মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.) ছয় বছর বয়সে তাঁর মাকে হারান ।
মহানবি (স.)-এর জন্মের পূর্ববর্তী সময়কে আইয়্যামে জাহিলিয়া বলা হয়। এসময় গোটা বিশ্ব পাপপঙ্কিলতায় ডুবে ছিল। তারা এক আল্লাহকে ভুলে গিয়ে মূর্তিপূজা, অগ্নিপূজা ও বিভিন্ন দেবদেবীর পূজায় লিপ্ত ছিল। ঝগড়া-বিবাদ, চুরি-ডাকাতি, হত্যা, লুণ্ঠন, দুর্নীতি ও অরাজকতা সর্বত্র বিরাজিত ছিল। কন্যা সন্তানদের জীবিত কবর দেওয়া হতো। এসব নানা অনাচারের কারণে ঐ সময়কে আইয়্যামে জাহিলিয়া বলা হয়।
মুহাম্মদ (স.)-এর শৈশব পিয়াস ও রনির জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তারা রাসুল (স.)-এর শৈশব জীবনের আদর্শের আলোকে নিজেদের জীবন পরিচালনা করতে সচেষ্ট হবে। তারা তাদের ছোট ভাই-বোনদের ব্যাপারে দায়িত্ব পালনে উদ্বুদ্ধ হবে। তারা শৈশব থেকে পরিশ্রমী হবে এবং সকলের সাথে মিলেমিশে চলবে। তারা সকল সদগুণ অর্জনে চেষ্টা করবে। বিশেষত সত্যবাদী হতে এবং তারা অন্যের কল্যাণে সক্রিয় ভূমিকা রাখবে।
"মুহাম্মদ (স.) মানবজাতির আদর্শ”- বক্তব্যটি যথার্থ। মানুষ যখন পঙ্কিলতার অন্ধকারে ডুবেছিল, তখন মহানবি (স.) মানুষকে আলোর পথ দেখিয়েছেন। মানুষ যখন জুলুমপূর্ণ পৃথিবীতে শান্তির জন্য আহাজারি করছিল, মহানবি (স.) তখন মানুষকে ইসলামের সুশীতল ছায়াতলে আবদ্ধ করেছিলেন। মানবতা যখন বিপন্ন ছিল, তখন তিনি মানবতাকে রক্ষা করেছিলেন। বিশ্ববাসীকে উপহার দিয়েছিলেন সংঘাতহীন এক শান্তিময় সমাজ। মহানবি (স.) সর্বদা সত্যের অনুগামী ও অনুসারী ছিলেন। তিনি নির্যাতিতের পক্ষে ছিলেন এবং অত্যাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। ইসলামের সুমহানের আদর্শের ঝাণ্ডাধারী ছিলেন। যে আদর্শ বর্বর মানুষকে সোনার মানুষে পরিণত করেছিল। যে আদর্শ নিপীড়িত মানুষের আশ্রয়স্থল ছিল। মহানবি (স.)-এর সে সুমহান আদর্শ সকল মানুষের প্রশংসা অর্জনে সক্ষম হয়েছিল। সুতরাং এটি অবিসংবাদিত সত্য যে, মুহাম্মদ (স.) মানবজাতির আদর্শ।
Related Question
View Allহযরত মুহাম্মদ (স.)-এর দাদার নাম আব্দুল মুতালিব।
সত্যবাদী, পরোপকারী, শান্তিকামী যুবক হিসেবে হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর সুনাম চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর সত্যবাদিতা, বিশ্বস্ততায় মুগ্ধ হয়ে আপনপর সকলে তাঁকে আল-আমিন (বিশ্বাসী) উপাধিতে ভূষিত করল।
বিশ্বের শ্রেষ্ঠ 'মহামানব মুহাম্মদ (স.)-এর আদর্শের সাথে উদ্দীপকের সাঈদের কাজের আংশিক মিল রয়েছে। মহানবি (স.) শুধু একজন দীন প্রচারকই ছিলেন না বরং তিনি ছিলেন সর্বোত্তম মানবীয় গুণের অধিকারী। মানবতার মুক্তি ও কল্যাণ কামনাই ছিল রাসুল (স.)-এর সাধনা। তিনি আরববাসীকে মুক্তি দেওয়ার জন্য কুরাইশ গোত্রের সমমনা কয়েকজনকে সাথে নিয়ে 'হিলফুল ফুযুল' নামের একটি মানব কল্যাণমূলক সংগঠন গড়ে তোলেন।
উদ্দীপকের সাঈদ সাহেব মহানবি (স.)-এর আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে কুরআনের শিক্ষা প্রসারের উদ্দেশ্যে এলাকায় মক্তব প্রতিষ্ঠা করেন। গরিব-দুঃখীদের অবস্থা চিন্তা চিন্তা করে করে একটি দাতব্য চিকিৎসালয় প্রতিষ্ঠা করেন।
উদ্দীপকে বর্ণিত আফরোজা বেগমের কার্যক্রম মহানবি (স.)-এর সহধর্মিণী হযরত খাদিজা (রা.)-এর সাথে মিল রয়েছে।
হযরত খাদিজা (রা.) ছিলেন আরবের একজন বিখ্যাত ধনাঢ্য ব্যবসায়ী। তিনি মহানবির সুন্দর চরিত্র, সততা দেখে তাঁর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।
হযরত মুহাম্মদ (স.) হেরা গুহায় ধ্যানমগ্ন অবস্থায় নবুয়তপ্রাপ্ত হয়ে বাড়িতে এসে খাদিজা (রা.)-এর নিকট উক্ত ঘটনা বর্ণনা করেন। সব শুনে তিনি মহানবিকে সান্ত্বনা দিলেন এবং ইসলাম গ্রহণ করেন। তিনি ইসলাম প্রচারে মুহাম্মদ (স.)-কে সাহস ও উৎসাহ প্রদান করতেন।
'কুতুবে হানাফিয়্যা' তে তিরাশি হাজার মাসআলা নিয়ে রচিত হয়েছিল।
আইনের শাসন বলতে আইনের যথাযথ প্রয়োগকে বোঝায়। অর্থাৎ যেখানে দোষী বা অপরাধীকে আইন মোতাবেক শাস্তি দেওয়া হয় এবং এক্ষেত্রে ন্যায়পরায়ণতা অবলম্বন করা হয় তাই আইনের শাসন। এক কথায় আইনের শাসনের মাধ্যমে দুষ্টের দমন ও শিষ্টের লালন করা হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!