সাধারণ জ্ঞানঃ

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশ একটি একক প্রশাসনিক কাঠামোভিত্তিক রাষ্ট্র। এখানে প্রাদেশিক সরকার ব্যবস্থা চালু করা হলে প্রশাসনিক ব্যয় বাড়বে, নতুন সরকারি কাঠামো গঠন করতে হবে এবং রাজনৈতিক বিভাজনও তৈরি হতে পারে। তাই বর্তমান বাস্তবতায় এটি অনুপযুক্ত। তবে প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ করা হলে জনগণের সেবা আরও ঘনিষ্ঠভাবে প্রদান করা সম্ভব। 

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

প্রধান সমস্যাঃ 

১. মিয়ানমারের অনীহা ও প্রতিশ্রুতি না মানাঃ মিয়ানমার বারবার প্রত্যাবাসনের আশ্বাস দিলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। নিরাপত্তা ও নাগরিকত্ব নিশ্চিত না করায় রোহিঙ্গারা ফিরে যেতে ভয় পায়। 

২. নাগরিকত্ব সংকটঃ রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে নাগরিকত্বহীন। তাই তারা সেখানে মানবাধিকারহীন অবস্থায় ফিরে যেতে চায় না। 

৩. আন্তর্জাতিক চাপের অভাবঃ মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক মহলের চাপ অনেকটাই দুর্বল। ফলে তারা জবাবদিহিমূলক নীতি গ্রহণে অনাগ্রহী। 

৪. অতিনির্ভরতা মানবিক সহায়তার ওপরঃ দীর্ঘদিন ধরে আশ্রয় পাওয়ায় রোহিঙ্গাদের অনেকেই বাংলাদেশে স্থায়ী হওয়ার মানসিকতা গড়ে তুলেছে। 

৫. নিরাপত্তা ঝুঁকি ও চরমপন্থার সম্ভাবনাঃ ক্যাম্পে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, অস্ত্র ও মাদক চোরাচালান বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকে জটিল করে তোলে।

 

সমাধান ও করণীয়: 

১. আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদারঃ জাতিসংঘ, ওআইসি, আসিয়ান ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার মাধ্যমে মিয়ানমারের ওপর কূটনৈতিক চাপ বাড়াতে হবে। 

২. চীন ও ভারতকে কৌশলগতভাবে সম্পৃক্ত করাঃ এই দুই দেশের প্রভাব রয়েছে মিয়ানমারের ওপর। বাংলাদেশকে তাদের সঙ্গে কৌশলগত আলোচনা করতে হবে। 

৩. নাগরিকত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চয়তার শর্তঃ প্রত্যাবাসনের আগে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব, নিরাপত্তা ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। 

৪. ধাপে ধাপে প্রত্যাবাসনের রূপরেখাঃ পর্যায়ক্রমে প্রত্যাবাসনের জন্য বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা এবং ক্যাম্পে প্রাক-প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা দরকার। 

৫. অপরাধ দমন ও আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণঃ কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি ও নজরদারি আরও বাড়াতে হবে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

সংযোজনের কারণঃ বাংলাদেশের সংবিধানের ২৫(২) ধারা প্রথম সংযোজিত হয়েছিল ১৯৭২ সালের সংবিধানে। এতে বলা হয়েছিলঃ 

"বাংলাদেশ মুসলিম বিশ্বে ঐক্য ও সংহতি সমুন্নত রাখার প্রয়াসে অংশগ্রহণ করবে।" 

এটি সংযোজনের মূল কারণ ছিল বাংলাদেশের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠতা এবং মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গে ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সম্পর্ক বজায় রাখা। 

বাদ দেওয়ার কারণঃ ১৯৭৭ সালের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে এই ধারা বাতিল করা হয়। এই সংশোধনী আনা হয় রাষ্ট্রের ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্র পরিবর্তনের অংশ হিসেবে, যখন সামরিক শাসক জিয়াউর রহমান ইসলামিক রাষ্ট্রীয় পরিচিতি জোরালো করতে থাকেন। 

পরিবর্তিত রাজনীতি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি এই ধারাটি বাতিলের পেছনে মূল কারণ। 

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মূল কারণসমূহঃ 

১. ন্যাটো (NATO) সম্প্রসারণঃ রাশিয়া বহুদিন ধরে আশঙ্কা করে আসছে যে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো ইউক্রেনসহ তার আশেপাশের রাষ্ট্রগুলোকে সদস্যপদ দিয়ে ঘিরে ফেলছে। ইউক্রেনের ন্যাটোতে যোগদানের সম্ভাবনা রাশিয়ার জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি মনে করা হয়। 

২. ক্রিমিয়া দখল ও ডনবাস অঞ্চলঃ ২০১৪ সালে রাশিয়া ইউক্রেনের ক্রিমিয়া অঞ্চল দখল করে নেয়। এরপর ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় ডনবাস অঞ্চলে (ডোনেৎস্ক ও লুহানস্ক) রুশপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সক্রিয়তা বাড়ে, যাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘ সময় ধরে সংঘর্ষ চলে আসছে। 

৩. জাতিগত ও ভাষাগত রাজনীতিঃ ইউক্রেনের পূর্ব অংশে রুশভাষী জনগণের বসবাস বেশি। রাশিয়া দাবি করে, তারা রুশভাষী নাগরিকদের "রক্ষা” করার জন্যই সামরিক পদক্ষেপ নেয়। 

৪. ইউরোপীয় ইউনিয়নে (EU) ইউক্রেনের আগ্রহঃ ইউক্রেন পশ্চিমা বিশ্বের দিকে ঝুঁকছে, বিশেষ করে ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগদানে আগ্রহী। এটা রাশিয়ার জন্য রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব হারানোর শঙ্কা তৈরি করে। 

৫. সাম্রাজ্যবাদী মনোভাব ও ঐতিহাসিক দাবিদাওয়াঃ রাশিয়া ইউক্রেনকে 'ঐতিহাসিকভাবে' নিজের অংশ হিসেবে মনে করে থাকে। প্রেসিডেন্ট পুতিন ইউক্রেনকে একটি স্বাধীন জাতি হিসেবে পুরোপুরি স্বীকৃতি দিতে চান না। 

৬. ভূ-রাজনৈতিক শক্তির ভারসাম্যঃ পশ্চিমা দেশগুলোর নেতৃত্বে রাশিয়ার ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা এবং সামরিক চাপ রাশিয়াকে আক্রমণাত্মক পথে যেতে উদ্বুদ্ধ করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

পিং পং কূটনীতি বলতে ১৯৭১ সালে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শুরু হওয়া অপ্রচলিত কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নের একটি বিশেষ প্রচেষ্টা বোঝায়, যা পিং পং টেবিল টেনিস) খেলাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল। 

  • ১৯৭১ সালে জাপানে অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক পিং পং প্রতিযোগিতায় মার্কিন খেলোয়াড়রা চীনের আমন্ত্রণে বেইজিং সফর করেন। 
  • তখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের প্রশাসন ও চীনের মাও জে দং-এর নেতৃত্বাধীন কমিউনিস্ট সরকারের মধ্যে কূটনৈতিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক ছিল না। 
  • খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে সদিচ্ছা ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধি পায়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পথ প্রশস্ত হয়।

এর ফলাফলঃ 

যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের পুনঃপ্রতিষ্ঠাঃ ১৯৭২ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিক্সনের ঐতিহাসিক চীন সফরের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় শুরু হয়। 

চীন-তাইওয়ান ইস্যুতে নতুন সমীকরণঃ যুক্তরাষ্ট্র ধীরে ধীরে তাইওয়ানের প্রতি সমর্থন কমিয়ে এনে মূল ভূখণ্ড চীনকে স্বীকৃতি দিতে শুরু করে। 

চীনকে আন্তর্জাতিক পরিসরে স্বীকৃতিঃ ১৯৭১ সালে চীন জাতিসংঘে আসন লাভ করে, এবং তাইওয়ানের পরিবর্তে চীনকে জাতিসংঘের স্থায়ী সদস্যপদ দেওয়া হয়। 

ঠান্ডা যুদ্ধের উত্তেজনা প্রশমিতঃ এই কূটনীতি পূর্ব-পশ্চিম বিভাজনের মধ্যে কিছুটা ভারসাম্য আনে এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অবস্থান শক্ত করে। 

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

SDG এর পূর্ণরূপ হলোঃ Sustainable Development Goals (টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা) 

এটি জাতিসংঘ কর্তৃক ২০১৫ সালে গৃহীত ১৭টি বৈশ্বিক লক্ষ্য, যা ২০২৩ সাল থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে অর্জনের উদ্দেশ্যে নির্ধারণ করা হয়েছে। 

এই লক্ষ্যগুলোর উদ্দেশ্য হলোঃ দারিদ্র্য দূরীকরণ, বৈষম্য হ্রাস, জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলা, শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠন এবং পৃথিবীর টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা। 

SDG-এর মোট লক্ষ্যের সংখ্যাঃ ১৭টি প্রধান লক্ষ্য (Goals); ১৬৯টি উপ-লক্ষ্যমাত্রা (Targets); ২৩২টি নির্দেশক (Indicators). 

SDG-এর ১৭টি লক্ষ্য (বাংলা ও ইংরেজি)

🌍 টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যসমূহ (SDGs)

নম্বরবাংলা লক্ষ্যইংরেজি লক্ষ্য
1দারিদ্র্যের অবসানNo Poverty
2ক্ষুধামুক্ত বিশ্বZero Hunger
3সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণGood Health and Well-being
4মানসম্মত শিক্ষাQuality Education
5লিঙ্গ সমতাGender Equality
6নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশনClean Water and Sanitation
7নবায়নযোগ্য জ্বালানিAffordable and Clean Energy
8ভালো কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিDecent Work and Economic Growth
9শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামোIndustry, Innovation and Infrastructure
10অসমতা হ্রাসReduced Inequalities
11টেকসই নগর ও জনগোষ্ঠীSustainable Cities and Communities
12দায়িত্বশীল ভোগ ও উৎপাদনResponsible Consumption and Production
13জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলাClimate Action
14সামুদ্রিক সম্পদের সংরক্ষণLife Below Water
15স্থলজ পরিবেশের সুরক্ষাLife on Land
16শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানPeace, Justice and Strong Institutions
17অংশীদারিত্বের মাধ্যমে লক্ষ্য অর্জনPartnerships for the Goals
Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

শব্দ দূষণ (Noise Pollution) হলো এমন অবাঞ্ছিত, অতিরিক্ত বা বিরক্তিকর শব্দ যা মানুষের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে এবং পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে। সাধারণত ৭০ ডেসিবেলের (dB) বেশি শব্দ মানুষের শ্রবণশক্তি ও মনঃসংযোগের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। 

শব্দ দূষণের প্রধান উৎসগুলোঃ 

১. যানবাহনের শব্দঃ বাস, ট্রাক, মোটরসাইকেল, হর্ন, রিকশার ঘণ্টা ইত্যাদি। 

২. শিল্প-কারখানাঃ মেশিনের চলার শব্দ, জেনারেটর, ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহারে উচ্চ শব্দ সৃষ্টি হয়। 

নির্মাণ কাজঃ ভবন নির্মাণ, খনন কাজ, রোড কাটিং এ ধরনের কাজ উচ্চমাত্রার শব্দ সৃষ্টি করে। 

মাইক্রোফোন ও উচ্চস্বরে গানঃ বিয়ের অনুষ্ঠান, রাজনৈতিক সভা, ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা মেলা ইত্যাদিতে উচ্চস্বরে সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহারে শব্দ দূষণ হয়। 

বিমান ও রেল চলাচলঃ বিশেষ করে শহরের কাছাকাছি অবস্থিত বিমানবন্দর বা রেলস্টেশনের আওয়াজ। 

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল বা লাইব্রেরির কাছে অপ্রয়োজনীয় শব্দঃ যেখানে নীরবতার প্রয়োজন, সেখানে শব্দ দূষণ আরও ক্ষতিকর। 

  • শব্দ দূষণের ক্ষতিকর প্রভাবঃ 
  • শ্রবণশক্তি হ্রাস বা কানে ব্যথা 
  • রক্তচাপ ও হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া 
  • ঘুমের ব্যাঘাত 
  • মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা 
  • শিশুদের মস্তিষ্ক বিকাশে বাধা 

 

শব্দ দূষণ রোধের উপায়ঃ 

১. আইন বাস্তবায়নঃ সরকার ঘোষিত শব্দ দূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০০৬ কার্যকরভাবে প্রয়োগ করতে হবে। 

যানবাহনে হর্ন ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণঃ "নো হর্ন জোন" চিহ্নিত এলাকা প্রতিষ্ঠা ও জরিমানার ব্যবস্থা। 

সাউন্ড লিমিটার ব্যবহারে বাধ্য করাঃ মাইক, সাউন্ড সিস্টেম ইত্যাদিতে সর্বোচ্চ শব্দসীমা নির্ধারণ। 

সচেতনতা বৃদ্ধিঃ গণমাধ্যম, স্কুল, সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে শব্দ দূষণের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জানানো। 

সবুজ বেষ্টনি গঠনঃ গাছপালা ও সবুজ দেয়াল শব্দ শোষণে সহায়ক, বিশেষ করে সড়কের পাশে। 

শিক্ষা ও হাসপাতালের আশেপাশে শান্ত এলাকা ঘোষণা করাঃ এসব এলাকায় যান্ত্রিক শব্দ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। 

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

বেতার তরঙ্গ (Radio Waves) হলো বৈদ্যুতিক ও চৌম্বকীয় শক্তির সমন্বয়ে গঠিত একটি তরঙ্গবিশেষ, যা বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে তারের সংযোগ ছাড়াই সংকেত পরিবহন করতে সক্ষম। 

  • এটি ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক স্পেকট্রামের একটি অংশ এবং সবচেয়ে দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্যের তরঙ্গ। 
  • বেতার তরঙ্গের সাহায্যে শব্দ, ছবি বা তথ্য এক স্থান থেকে অন্য স্থানে প্রেরণ করা যায়। 

রেডিও, টেলিভিশন ও রাডারে বেতার তরঙ্গের ব্যবহার: 

১. রেডিওতে: রেডিও কেন্দ্র থেকে শব্দতরঙ্গকে বৈদ্যুতিক সংকেতে রূপান্তর করে বেতার তরঙ্গের মাধ্যমে পাঠানো হয়। শ্রোতার রেডিও সেট এই তরঙ্গ গ্রহণ করে পুনরায় শব্দে রূপান্তর করে। 

AM (Amplitude Modulation) ও FM (Frequency Modulation) হলো রেডিওতে ব্যবহৃত বেতার তরঙ্গের দুই ধরন। 

২. টেলিভিশনে: টেলিভিশনে ছবি ও শব্দ উভয়ই সংকেত হিসেবে পাঠানো হয়। একটি টেলিভিশন স্টেশন থেকে বেতার তরঙ্গের মাধ্যমে ছবি ও শব্দ সংকেত পাঠানো হয় এবং দর্শকের টিভি সেট তা গ্রহণ করে পুনরায় দৃশ্য ও শব্দে রূপান্তর করে।

৩. রাডারে: রাডার (RADAR) মানে Radio Detection and Ranging। এটি বস্তুর অবস্থান, গতি এবং দিক নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়। রাডার একটি নির্দিষ্ট বস্তুর দিকে বেতার তরঙ্গ পাঠায় এবং তা সেই বস্তুতে প্রতিফলিত হয়ে ফিরে আসে। 

প্রতিফলিত তরঙ্গ বিশ্লেষণ করে লক্ষ্যবস্তুর দূরত্ব দিক ও গতি নির্ণয় করা হয়। 

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
74

Related Question

View All
উত্তরঃ

BRRI= Bangladesh Rice Research Institute

BRRI is located in Joydevpur, Gazipur. 

Ab. Rahim
Ab. Rahim
3 years ago
1.9k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews