আলোর রং নির্ভর করে তার উৎস এবং যা ভেদ করে আমাদের চোখে এসে পড়ে তার ওপর।
জাহানারা বেগম বাড়ির বিভিন্ন ঘরের দেয়ালে একেক রং করেন। যেমন-বসার ঘরে উজ্জ্বল রং, শোবার ঘরে হালকা নীল, রান্না ঘরে হালকা হলুদ প্রভৃতি। তিনি পরিকল্পনা ও তার পছন্দ অনুসারে রং ব্যবহার করেন। কিন্তু আলোর ক্ষেত্রে তিনি সাদাকেই বেশি প্রাধান্য দিয়েছেন।
সূর্যের আলোর রং সাদা। এই সাদা রং হচ্ছে রংধনুর সাতটি রঙের সংমিশ্রণ। চাঁদের আলো নীলাভ এবং মোমবাতি ও হারিকেনের আলো হলুদ। বিদ্যুতের আলোর ব্যবহার বাল্বের ওপর নির্ভর করে। ফ্লোরসেন্ট বাল্বের আলো সাদা। আবার বাল্বের কাঁচে যদি রং ব্যবহার করা হয়, তবে আলো সেটিরই প্রতিফলন ঘটায়। ফলে ঘরের পর্দা, আসবাবপত্রের রং প্রতিফলিত হয় না। সাদা আলোতে সব জিনিসের রং সঠিকভাবে প্রতিফলিত হয়। ফলে তানভীর সাহেব তার ঘরের প্রকৃত সৌন্দর্য অবলোকন করতে পারবেন। তাই আলোর ক্ষেত্রে তার সাদা রং প্রাধান্য দেওয়া যথার্থ।
Related Question
View Allগৃহ নির্মাণের জন্য যেসব জিনিস ব্যবহার করা হয় সেগুলোকে নির্মাণসামগ্রী বলে।
নীল, সবুজ ও বেগুনি শীতল বর্ণ। এসব বর্ণের ব্যবহার ঘরে শীতল ভাব আনে।
নীল রং মনকে সতেজ, স্নিগ্ধ ও নির্মল করে। সবুজ রং মনকে সরল, সতেজ ও নবীন রাখে। বেগুনি রং মনের ওপর একটি স্নিগ্ধ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। শোবার ঘরের দেয়াল ও পর্দায় এসব রঙের ব্যবহার করলে ঘরে স্নিগ্ধ, শীতল ও আরামদায়ক অনুভূতি সৃষ্টি হয়। সুতরাং, শোবার ঘরের জন্য শীতল বর্ণ উপযোগী।
আলম সাহেবের বাড়িতে সৌর বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হয়।
সৌর শক্তিকে কাজে লাগিয়ে যে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয় তাকে সৌর বিদ্যুৎ (Solar Energy) বলে।সৌরবিদ্যুৎ জ্বালানি তেলের ব্যবহার হ্রাস করে। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হয়। সেই অর্থ গ্রামের উন্নয়নে ব্যবহার করা যায়। তাছাড়া এ বিদ্যুৎ ব্যবহার করলে পরিবেশ দূষিত হয় না। এটি ব্যবহারে বিপদের কোনো সম্ভাবনা নেই। এমনকি জ্বালানি হিসেবে এতে কাঠের প্রয়োজন হয় না। ফলে জ্বালানি কাঠের ব্যবহার হ্রাস পায়। এতে প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা হয়।
কবিরের কেনা সামগ্রী দিয়ে আলমের মতো বাড়ি তৈরি করা সম্ভব না। গৃহ নির্মাণের জন্য যেসব সামগ্রী প্রয়োজন সেগুলোকে বলা হয় গৃহ নির্মাণ সামগ্রী। পাকা বাড়ি তৈরি করতে প্রয়োজন ইট, সিমেন্ট, বালি, লোহা, কাঠ, পাথর, টাইলস ইত্যাদি নির্মাণসামগ্রী।
আলম গ্রামে দোতলা বাড়িতে বাস করে। তার ভাই কবির আলমের মতো বাড়ি তৈরির কথা চিন্তা করল। তাই সে টিন, টাইলস, কাঠ, বাঁশ কিনে আনল। কিন্তু এসব নির্মাণসামগ্রী দিয়ে পাকা দোতলা বাড়ি তৈরি করা সম্ভব নয়। তার যেসব নির্মাণ সামগ্রী প্রয়োজন সেগুলো হলো-
| ১. ইট | মাটি পুড়িয়ে ইট তৈরি করা হয়। ইট তৈরি করার জন্য মাটিতে শতকরা ২০-৩৫ ভাগ এলুমিনা, ৫০-৭০ ভাগ সিলিকা থাকা উচিত। এটি গৃহ নির্মাণের অন্যতম প্রধান সহজলভ্য উপকরণ। |
| ২. সিমেন্ট | নির্মাণ কাজের মূল উপাদান হলো সিমেন্ট। এটি প্রস্তুতে প্রয়োজন ৭২% চুনাপাথর, ২৫% কাদামাটি ও ৩% জিপসাম। |
| ৩. পাথর | গৃহ নির্মাণে বিভিন্ন ধরনের পাথর ব্যবহৃত হয়। যেমন-গ্রানাইট, মার্বেল, স্লেট, চুনাপাথর ইত্যাদি। গৃহ নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত পাথরের স্থায়িত্ব, সৌন্দর্য, বর্ণ, ওজন, চাপ সহ্য করার ক্ষমতা, কাজ করার সুবিধা, শক্তভাব ইত্যাদি বিশেষত্ব থাকা আবশ্যক। |
| ৪. বালু | বালু কংক্রিট তৈরিতে ব্যবহৃত একটি নির্মাণসামগ্রী। এটি মোটা, মিহি, ভিটি এ তিন প্রকারের হয়। |
| ৫. লৌহ | নির্মাণ কাজের জন্য ব্যবহৃত লৌহ সোজা ও অবিকৃত হতে হয়। লোহার গায়ে তেল, সিমেন্টের প্রলেপ ও মরিচা যেন না থাকে তা দেখে নির্মাণ কাজে ব্যবহার করা উচিত। |
| ৬. কাঠ | আমাদের দেশে মেহগনি, কড়ই, চন্দন, কাঁঠাল, সেগুন, গজারি ইত্যাদি কাঠ নির্মাণ কাজে ব্যবহার করা হয়। নির্মাণ কাজের আগে অবশ্যই এটি সিজনিং করে নিতে হবে। |
টাইলস: বর্তমানে গৃহ নির্মাণে টাইলস বেশ জনপ্রিয়। ঘরের মেঝে, দেয়াল ও সিঁড়িতে টাইলস ব্যবহার করা হয়। ভালো টাইলসের আকার ও আকৃতি সমান হয়।
উপরিউক্ত নির্মাণসামগ্রীগুলো আলমের মতো বাড়ি তৈরি করতে প্রয়োজন। কিন্তু কবির টিন, টাইলস, কাঠ ও বাঁশ কিনে আনে। তাই বলা যায়, কবিরের কেনা সামগ্রীগুলো দিয়ে আলমের মতো বাড়ি তৈরি করা সম্ভব নয়।
গৃহ নির্মাণের জন্য যেসব জিনিস ব্যবহার করা হয় তাই নির্মাণসামগ্রী।
বালি গৃহ নির্মাণসামগ্রীর মধ্যে অন্যতম।
বালি তিন ধরনের হয়। যথা- ১. মোটা বালি, ২. মিহি বালি, ৩. ভিটি বালি। ভালো বালি ধুলা-ময়লা ও কাদামাটিমুক্ত হয়। মোটা বালুতে কংক্রিট ভালো হয় এবং মিহি বালু দিয়ে প্লাস্টারের কাজ করা হয়। ভিটি বালু ভরাট করার কাজে ব্যবহৃত হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!