পিং পং কূটনীতি বলতে ১৯৭১ সালে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শুরু হওয়া অপ্রচলিত কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নের একটি বিশেষ প্রচেষ্টা বোঝায়, যা পিং পং টেবিল টেনিস) খেলাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল।
- ১৯৭১ সালে জাপানে অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক পিং পং প্রতিযোগিতায় মার্কিন খেলোয়াড়রা চীনের আমন্ত্রণে বেইজিং সফর করেন।
- তখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের প্রশাসন ও চীনের মাও জে দং-এর নেতৃত্বাধীন কমিউনিস্ট সরকারের মধ্যে কূটনৈতিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক ছিল না।
- খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে সদিচ্ছা ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধি পায়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পথ প্রশস্ত হয়।
এর ফলাফলঃ
যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের পুনঃপ্রতিষ্ঠাঃ ১৯৭২ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিক্সনের ঐতিহাসিক চীন সফরের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় শুরু হয়।
চীন-তাইওয়ান ইস্যুতে নতুন সমীকরণঃ যুক্তরাষ্ট্র ধীরে ধীরে তাইওয়ানের প্রতি সমর্থন কমিয়ে এনে মূল ভূখণ্ড চীনকে স্বীকৃতি দিতে শুরু করে।
চীনকে আন্তর্জাতিক পরিসরে স্বীকৃতিঃ ১৯৭১ সালে চীন জাতিসংঘে আসন লাভ করে, এবং তাইওয়ানের পরিবর্তে চীনকে জাতিসংঘের স্থায়ী সদস্যপদ দেওয়া হয়।
ঠান্ডা যুদ্ধের উত্তেজনা প্রশমিতঃ এই কূটনীতি পূর্ব-পশ্চিম বিভাজনের মধ্যে কিছুটা ভারসাম্য আনে এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অবস্থান শক্ত করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!