পোর্টফোলিও বৈচিত্রায়ন করে কোন ধরনের ঝুঁকি এড়ানো যায় না? (What type of risk is unavoidable by portfolio diversification?)

Updated: 8 months ago
উত্তরঃ বাজার ঝুঁকি

পোর্টফোলিও বৈচিত্রায়ন করে যে ধরনের ঝুঁকি এড়ানো যায় না, তা হলো বাজার ঝুঁকি (Market Risk) বা ব্যবস্থাগত ঝুঁকি (Systematic Risk)। এই ঝুঁকি বাজারের সামগ্রিক অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক বা পরিবেশগত কারণগুলির কারণে উদ্ভূত হয় এবং এটি একটি নির্দিষ্ট কোম্পানি বা শিল্পকে প্রভাবিত না করে সমগ্র বাজার বা অর্থনীতিকে প্রভাবিত করে।

ব্যবস্থাগত ঝুঁকির কিছু উদাহরণ হলো সুদের হারের পরিবর্তন, মুদ্রাস্ফীতি, অর্থনৈতিক মন্দা, রাজনৈতিক অস্থিরতা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বিশ্বব্যাপী মহামারী ইত্যাদি। যেহেতু এই ঝুঁকিগুলি সমগ্র বাজারকে প্রভাবিত করে, তাই একটি পোর্টফোলিওতে বিভিন্ন ধরনের সিকিউরিটিজ যোগ করেও এই ঝুঁকি সম্পূর্ণরূপে হ্রাস করা যায় না। বিনিয়োগকারীরা এই ঝুঁকির জন্য অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণ দাবি করে, যা ঝুঁকি প্রিমিয়াম (Risk Premium) নামে পরিচিত।

এর বিপরীতে, অব্যবস্থাগত ঝুঁকি (Unsystematic Risk) বা নির্দিষ্ট ঝুঁকি (Specific Risk) হলো এমন ঝুঁকি যা একটি নির্দিষ্ট কোম্পানি বা শিল্প সম্পর্কিত। যেমন - কোম্পানির ব্যবস্থাপনা, ধর্মঘট, নতুন পণ্য ব্যর্থতা ইত্যাদি। পোর্টফোলিও বৈচিত্রায়নের মাধ্যমে এই ধরনের ঝুঁকি কার্যকরভাবে হ্রাস করা যায়, কারণ একটি কোম্পানির খারাপ পারফরম্যান্স অন্য কোম্পানির ভালো পারফরম্যান্স দ্বারা ভারসাম্যপূর্ণ হতে পারে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
116

Related Question

View All
উত্তরঃ

বন্ড ও ডিবেঞ্চারের মধ্যে প্রধান পার্থক্যগুলো নিচে একটি তালিকার মাধ্যমে তুলে ধরা হলো:

                                                                                                                                                                                                                             
পার্থক্যের বিষয়বন্ড (Bond)ডিবেঞ্চার (Debenture)
নিরাপত্তাসাধারণত সম্পদ দ্বারা সুরক্ষিত থাকে, অর্থাৎ, কোম্পানি ব্যর্থ হলে বন্ডহোল্ডাররা কোম্পানির নির্দিষ্ট সম্পদের উপর দাবি করতে পারে।সাধারণত অরক্ষিত থাকে, অর্থাৎ, নির্দিষ্ট কোনো সম্পদ দ্বারা সুরক্ষিত থাকে না। কোম্পানি ব্যর্থ হলে ডিবেঞ্চারহোল্ডাররা সাধারণ পাওনাদার হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে কিছু ডিবেঞ্চার সুরক্ষিতও হতে পারে।
ইস্যুকারী কর্তৃপক্ষসরকার, পৌরসভা এবং কর্পোরেশন উভয়ই বন্ড ইস্যু করতে পারে।প্রধানত কর্পোরেশন বা কোম্পানিগুলো ডিবেঞ্চার ইস্যু করে।
ঝুঁকির মাত্রাসাধারণত কম ঝুঁকিপূর্ণ কারণ এগুলো সম্পদ দ্বারা সুরক্ষিত থাকে এবং প্রায়শই সরকারি সমর্থন থাকে।সাধারণত বেশি ঝুঁকিপূর্ণ (বিশেষত অরক্ষিত ডিবেঞ্চার) কারণ এদের পরিশোধ কোম্পানির সুনাম ও আর্থিক সক্ষমতার উপর নির্ভর করে।
সুদের হারকম ঝুঁকির কারণে সাধারণত সুদের হার কম হয়।বেশি ঝুঁকির কারণে সাধারণত সুদের হার বেশি হয়।
বৈশিষ্ট্যদীর্ঘমেয়াদী অর্থায়নের জন্য ব্যবহৃত হয়। প্রায়শই কঠোর শর্তাবলী (covenants) থাকে যা বন্ডহোল্ডারদের সুরক্ষা নিশ্চিত করে।মধ্যম থেকে দীর্ঘমেয়াদী অর্থায়নের জন্য ব্যবহৃত হয়। বন্ডের তুলনায় শর্তাবলী কম কঠোর হতে পারে।

সংক্ষেপে, বন্ড এবং ডিবেঞ্চার উভয়ই ঋণপত্র হলেও, তাদের মধ্যে মূল পার্থক্য হলো নিরাপত্তার প্রকৃতি, ইস্যুকারী এবং সংশ্লিষ্ট ঝুঁকির মাত্রা। বিনিয়োগকারীরা তাদের ঝুঁকি সহনশীলতা এবং প্রত্যাশিত আয়ের উপর ভিত্তি করে এই দুটি থেকে একটি বেছে নিতে পারে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
135
উত্তরঃ কারণ এটি ঋণ ও মালিকানা উভয় প্রকার সিকিউরিটির বৈশিষ্ট্য ধারণ করে।

অগ্রাধিকার শেয়ার (Preferred stock) এক ধরনের শংকর জাতীয় সিকিউরিটি (Hybrid security) কারণ এটি বন্ডের (Debt instrument) এবং সাধারণ শেয়ারের (Equity instrument) বৈশিষ্ট্য উভয়ই বহন করে। এটি ঋণপত্রের মতো নির্দিষ্ট হারে লভ্যাংশ প্রদান করে এবং কোম্পানি বিলোপকালে সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের (Common shareholders) পূর্বে এর পাওনা পরিশোধে অগ্রাধিকার পায়।

অন্যদিকে, এটি সাধারণ শেয়ারের মতো কোনো নির্দিষ্ট মেয়াদপূর্তি তারিখ থাকে না এবং এর লভ্যাংশ কোম্পানি কর্তৃক ঘোষণা না করা পর্যন্ত শেয়ারহোল্ডারদের দাবি হিসেবে গণ্য হয় না। এই দ্বৈত বৈশিষ্ট্যের (Dual characteristics) কারণে অগ্রাধিকার শেয়ারকে শংকর জাতীয় সিকিউরিটি বলা হয়, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য ঋণ ও মালিকানা উভয় প্রকার সুবিধার সংমিশ্রণ ঘটায়।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
118
উত্তরঃ জিরো কুপন বন্ড

জিরো কুপন বন্ড হলো এমন এক প্রকার বন্ড যা এর ধারককে মেয়াদপূর্তির আগে কোনো নিয়মিত সুদ (কুপন) পরিশোধ করে না। এই বন্ড সাধারণত অভিহিত মূল্যের (face value) চেয়ে কম দামে (বাট্টায়) ইস্যু করা হয় এবং মেয়াদপূর্তিতে ধারককে এর অভিহিত মূল্য পরিশোধ করা হয়।

বিনিয়োগকারীর আয় হয় বন্ডের ক্রয়মূল্য এবং মেয়াদপূর্তিতে প্রাপ্ত অভিহিত মূল্যের পার্থক্যের মাধ্যমে। এটি মূলত একটি ছাড়যুক্ত ঋণপত্র যেখানে বিনিয়োগকারীরা বন্ডের মেয়াদপূর্তিতে এককালীন অর্থ লাভ করে। দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগের জন্য এবং নির্দিষ্ট আর্থিক লক্ষ্য অর্জনের জন্য এটি একটি জনপ্রিয় উপকরণ।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
128
উত্তরঃ ব্যাংকের তারল্যনীতি হলো একটি ব্যাংক তার গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী আমানতের অর্থ ফেরত দিতে এবং অন্যান্য আর্থিক বাধ্যবাধকতা পূরণের জন্য পর্যাপ্ত নগদ অর্থ ও সহজে নগদযোগ্য সম্পদ (তারল্য) বজায় রাখার নীতি।

ব্যাংকের তারল্যনীতি (Liquidity Principle) বলতে বোঝায় একটি ব্যাংককে অবশ্যই তার গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী আমানত ফেরত দিতে, ঋণ মঞ্জুর করতে এবং অন্যান্য আর্থিক দায় পরিশোধ করতে সক্ষম হতে হবে। এর জন্য ব্যাংককে সর্বদা পর্যাপ্ত পরিমাণ নগদ অর্থ বা সহজে নগদযোগ্য সম্পদ (যেমন: ট্রেজারি বিল, স্বল্পমেয়াদী সরকারি সিকিউরিটিজ) হাতে রাখতে হয়। এই নীতি ব্যাংকের স্থিতিশীলতা ও আর্থিক সুস্থতা বজায় রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারল্য বজায় রাখার ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোকে মুনাফা ও তারল্যের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে হয়। অতিরিক্ত তারল্য ব্যাংকের মুনাফা কমিয়ে দেয়, কারণ নগদ অর্থ বা স্বল্পমেয়াদী সম্পদ থেকে সাধারণত কম মুনাফা আসে। অন্যদিকে, অপর্যাপ্ত তারল্য থাকলে ব্যাংক গ্রাহকদের অর্থ ফেরত দিতে বা দায় পরিশোধে ব্যর্থ হয়ে আর্থিক সংকটে পড়তে পারে, যা ব্যাংকের সুনাম নষ্ট করে এবং গ্রাহকদের আস্থা হ্রাস করে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো সাধারণত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর জন্য একটি নির্দিষ্ট তারল্য অনুপাত (Liquidity Ratio) বজায় রাখার নিয়ম বেঁধে দেয়, যাতে আর্থিক ব্যবস্থায় স্থিতিশীলতা বজায় থাকে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
152
উত্তরঃ

নিকাশ ঘর (Clearing House)


নিকাশ ঘর হলো এমন একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা ব্যবস্থা যা বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সংঘটিত লেনদেনসমূহের নিষ্পত্তি (clearing and settlement) প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। এর মাধ্যমে ব্যাংকগুলো একে অপরের উপর ইস্যু করা চেক, বিল অব এক্সচেঞ্জ, ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (EFT) ইত্যাদির পাওনা ও দেনা সমন্বয় করে থাকে। নিকাশ ঘরের প্রধান উদ্দেশ্য হলো আন্তঃব্যাংকিং লেনদেন প্রক্রিয়াকে সহজ, দ্রুত, নিরাপদ ও দক্ষ করে তোলা এবং একইসাথে তারল্য ব্যবস্থাপনার উন্নতি ঘটানো। প্রতিদিনের লেনদেনের শেষে, নিকাশ ঘর প্রতিটি ব্যাংকের নিট পাওনা বা দেনা হিসাব করে এবং বাংলাদেশ ব্যাংক বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সেই হিসাবের নিষ্পত্তি করা হয়।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
147
উত্তরঃ আহ্বায়ক, আহূত এবং পাওনাদার/প্রাপক।

চেকের সাথে সাধারণত তিনটি পক্ষ জড়িত থাকে:

        
  • আহ্বায়ক (Drawer): ইনি হলেন সেই ব্যক্তি যিনি ব্যাংকে তার হিসাবে জমা থাকা টাকার বিপরীতে চেক ইস্যু করেন বা স্বাক্ষর করেন।
  •     
  • আহূত (Drawee): ইনি হলেন ব্যাংক, যার উপর চেক কাটা হয় এবং যাকে চেকের অর্থ পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়।
  •     
  • পাওনাদার/প্রাপক (Payee): ইনি হলেন সেই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যাকে চেকের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ করা হবে। প্রাপক স্বয়ং আহ্বায়কও হতে পারেন।
Satt AI
Satt AI
1 month ago
128
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews