ঋতুর বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। কবিতায় গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত ঋতুর রূপমাধুরী ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এছাড়া ঋতুর এই পরিবর্তনের সঙ্গে মানবমনের সম্পর্কের দিকটিও আলোচ্য কবিতায় তুলে ধরা হয়েছে। কিন্তু উদ্দীপকে বসন্ত ঋতুর সৌন্দর্য ব্যতীত অন্যান্য দিক অনুপস্থিত। ফলে উদ্দীপকটি ঝতু বর্ণন' কবিতার সমগ্র ভাব ধারণ করতে পারেনি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
184
উত্তরঃ

'নানা পুষ্প মালা গলে বড় হরষিত'- বলতে বসন্ত ঋতুতে নিজেকে সাজিয়ে আনন্দিত হওয়ার দিককে বোঝানো হয়েছে।
'ঋতু বর্ণন' কবিতায় বসন্ত প্রকৃতির নতুন সাজে সেজে ওঠার কথা বলা হয়েছে। বসন্তে নানা রকম ফুল ফোটে। প্রকৃতি তখন রঙিন রূপ ধারণ করে। বসন্তকে বরণ করতে এবং প্রকৃতির সাথে নিজেদের সংযুক্ত করতে সবাই নানা রকম সাজে নিজেকে সজ্জিত করে। ফুলের মালা গলায় পরে তারা আনন্দ, উল্লাস করে। এ দিক বোঝাতেই প্রশ্নোক্ত কথাটি বলা হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
111
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews