পৃথিবীর প্রায় ৭১ ভাগ জল আর ২৯ ভাগ স্থল। জল ও স্থলভাগের বিন্যাসের দিকে তাকালে এক অদ্ভুত সামঞ্জস্য দেখা যায়। পৃথিবীর মানচিত্রের দিকে তাকালেই দেখতে পাওয়া যায় জলভাগের পর স্থলভাগ, আবার জলভাগ বা বারিমণ্ডল। প্রকৃতপক্ষে, জীবমণ্ডলের ওপর বারিমন্ডলের প্রভাব অপরিসীম।

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

মহাদেশের উপকূলভাগে মহাসাগরের প্রান্তে অবস্থিত প্রাকৃতিক ভূপ্রকৃতি দ্বারা মহাসাগর থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন জলভাগকে সাগর বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

পানিচক্রে ঘনীভবনের ভূমিকা রয়েছে।
পানিচক্রে পানি ভূপৃষ্ঠ থেকে বায়ুমণ্ডলে যায় এবং বায়ুমণ্ডল থেকে আবার ভূপৃষ্ঠে চলে আসে। সূর্যের তাপে যখন পৃথিবীপৃষ্ঠের জলীয় অংশ উত্তাপে বাষ্পে পরিণত হয় এবং উক্ত জলীয়বাষ্প বায়ুমণ্ডলে গিয়ে তাপ বিকিরণ করে ঘনীভবন প্রক্রিয়ায় ঘনীভূত হয়ে মেঘ আকারে রূপান্তরিত হয়। পরবর্তীতে মেঘ' আরও ঘনীভূত হয়ে বৃষ্টিরূপে ভূপৃষ্ঠে পতিত হয়। তাই বলা যায় পানিচক্রে ঘনীভবনের ভূমিকা রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত বিষয়টি হচ্ছে, স্থলভাগ ও জলভাগের পারস্পরিক অবস্থান। নিচে বিষয়টির অবস্থান মানচিত্র এঁকে দেখানো হলো-

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

জীবজগতের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো পানি যা বারিমণ্ডলের অন্তর্ভুক্ত। বারিমণ্ডল একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবেশীয় উপকরণ যা পরিবেশতন্ত্রের গঠন ও কার্য নির্ধারণ করে এবং উদ্ভিদ ও প্রাণী তথা জীবজগতের পরিবেশ বহুলাংশে নিয়ন্ত্রণ করে।

বারিমন্ডলের ওপর জীবজগৎ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নির্ভরশীল। জীবজগতের সকল বিপাকীয় কাজ পানির মাধ্যমেই সংঘটিত হয়। সালোকসংশ্লেষণে কার্বন বিজারণের জন্য পানি অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। আর সালোকসংশ্লেষণ সম্ভব না হলে উদ্ভিদ খাদ্য তৈরি করতে পারবে না। আর উদ্ভিদের খাদ্য তৈরিতে বিঘ্ন ঘটলেই তা প্রাণিকুলের জন্য হুমকিস্বরূপ। কারণ মানুষ ও অন্যান্য প্রাণী নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে না।
এছাড়াও বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য উপাদান হলো পানি। কারণ পানি ছাড়া বেঁচে থাকা অসম্ভব। এজন্য পানির অপর নাম জীবন। পানিচক্র যা বারিমণ্ডলের অন্যতম অনুসঙ্গ তা জীবজগতে অনুকূল তাপমাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করে। জীবের ক্ষরণ, রেচন, শোষণ

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
32
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

মহাদেশসমূহের বাইরে সমুদ্রের উপকূল রেখা থেকে তলদেশের দিকে ক্রমনিম্ন নিমজ্জিত অংশই মহীসোপান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
135
উত্তরঃ

সমুদ্রের গভীরে গর্তসদৃশ বিষয়টি গভীর সমুদ্রখাত নামে পরিচিত। গভীর সমুদ্রের সমভূমি অঞ্চলের l

পাশাপাশি অবস্থিত মহাদেশীয় ও সামুদ্রিক পাতের সংঘর্ষের ফলে সমুদ্রখাতের উদ্ভব হয় বিধায় প্রতিটি গভীর সমুদ্রখাত পাত সীমানায় অবস্থিত। এ পাত সীমানায় ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরি অধিক হয় বলেই এসব খাত সৃষ্টি হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
77
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত জলভাগটি হলো বঙ্গোপসাগর। বঙ্গোপসাগর বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত যার ভূমিরূপ বৈচিত্র্যপূর্ণ।
বঙ্গোপসাগরের মহীঢাল এলাকায় খাড়া ঢাল বিশিষ্ট অবস্থানজনিত একটি গভীর নিমগ্ন খাত রয়েছে। এটি প্রায় ১২ কিমি. চওড়া এবং প্রায় ১২৭০ মিটার গভীর। এছাড়া প্রচন্ড ঢেউয়ের প্রভাবে পলল মহীসোপান জমা হয়ে চরাভূমি গঠন করে।

বঙ্গোপসাগরে সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড নামে একটি গভীর গিরিখাত; ৯০ ডিগ্রি পূর্ব শৈলশিরা, মায়ানমার ও চ্যাগোস পূর্ব উপকূলীয় সমুদ্রখাত ও কতিপয় নিমজ্জিত চরাভূমি। বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানের গভীরতা সর্বত্র ২০০ মিটারের কম। দক্ষিণ-পূর্বাংশের মহীসোপান খুবই চওড়া।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
78
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত জলভাগটি হলো বঙ্গোপসাগর। নিচে বঙ্গোপসাগরের তলদেশের অর্থনৈতিক গুরুত্ব ব্যাখ্যা করা হলো-

বঙ্গোপসাগরের তলদেশ নানা ধরনের সম্পদে সমৃদ্ধ। এ সাগরের তলদেশ খনিজ সম্পদ ও প্রাকৃতিক গ্যাসে সমৃদ্ধশালী। সম্প্রতি বাংলাদেশের উপকূলীয় মহীসোপান অঞ্চলে প্রাকৃতিক গ্যাস ও প্রচুর খনিজ সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে।
সাগরের অনেক স্থানে আবার মূল্যবান লোহা, সিসা, তামা ইত্যাদি প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। মৎস্য সম্পদেও এ এলাকা সমৃদ্ধশালী। এখানকার মৎস্য সম্পদের মধ্যে লাক্ষা, রূপচান্দা, চান্দা, চিংড়ি, গলদা চিংড়ি, হাঙ্গর, কোরাল, বোয়াল, ইলিশ প্রভৃতি প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। নিজেদের চাহিদা মিটিয়েও প্রচুর পরিমাণে বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
116
উত্তরঃ

তটদেশীয় অঞ্চলের পর হতে মহীসোপানের প্রান্ত পর্যন্ত অঞ্চলকে ঝিনুক অঞ্চল বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
119
উত্তরঃ

পানি ছাড়া জীবজগতের অস্তিত্ব সম্ভব নয়, তাই জীবজগতে পানিচক্রের ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জীবজগতের ওপর পানিচক্র প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ভূমিকা রাখে। পানিচক্রের প্রক্রিয়া সংঘটিত হয় সূর্যের তাপশক্তি দ্বারা। বাষ্পীভবন ও বর্ষণ একে অপরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত। বাষ্পীভবন বেশি হলে বৃষ্টিপাত বেশি হবে। এ বৃষ্টিপাত পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ও জীজগতের ওপর প্রভাব রাখে। তাই বলা যায়, জীবজগতে পানিচক্রের ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
86
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews