প্রজনন শিল্প হলো সেই ধরনের শিল্প যে শিল্পের উৎপাদিত সামগ্রী পুনরায় উৎপাদনের কাজে ব্যবহৃত হয়। এ শিল্পের মাধ্যমে গাছপালা ও প্রাণীর বংশ বৃদ্ধি করা হয়। যেমন- নার্সারি, পোল্ট্রি ফার্ম, ডেইরি ফার্ম, হ্যাচারি ইত্যাদি।
প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে বনে গাছ বড় হয়, সেবা যত্নের তেমন প্রয়োজন হয় না। সাগরে মাছ পাওয়া যায়, খাদ্য-খানা দেয়া ও যত্ন আবশ্যক হয় না। কিন্তু যখন বনায়ন করা হয়, মাছ চাষ করা হয় তখন অনেক সেবা- যত্নের প্রয়োজন পড়ে । ফরেস্ট অফিসার লাগে, ফিশারি অফিসার লাগে এবং আরও কত কিছুর প্রয়োজন পড়ে- যার সহযোগিতা ব্যতিত এ কাজগুলো সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করা যায় না। তাই আজকের দিনে কার্যকর সহায়ক সেবা ছাড়া কোনো জিনিসই সঠিকভাবে গড়ে তোলা, লালন-পালন ও পরিচালনা করা সম্ভব নয়। ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে এ বিষয়টি আরও বেশি প্রযোজ্য। একটা দেশে ব্যবসায় কতটা স্বচ্ছন্দ্বের সাথে গড়ে উঠবে, পরিচালিত হবে-তার সাথে এই সহায়ক সেবা সম্পর্কযুক্ত। ব্যবসায় শিক্ষা শাখার শিক্ষার্থীদের আগামী দিনে ব্যবসায় গড়তে ও ব্যবসায় সম্পর্কে জ্ঞান অর্জনে এই সহায়ক সেবাগুলো সম্পর্কে ধারণা লাভ এবং কী, কোথায়, কিভাবে ও কতটা পাওয়া যায় সেই সম্পর্কে জ্ঞান লাভ অপরিহার্য ।
এ অধ্যায় পাঠ শেষে শিক্ষার্থীরা (শিখন ফল)
১. সহায়ক সেবার ধারণা ও প্রকারভেদ ব্যাখ্যা করতে পারবে
২. বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সংস্থা থেকে প্রাপ্ত সহায়তা ব্যাখ্যা করতে পারবে
৩. বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে প্রাপ্ত সহায়তা ব্যাখ্যাকরতে পারবে
৪. এসএমই ফাউন্ডেশন (SME) থেকে প্রাপ্ত সহায়তাব্যাখ্যা করতে পারবে
৫. বেসরকারি সংস্থা থেকে প্রাপ্ত সহায়তা ব্যাখ্যা করতেপারবে
৬. শিল্প ও বণিক সমিতি এবং বিজিএমইএ থেকে প্রাপ্ত সহায়তা ব্যাখ্যা করতে পারবে
৭. রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো থেকে প্রাপ্ত সহায়তা ব্যাখ্যা করতে পারবে
৮. ব্যবসায় সহায়তা দানকারী আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর ভূমিকা ও কার্যক্রম বিশ্লেষণ করতে পারবে
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!