পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নৈতিকতা ও যৌক্তিকতার অনুসরণ মানবতা ও ধর্মের দাবি। অযৌক্তিক কাজ বাস্তবসিদ্ধ নয়। অযৌক্তিক কাজ নীতিবিবর্জিত। অসাধু ব্যবসায়ী পণ্যে ভেজাল দিয়ে জনস্বাস্থ্য হুমকির সম্মুখীন করে অনৈতিক কাজ করে। ফাঁকিবাজ শ্রমজীবী উৎপাদন ও সেবা ব্যাহত করে এবং দুর্নীতিবাজ চাকরিজীবী সেবা ও শান্তি বিঘ্নিত করে অনৈতিক কাজ করে। যে কাজ শান্তি ও অগ্রগতি ব্যাহত করে তা অনৈতিক। যা অনৈতিক তা অযৌক্তিক। কাজেই যৌক্তিকতা ও নৈতিকতাকে যখন ব্যবসায় ও পেশাগত দায়িত্ব পালনে অনুসরণ করা হবে তখনই মানবসমাজে উন্নয়ন ও শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

কোনো পণ্য, শ্রম ও সেবা মানুষের চাহিদা মোতাবেক অর্থ বা অন্য কোনো কিছুর বিনিময়ে সরবরাহের বাজারজাতকরণ প্রক্রিয়াকে বলা হয় 'ব্যবসায়'।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

মানুষ তার জীবিকা অর্জনের নিমিত্তে যেসব উৎপাদন বা উপার্জনমূলক কাজে নিয়োজিত হয় তাকে পেশা বলে। আর যারা পেশায় নিয়োজিত থাকেন তাদের পেশাজীবী বলে। যেমন- শ্রমজীবী, বুদ্ধিজীবী, আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ইত্যাদি সকলকে একত্রে 'পেশাজীবী' বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নৈতিকতা অনুসরণ মানবতা ও ধর্মের দাবি। অযৌক্তিক কাজ নীতিবিবর্জিত। অসাধু ব্যবসায়ী পণ্যে ভেজাল দিয়ে জনস্বাস্থ্য হুমকির সম্মুখীন করে অনৈতিক কাজ করে। ফাঁকিবাজ শ্রমজীবী উৎপাদন ও সেবা ব্যাহত করে এবং দুর্নীতিবাজ চাকরিজীবী সেবা ও শান্তি বিঘ্নিত করে অনৈতিক কাজ করে। যা পাঠ্যবইয়ের ব্যবসায় নৈতিকতার বর্জনীয় তথা অনৈতিক বিষয়কে নির্দেশ করছে। যেমন-

i. প্রতারণা, ও ধোঁকাবাজির আশ্রয় গ্রহণ। 

ii. খাদ্যদ্রব্য ভেজাল দিয়ে জনস্বাস্থ্য হুমকির সম্মুখীন করে অধিক মুনাফা লাভের আশায়। যেমন- খাদ্যদ্রব্য ভেজাল দিয়ে জনস্বাস্থ্য হুমকির মধ্যে ফেলে দেওয়া। 

iii. দুর্নীতিবাজ চাকরিজীবীর সেবা। যেমন- ডাক্তার হাসপাতালের রোগীর সেবা না দিয়ে অতিরিক্ত ফি আদায়ের মাধ্যমে ক্লিনিকে রোগী দেখেন আবার শিক্ষক ক্লাসে সঠিক শিক্ষাদান না করে কোচিং ব্যবসায়ের প্রতি বেশি মনোযোগী হন।.

এসবের কোনোটিই নৈতিকতার দৃষ্টিতে সমর্থনযোগ্য নয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

ব্যবসায় ও পেশাগত দায়িত্ব পালনে নৈতিকতার অনুশীলন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে যদি নীতি-নৈতিকতার চর্চা বা অনুশীলন না থাকে তাহলে সমগ্র ব্যবসা-বাণিজ্যে অনৈতিক কার্যকলাপ, ঘুষ নেওয়া, স্বজনপ্রীতি অত্যধিক পরিমাণে বেড়ে যাবে। সাধারণ জনগণের অধিকার ক্ষুণ্ণ হবে। সমগ্র ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এক চরম নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে। সকল ব্যবসা ও পেশার ক্ষেত্রে দেখা যাবে অর্থকে কেন্দ্র করে সকল কার্যকলাপ পরিচালিত হবে।

এমনকি মুনাফা বাড়ানোর জন্য শ্রমিকদের কম মজুরিতে কাজ করতে বাধ্য করানো হবে, কাজের পরিবেশ অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর হয়ে উঠবে। মালিকের স্বার্থই বড় হয়ে যাবে উপেক্ষিত হবে সাধারণ শ্রমিকের ন্যূনতম খেয়ে-পরে বেঁচে থাকার জন্য মজুরির দাবি। আবার পেশাগত দায়িত্ব পালন যদি সঠিকভাবে না করা হয় অর্থাৎ যিনি সে দায়িত্বে আসীন তিনি সেই পদের জন্য নির্ধারিত যথোপযুক্ত দায়িত্ব পালন না করেন তাহলে বিশৃঙ্খল সৃষ্টি হবে এবং চরম অশান্তি বিরাজ করবে। মানুষের নৈতিক অধঃপতনের কারণেই এখন অসাধু ব্যবসায়ীরা ফরমালিনযুক্ত মাছ, ফল প্রভৃতি বাজারজাত করছেন। যার ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ। জার্মান বিচারবাদী দার্শনিক ইমানুয়েল কান্ট 'কর্তব্যের জন্য কর্তব্য' করার কথা বলেছেন। প্রতিষ্ঠান যদি কোনো ব্যক্তির পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য মঙ্গলসূচক কোনো কর্মকান্ড করে তাহলে ঐ ব্যক্তির জন্য শর্তহীনভাবে প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে কর্তব্য পালন করার বাধ্যবাধকতা এসে দাঁড়ায়। সেজন্য যৌক্তিকতা ও নৈতিকতাকে যখন ব্যবসায় ও পেশাগত দায়িত্ব পালনে অনুসরণ করা হবে তখনই মানবসমাজে উন্নয়ন ও শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
125
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

ভাষায় প্রকাশিত চিন্তা সম্পর্কিত বিজ্ঞানকে 'যুক্তিবিদ্যা' বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
325
উত্তরঃ

দর্শন হলো জ্ঞানের প্রতি অনুরাগ বা ভালোবাসা। জগৎ, জীবন সম্পর্কে সার্বিক আলোচনাই হলো দর্শন। দর্শন শুধু ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য জগতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি অতীন্দ্রিয় জগৎ, সত্তা, যেমন- প্রাণ, স্রষ্টা, আত্মা ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করে থাকে। বিশ্ব জগতে এমন কোনো বিষয় নেই যা দর্শনের আলোচ্য বিষয় নয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
533
উত্তরঃ

উদ্দীপকে রিপন সাহেবের কর্মকাণ্ডে যুক্তিবিদ্যার বিষয়টি পরিলক্ষিত হয়। যুক্তিবিদ্যা হলো চিন্তা সম্পর্কিত বিজ্ঞান, যার মাধ্যমে অবৈধ যুক্তি থেকে বৈধ যুক্তি পৃথক করা যায়। যুক্তির সত্যতা বা বৈধতা যাচাই করার জন্য যুক্তিবিদ্যা নিয়ম প্রণয়ন করে। সত্যের আদর্শকে সামনে রেখেই যুক্তিবিদ্যা কতকগুলো সাধারণ নিয়ম প্রণয়ন করে।

উদ্দীপকের বর্ণনা অনুযায়ী এবং যুক্তিবিদ্যার সংজ্ঞা অনুযায়ী বলা যায় যে, রিপেরে কর্মকাণ্ডের সাথে যুক্তিবিদ্যার মিল রয়েছে। যুক্তিবিদ্যা যেমন বৈধ-অবৈধ যুক্তি পৃথক করে; তেমনি রিপন কোন কাজ দরকারী, কোনটি পরিহার্য তা পৃথক করতে পারে। বৈধ-অবৈধ যুক্তির পার্থক্য করার জন্য নির্দিষ্ট নিয়ম আছে। রিপন সাহেব জানে যে ভালো বক্তৃতা দিতে কীভাবে দোষ-ত্রুটি, পরিহার করতে হয় তার নিয়ম-কানুন। সুতরাং আমরা বলতে পারি যে, উদ্দীপকে রিপনের কর্মকাণ্ডে ভালো বক্তব্য দেওয়ার কৌশলের কথা বলা হয়েছে এবং বক্তব্যের বিভিন্ন দোষ-ত্রুটি শনাক্ত করার পদ্ধতি সম্পর্কে অবগত যা যুক্তিবিদ্যার সাথে মিলে যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
307
উত্তরঃ

উদ্দীপকে রিপন, স্বপনের মধ্যে যে ধরনের পার্থক্য আছে তা হলো নীতিবিদ্যা ও যুক্তিবিদ্যার মধ্যে পার্থক্যের মতো।

যুক্তিবিদ্যা হলো ভাষায় প্রকাশিত চিন্তা সম্পর্কিত বিজ্ঞান। চিন্তার নিয়মাবলি নির্ণয় করে। যুক্তির বৈধতা-অবৈধতা বিচার করে। যুক্তির সত্যতা বা বৈধতা নির্দেশের নিয়মাবলি প্রণয়ন করে। শুধু প্রণয়ন করে না, এর দ্বারা সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছে জ্ঞান অর্জন করার জন্য নির্দেশ প্রদান করে।

নীতিবিদ্যা হলো আদর্শ নিষ্ঠ বিজ্ঞান। সমাজে বসবাসকারী মানুষের আচরণের ভালো-মন্দ, ন্যায়-অন্যায়, উচিত-অনুচিত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করে। এখন আমরা বলতে পারি যে, উদ্দীপকে রিপন সাহেবের কার্যকলাপের সাথে যুক্তিবিদ্যার বিষয়গত মিল রয়েছে; স্বপন সাহেবের সাথে নীতিবিদ্যার কার্যাদির মিল পাওয়া যায়।

রিপন সাহেব বুঝতে পারে কোন কাজ দরকারি, কোন কাজটি পরিহারি; স্বপন তার কর্মকাণ্ডে সব সময় সৎ থাকার চেষ্টা করেছেন। রিপন ভালো বক্তব্য দেওয়ার কৌশল সম্পর্কে অবগত এবং বক্তৃতা করার সময় দূষণীয় বিষয়গুলো কীভাবে পরিহার করতে হয় তার কৌশল সম্পর্কে জানেন। যেমনভাবে যুক্তিবিদ্যায় বৈধ-অবৈধ যুক্তির মধ্যে পার্থক্যের কৌশল বর্ণিত আছে। অপর দিকে স্বপন পেশাগত দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করেন ও সৎ জীবনযাপন করেন যা নীতিবিদ্যার সাথে সম্পৃক্ত।. সুতরাং আমরা বলতে পারি যে, রিপনের কর্মকান্ডে যুক্তিবিদ্যার ছাপ পরিলক্ষিত হয় আর স্বপনের কর্মকাণ্ডে নীতিবিদ্যার ছাপ পরিলক্ষিত হচ্ছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
310
উত্তরঃ

শিক্ষা হলো এমন বিষয় যার দ্বারা অভ্যাস, মনোভাব, ও দক্ষতার বিকাশ হয় এবং যা মানুষকে সফল জীবনযাপনে সহায়তা করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
351
উত্তরঃ

জীবন ও জগৎ সম্পর্কে সার্বিক আলোচনা করে থাকে দর্শন। জগৎ ও জীবন সম্পর্কে একটি বাস্তব, সুসংবদ্ধ ও যৌক্তিক, প্রায়োগিক ও যুগোপযোগী জ্ঞান প্রদান করাই হলো দর্শনের মূল উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য। এটি জগৎ ও জীবন সম্পর্কে বিচার-বিশ্লেষণ করে থাকে। নন্দনতত্ত্ব, নীতিবিদ্যা, গণিত, শিক্ষা, জগতের উৎপত্তি-ক্রমবিকাশসহ এমন কোনো দিক নাই যা দর্শন আলোচনা করে না। আর এ কারণে দর্শন জীবন ও জগতের সাথে সম্পৃক্ত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
642
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews