জৈব অভিব্যক্তির মাধ্যমে নতুন প্রজাতির উদ্ভবকালে দেখা যায় অনেক প্রজাতি কালের গর্ভে হারিয়ে যায়। উদাহরণ হিসেবে ডাইনোসরের কথা বলা যায়। দেখা গেছে যে, সময়ের সাথে যে প্রজাতিটির টিকে থাকার ক্ষমতা যত বেশি সে অভিব্যক্তির ধারায় তত বেশিদিন টিকে থাকতে পারে। অর্থাৎ যে পরিবেশ, জীবনপ্রবাহ ও জনমিতির মানদন্ডে জৈব অভিব্যক্তিকে যে যত বেশি খাপ খাওয়াতে পারবে সেই প্রজাতিটি টিকে থাকবে।
Related Question
View Allজীববিজ্ঞানের বংশগতি বিদ্যা শাখায় বংশগতি সমন্ধে আলোচনা করা হয় ।
পিতা-মাতার বৈশিষ্টগুলো বংশানুক্রমে সন্তান সন্ততিতে সঞ্চারিত হয় বংশগতি বস্তুর মাধ্যমে ।
বংশগতির প্রধান উপাদান ক্রোমোজোম ।
সর্বপ্রথম ক্রোমোজোম আবিষ্কার করেন Strasburger বিজ্ঞানী ।
বিজ্ঞানী Strasburger 1875 সালে ক্রোমোজোম আবিষ্কার করেন ।
বংশগতির ভৌতভিত্তি বলা হয় ক্রোমোজোমকে ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!