পালসরেট গণনার ক্ষেত্রে প্রথমে রোগীর হাতের কবজিতে হাতের তিন আঙুল যেমন অনামিকা, মধ্যমা ও তর্জনী দিয়ে চাপ দিয়ে হৃৎস্পন্দন প্রতি মিনিটে কতবার হয় তা অনুভব করতে হবে। এরপর হাতের তিন আঙুল এমনভাবে রাখতে হবে যাতে তর্জনী থাকে হৃৎপিন্ডের দিকে, মধ্যমা মাঝখানে এবং অনামিকা হাতের আঙুলের দিকে। এবার এক মিনিটে মধ্যমা আঙুল দিয়ে বোঝা যাবে হাতের রেডিয়াল ধমনি কত বার ধুকধুক করছে। এটাই পালসরেট বা পালসের গতি। আর এভাবেই পালসরেট গণনা করা যায়।
Related Question
View Allরক্ত সংবহনতন্ত্র এর মাধ্যমে দেহের যাবতীয় বিপাকীয় কাজের রসদ সারা শরীরে প্রবাহিত হয়।
রক্ত, হূৎপিন্ড ও রক্তবাহিকার সমন্বয়ে গঠিত তন্ত্রের নাম রক্ত সংবহনতন্ত্র।
হৃৎপিন্ড হৃদপেশি দিয়ে তৈরি ।
আকার, আকৃতি ও কাজের ভিত্তিতে রক্ত বাহিকা ৩ ধরনের।
হৃৎপিন্ড প্রাণিদেহে পাম্পের মতো কাজ করে।
ধমনির মাধ্যমে অক্সিজেনসমৃদ্ধ রক্ত হৃৎপিন্ড থেকে সারাদেহে প্রবাহিত হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!