সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও সমাধান

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

জীববিজ্ঞানের বংশগতি বিদ্যা শাখায় বংশগতি সমন্ধে আলোচনা করা হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পিতা-মাতার বৈশিষ্টগুলো বংশানুক্রমে সন্তান সন্ততিতে সঞ্চারিত হয় বংশগতি বস্তুর মাধ্যমে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বংশগতির প্রধান উপাদান ক্রোমোজোম ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সর্বপ্রথম ক্রোমোজোম আবিষ্কার করেন Strasburger বিজ্ঞানী ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বিজ্ঞানী Strasburger 1875 সালে ক্রোমোজোম আবিষ্কার করেন ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বংশগতির ভৌতভিত্তি বলা হয় ক্রোমোজোমকে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ক্রোমোজোমের প্রধান উপাদান DNA

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

১ মাইক্রন সমান 1/100 মি.মি.

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ক্রোমোজোমের দৈর্ঘ্য 3.5 থেকে 30.5 মাইক্রন ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

DNA এর গঠন সর্পিলাকার ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ক্রোমোজোমের স্থায়ী পদার্থের নাম DNA

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সআদিকোষের DNA গোলাকার আকৃতির ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

নাইট্রোজেন ঘটিত বেস দুই ধরনের ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

একটি সূত্রের এডিনিন অন্য সূত্রের থায়ামিন এর সাথে ২টি হাইড্রোজেন বন্ড দ্বারা যুক্ত থাকে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

হেলিক্রের প্রতিটি পূর্ণ ঘূর্ণন কত 34 A°

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

একটি পূর্ণ ঘূর্ণণের মধ্যে 10 টি নিউক্লিওটাইড থাকে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জিন-এর অবস্থান ক্রোমোজোমে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ক্রোমোজোমের যে স্থানে জিন অবস্থান করে তাকে লোকাস বলে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রংশগতিবিদ্যার জনক বলা হয় মেন্ডেলকে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মেন্ডেল 1866 সালে মটরশুঁটি নিয়ে গবেষনা করেন ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

DINA অনুলিপন প্রক্রিয়ার প্রস্তাব করেন Watson ও Crick

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মানবদেহে ক্রোমোজোম সংখ্যা মোট 23 জোড়া ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সেক্স ক্রোমোজোম দুটি X এবং Y  নামে পরিচিত ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

য়েক্স ক্রোয়োজোয় এক জোড়া ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

X এবং Y ক্রোমোজোমের আকৃতি দেখতে লম্বা ও রডের মতো .

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

X এর তুলনায় Y ক্রোমোজোমের আকৃতি ছোট আকৃতির ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মানবদেহে অটোজোম ২২ জোড়া ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জাইগোট XX হলে সন্তান কন্যা হবে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জাইগোট XY হলে সন্তান ছেলে হবে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

থ্যালাসেমিয়া রোগে রোগী রক্তশূন্যতায় ভোগে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো রং সঠিকভাবে চিনতে না পারাকে বর্ণান্ধতা বলে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রং চেনার জন্য চোখের স্নায়ু কোষে রং শনাক্তকারী পিগমেন্ট থাকে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

দেশে প্রতিবছর ৭০০০ (প্রায়) শিশু থ্যালাসেমিয়া রোগ নিয়ে জন্মগ্রহণ করে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বর্তমানে দেশে প্রায় এক লাখ (প্রায়) থ্যালাসেমিয়া রোগী আছে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জনগণের মাঝে আলফা থ্যালাসেমিয়া ধরনের থ্যালাসেমিয়া বেশি দেখা যায় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ভূমধ্যসাগরীয় এলাকাবাসীদের মধ্যে বিটা থ্যালাসেমিয়া ধরনের থ্যালাসেমিয়া বেশি দেখা যায় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জিনের প্রাপ্তির উপর ভিত্তি করে থ্যালাসেমিয়াকে দুই ভাবে পাওয়া যায় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

থ্যালাসেমিয়া জিনের বাহক হিসেবে কাজ করে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যখন কেউ কোন রং সঠিকভাবে চিনতে পারে না তখন তাকে কালার ব্লাইন্ডন্সে বলে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পুরুষের বেলায় প্রতি ১০ জনে ১ জনকে কালার ব্লাইন্ড হতে দেখা যায় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

থ্যালাসেমিয়া ধরনের রোগে লোহিত রক্ত কনিকাগুলো নষ্ট হয়ে যায় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

লোহিত রক্তকোষ দুই ধরনের প্রোটিন দিয়ে তৈরি ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

থ্যালাসেমিয়া ধরনের রোগে রোগীদের লৌহসমৃদ্ধ ফল খাওয়া যায় না ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রোটিন ও নিউক্লিক এসিড সহযোগে নিউক্লিওপ্রোটিন সৃষ্টি হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রথম জেনোফেন (Xcnophen) বিজ্ঞানী জীবাশ্ম আবিষ্কার করেন ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ব্যাকটেরিয়ার নিউক্লিয়াস আদি-প্রকৃতির ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবীতে চার লাখ উদ্ভিদ প্রজাতি শনাক্ত করা হয়েছ ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

অভিব্যক্তি শব্দটির উৎপত্তি Evolveri থেকে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

হার্বাট স্পেনসার বিজ্ঞানী প্রথম ইভোলিউশন কথাটি ব্যবহার করেন ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কেভফিশ মেক্সিকান দেশের ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

২৬০ কোটি বছর আগে পৃথিবীতে অক্সিজেন গ্যাস ছিল না ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

চার্লস ডারউইন ইংল্যান্ডের প্রাসবেরি শহরে জন্ম গ্রহণ করেন ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

চার্লস ডারউইন যে বইয়ে তার মতবাদ প্রকাশ করেন তার নাম প্রজাতির উদ্ভব ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

একটি সরিষা গাছ থেকে বছরে ৭৩০.০০০ টি বীজ জন্মায় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

একটি স্ত্রী স্যামন মাছ প্রজনন ঋতুতে প্রায় ৩ কোটি ডিম পাড়ে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

তিনটি ভিন্ন উপায়ে নতুন প্রজাতির সৃষ্টি হতে পারে ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

RNA হলো রাইবোনিউক্লিক এসিড (Ribonucleic-Acid) অধিকাংশ RNA তে একটি পলিনিউক্লিওটাইডের সূত্র থাকে। এতে পাঁচ কার্বনবিশিষ্ট রাইবোজ শর্করা, অজৈব ফসফেট এবং নাইট্রোজেন বেস (এডেনিন, গুয়ানিন, সাইটোমিন ও ইউরাসিল) থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জীবের সব দৃশ্য ও অদৃশ্যমান লক্ষণ বা বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী এককের নাম জিন। এর অবস্থান জীবের ক্রোমোজোমে। গ্রেগর জোহান মেন্ডেল ১৮৬৬ সালে মটরশুঁটি নিয়ে গবেষণাকালে বংশগতির ধারক ও বাহকরূপে সে ফ্যাক্টরের কথা উল্লেখ করেছিলেন সেটি আজ 'জিন' নামে পরিচিত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বংশগতির প্রধান উপাদান হচ্ছে ক্রোমোজোম। এটি নিউক্লিয়াসের নিউক্লিওপ্লাজমে বিস্তৃত এবং সূত্রাকার ক্রোমাটিন দ্বারা গঠিত। বিজ্ঞানী Strasburger সর্বপ্রথম ক্রোমোজোম আবিষ্কার করেন। ক্রোমোজোমের কাজ হলো মাতা-পিতা হতে জিন সন্তান-সন্ততিতে বহন করে নিয়ে যাওয়া। মানুষের চোখের রং, চুলের প্রকৃতি, চামড়ার গঠন ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য ক্রোমোজোম কর্তৃক বাহিত হয়ে বংশগতির ধারা অক্ষুণ্ণ রাখে। এ কারণে ক্রোমোজোমকে বংশগতির ভৌত ভিত্তি বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মানবদেহে ক্রোমোজোম সংখ্যা ৪৬টি বা ২৩ জোড়া, এর মধ্যে ৪৪টিকে বা ২২ জোড়াকে অটোজোম বলে। অটোজোমগুলো শারীরবৃত্তীয়, ভ্রুণ ও দেহ গঠনে ইত্যাদি কার্যাদিতে অংশগ্রহণ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

থ্যালাসেমিয়া রক্তের লোহিত রক্ত কণিকার এক অস্বাভাবিক অবস্থাজনিত রোগ। এ রোগে লোহিত রক্ত কণিকাগুলো নষ্ট হয় এবং রোগী রক্ত শূন্যতায় ভোগে। এ রোগ বংশপরম্পরায় হয়ে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পিতামাতার বৈশিষ্ট্যগুলো বংশানুক্রমে সন্তান সন্ততির দেহে সঞ্চারিত হওয়ার প্রক্রিয়াই হলো হেরিডিটি বা বংশগতি। মাতাপিতার বৈশিষ্ট্যাবলি তাদের সন্তান সন্ততিতে সঞ্চারিত হয় বংশগতি বস্তুর মাধ্যমে। ক্রোমোজোম, জিন, DNA ও RNA হলো বংশগতি বস্তু।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব বস্তুর মাধ্যমে মাতাপিতার বৈশিষ্ট্যাবলি তাদের সন্তান সন্ততিতে সঞ্চারিত হয় সেগুলোকে বংশগতি বস্তু বলা হয়। এগুলো হলো ক্রোমোজোম, জিন, ডিএনএ (DNA) এবং আরএনএ (RNA) ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বংশগতির প্রধান উপাদান হচ্ছে ক্রোমোজোম, ক্রোমোজোমে ডিএনএ ও প্রোটিন থাকে, যা জিনের বৈশিষ্ট্যের তথ্য বহন করে। ক্রোমোজোমের প্রধান কাজ হলো সন্তান সন্ততির মধ্যে মাতাপিতার বৈশিষ্ট্য বহন করে নিয়ে যাওয়া। মানুষের চোখের রং, চুলের প্রকৃতি, চামড়ার গঠন ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য ক্রোমোজোম কতৃক বাহিত হয়ে বংশগতির ধারা অক্ষুণ্ণ থাকে। তাই বলা যায় বংশগতিতে ক্রোমোজোম', গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ক্রোমোজোমে অসংখ্য অতি সূক্ষ্ম জিন থাকে। এসব জিন রাসায়নিকভাবে DNA দ্বারা গঠিত। এ DNA জীবের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য যেমন- এদের রং, আকার, স্বভাব, পরিব্যাপ্তি ইত্যাদি ধারণ করে যা বংশানুক্রমে মাতা-পিতা থেকে সন্তানসন্ততিতে স্থানান্তরিত হয়। এ কারণেই ক্রোমোজোমকে বংশগতির প্রধান বস্তু বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বংশগতির প্রধান উপাদান হচ্ছে ক্রোমোজোম। ক্রোমোজোমে অসংখ্য অতি সূক্ষ্ম জিন থাকে, যা জীবের বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে। ক্রোমোজোম এসব বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী জিন মাতাপিতা থেকে সন্তান-সন্ততিতে বহন করে নিয়ে যায়। মানুষের চোখের রং, চুলের আকৃতি চামড়ার গঠন ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য ক্রোমোজোম কর্তৃক বাহিত হয়ে বংশগতির ধারা অক্ষুন্ন রাখে। এ কারণে ক্রোমোজোমকে বংশগতির ভৌত ভিত্তি বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ক্রোমোজোমে অসংখ্য অতি সূক্ষ্মা জিন থাকে। এসব জিন রাসায়নিকভাবে DNA দ্বারা গঠিত। এ DNA জীবের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য যেমন- এদের রং, আকার, স্বভাব, পরিব্যাপ্তি ইত্যাদি ধারণ করে যা বংশানুক্রমে মাতা-পিতা থেকে সন্তানসন্ততিতে স্থানান্তরিত হয়। এ কারণে ক্রোমোজোমকে বংশগতির ধারক ও বাহক বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ক্রোমোজোম বংশগতির ভৌত ভিত্তি। ক্রোমোজোমে অবস্থিত জিন জীবের সকল বৈশিষ্ট্য ধারণ ও বহন করে। মাইটোসিস বিভাজনের সময় একটি ক্রোমোজোমের সেন্ট্রোমিয়ার বার বার ভেঙে গিয়ে অনুরূপ আরও একটি ক্রোমোজোম তৈরি করে। একেই প্রতিরূপ ক্রোমোজোম বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ক্রোমোজোমের ভেতরে থাকা DNA জীবের জিন বহন করে, যা জীবের বৈশিষ্ট্য যেমন- মানুষের চোখের রং, চুলের প্রকৃতি, চামড়ার গঠন নিয়ন্ত্রণ করে। মাতাপিতা থেকে সন্তানদের জিন ক্রোমোজোমের মাধ্যমে বংশগতি বৈশিষ্ট্য হিসেবে প্রেরিত হয়। এর মাধ্যমে জীবের বৈশিষ্ট্য পরবর্তী প্রজন্মে অক্ষুণ্ণ থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ক্রোমোজোমের প্রধান ডিএনএ হলো ডিঅক্সিরাইবো নিউক্লিক এসিড, যা একটি সর্পিলাকার ডাবল হেলিক্স গঠন। এটি সাধারণত দুই সূত্রবিশিষ্ট পলিনিউক্লিওটাইড সূত্র দ্বারা তৈরি যেখানে প্রতিটি সূত্র একে অপরের পরিপূরক। এই সূত্রগুলো নাইট্রোজেন বেসের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে। (যেমন- এডিনিন-থায়ামিন এবং গুয়ানিন-সাইটোসিন)। ডিএনএ জীবের বংশগতি বৈশিষ্ট্য ধারণ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

DNA ও RNA -এর মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ-

DNARNA
১. DNA দ্বি সূত্রক ঘুরানো সিড়ির মতো১. RNA এক সূত্রক শেকলের ন্যায়।
২. ডি অক্সিরাইবোজ সুগার বিদ্যমান২. রাইবোজ সুগার নিয়ে RNA গঠিত।
৩. DNA এর পাইরিমিডিনে সাইটোসিন ও থায়মিন বেস হিসেবে থাকে।৩. RNA এর পাইরিমিডিনে সাইটোসিন ও ইউরাসিল বেস হিসেবে থাকে।
  1. DNA অনুলিপনের মাধ্যমে নতুন DNA সৃষ্টি করে।
  1. RNA কোনো অনুলিপন হয় না। নতুনভাবে সৃষ্টি হয়।
Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

DNA কে বংশগতির রাসায়নিক ভিত্তি বলা হয় কারণ- DNA ক্রোমোজোমের প্রধান উপাদান এবং বংশগতির রাসায়নিক ভিত্তি। DNA ই জীবের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের প্রকৃত ধারক এবং বাহক, যা জীবের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য সরাসরি বহন করে মাতাপিতা থেকে তাদের বংশধরে নিয়ে যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

অনেকগুলো নিউক্লিওটাইড ৫' ৩' অনুমুখী হয়ে পরস্পর ফসফো-ডাইএস্টার বন্ধনীর সাহায্যে যুক্ত হয়ে একটি লম্বা রৈখিক শৃঙ্খলের সৃষ্টি করে, তখন তাকে পলিনিউক্লিওটাইড বলে। পলিনিউক্লিওটাইড একটি চেইন-এর মতো গঠন সৃষ্টি করে। DNA অণুর প্রতিটি একক হেলিক্স একটি পলিনিউক্লিওটাইড চেইন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

নাইট্রোজেন, কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন সমন্বিত যৌগই হলো নাইট্রোজেন বেস। নাইট্রোজেন-বেস দু প্রকার। যথা-
পাইরিমিডিন : এখানে তিন ধরনের পাইরিমিডিন বেস রয়েছে। যথা-থাইমিন, সাইটোসিন এবং ইউরাসিল।
পিউরিন : পিউরিনে দু ধরনের বেস রয়েছে। যথা- অ্যাডিনিন এবং গুয়ানিন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

অনেকগুলো নিউক্লিওটাইড পরস্পর যুক্ত হয়ে একটি লম্বা রৈখিক শৃঙ্খল সৃষ্টি করে। একে পলিনিউক্লিওটাইড বলা হয়। পলিনিউক্লিওটাইডের গঠন চেইনের মতো। এই চেইনে একটি পেন্টোজ স্যুগারের ৫নং কার্বনের এবং অপর পেন্টোজ স্যুগারের ৩নং কার্বনের সাথে এক অণু ফসফেট যুক্ত থাকে। DNA অণুর প্রতিটি একক হেলিক্স একটি পলিনিউক্লিওটাইড চেইন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

RNA হলো রাইবোনিউক্লিক এসিড, যা সাধারণত একক পলিনিউক্লিওটাইডের গঠনে থাকে। এতে পাঁচ কার্বনবিশিষ্ট রাইবোজ শর্করা, অজৈব ফসফেট এবং নাইট্রোজেন বেস (এডিনিন, গুয়ানিন, সাইটোসিন এবং থাইমিনের পরিবর্তে ইউরাসিল) থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

RNA ভাইরাসের ক্রোমোজোমের স্থায়ী উপাদান হিসেবে। RNA পাওয়া যায়। আবার যেসমস্ত ভাইরাস যেমন- TMV, Tobacco, Mosaic Virus) DNA দিয়ে গঠিত নয় তাদের নিউক্লিক এসিড হিসেবে RNA থাকে। এসব ক্ষেত্রে RNA ই বংশগতির বস্তু হিসেবে কাজ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

RNA-একক পলিনিউক্লিওটাইডের মাধ্যমে গঠিত। এতে ইউরাসিল বেস থাকে এবং এটি DNA-এর মতো ডাবল হেলিক্স গঠন করে না। এটি প্রধানত প্রোটিন সংশ্লেষণ এবং কিছু ক্ষেত্রে বংশগতির বস্তু হিসেবে কাজ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

RNA হলো রাইবোনিউক্লিক এসিড। অধিকাংশ RNA-তে একটি পলিনিউক্লিওটাইডের সূত্র থাকে। এতে পাঁচ কার্বনবিশিষ্ট রাইবোজ শর্করা, অজৈব ফসফেট এবং নাইট্রোজেন বেস থাকে। নাইট্রোজেন বেসগুলোর মধ্যে থাকে এডিনিন (A), গুয়ানিন (G), সাইটোসিন (C) এবং ইউরাসিল (U)। যেসকল ভাইরাস DNA দ্বারা গঠিত নয় তাদের নিউক্লিক এসিড হিসেবে RNA থাকে। যেমন-TMV, Tobacco Mosaic Virus 1

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

RNA হলো। রাইবোনিউক্লিক এসিড। অধিকাংশ RNA তে একটি পলিনিউক্লিওটাইড সূত্র থাকে। এতে পাঁচ কার্বন বিশিষ্ট রাইবোজ শর্করা; অজৈব ফসফেট এবং নাইট্রোজেন বেস এডিনিন, গুয়ানিন, সাইটোসিন এবং ইউরাসিল সমন্বয়ে গঠিত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জীবের সব দৃশ্য এবং অদৃশ্যমান লক্ষণ বা বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী এককের নাম জিন। এর অবস্থান জীবের ক্রোমোজোমে। সাধারণত একটি বৈশিষ্ট্যের জন্য একটি জিন থাকে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে একাধিক জিন মিলিতভাবে একটি বৈশিষ্ট্য প্রকাশে সহায়তা করে। আবার কোনো কোনো সময় একটি জিন একাধিক বৈশিষ্ট্যও নিয়ন্ত্রণ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জীবের সব দৃশ্য এবং অদৃশ্যমান লক্ষণ বা বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী এককের নাম জিন। এর অবস্থান জীবের ক্রোমোজোমে। সাধারণত জীবের একটি বৈশিষ্ট্যের জন্য একটি নির্দিষ্ট জিন থাকে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে একাধিক জিন মিলিতভাবে একটি বৈশিষ্ট্য প্রকাশে সহায়তা করে। আবার কোনো কোনো সময় একটি জিন একাধিক বৈশিষ্ট্যও নিয়ন্ত্রণ করে। একারণে জিনকে বংশগতির নিয়ন্ত্রক বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জীবের সব দৃশ্যমান এবং অদৃশ্যমান লক্ষণ বা বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী এককের নাম জিন। এর অবস্থান হলো জীবের ক্রোমোজোমে। ক্রোমোজোমের যে স্থানে জিন অবস্থান করে, তাকে লোকাস বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জীবের সব দৃশ্য ও অদৃশ্যমান লক্ষণ বা বৈশিষ্ট্য ধারণ ও নিয়ন্ত্রণ করে জিন। সাধারণত একটি বৈশিষ্ট্যের জন্য একটি নির্দিষ্ট জিন থাকে এবং কোনো ক্ষেত্রে একটি বৈশিষ্ট্যের জন্য একাধিক জিনও থাকতে পারে। নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য ধারণকারী জিন পিতা-মাতা হতে বৈশিষ্ট্যসমূহ সন্তানসন্ততিতে স্থানান্তরিত করে। এজন্যই জিনকে বংশগতির ধারক বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মাতাপিতা থেকে প্রথম বংশধরে জীবের যে বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায় ঐ বৈশিষ্ট্যই প্রকট বৈশিষ্ট্য। যে জিনের বৈশিষ্ট্য প্রথম বংশধরে প্রকাশ না পেয়ে দ্বিতীয় বংশধরে এক-চতুর্থাংশ জীবে প্রকাশ পায় তাকে প্রচ্ছন্ন জিন বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মাতাপিতা থেকে প্রথম বংশধরে জীবের যে বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায় তাকে বলা হয় প্রকট বৈশিষ্ট্য। এই প্রকট বৈশিষ্ট্য যখন কোনো জিন বহন করে তখন ঐ জিনকে প্রকট জিন বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জীবের অপ্রকাশিত বৈশিষ্ট্যকে প্রচ্ছন্ন বৈশিষ্ট্য বলে। অর্থাৎ প্রকট বৈশিষ্ট্যের উপস্থিতির কারণে যেসব বৈশিষ্ট্য প্রকাশিত হয় না তাই প্রচ্ছন্ন বৈশিষ্ট্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

একজোড়া প্রতিরূপ ক্রোমোজোমে জিন জোড়ায় জোড়ায় অবস্থান করে। সাধারণত একটি বৈশিষ্ট্যের জন্য একটি নির্দিষ্ট জিন থাকে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে একাধিক জিন মিলে একটি বৈশিষ্ট্য প্রকাশে সহায়তা করে। আবার কোনো কোনো সময় একটি জিন একাধিক বৈশিষ্ট্যও নিয়ন্ত্রণ করে। অর্থাৎ জীবের' একেকটি বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী কোষীয় উপাদানকে ফ্যাক্টর বলে। গ্রেগর জোহান মেন্ডেল ১৮৬৬ সালে মটরশুঁটি নিয়ে গবেষণাকালে বংশগতির ধারক ও বাহকরূপে যে ফ্যাক্টরের কথা উল্লেখ করেছিলেন সেটি আজ 'জিন' রূপে পরিচিত হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বংশধারা নিয়ন্ত্রণকারী একককে জিন বলে। জিন বংশপরম্পরায় সঞ্চালিত হয়ে বংশগতি ধারা অব্যাহত রাখে। এজন্য জিনকে বংশগতির মৌলিক একক বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বংশগতিতে জিনের কাজ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বংশগতিতে জিনের কয়েকটি কাজ নিম্নরূপ-
১. জীবের বৈশিষ্ট্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে।
২. জীবের বিবর্তনে ভূমিকা রাখে।
৩. পিতা-মাতা হতে বৈশিষ্ট্যসমূহ সন্তানসন্ততিতে স্থানান্তর করে।
৪. কিছু কিছু কোষের জৈবনিক ক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে। যেমন-প্রোটিন সংশ্লেষণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

গ্রেগর জোহান মেন্ডেল ১৮৬৬ সালে মটরশুঁটি নিয়ে গবেষণাকালে বংশগতির ধারক ও বাহকরূপে যে ফ্যাক্টরের কথা উল্লেখ করেছিলেন সেটি আজ 'জিন' রূপে পরিচিত হয়েছে। মাতা-পিতার বৈশিষ্ট্য উদ্ভিদের বংশধরদের মধ্যে কীভাবে প্রকাশ পায় সে সম্বন্ধে মেন্ডেল মটর গাছ নিয়ে পরীক্ষার মাধ্যমে মূল্যবান তত্ত্ব আবিষ্কার করেছিলেন তাই গ্রেগর জোহান মেন্ডেলকে বংশগতিবিদ্যার জনক বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

DNA পরীক্ষার গুরুত্ব :
১. DNA ফিঙ্গার প্রিন্টিং এর মাধ্যমে অপরাধী শনাক্ত করা হয়।
২. সন্তানের পিতৃত্ব নির্ণয়ের জন্য DNA পরীক্ষা করা হয়।
৩. মৃত ব্যক্তি শনাক্তকরণে DNA পরীক্ষা করা হয়।
৪. প্রচলিত সাক্ষ্য প্রমাণ ও প্রত্যক্ষদর্শীনির্ভর বিচারব্যবস্থা প্রমাণের জন্য অনেক সময়. DNA পরীক্ষা করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জীবের প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে দ্বিসূত্রক DNA নিজের হুবহু অনুলিপি করতে পারে। আবার DNA থেকে প্রয়োজনীয় সংকেতের অনুলিপি নিয়ে RNA, সাইটোপ্লাজমের রাইবোজোমে আসে এবং সেই সংকেত অনুসারে সেখানে প্রোটিন তৈরি হয়। এভাবেই DNA কোষের কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে এবং জীনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোটিন তৈরি নিশ্চিত করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

একই জিনের বিভিন্ন সংস্করণকে সেই জিনের অ্যালিল বলে। যেমন- মটরশুঁটির উচ্চতা নির্ধারণকারী T এবং হলো দুটি অ্যালিল। এই দুটি অ্যালিলের মধ্যে T কে প্রকট (Dominant) এবং T-এর সাপেক্ষে।-কে প্রচ্ছন্ন (recessive) অ্যালিল বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

DNA প্রোটিন তৈরি করে, যা জীবের শারীরিক ও আচরণগত বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে। প্রোটিন পরিবেশ অনুযায়ী জীবের বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন ঘটায়। এভাবেই DNA থেকে জীবের বৈশিষ্ট্য নির্ধারিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মেন্ডেলের বংশগতি সম্পর্কিত তত্ত্ব ও প্রাণীর সুপ্রজননে প্রয়োগ করা হয়। কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন উদ্ভিদ বা প্রাণীর মধ্যে নিয়ন্ত্রিত যৌন প্রজনন ঘটিয়ে বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন বংশধর সৃষ্টি করা হয়। এদের মধ্যে থেকে কাঙ্ক্ষিত-বৈশিষ্ট্য বেছে নিয়ে সুপ্রজননের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্যের উদ্ভিদ ও প্রাণী সৃষ্টি করা হয়। বর্তমানে উন্নত জাতের শস্য উৎপাদনে এই পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে প্রক্রিয়ায় একটি DNA অণু থেকে আরেকটি নতুন DNA অণু তৈরি হয় সেই প্রক্রিয়াকে DNA অনুলিপন বা রেপ্লিকেশন বলে। DNA অর্ধ-রক্ষণশীল পদ্ধতিতে অনুলিপিত হয়। এই পদ্ধতিতে হাইড্রোজেন বন্ধন ভেঙে গিয়ে DNA সূত্র দুটি আলাদা হয়ে যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে প্রক্রিয়ায় DNA এর একটি পুরাতন সূত্র ও একটি নতুন সূত্র সংযুক্ত হয়ে নতুন DNA অণুর সৃষ্টি করে তাকে অর্ধরক্ষণশীল অনুলিপন বলে। DNA এর অনুলিপন সাধারনত অর্ধ-রক্ষণশীল পদ্ধতিতে ঘটে। তাই DNA অনুলিপনকে অর্ধ-রক্ষণশীল অনুলিপনও বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

DNA টেস্ট একটি বিজ্ঞানভিত্তিক পরীক্ষা যার মাধ্যমে কোনো জীবের জীন সম্পর্কে জানা যায়। এ টেস্টের বিজ্ঞানভিত্তিক এক ব্যবহারিক পদ্ধতিকে বলা হয় ডিএনএ ফিঙ্গার প্রিন্টিং। এছাড়া ডিএনএ টাইপিং, ডিএনএ টেস্টিং ইত্যাদি নামেও পরিচিত আছে। দিন দিন DNA টেস্ট এর গুরুত্ব বাড়ছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ডিএনএ টেস্টের বিজ্ঞানভিত্তিক এক ব্যবহারিক পদ্ধতিকে বলা হয় DNA ফিঙ্গার প্রিন্টিং। সঠিকভাবে অপরাধী শনাক্তকরণের জন্য DNA ফিঙ্গার প্রিন্টিং করা হয়। এছাড়া বংশগত রোগের চিকিৎসায়,-অনাকাঙ্খিত সন্তানের পিতৃত্ব নির্নয়ের জন্যও DNA ফিঙ্গার প্রিন্টিং করা হয়। এসকল ক্ষেত্রে DNA ফিঙ্গার প্রিন্টিং সঠিক ফলাফল প্রদান করে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বর্তমান বিশ্বে অপরাধপ্রবণতা বেড়েই চলছে। কিন্তু অনেক অপরাধই আছে যেগুলো প্রমাণ করা অনেকটা কষ্টসাধ্য ব্যাপার। কোনো অপরাধীকে নির্ভুলভাবে শনাক্তকরণে বর্তমানে DNA টেস্ট সর্বাপেক্ষা নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি। DNA টেস্ট সুসম্পন্ন করার জন্য প্রথম প্রয়োজন জৈবিক নমুনা। অপরাধস্থল কিংবা অপরাধের শিকার এমন ব্যক্তির কাছ থেকে প্রাপ্ত জৈবিক নমুনার DNA নকশাকে তুলনা করা হয় সন্দেহভাজনের কাছ থেকে নেওয়া রক্ত বা জৈবিক নমুনার DNA নকশার সাথে। যদি অপরাধের শিকার ব্যক্তি থেকে প্রাপ্ত নমুনার সাথে 'সন্দেহভাজন নমুনার মিল ও অমিল চিহ্নিত করে তুলনা করা হয় তাহলে সহজেই সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে শনাক্তকরণ সম্ভব হবে। অর্থাৎ সন্দেহভাজন ব্যক্তি অপরাধী না হলে সে মুক্তি পাবে। কিন্তু অপরাধী প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ বিচার করার সুযোগ থাকবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

DNA টেস্টের মাধ্যমে সহজেই অপরাধী ব্যক্তিকে শনাক্ত করা যায়। অপরাধের শিকার এমন কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে প্রাপ্ত জৈবিক নমুনার DNA-র নকশাকে তুলনা করা হয় সন্দেহভাজনের কাছ থেকে নেওয়া রক্ত বা জৈবিক নমুনার DNA এর সাথে। যদি DNA নকশা মিলে যায় সহজেই বলা যায় যে, সন্দেহভাজন ব্যক্তিই অপরাধী। এছাড়াও সন্তানের জৈবিক পিতা-মাতা নির্ণয়ের ক্ষেত্রেও ডিএনএ টেস্ট করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ডিএনএ টেস্টের বিজ্ঞানভিত্তিক এক ব্যবহারিক পদ্ধতিকে বলা হয় ডিএনএ ফিঙ্গারপ্রিন্টিং। এছাড়া ডিএনএ টাইপিং, ডিএনএ টেস্টিং ইত্যাদি নামও প্রচলিত আছে। ডিএনএ টেস্ট সুসম্পন্ন করার জন্যে প্রথম প্রয়োজন জৈবিক নমুনা। ব্যক্তির হাড়, দাঁত, চুল, রক্ত, লালা, বীর্য ইত্যাদি বা টিস্যু মূল্যবান জৈবিক নমুনা হতে পারে। অপরাধস্থল কিংবা অপরাধের শিকার এমন ব্যক্তির কাছ থেকে প্রাপ্ত জৈবিক নমুনার ডিএনএ নক্শাকে তুলনা করা হয় সন্দেহভাজনের কাছ থেকে নেওয়া রক্ত বা জৈবিক নমুনার ডিএনএ নকশার সাথে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

DNA টেস্টের মাধ্যমে সহজেই অপরাধী ব্যক্তিকে শনাক্ত করা যায়। অপরাধের শিকার এমন কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে প্রাপ্ত জৈবিক নমুনার DNA-র নকশাকে তুলনা করা হয় সন্দেহভাজনের কাছ থেকে নেওয়া রক্ত বা জৈবিক নমুনার DNA এর সাথে। যদি DNA নকশা মিলে যায় সহজেই বলা যায় যে, সন্দেহভাজন ব্যক্তিই অপরাধী। এছাড়াও সন্তানের জৈবিক পিতা-মাতা নির্ণয়ের ক্ষেত্রেও ডিএনএ টেস্ট করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ডিএনএ টেস্ট চিকিৎসা বিজ্ঞান, কৃষি, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ এবং ঔষধশিল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি অপরাধ তদন্ত, পিতৃত্ব নির্ধারণ এবং বিভিন্ন রোগ নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে জেনেটিক বৈচিত্র্য অধ্যায়ন এবং জীববৈজ্ঞানিক গবেষণায় নতুন দিক উন্মোচিত হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বিভিন্ন জৈবিক নমুনা থেকে DNA সংগ্রহ করে তা বিশ্লেষণপূর্বক বিশেষ কোনো কাজে ব্যবহারের বিজ্ঞানভিত্তিক পদ্ধতিকে বলা হয় DNA টেস্ট। একটি শিশুর দেহে তার পিতার জিন সঞ্চারিত হয়। সুতরাং শিশুর DNA তার পিতার DNA-এর অনুরূপ হবে। তাই কোনো শিশুর পিতা নির্ণয় করতে DNA টেস্ট করা প্রয়োজন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মানুষ এবং অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণীতে প্রায় একই পদ্ধতিতে লিঙ্গ নির্ধারণ হয়। স্ত্রীলোকের ডিপ্লয়েড কোষে দুটি সেক্স ক্রোমোজোমই X ক্রোমোজোম অর্থাৎ XX। কিন্তু পুরুষের ক্ষেত্রে দুটির মধ্যে একটি X অপরটি Y ক্রোমোজোম অর্থাৎ XY। মাতা এবং পিতার যৌন মিলনের ফলে সৃষ্ট সন্তানের ক্রোমোজোম XX হলে তা মেয়ে এবং XY হলে তা ছেলে সন্তান হবে। অর্থাৎ সেক্স ক্রোমোজোম (X এবং Y) এর ভিত্তিতে সন্তান ছেলে হবে না মেয়ে হবে তা নির্ধারণের প্রক্রিয়াই হলো লিঙ্গ নির্ধারণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মানুষের ক্রোমোজোমে অবস্থিত জিনের মাধ্যমে পিতা-মাতার বৈশিষ্ট্যাবলি তাদের সন্তান-সন্ততিতে সঞ্চারিত হয়। মিয়োসিস কোষ বিভাজনের সময় ক্রসিং ওভারের মাধ্যমে পিতা-মাতার বৈশিষ্ট্যাবলি সন্তানের দেহে সঞ্চারিত হয়। কিন্তু পিতা-মাতার দেহ থেকে এক সেট DNA আসে এবং ক্রসিং ওভারের মাধ্যমে বৈশিষ্ট্যের সংমিশ্রণ ঘটে। ফলে কিছু বৈশিষ্ট্য প্রকাশ না পেয়ে সুপ্ত অবস্থায় থাকে। তাই সন্তান-সন্তুতি হুবহু পিতা-মাতার মতো হয় না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ছেলে সন্তান পিতার বৈশিষ্ট্য অর্জন করে। পিতার সেক্স ক্রোমোজোম হলো XY এবং মাতার সেক্স ক্রোমোজোম হলো XX যৌন মিলনের সময় পিতার X ক্রোমোজোম এর সাথে যদি মাতার X ক্রোমোজোম এর মিলন হয় তবে সন্তান হবে XX অর্থাৎ মেয়ে। আর পিতার Y এর সাথে যদি মাতার X ক্রোমোজোম এর মিলন হয় তবে সন্তান হবে XY অর্থাৎ ছেলে। তাই ছেলে সন্তান পিতার বৈশিষ্ট্য অর্জন করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মানবদেহে ক্রোমোজোম সংখ্যা 46টি বা 23 জোড়া। এর মধ্যে 22 জোড়া বা 44. টিকে অটোজোম (Autosome) এবং 1 জোড়াকে সেক্স-ক্রোমোজোম (Sex chromosome) বলা হয়। সেক্স ক্রোমোজোম দুটি এক্স (X) এবং ওয়াই (Y) নামে পরিচিত। লিঙ্গ নির্ধারণে এরা মুখ্য ভূমিকা পালন করে। নারীদের ডিপ্লয়েড কোষে দুটি। সেক্স ক্রোমোজোমই X ক্রোমোজোম অর্থাৎ XX, কিন্তু পুরুষদের ক্ষেত্রে দুটির মধ্যে একটি X অপরটি Y ক্রোমোজোম অর্থাৎ XY।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণে পিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কারণ, পিতার শুক্রাণু X অথবা Y ক্রোমোজোম বহন করে, যা মাতার X ক্রোমোজোমযুক্ত ডিম্বাণুর সঙ্গে মিলিত হয়। যদি পিতার X ক্রোমোজোম যুক্ত শুক্রাণু নিষেক ঘটায়, সন্তান মেয়ে (XX) হবে। আর যদি Y ক্রোমোজোম যুক্ত শুক্রাণু নিষেক ঘটায়, সন্তান ছেলে (XY) হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মায়ের প্রতিটি ডিম্বাণু সব সময় X ক্রোমোজোম বহন করে। তাই সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণে মায়ের কোনো ভূমিকা নেই, কারণ তার ডিম্বাণুতে শুধুই X ক্রোমোজোম থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

নিষেকের সময় পিতার শুক্রাণুর X বা Y ক্রোমোজোম মায়ের X ক্রোমোজোমযুক্ত ডিম্বাণুর সঙ্গে মিলিত হয়। যদি শুক্রাণুর X ক্রোমোজোম থাকে, সন্তান কন্যা (XX) হয়। আর যদি শুক্রাণুর Y ক্রোমোজোম থাকে, সন্তান পুত্র (XY) হয় ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব জিনগত রোগে সেক্স ক্রোমোজোমে অবস্থিত জিনগুলোতে মিউটেশন ঘটে, সেসব রোগকে বলা হয় সেক্স লিঙ্কড ডিসঅর্ডার। যেমন- বর্ণান্ধতা, থ্যালাসেমিয়া ইত্যাদি। যেহেতু Y ক্রোমোজোম খুবই ছোট আকৃতির এবং এতে জিনের সংখ্যা খুব কম, তাই বেশিরভাগ সেক্স লিঙ্কড ডিসঅর্ডার হয় X ক্রোমোজোমে অবস্থিত জিনগুলোর মিউটেশনের কারণে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে সকল রোগ বংশগতভাবে হয়ে থাকে তাকে জেনেটিক ডিসঅর্ডার বা বংশগত ব্যাধি বলা হয়। বর্ণান্ধতা এবং থ্যালাসেমিয়া জেনেটিক ডিসঅর্ডারের উদাহরণ। বর্ণান্ধতা এমন এক অবস্থা যখন কেউ কোনো রং সঠিকভাবে চিনতে পারে না। থ্যালাসেমিয়া বলতে লোহিত রক্তকণিকার অস্বাভাবিকতা বোঝায়। এসব। রোগ মানুষের বংশগতভাবে হয়ে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সেক্স লিংকড বংশগতির একটি বৈশিষ্ট্য হলো- বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী জিন শুধু 'X' ক্রোমোজোমে থাকে Y ক্রোমোজোমে নয়। পুরুষে একটি 'X' ক্রোমোজোম থাকে। তাই পুরুষে এ জিন থাকলে বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায়। এজন্য পুরুষেরা সেক্স লিংকড রোগে বাহক হয় না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সেক্স লিংকড অসুখ ছেলেদের বেশি হয় কারণ- বেশির ভাগ সেক্স লিংকড অসুখ হয় X ক্রোমোজোমে অবস্থিত জিনগুলোর মিউটেশনের কারণে। মেয়েদের যেহেতু দুটি X ক্রোমোজোম থাকে, সেহেতু একটি X ক্রোমোজোমে মিউটেশন থাকলেও আরেকটি X ক্রোমোজোম স্বাভাবিক থাকার কারণে রোগ লক্ষণ প্রকাশ পায় না। দুটি X ক্রোমোজোমই একই সাথে একই অসুখের মিউটেশন থাকার সম্ভাবনা খুব কম বলে মহিলাদের চেয়ে ছেলেদের সেক্স লিংকড অসুখ বেশি হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কিছু জিনগত অসুখ আছে, যেগুলোতে মিউটেশন হয়। যেমন- সেক্স ক্রোমোজোমে অবস্থিত জিনগুলোতে। এসব অসুখকে বলে সেক্স লিংকড অসুখ। এই অসুখগুলো সেক্স ক্রোমোজোমের মাধ্যমে বংশ পরস্পরায় সঞ্চারিত হয়। এই কারণেই জেনেটিক ডিসঅর্ডার বা বংশগতি ব্যাধি হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মেয়েদের যেহেতু দুটি X ক্রোমোজোম থাকে, সেহেতু একটি X ক্রোমোজোমে মিউটেশন থাকলেও আরেকটি X ক্রোমোজোম স্বাভাবিক থাকার কারণে রোগলক্ষণ প্রকাশ পায় না। দুটি X ক্রোমোজোমেই একই সাথে একই অসুখের মিউটেশন থাকার সম্ভাবনা খুব কম বলে মেয়েরা সাধারণত সেক্স-লিংকড রোগে আক্রান্ত হয় না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যখন কেউ কোনো রং সঠিকভাবে চিনতে পারে না, সেটি হচ্ছে কালার ব্লাইন্ডনেস বা বর্ণান্ধতা। রং চেনার জন্য আমাদের চোখের স্নায়ু কোষে রং শনাক্তাকরী পিগমেন্ট থাকে। কালার ব্লাইন্ড অবস্থায় রোগীদের চোখে স্নায়ুকোষের রং শনাক্তকারী পিগমেন্টের অভাব থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পুরুষ এবং মহিলার মধ্যে পুরুষেরা বর্ণান্ধ রোগে বেশি আক্রান্ত হয়। বর্ণান্ধতা সাধারণত X ক্রোমোজোমে অবস্থিত জিনগুলোর মিউটেশনের কারণে হয়। মহিলাদের দুটি X ক্রোমোজোম থাকে। দুটি X ক্রোমোজোমে একই সাথে একই অসুখের মিউটেশন থাকার সম্ভাবনা কম হয়। অপরদিকে ছেলেদের মাত্র একটি X ক্রোমোজোম থাকে তাই বর্ণান্ধতা মহিলাদের চেয়ে পুরুষের বেশি দেখা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বর্ণান্ধতা সাধারণত X ক্রোমোজোমে অবস্থিত জিনগুলোর মিউটেশনের কারণে হয়। মহিলাদের দুটি X ক্রোমোজোম থাকে। দুটি X ক্রোমোজোমে একই সাথে একই অসুখের মিউটেশন থাকার সম্ভাবনা কম হয়। অপরদিকে ছেলেদের মাত্র একটি X ক্রোমোজোম থাকে তাই বর্ণান্ধতা মহিলাদের চেয়ে পুরুষের বেশি দেখা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

চোখের স্নায়ুকোষের রং শনাক্তকারী পিগমেন্টের অনুপস্থিতির কারণে মানুষে বর্ণান্ধতা দেখা যায়। এমনকি বংশগতি কারণ ছাড়াও কোনো কোনো ঔষধ যেমন- বাত রোগের জন্য হাইড্রক্সি ক্লোরোকুইনিন সেবনে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে চোখের রঙিন পিগমেন্ট নষ্ট হয়ে যায়। বর্ণান্ধতা বা কালার ব্লাইন্ড রোগীরা লাল আর সবুজ বর্ণের পার্থক্য করতে পারে না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

চোখের স্নায়ুকোষে রং শনাক্তকারী পিগমেন্টের অনুপস্থিতির কারণে মানুষ কালার ব্লাইন্ড হয়। এমনকি বংশগতি কারণ ছাড়াও কোনো কোনো ঔষধ যেমন- বাত রোগের জন্য হাইড্রক্সি-ক্লোরোকুইনিন সেবনে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে চোখের রঙিন পিগমেন্ট নষ্ট হয়ে যায়। ফলে রোগী কালার ব্লাইন্ড হতে পারে। কালার ব্লাইন্ড রোগীরা লাল আর সবুজ বর্ণের পার্থক্য করতে পারে না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কালার ব্লাইন্ডনেস বা বর্ণান্ধতা এমন এক অবস্থা যখন কেউ কোনো রং সঠিকভাবে চিনতে পারে না। রং চেনার জন্য মানুষের চোখের স্নায়ুকোষে রং শনাক্তকারী পিগমেন্ট থাকে। কালার ব্লাইন্ড অবস্থায় রোগীদের চোখে স্নায়ুকোষের রং শনাক্তকারী পিগমেন্টের অভাব থাকে। তাই বর্ণান্ধ মানুষ লাল ও সবুজ রঙের পার্থক্য করতে পারে না।'

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

থ্যালাসেমিয়া রক্তের লোহিত রক্তকণিকার এক অস্বাভাবিক অবস্থাজনিত রোগের নাম। এ রোগে লোহিত রক্তকণিকাগুলো নষ্ট হয়। ফলে রোগী রক্তশূন্যতায় ভোগে। এ রোগ বংশপরম্পরায় হয়ে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

দেহ কোনো কারণে -গ্লোবিউলিন প্রোটিন উৎপাদনে অসমর্থতা দেখালে ẞ-থ্যালাসেমিয়া রোগ দেখা যায়। একেই কুলির থ্যালাসেমিয়া বলে। এ রোগটি বেশিরভাগ ভূ-মধ্যসাগরীয় অঞ্চলের লোকদের মধ্যে দেখা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

লোহিত রক্তকোষ দু ধরনের প্রোটিন দিয়ে তৈরি, α -গ্লোবিউলিন এবং, β -গ্লোবিউলিন। এই দু'ধরনের প্রোটিন জিনের সমস্যার জন্য দুই ধরনের থ্যালাসেমিয়া দেখা যায়। আলফা (α) থ্যালাসেমিয়া এবং বিটা (β) থ্যালাসেমিয়া। আলফা থ্যালাসেমিয়া রোগ তখনই হয়, যখন α গ্লোবিউলিন তৈরির জিন অনুপস্থিত থাকে কিংবা ত্রুটিপূর্ণ হয়। এই ধরনের রোগ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, চীন ও আফ্রিকার জনগণের মাঝে বেশি দেখা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

থ্যালাসেমিয়া হয় লোহিত রক্ত কোষের দুটি প্রোটিনের জিন নন্টের কারণে। থ্যালাসেমিয়া রক্তের লোহিত রক্তকণিকার এক অস্বাভাবিক অবস্থাজনিত রোগের নাম। এ রোগে রোগী রক্তশূন্যতায় ভোগে। লোহিত রক্তকণিকা দুই ধরনের প্রোটিন দ্বারা তৈরি α গ্লোবিউলিন এবং β গ্লোবিউলিন। লোহিত রক্তকণিকার এ দুটি প্রোটিন জিন নষ্ট হলে ত্রুটিপূর্ণ লোহিত রক্ত কোষ উৎপাদিত হয়। ফলে মেজর ও মাইনর নামে দু'ধরনের থ্যালাসেমিয়া দেখা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সাধারণত নির্দিষ্ট সময় পরপর রক্ত প্রদান এবং নির্দিষ্ট ঔষধ খাইয়ে থ্যালাসেমিয়ার চিকিৎসা দেওয়া হয়। রোগীদের লৌহসমৃদ্ধ ফল বা ঔষধ খেতে হয় না, কারণ তা শরীরে জমে গিয়ে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের ক্ষতিসাধন করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

থ্যালাসেমিয়া রোগীদের আয়রন ট্যাবলেট খেতে দেওয়া হয় না কারণ- থ্যালাসেমিয়া রোগীদের সাধারণত নির্দিষ্ট সময় পরপর রক্ত প্রদান এবং নির্দিস্ট ঔষধ খাইয়ে থ্যালাসেমিয়ার চিকিৎসা দেওয়া হয়। রোগীদের লৌহসমৃদ্ধ ফল বা ঔষধ খেতে হয় না। কারণ তা শরীরে জমে গিয়ে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের ক্ষতিসাধন করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

থ্যালাসেমিয়া হয় লোহিত রক্ত কোষের দুটি প্রোটিনের জিন নষ্টের কারণে। থ্যালাসেমিয়া রক্তের লোহিত রক্তকণিকার এক অস্বাভাবিক অবস্থাজনিত রোগের নাম। এ রোগে রোগী রক্তশূন্যতায় ভোগে। লোহিত রক্তকণিকা দুই ধরনের প্রোটিন দ্বারা তৈরি ৫ গ্লোবিউলিন এবং ৪ গ্লোবিউলিন। লোহিত রক্তকণিকার এ দুটি প্রোটিন জিন নষ্ট হলে ত্রুটিপূর্ণ লোহিত রক্ত কোষ উৎপাদিত হয়। ফলে দুধরনের থ্যালাসেমিয়া দেখা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

থ্যালাসেমিয়া রক্তের লোহিত রক্তকণিকার এক অস্বাভাবিক অবস্থাজনিত রোগের নাম। এ রোগে লোহিত রক্তকণিকাগুলো নষ্ট হয়। ফলে রোগী রক্তশূন্যতায় ভোগে। এ রোগ বংশপরম্পরায় হয়ে থাকে। এটি একটি অটোসোমাল রিসিসিভ ডিসঅর্ডার, অর্থাৎ বাবা ও মা উভয়েই এ রোগের বাহক বা রোগী হলে তবেই তা সন্তানে রোগ লক্ষণ হিসেবে প্রকাশ পায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

থ্যালাসেমিয়া রক্তের লোহিত রক্ত কোষের এক অস্বাভাবিক অবস্থাজনিত রোগের নাম। তীব্র থ্যালাসেমিয়ার কারণে জন্মের আগেই মায়ের পেটে শিশুর মৃত্যু হতে পারে। থ্যালাসেমিয়া মেজর আক্রান্ত শিশুরা জন্মের পর প্রথম বছরেই জটিল রক্তশূন্যতা রোগে ভেগে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কয়েক হাজার বছর সময়ের ব্যাপকতায় জীব প্রজাতির পৃথিবীতে আবির্ভাব ও টিকে থাকার জন্যে যে পরিবর্তন ও অভিযোজন প্রক্রিয়া তাকে জৈব অভিব্যক্তি বলে। পৃথিবীতে বর্তমান যত জীব এসেছে তারা অনেকেই সময়ের আবর্তে লুপ্ত হয়ে গেছে। যেমন: ডাইনোসর। আবার কোনো কোনো জীব ধীর পরিবর্তন ঘটিয়ে এখনও টিকে আছে। এই টিকে থাকার জন্য জীবকে সংগ্রাম করতে হয়েছে, শারীরিক গঠন, খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করতে হয়েছে। বেঁচে থাকার জন্য এই যে পরিবর্তন, অভিযোজন একেই জৈব অভিব্যক্তি বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দীতে গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটল (Aristotle) প্রমাণ করেন যে জীবজগতের বিভিন্ন জীবের ভিতর এক শ্রেণির জীব অন্য শ্রেণির জীব থেকে উন্নত এবং সেই জীবগুলো তাদের পূর্বপুরুষ থেকে উৎপত্তি লাভ করে জৈব অভিব্যক্তির মাধ্যমে ক্রমাগত পরিবর্তিত এবং রূপান্তরিত হয়ে বর্তমান রূপ ধারণ করেছে। সাধারণত জৈর অভিব্যক্তি একটি মন্থর এবং চলমান প্রক্রিয়া এবং এই প্রক্রিয়ার মাধ্যম্যে গঠনতভাবে সরল জীবন থেকে ধীরে ধীরে জুটিল জীবনের উৎপত্তি ঘটেছে। তবে খুব কম সময়ের মধ্যে জৈব অভিব্যক্তি সংঘটিত হওযার নজিরও বর্তমান।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জৈব অভিব্যক্তি বা Evolution শব্দটি ল্যাটিন শব্দ Evolveri থেকে উৎপত্তি হয়েছে। ইংরেজি দার্শনিক এবং শিক্ষাবিদ হার্বাট স্পেনসার প্রথম Evolution শব্দটি ব্যবহার করেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে ধীর, অবিরাম এবং চলমান পরিবর্তন দিয়ে কোনো সরলতর নিম্নশ্রেণির জীব থেকে জটিল এবং উন্নতর নতুন প্রজাতির বা জীবের উদ্ভব ঘটে, তাকে অভিব্যক্তি বা অভিব্যক্তি বা ইভোলিউশন বলে। তবে জৈব অভিব্যক্তির সব সময় ধীর গতিতে ঘটে না, পরিবেশের কারণে অনেক সময় দ্রুত ঘটতে দেখা গেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যোগ্যতমরা টিকে থাকার কারণ- পৃথিবীতে স্থান, আশ্রয় ও খাদ্য নির্দিষ্ট। অতএব স্বাভাবিকভাবে জীব যত তার বংশধর সৃষ্টি করে তত বেঁচে থাকে না এবং বেঁচে থাকার জন্য সংগ্রাম করে। বংশধরদের বেঁচে থাকার সংগ্রামে জয়ী জীবকুলই প্রকৃতিতে বেঁচে থাকার যোগ্য বলে বিবেচিত হয়। ডারউইন একেই যোগ্যতমের টিকে থাকা বলে আখ্যায়িত করেছেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবী থেকে ডায়নোসর এর লোপ পাওয়া এবং তেলাপোকার টিকে থাকার কারণ হচ্ছে অভিব্যক্তি। দেখা গেছে যে, সময়ের সাথে যে প্রজাতিটির টিকে থাকার ক্ষমতা যত বেশি, সে অভিব্যক্তির আবর্তে তত বেশি দিন টিকে থাকতে পারে। অর্থাৎ যে পরিবেশ, জীবনপ্রবাহ ও জনমিতির মানদন্ডে অভিব্যক্তিতে যে যত বেশি খাপ খাওয়াতে পারবে সেই প্রজাতিটি টিকে থাকবে। এজন্য পৃথিবী থেকে ডায়নোসর লোপ পেয়েছে কিন্তু তেলাপোকা এখনো টিকে আছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সময়ের সাথে যে প্রজাতিটির টিকে থাকার ক্ষমতা যতো বেশি সে অভিব্যক্তির আবর্তে ততো বেশি দিন টিকে থাকতে পারে। অর্থাৎ যে পরিবেশ, 'জীবন প্রবাহ ও জনমিতির মানদণ্ডে অভিব্যক্তিতে যে যতো বেশি খাপ খাওয়াতে পাররে সেই প্রজাতিটি টিকে থাকবে। প্রজাতিকে প্রতিকূল পরিবেশে এ টিকে থাকার প্রক্রিয়াকে অভিযোজন বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জীবনের উৎপত্তি যে পানিতে হয়েছিল, এ নিয়ে কোন দ্বিমত নেই। এ সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা যে যুক্তি দিয়েছেন তা হলো প্রথমত, অধিকাংশ জীবকোষ এবং দেহস্থ রক্ত ও অন্যান্য তরলে নানারকম লবণের উপস্থিতি, যার সাথে সমুদ্রের পানির খনিজ লবণের সাদৃশ্য রয়েছে। দ্বিতীয়, সমুদ্রের পানিতে এখনো অনেক সরল এবং এককোষী জীব বসবাস করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবীতে জীবনের উৎপত্তি কীভাবে হয়েছিল সে সম্পর্কে বিভিন্ন মতবাদ বর্তমানে প্রচলিত আছে। তবে জীবনের উৎপত্তি যে প্রথমে সমুদ্রের পানিতে বা জলাশয়ে হয়েছিল, এ সম্পর্কে কোনো দ্বিমত নেই। এ সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা যে যুক্তি দেখিয়েছেন, সেগুলো এরকম: প্রথমত, অধিকাংশ জীবকোষ এবং দেহচ্ছ রক্ত ও অন্যান্য তরলে নানারকম লবণের উপস্থিতি, যার সঙ্গে সমুদ্রের পানির খনিজ লবণের সাদৃশ্য রয়েছে। দ্বিতীয়, সমুদ্রের পানিতে 'এখনো অনেক সরল এবং এককোষী জীব বসবাস করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবীতে কীভাবে জীব সৃষ্ট হয়েছিল, সে সম্পর্কে বিজ্ঞানসম্মত অনুমান এরকম: প্রায় 260 কোটি বছর আগে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রচুর পরিমাণে মিথেন, অ্যামোনিয়া, হাইড্রোজেন সালফাইড এবং জলীয় বাষ্প, নাইট্রোজেন এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস ছিল; কিন্তু অক্সিজেন গ্যাস ছিল না। অহরহ আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রার বৃদ্ধি ঘটত এবং বজ্রপাতের ফলে ও অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে এই যৌগ পদার্থগুলো মিলিত হয়ে অ্যামাইনো এসিড এবং নিউক্লিক এসিড মিলিত হয়ে নিউক্লিও প্রোটিন অণুর সৃষ্টি করে। এই নিউক্লিওপ্রোটিন থেকেই অস্থি প্রোটোভাইরাস এবং তা থেকে সৃষ্টি ভাইরাস। এভাবেই পৃথিবীতে জীবের সৃষ্টি হয়েছিল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রাসায়নিক অভিব্যক্তি হলো পৃথিবীর উৎপত্তি এবং জীবনের সূচনায় অ্যামাইনো এসিড ও নিউক্লিক এসিডের মতো যৌগের গঠনের জটিল প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ায় যৌগ পদার্থগুলো মিলে নিউক্লিওপ্রোটিন তৈরি করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ইংরেজ বিজ্ঞানী রবার্ট ডারউইন অভিব্যক্তির উপর যে প্রাকৃতিক নির্বাচন মতবাদ দেন সেটিই হলো ডারউইনিজম। ডারউইনিজম অনুসারে জীবকুলকে কঠোর সংগ্রাম করতে হয়। প্রত্যেক জীব প্রয়োজনীয় সামগ্রী যেমন- খাদ্য, বাসস্থান, বায়ু, পানি, আলো ইত্যাদির জন্য পরস্পর প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়। বাঁচার জন্য এই প্রতিযোগিতাকেই জীবন সংগ্রাম বলে। প্রকৃতিতে তিন প্রকার জীবন সংগ্রাম দেখা যায়। যথা: ১. আন্তঃপ্রজাতিক সংগ্রাম, ২. অন্তঃপ্রজাতিক সংগ্রাম এবং ৩. পরিবেশের সাথে সংগ্রাম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ডারউইনের দৃষ্টি প্রকৃতিতে সংঘটিত সাধারণ সত্যসমূহ হলো-
১. অত্যধিক হারে বংশবৃদ্ধি,
২. সীমিত খাদ্য ও বাসস্থান,
৩. অস্তিত্বের জন্য সংগ্রাম,
৪. প্রকরণ বা জীবদেহে পরিবর্তন,
৫. প্রকৃতিক নির্বাচন ও
৬. নতুন প্রজাতির উৎপত্তি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জীবের জ্যামিতিক ও গাণিতিক হারে সংখ্যাবৃদ্ধি ঘটায় এবং খাদ্য ও বাসস্থান সীমিত থাকায় জীবকে বেঁচে থাকার জন্য কঠিন প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হতে হয়। ডারউইন এ ধরনের সংগ্রামকে 'অস্তিত্বের জন্য সংগ্রাম' বলে অভিহিত করেন। ডারউইন লক্ষ করেন যে জীবনে তিনটি পর্যায়ে এই সংগ্রাম করতে হয়। সেগুলো হচ্ছে: আন্তঃপ্রজাতিক সংগ্রাম, অন্তঃপ্রজাতিক সংগ্রাম ও পরিবেশের সঙ্গে সংগ্রাম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আন্তঃপ্রজাতিক সংগ্রাম বলতে বিভিন্ন প্রজাতির মধ্যে খাদ্য-খাদক সম্পর্কের একটি নিষ্ঠুর জীবন সংগ্রামকে বুঝায়। উদাহরণস্বরূপ বলা যায় ব্যাঙ কীটপতঙ্গ খায়, অন্যদিকে সাপ ব্যাঙদের খায়। আবার, ময়ূর সাপ এবং ব্যাঙ দুটোকেই খায়। নিতান্ত জৈবিক কারণেই এ ধরনের প্রজাতির মধ্যে নিষ্ঠুর সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

একই-প্রজাতির সদস্যদের মধ্যে বিভিন্ন সম্পদ, স্থান, খাদ্য, প্রজনন সঙ্গ ইত্যাদির জন্য প্রতিযোগিতাকে অন্তঃপ্রজাতিক সংগ্রাম বলা হয়। যেমন- একটি দ্বীপে তৃণভোজী প্রাণীর সংখ্যা বেড়ে গেলে খাদ্য এবং বাসস্থান সীমিত থাকায় তারা নিজেরাই নিজেদের মধ্যে সংগ্রাম শুরু করে। এ ধরনের সংগ্রামে দেখা যায় সবল প্রাণীগুলো দূর্বল প্রাণীদের প্রতিহত করে খাদ্য গ্রহণ করে। ফলে দুর্বল প্রাণীগুলো কিছুদিনের মধ্যেই অনাহারে মারা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সাপ.ও ব্যাঙের মধ্যে আন্তঃপ্রজাতিক সংগ্রাম সংঘটিত হয়। এখানে ব্যাঙ কীটপতঙ্গ খায় আর সাপ ব্যাঙদের খায়। এভাবে নিত্যান্ত জৈবিক কারণেই বিভিন্ন প্রজাতির মধ্যে খাদ্য খাদকের সম্পর্কের একটি নিষ্ঠুর জীবনসংগ্রাম গড়ে ওঠে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ডারউইনের মতে জীবন-সংগ্রামে সেসব প্রাণী সাফল্য লাভকরে যাদের শারীরিক গঠন প্রকৃতিতে বেঁচে থাকার প্রয়োজনে পরিবর্তিত হয়। তারা পরিবর্তনশীলতায় দক্ষতার পরিচয় দিয়ে অভিযোজিত গুণগুলো বংশপরম্পরায় সঞ্চারিত হয়ে বেঁচে থাকার বা অভিব্যক্তির প্রতিযোগিতায় জয়ী হয়। অন্যদিকে যারা এ ধরনের পরিবর্তনশীলতায় অংশ গ্রহণ করতে পারে না তারা প্রকৃতি কর্তৃক মনোনীত হয় না। ফলে তাদের বিলুপ্তি ঘটে। প্রাচীনকালের প্রাণী ডাইনোসর বলিষ্ঠ হওয়া সত্ত্বেও পরিবেশের সঙ্গে সুষ্ঠুভাবে অভিযোজিত না হতে পারায় বিলুপ্ত হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রকৃতিতে প্রতিটি জীবের টিকে থাকার জন্য সংগ্রাম করতে হয়। এভাবে সংগ্রামের মাধ্যমে জীবের টিকে থাকা এবং বিলুপ্ত হওয়ার বিষয়টিকে প্রাকৃতিক নির্বাচন বলে। ডারউইনের মতে জীবনসংগ্রামে সেসব প্রাণী সাফল্য লাভ করে যাদের শারীরিক গঠন প্রকৃতিতে বেঁচে থাকার প্রয়োজনে পরিবর্তিত হয়। তারা পরিবর্তনশীলতায় দক্ষতার পরিচয় দিয়ে অভিযোজিত গুণগুলো বংশপরম্পরায় সঞ্চারিত করে বেঁচে থাকে এবং অভিব্যক্তির প্রতিযোগিতায় জয়ী হয় পক্ষান্তরে পরিবর্তনশীলতায় ব্যর্থরা প্রকৃতি কর্তৃক নির্বাচিত হয় না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ম্যাক্রোইভোলিউশন হলো বৃহৎ স্তরে পবিরর্তন, যা দীর্ঘ সময় ধরে ঘটে এবং নতুন প্রজাতি বা উচ্চতর প্রজাতির গ্রুপ সৃষ্টি করে। যেমন- ডাইনোসোর থেকে পাখির অভিব্যক্তি, আবার স্থলচর প্রাণী থেকে তিমির অভিব্যক্তি ইত্যাদি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মাইক্রোইভোলিউশন হলো একটি প্রজাতির মধ্যে ছোট ছোট জেনেটিক পরিবর্তন, যা প্রজন্ম ধরে ঘটে। যেমন- ব্যাকটেরিয়ার 'অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জন, মথের রং পরিবর্তন ইত্যাদি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাকৃতিক নির্বাচনের মূলনীতি কাজে লাগিয়ে ভালো গুণাবলির ফসল প্রাণী নির্বাচন করে তাদের থেকে প্রজনন করানো হয়, এভাবে বহু প্রজন্ম ধরে নির্বাচন প্রক্রিয়া চালালে একসময় নতুন প্রজাতির উদ্ভিদ প্রাণী উদ্ভব ঘটবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কৃষি কাজের শুরুতে প্রাকৃতিক নির্বাচন, মিউটেশন বা জেনেটিক্স সম্পর্কে কিছু না জেনেও স্রেফ অভিজ্ঞতা থেকে মানুষ জানতো যে, মাঠে যেসব ফসল ভালো মানের শস্য দেয় সেগুলো থেকে প্রাপ্ত বীজ আলাদা করে রেখে পরের বছর রোপন করলে আরও বেশি পরিমাণে ভালো শস্য পাওয়া যায়। এটা আসলে প্রাকৃতিক নির্বাচনের অনুকরণ মাত্র, যেখানে ফসল পপুলেশনের বিশেষ জেনোটাইপ বিশিষ্ট সদস্যদের প্রজনন ঘটাতে অতিরিক্ত সুবিধা দেওয়া হয়। এভাবে বহু প্রজন্ম ধরে নির্বাচন প্রক্রিয়া চালালে একসময় দেখা যাবে নতুন প্রজাতির শস্যের উদ্ভব ঘটেছে। বর্তমানে যেসব খাদ্যশস্য আমরা চাষ করি তার প্রায় সবগুলোরই প্রাথমিক রূপ এই প্রক্রিয়ায় উদ্ভূত হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জৈব অভিব্যক্তি হলো দুই প্রকার যথা- ম্যাক্রোইভোলিউশন ও মাইক্রোইভোলিউশন। ম্যাক্রোইভোলিউশন হলো প্রজাতির উদ্ভব বা বিলুপ্তি। এটি বৃহৎ পরিবর্তন নির্দেশ করে। আবার মাইক্রোইভোলিউশন হলো প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে অ্যালিল ফ্রিকোয়েন্সির পরিবর্তন। এটি ক্ষুদ্র পরিবর্তনের মাধ্যমে ঘটে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাকৃতিক পরিবেশে প্রতিটি জীব প্রজাতির মধ্যেই চেহারা, আকৃতি বা জীবন ব্যবস্থায় কিছুটা তারতম্য পরিলক্ষিত হয়। জীবের এসব অমিল বা বৈসাদৃশ্যতাকে প্রকরণ বলে। একই প্রজাতির দুটি সদস্য এমনকি অভিন্ন যমজ ব্যতিরেকে একই পিতামাতার দুটি সন্তানও কখনো হুবহু একরকম হয় না। বিভিন্ন জীবে এসব প্রকরণ বিভিন্নভাবে ও বিভিন্ন মাত্রায় প্রকাশ পেতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ডারউনীয় অভিব্যক্তি হওয়ার অবশ্য কিছু শর্ত পূরণ করতে হয়। শর্তগুলো হলো- প্রথম শর্ত- বৈচিত্র্য, দ্বিতীয় শর্ত- নির্বাচন ও তৃতীয় শর্ত- বংশগতি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জীবের নির্বাচিত বৈশিষ্ট্যগুলো পরিবেশে তার বংশবৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। এ ধরনের নির্বাচিত যাবতীয় বৈশিষ্ট্যগুলো তিন ভাগে ভাগ করা যায়-
১. যোগ্য: পরিবেশ-পরিস্থিতি সহ্য করে টিকতে পারার সাথে সম্পর্কিত বৈশিষ্ট্যাবলি।
২. অযোগ্য: পরিবেশ-পরিস্থিতি সহ্য না করতে পেরে মারা যাওয়া বা বংশবৃদ্ধি রহিত হয়ে যাওয়ার সাথে সম্পর্কিত বৈশিষ্ট্যাবলি।
৩. নিরপেক্ষ: পরিবেশ-পরিস্থিতির সাথে সম্পর্কহীন বৈশিষ্ট্যাবলি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জৈব অীভব্যক্তির কারণ হিসেবে প্রাকৃতিক নির্বাচন বা ডারউইনীয় জৈব অভিব্যক্তি প্রধান ভূমিকা রাখে। কিন্তু ডারউইন-ওয়ালেসের বর্ণিত পদ্ধতির পাশাপাশি অন্যান্য উপায়েও জৈব অভিব্যক্তি ঘটতে পারে, সেই উপায়গুলোকে একত্রে অ-ডারউইনীয় জৈব অভব্যক্তি বলে। এটি এমন একটি প্রক্রিয়া বা তত্বগুলোর উপর ভিত্তি করে। যেখানে অভিব্যক্তি ব্যাখ্যা করার জন্য অন্যান্য প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব অঙ্গের আপাতদৃষ্টিতে আকৃতিগত পার্থক্য দেখা গেলেও এদের অস্থি বিন্যাসের মৌলিক প্রকৃতি একই ধরনের সেগুলোকে সমসংস্থ অঙ্গ বলা হয়। যেমন- পাখির ডানা, বাদুড়ের ডানা, তিমির ফ্লিপার, সিলের অগ্রপদ, ঘোড়ার অগ্রপদ, মানুষের হাত ইত্যাদি অঙ্গগুলো সমসংস্থ অঙ্গ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যেসব অঙ্গ গঠনগত দিক থেকে আলাদা কিন্তু কাজের দিক। থেকে একই সেগুলোকে সমবৃত্তি বা অসমসংস্থ অঙ্গ বলে। যেমন- বাদুড় এবং পতঙ্গ দুটিতেই টিকে থাকার তাগিদে উড়তে সহায়ক অঙ্গ ডানার উদ্ভব ঘটেছে। অর্থাৎ উভয়ের ডানাই একই কাজ করে। কিন্তু এদের গঠন ও পরিস্ফুটনে কোনো মিল নেই। এগুলোই সমবৃত্তি অঙ্গ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সমসংস্থ ও অসমসংস্থ অঙ্গের মধ্যে পার্থক্য হলো-

সমসংস্থ অঙ্গঅসমসংস্থ অঙ্গ
১. একই কাঠামো এবং উৎস থেকে উৎপন্ন।১. ভিন্ন কাঠামো ও উৎস থেকে উৎপন্ন।
২. সাধারণত ভিন্ন ক্রিয়ার জন্য অভিযোজিত থাকে। যেমন-মানুষের হাত এবং বাদুড়ের ডানা।২. একই ধরনের ক্রিয়া সম্পাদন করতে পারে। যেমন-পাখির ডানা এবং পতঙ্গের ডানা।
৩. সাধারণ পূর্বপুরুষ থেকে উদ্ভূত অভিব্যক্তির নির্দশন।৩. ভিন্ন পূর্বপুরুষ থেকে উদ্ভূত, অভিযোজনের উদাহরণ।
৪. উদাহরণ: পাখির ডানা, বাদুড়ের ডানা, তিমির ফ্লিপার ইত্যাদি।৪. উদাহরণ: পাখির ডানা এবং পতঙ্গের ডানা।
Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাণিদেহে এমন কতকগুলো বিলুপ্ত প্রায় অঙ্গ দেখা যায় যেগুলো বিশেষ কোনো প্রাণীতে অকেজো বা নিষ্ক্রিয় কিন্তু অন্য প্রাণীতে সক্রিয় অবস্থায় থাকতে পারে। এ সকল অঙ্গগুলোকে নিষ্ক্রিয় অঙ্গ বলে। এসব অঙ্গ অভিব্যক্তি সম্পর্কিত প্রমাণ বহন করে।. মানবদেহে প্রায় ১০০টি নিষ্ক্রিয় অঙ্গ বিদ্যমান। যেমন- মানুষের কানের পেশি, ছেদন দাঁত, উপপল্লব, পুরুষের স্তনগ্রন্থির বৃত্ত ইত্যাদি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রাণিদেহে এমন কতকগুলো বিলুপ্ত প্রায় অঙ্গ দেখা যায় যেগুলো বিশেষ কোন প্রাণীতে অকেজো বা নিষ্ক্রিয় কিন্তু অন্য প্রাণীতে সক্রিয় অবস্থায় থাকতে পারে। এসব অঙ্গগুলোকে নিষ্ক্রিয় অঙ্গ বলে। এসব অঙ্গ অভিব্যক্তি সম্পর্কিত প্রমাণ বহন করে। যেমন- মানুষের কানের পেশি, ছেদন দাঁত, আক্কেল দাঁত, অ্যাপেন্ডিক্স, পুচ্ছাস্থি, কক্কিক্স, গায়ের লোম, উপপল্লব, পুরুষের স্তন্তগ্রন্থির বৃন্ত ইত্যাদি। মানবদেহে প্রায় ১০০টি নিষ্ক্রিয় অঙ্গ বিদ্যমান।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

আর্কিওপটেরিক্স নামক এক জাতীয় অতি প্রাচীনকালের পাখির জীবাশ্ম উদ্ধার হয়েছে। এর চোয়ালে রয়েছে সরীসৃপের মতো দাঁত, লম্বা লেজ এবং পাখির মতো পালকযুক্ত ডানাও আছে। ডানায় তিনটি যুক্ত নখর আছে। এদের হাড় পাখির মতো ফাঁপা নয় এবং কীলকযুক্ত বুকের হাড়ও অনুপস্থিত। এতে বোঝা যায় যে পাখি একটি মহিমান্বিত সরীসৃপ। অর্থাৎ অভিব্যক্তির ধারায় সরীসৃপ থেকেই পাখির উদ্ভব হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সমসংস্থ অঙ্গ হলো ভিন্ন ভিন্ন প্রাণীর এমন অঙ্গ যা আকারে বা কাজে ভিন্ন হলেও অস্থিবিন্যাসের মৌলিক, প্রকৃতি এক। উদাহরণস্বরূপ পাখির ডানা ও মানুষের হাতের.. অশ্বিবিন্যাস একই। এটি নির্দেশ করে যে এদের পূবসূরী অভিন্ন ছিল, যা.জৈর অভিব্যক্তির। প্রমাণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জীবন্ত জীবাশ্য এমন জীব যারা প্রাচীন যুগে অদ্ভুত হয়ে বর্তমানে প্রায় অপরিবর্তিত অবস্থায় টিকে আছে। যেমন: লিমুলাস, গিল্পো বাইলোবা ইত্যাদি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জীববিজ্ঞানে মিসিং লিংক বলতে এমন জীব বা ফনিলকে বোঝায়, যা ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণি বা গোষ্ঠীর জীবের মধ্যে সংযোগকারী মধ্যবর্তী পর্যায়ের বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে। এটি দুটি জীবগোষ্ঠীর অভিব্যক্তিয় সম্পর্ককে প্রমাণ করে। উদাহরণস্বরূপ: আর্কিওপটেরিক্স সরীসৃপ, ও পাখির মধ্যবর্তী মিসিং লিংক। মিসিং লিংক অভিব্যক্তি প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা বোঝাতে সাহায্য করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ভূগর্ভের শিলাস্তরে চাপা পড়ে থাকা জীবের সামগ্রিক বা আংশিক প্রস্তরীভূত দেহ বা দেহছাপকে ফসিল বা জীবাশ্ম বলে। যেমন- আর্কিওপটেরিক্স। এটি সরীসৃপ ও পাখির মধ্যবর্তী বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন প্রাণীর ফসিল একটি শিলাস্তরে পাওয়া গিয়েছিল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মশা দমনে বিষাক্ত রাসায়নিকের ব্যবহারের প্রধান সমস্যা হিসেবে আমাদের স্বাস্থ্য ও পরিবেশ ঝুঁকির মুখে পড়ছে। শুধু তা নয়, সময়ের সাথে সাথে মশার পপুলেশন এসব রাসায়নিক-প্রতিরোধী হয়ে উঠছে, ঠিক যেমন ব্যাকটেরিয়া পপুলেশন হয়ে উঠছে এন্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী। তাই প্রতিনিয়ত আরও বিষাক্ত রাসায়নিক ব্যবহার করতে হচ্ছে মশার জৈব অভিব্যক্তির সাথে তাল মিলিয়ে চলার খাতিরে। এই দুষ্টচক্র থেকে মুক্তির উপায় হিসেবে বিজ্ঞানীরা প্রাকৃতিক নির্বাচনের মূলনীতি কাজে লাগানোর চেষ্টা করছেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জৈব অভিব্যক্তির মাধ্যমে নতুন প্রজাতির উদ্ভবকালে দেখা যায় অনেক প্রজাতি কালের গর্ভে হারিয়ে যায়। উদাহরণ হিসেবে ডাইনোসরের কথা বলা যায়। দেখা গেছে যে, সময়ের সাথে যে প্রজাতিটির টিকে থাকার ক্ষমতা যত বেশি সে অভিব্যক্তির ধারায় তত বেশিদিন টিকে থাকতে পারে। অর্থাৎ যে পরিবেশ, জীবনপ্রবাহ ও জনমিতির মানদন্ডে জৈব অভিব্যক্তিকে যে যত বেশি খাপ খাওয়াতে পারবে সেই প্রজাতিটি টিকে থাকবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রকৃতিতে প্রতিটি জীবের টিকে থাকার জন্য সংগ্রাম করতে হয়। এভাবে সংগ্রামের মাধ্যমে জীবের টিকে থাকা এবং বিলুপ্ত হওয়ার বিষয়টিকে প্রাকৃতিক নির্বাচন বলে। ডারউইনের মতে জীবনসংগ্রামে সেসব প্রাণী সাফল্য লাভ করে যাদের শারীরিক গঠন প্রকৃতিতে বেঁচে থাকার প্রয়োজনে পরিবর্তিত হয়। তারা পরিবর্তনশীলতায় দক্ষতার পরিচয় দিয়ে অভিযোজিত গুণগুলো বংশপরম্পরায় সঞ্চারিত করে বেঁচে থাকে এবং জৈব অভিব্যক্তির প্রতিযোগিতায় জয়ী হয়। প্রকৃতি ঐ সকল প্রাণীদের নির্বাচন করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জীবের টিকে থাকার ব্যাপারে যেকোনো দুটি বিবেচ্য বিষয় হলো-
১. জীবের অত্যধিক প্রজনন ক্ষমতা।
২. জীবের বাঁচার সংগ্রাম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পিতামাতার বৈশিষ্ট্যগুলো বংশানুক্রমে সন্তান সন্ততির দেহে সঞ্চারিত হওয়ার প্রক্রিয়াকে বংশগতি বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জীববিজ্ঞানের যে বিশেষ শাখায় বংশগতি সম্বন্ধে বিশদভাবে আলোচনা ও গবেষণা করা হয় তাকে বংশগতিবিদ্যা বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বংশগতিবিদ্যার জনক হলো গ্রেগর জোহান মেন্ডেল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

DNA এর পূর্ণরূপ হলো- Deoxyribo Nucleic Acid.

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

RNA-এর পূর্ণরূপ হলো- Ribonucleic Acid.

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পিউরিন হলো DNA এর নাইট্রোজেনঘটিত ক্ষারক যা অ্যাডিনিন ও গুয়ানিন দ্বারা গঠিত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

এক অণু পাঁচ কার্বণ বিশিষ্ট শর্করা এক অণু নাইট্রোজেন ঘটিত বেস এবং এক অণু এক অণু ফসফেট যুক্ত হয়ে যে যৌগ গঠন করে তাই নিউক্লিওটাইড।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

এক অণু পেন্টোজ সুগার ও এক অণু নাইট্রোজেন বেস যুক্ত হয়ে যে যৌগ গঠিত হয় তাকে নিউক্লিওসাইড বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জিন হলো জীবের সকল দৃশ্য ও অদৃশ্যমান লক্ষণ বা বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী একক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ক্রোমোজোমের যে স্থানে জিন অবস্থান করে তাই হলো লোকাস।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

একই ক্রোমোজোম জোড়ের নির্দিষ্ট লোকাসে অবস্থানকারী নির্দিষ্ট জিন জোড়ার একটিকে অপরটির অ্যালিল বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মাতাপিতা থেকে প্রথম বংশধরে জীবের যে বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায় তাকে প্রকট বৈশিষ্ট্য বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে জিনের বৈশিষ্ট্যটি প্রথম বংশধরে প্রকাশ পায় না তবে দ্বিতীয় বংশধরে 'এক-চতুর্থাংশ জীবে প্রকাশ পায় তাকে প্রচ্ছন্ন জিন বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জিনের দুটি ভিন্ন সংস্করণ এক সাথে থাকলে যে জিনের বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায় তাই প্রকট জিন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

গ্রেগর জোহান মেন্ডেল জেনেটিক্স এর সূত্রসমূহ আবিষ্কার করেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

খণ্ডিত DNA অণু গ্রাহক কোষের অভ্যন্তরে প্রবেশ করানোর পদ্ধতিকে ট্রান্সফরমেশন বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

নতুন বৈশিষ্ট্য সৃষ্টির জন্য কোনো জীবের DNA-এর পরিবর্তন ঘটানোই হলো জিন প্রকৌশল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

DNA টেস্টের বিজ্ঞানভিত্তিক এক ব্যবহারিক পদ্ধতিই হলো DNA ফিঙ্গার প্রিন্টিং।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কোনো ব্যক্তির জৈবিক নমুনা যেমন- দাঁত, চুল, রক্ত, লালা, বীর্য ইত্যাদির DNA নক্শ। বের করার জন্য যে পরীক্ষা করা হয় তাকে DNA টেস্ট বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

PCR এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Polymerase chain reaction.

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মানবদেহে ২২ জোড়া ক্রোমোজোম যারা শারীরবৃত্তীয়, ভ্রূণ ও দেহ গঠনে অংশ নেয়, কিন্তু লিঙ্গ নির্ধারণে কোনো ভূমিকা নেই তারাই অটোজোম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কিছু জিনগত অসুখ আছে, যেগুলোতে মিউটেশন হয় সেক্স ক্রোমোজোমে অবস্থিত জিনগুলোতে এসব অসুখকে বলে সেক্স-লিংকড অসুখ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

থ্যালাসেমিয়া হলো লোহিত রক্তকণিকার এক অস্বাভাবিক অবস্থাজনিত রোগের নাম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কালার ব্লাইন্ড বা বর্ণান্ধতা এমন এক অবস্থা যখন কেউ কোনো রং সঠিকভাবে চিনতে পারে না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বর্ণান্ধতা নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত বিশেষ ধরনের চার্ট-ই হলো ইশিহারা চার্ট।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সময়ের সাথে সাথে কম বৈচিত্র্যপূর্ণ পূর্বের জীব থেকে সুশৃঙ্খল ও অনুক্রমিক পদ্ধতিতে পর্যায়ক্রমিকভাবে বৈচিত্র্যময় জীবের বিকাশকে অভিব্যক্তি বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

সময়ের সাথে একটি নির্দিষ্ট প্রতিকূল পরিবেশে কোনো প্রজাতির (জীবের) টিকে থাকার প্রক্রিয়াকে অভিযোজন বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বংশগতভাবে প্রাপ্ত জিনের বিভিন্নতার কারণে জীবগোষ্ঠীর বিভিন্ন সদস্যদের মধ্যে বংশগত পার্থক্যের সৃষ্টি হয়। এই পার্থক্যকেই প্রকরণ বা পরিবৃত্তি বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

Evolveri একটি ল্যাটিন শব্দ যা থেকে Evolution বা অভিব্যক্তি শব্দটি এসেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রকৃতিতে প্রতিটি জীবের টিকে থাকার জন্য সংগ্রাম করতে হয়। এভাবে সংগ্রামের মাধ্যমে জীবের টিকে থাকা এবং বিলুপ্ত হওয়ার বিষয়টিকে প্রাকৃতিক নির্বাচন বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রকৃতিতে প্রতিটি জীবের টিকে থাকার জন্য সংগ্রাম করতে হয়। এভাবে সংগ্রামের মাধ্যমে জীবের টিকে থাকা এবং বিলুপ্ত হওয়ার বিষয়টিকে প্রাকৃতিক নির্বাচন বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

কয়েক হাজার বছর সময়ের ব্যাপকতায় জীব প্রজাতির পৃথিবীতে টিকে থাকার জন্য যে পরিবর্তন ও অভিযোজন প্রক্রিয়া চালু রয়েছে তাই জৈব অভিব্যক্তি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

জীবের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী জিনসমূহ প্রজননের মাধ্যমে পিতামাতা থেকে বংশানুক্রমে সন্তান-সন্ততির দেহে সঞ্চারিত হওয়ার প্রক্রিয়াকে বংশগতি বলে। এ প্রক্রিয়ায় পিতা-মাতার বিশেষ লক্ষণগুলো নির্ভুলভাবে সন্তান-সন্ততির মধ্যে স্থানান্তরিত হয়। ক্রোমোজোম হচ্ছে বংশগতির প্রধান বস্তু, যা অসংখ্য অতি সূক্ষ্ম জিন দ্বারা গঠিত। এসব জিন রাসায়নিকভাবে DNA দ্বারা গঠিত। এ DNA জীবের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য যেমন- এদের রং, আকার, স্বভাব, পরিব্যাপ্তি ইত্যাদি ধারণ করে যা বংশানুক্রমে মাতা-পিতা থেকে সন্তান-সন্ততিতে স্থানান্তরিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

DNA-এর প্রধান উপাদান হলো পাঁচ কার্বনবিশিষ্ট শর্করা (ডিঅক্সিরাইবোজ), নাইট্রোজেনযুক্ত বেস (এডিনিন, গুয়ানিন, সাইটোসিন, থাইমিন) এবং অজৈব ফসফেট। এরা একত্রে নিউক্লিওটাইড গঠন করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

DNA সাধারণত দুই সূত্রবিশিষ্ট পলিনিউক্লিওটাইডের সর্পিলাকার গঠন। একটি সূত্র অন্যটির পরিপূরক, এই সূত্র দুইটির মধ্যে হাইড্রোজেন বন্ধন থাকে। একটি সূত্রের এডিনিন (A) অন্যসূত্রের থাইমিন (T)-এর সাথে দুটি হাইড্রোজেন বন্ধন দিয়ে যুক্ত (A = T) থাকে এবং একটি সূত্রের গুয়ানিন (G), অন্যসূত্রের সাইটোসিনের (C) সাথে তিনটি হাইড্রোজেন বন্ড দিয়ে যুক্ত (GC) থাকে। অর্থাৎ এই বন্ধন সর্বদা একটি পিউরিন এবং একটি পাইরিমিডিনের মধ্যে হয়ে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

মেন্ডেল একটি লম্বা ও খাটো মটর গাছ নিয়ে কৃত্রিম উপায়ে লম্বা গাছের পরাগরেণু খাটো গাছের গর্ভমুণ্ডে এবং খাটো গাছের পরাগরেণু লম্বা গাছের গর্ভমুণ্ডে স্থানান্তর করে এদের প্রজনন ঘটান। যেহেতু লম্বা গাছের জিন প্রকট, তাই এ থেকে উৎপন্ন বীজ বুনে দেখা গেল সব গাছই লম্বা হয়েছে। কোনো খাটো গাছ নেই। এরপর তিনি এক লম্বা গাছকে স্ব-পরাগায়নের মাধ্যমে প্রজনন ঘটিয়ে তা থেকে উৎপন্ন বীজ বুনে দেখলেন যে এতে লম্বা ও খাটো। দুরকমের গাছই রয়েছে। যার মধ্যে তিন ভাগ গাছ লম্বা এবং এক ভাগ গাছ খাটো। এদের অনুপাত ৩ : ১ ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

যে প্রক্রিয়ায় একটি DNA অণু থেকে আর একটি নতুন DNA অণু তৈরি হয় বা সংশ্লেষিত হয় তাকে DNA অনুলিপন বলে। এই পদ্ধতিতে DNA সূত্র দুটির হাইড্রোজেন বন্ধন ভেঙে গিয়ে আলাদা হয় এবং প্রতিটি সূত্র তার পরিপূরক নতুন সূত্র সৃস্টি করে। এরপর একটি পুরাতন সূত্র ও একটি নতুন সূত্র সংযুক্ত হয়ে DNA অণুর সৃষ্টি হয়। একটি পুরাতন মাতৃ সূত্রক ও একটি নতুন সৃষ্ট সূত্রকের সমন্বয়ে গঠিত বলে একে অর্ধ-রক্ষণশীল পদ্ধতি বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বর্ণান্ধতা এমন এক অবস্থা যখন কেউ কোনো রং সঠিকভাবে চিনতে পারে না। রং চিনতে আমাদের চোখের স্নায়ুকোষে রং শনাক্তকারী পিগমেন্ট থাকে। বর্ণান্ধতা এক ধরনের বংশগতীয় রোগ। তবে অনেক সময় ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ফলেও এটি হতে পারে। বাত রোগের জন্য হাইড্রক্সি-ক্লোরোকুইনিন দীর্ঘ সময় ধরে সেবন করলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে চোখের রঙ্গিন পিগমেন্ট নষ্ট হয়ে যায়। ফলে রোগী বর্ণান্ধ হতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

চোখের স্নায়ুকোষে রং শনাক্তকারী পিগমেন্টের অনুপস্থিতির কারণে মানুষ কালার ব্লাইন্ড হয়। এমনকি বংশগতি কারণ ছাড়াও কোনো কোনো ঔষধ যেমন- বাত রোগের জন্য হাইড্রক্সি-ক্লোরোকুইনিন সেবনে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে চোখের রঙিন পিগমেন্ট নষ্ট হয়ে যায়। ফলে রোগী কালার ব্লাইন্ড হতে পারে। কালার ব্লাইন্ড রোগীরা লাল আর সবুজ বর্ণের পার্থক্য করতে পারে না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

রক্তের লোহিত রক্তকণিকার এক অস্বাভাবিক অবস্থাজনিত রোগ থ্যালাসেমিয়া। নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-

লোহিত রক্তকণিকা দুই ধরনের প্রোটিন ৫- গ্লোবিউলিন এবং গ্লোবিউলিন দ্বারা গঠিত। লোহিত রক্ত কোষে এ দুটি প্রোটিনের জিন নষ্ট হলে লোহিত রক্তকণিকাগুলো নষ্ট হয়। ফলে রোগী রক্তশূন্যতায় ভোগে। সুতরাং লোহিত রক্তকণিকায় প্রোটিনের জিন নষ্ট হবার কারণে থ্যালামেসিয়া রোগ হয়। এ রোগ বংশ পরম্পরায় হয়ে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

একসময় মানুষের ধারণা ছিল, পৃথিবী অপরিবর্তিত, অর্থাৎ সৃষ্টির আদিতে পৃথিবীর যে আকার বা আয়তন ছিল, তার কোনো পরিবর্তন ঘটেনি। তারা ভাবতো, আদি জীবজগতের সঙ্গে বর্তমানকালের জীবজগতের তেমন কোনো পার্থক্য নেই। খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে জেনোফেন (Xenophane) নামের একজন বিজ্ঞানী প্রথম কতকগুলো জীবাশ্ম (fossil) আবিষ্কার করেন। তিনি প্রমাণ করেন যে জীবদেহের আকার অপরিবর্তনীয় নয়, অর্থাৎ অতীত এবং বর্তমান যুগের জীবদেহের গঠনে যথেষ্ট পরিবর্তন ঘটেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবীতে জীব সৃষ্টির শুরুতে প্রোটোজোয়াদের দেহে সুগঠিত নিউক্লিয়াস দেখা গিয়েছিল এবং এককোষী জীবদেহে ক্লোরোফিল সৃষ্টি হয়েছিল, যার ফলে পৃথিবীতে একদিকে যেমন খাদ্য সংশ্লেষণ সম্ভব হয়েছিল, তেমনি খাদ্য সংশ্লেষের উপজাত হিসেবে অক্সিজেন সৃষ্টি হতে শুরু করেছিল, তখন সবাত শ্বসনকারী অর্থাৎ বহুকোষী জীবদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছিল। এভাবেই সৃষ্টি হয়েছিল এককোষী জীব থেকে বহুকোষী জীব।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

উত্তর ও মধ্য আমেরিকায় প্রচণ্ড ঠাণ্ডা ও তুষারপাতের ফলে কোয়েল পাখি বিলুপ্ত হয়ে গেছে। জীবকে তার অস্তিত্ব বজায় রাখার জনা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ধরনের প্রতিকূল পরিবেশের সঙ্গে সংগ্রাম করতে হয়। যে প্রাণীগুলো প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকতে পারে, তারা বেঁচে থাকে অন্যরা বিলুপ্ত হয়ে যায়। উত্তর ও মধ্য আমেরিকার কোয়েল পাখি প্রচণ্ড ঠাণ্ডা ও তুষারপাতের সাথে লড়াই করে টিকতে না পারায় বিলুপ্ত হয়ে গেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

প্রকৃতিতে প্রতিটি জীবের টিকে থাকার জন্য সংগ্রাম করতে হয়। এভাবে সংগ্রামের মাধ্যমে জীবের টিকে থাকা এবং বিলুপ্ত হওয়ার বিষয়টিকে প্রাকৃতিক নির্বাচন বলে। ডারউইনের মতে জীবনসংগ্রামে সেসব প্রাণী সাফল্য লাভ করে যাদের শারীরিক গঠন প্রকৃতিতে বেঁচে থাকার প্রয়োজনে পরিবর্তিত হয়। তারা পরিবর্তনশীলতায় দক্ষতার পরিচয় দিয়ে অভিযোজিত গুণগুলো বংশপরম্পরায় সঞ্চারিত করে বেঁচে থাকে এবং অভিব্যক্তির প্রতিযোগিতায় জয়ী হয় পক্ষান্তরে পরিবর্তনশীলতায় ব্যর্থরা প্রকৃতি কর্তৃক নির্বাচিত হয় না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বর্তমানে বংশগতিবিদ, কোষতত্ত্ববিদ এবং শ্রেণিবিদগণ নতুন প্রজাতির উৎপত্তির বিষয়ে বংশগতিবিদ্যা মতবাদের এবং অভিব্যক্তি তত্ত্বের ভিত্তিতে বলেন, তিনটি ভিন্ন উপায়ে নতুন প্রজাতির সৃষ্টি হতে পারে:

১. মূল প্রজাতির থেকে পৃথক হয়ে যাওয়ার ফলে,
২. সংকরায়নের ফলে এবং
৩. সংকরায়ন প্রজাতিতে কোষ বিভাজনের সময় ঘটনাক্রমে কোষে ক্রোমোজোম সংখ্যা বৃদ্ধির ফলে। এর ফলে নতুন জীবটির অভিযোজন ঘটবে এবং প্রাকৃতিক নির্বাচনের দ্বারা একটি নতুন প্রজাতির সৃষ্টি হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

বৈচিত্র্যময় বৈশিষ্ট্যের মধ্যে যেগুলো পরিবেশের সাথে মানানসই, সেগুলো জীবের টিকে থাকার সম্ভাবনা বাড়ায়। এই বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন জীবেরা খাদ্য সংগ্রহ, সুরক্ষা এবং বংশবৃদ্ধিতে সফল হয়। অযোগ্য বৈশিষ্ট্যের জীবেরা পরিবেশ-পরিস্থিতি সহ্য করতে না পেরে ধ্বংস হয়ে যায়। যেসব বৈশিষ্ট্য নিরপেক্ষ, সেগুলো টিকে থাকা বা মারা যাওয়ার ওপর তেমন প্রভাব ফেলে না। টিকে থাকা জীবেরা নিজেদের বৈশিষ্ট্য পরবর্তী প্রজন্যে সঞ্চারিত করতে সক্ষম হয়। এভাবেই যোগ্য জীবেরা প্রাকৃতিক নির্বাচন প্রক্রিয়ায় এগিয়ে থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ডারউইনীয় জৈব অভিব্যক্তি বংশগত বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ঘটে। মিউটেশন এবং প্রাকৃতিক নির্বাচনের ফলে ফিট বৈশিষ্ট্যগুলো বেশি টিকে থাকে। এই বৈশিষ্ট্য নির্ধারক অ্যালিলের ফ্রিকোয়েন্সি পরিবর্তিত হয়। এক প্রজন্মের বৈশিষ্ট্য সরাসরি পাল্টে নতুন জীব সৃষ্টি করে না। বরং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পুরো পপুলেশন ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হয়। এটাই প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে প্রজাতির অভিযোজন প্রক্রিয়া।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ডারউইনীয় জৈব অভিব্যক্তির দ্বিতীয় শর্তটি হলো নির্বাচন (Selection)। এটি পরিবশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বৈশিষ্ট্যযুক্ত জীবদের টিকে থাকার এবং বংশবৃদ্ধির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেয়। যোগ্য বৈশিষ্ট্যধারী জীবরা টিকে থেকে তাদের বৈশিষ্ট্য পরবর্তী প্রজন্মে সঞ্চারিত করে। ফলে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ওই বৈশিষ্ট্যের উপস্থিতি পপুলেশনে বৃদ্ধি পায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

'Survival of the fittest' কথাটির অর্থ হলো 'যোগ্যতমের টিকে থাকা'। প্রতিটি জীবই তার নিজস্ব পরিবেশে বেঁচে থাকার জন্য সংগ্রাম করে যাচ্ছে। এ জন্য তাকে অভিযোজিত হতে হয়। এক্ষেত্রে দেখা যায় যারা অভিযোজিত হতে পারে না তারা প্রতিকূক্ত পরিবেশে টিকে থাকতে পারে না। অর্থাৎ যোগ্যতমের বিচারে দুর্বলরা পরিবেশ থেকে ধ্বংস হয়ে যাবে। অপরপক্ষে প্রকৃতিতে অনেক উদ্ভিদ ও প্রাণী এমন কিছু অভিযোজনের অধিকারী হয়, যা তাদের বেঁচে থাকার জন্য বিশেষ সহায়ক। যেমন- মরুভূমিতে অনেক গাছ পানি সংরক্ষণ করার কৌশল শিখে নিয়েছে। যা তাদেরকে আগামীতে যেকোনো ধরনের প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকতে সহায়তা করবে। কারণ প্রতিকূ পরিবেশে টিকে থাকার জন্য তারা যোগ্যতা অর্জন করেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
উত্তরঃ

ডারউইন তত্ত্বের প্রাকৃতিক নির্বাচন প্রতিপাদ্যটি সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এই, প্রক্রিয়ায় অনুকূল (বা অভিযোজনমূলক) প্রকরণ সমন্বিত জীবেরা অন্যদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় বেশি সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে। অনুকূল প্রকরণ সমন্বিত জীবেরা প্রকৃতির দ্বারা নির্বাচিত হয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি সংখ্যা বেঁচে থাকে এবং অত্যাধিক হারে বংশবিস্তার করে। অপরদিকে, প্রতিকূল প্রকরণসম্পন্ন জীবেরা প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়াতে পারে না। ফলে ধীরে ধীরে. অবলুপ্ত হয়। তাই ডারউইনের মতবাদ অনুসারে পরিবর্তিত পরিবেশে যে জীবটি খাপ খাইয়ে নিতে পারে, তাকে "যোগ্য" আখ্যা দিয়ে অনেক সময় সহজ করে বলা হয়, যোগ্য জীবটি পরিবেশে প্রতিযোগিতায় জয়ী হয়ে টিকে থাকবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
No explanation available yet.
49
মানুষ, শিম্পাঞ্জি, ওরাংওটাং ও ম্যাকাক বানরের খুলির তুলনামূলক ছবি

মাতা-পিতার আকৃতি ও প্রকৃতিগত বৈশিষ্ট্যাবলি বংশানুক্রমে সন্তান-সন্ততিতে সঞ্চারিত হয়। মাতাপিতা থেকে বৈশিষ্ট্য সন্ধানে কীসের মাধ্যমে কীভাবে স্থানান্তরিত হয়, তা আমরা এ অধ্যায়ে জানতে পারব। এ অধ্যায়ে আরও জানতে পারব যে জীবজগতের মধ্যে বিভিন্ন শ্রেণি বর্তমান এবং তারা তাদের পূর্বপুরুষ (Ancestor) থেকে উদ্ভুত হয়ে বিবর্তন বা ক্রমবিকাশের মাধ্যমে ক্রমাগত পরিবর্তিত ও রূপান্তরিত হয়ে বর্তমান রূপ ধারণ করেছে।

এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-
•বংশগতির ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব।
• বংশপরম্পরায় চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য বহনকারী উপাদানসমূহ সম্পর্কে বর্ণনা করতে পারব।
•চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য বংশপরম্পরায় স্থানান্তর ব্যাখ্যা করতে পারব।
•DNA প্রতিরূপ ব্যাখ্যা করতে পারব।
• বংশগতির তথ্য স্থানান্তরে ডিএনএ (DNA)-এর ভূমিকা ব্যাখ্যা করতে পারব।
•DNA টেস্টের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব।
• লিঙ্গ নির্ধারণে পুরুষের ভূমিকা ব্যাখ্যা করতে পারব।
• জেনেটিক ডিসঅর্ডারের কারণ ও ফলাফল বর্ণনা করতে পারব।
•বিবর্তনের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব।
• বিবর্তনের প্রাকৃতিক নির্বাচন মতবাদ বর্ণনা করতে পারব।
•প্রজাতির টিকে থাকায় বিবর্তনের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করতে পারব।
• মা-বাবার সাথে সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্যমূলক বৈশিষ্ট্যসমূহ নির্ণয় করতে পারব।
• আমাদের জীবনে ডিএনএ (DNA) টেস্টের অবদান উপলব্ধি করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

জীববিজ্ঞানের যে বিশেষ শাখায় সকল প্রকার জীবের বংশগতি সম্পর্কে বিশদ আলোচনা ও গবেষণা করা হয় তাই এক কথায় বলা বংশগতিবিদ্যা।

937
উত্তরঃ

যে প্রক্রিয়ায় একটি অণু (DNA) থেকে অনুরূপ দুটি নতুন অণুর (DNA) সৃষ্টি হয় তাকে অনুলিপন (DNA) অনুলিপন বলে। এই প্রক্রিয়াটি DNA অণুর সূত্র দুটির হাইড্রোজেন বন্ধন ভেঙ্গে গিয়ে আলাদা হয় এবং প্রতিটি সূত্র তার পরিপূরক নতুন সূত্র সৃষ্টির মাধ্যমে নতুন DNA অণু তৈরি করে।

1.1k
উত্তরঃ

সিফাতের বড় কন্যাটি যেহেতু দেখতে হুবহু বাবার মত সেহেতু তার এ চেহারার জন্য দায়ী প্রকট জিনটি বাবার কাছ থেকেই এসেছে এবং মায়ের চেহারার জন্য দায়ী জিনটি তার 'দেহে প্রচ্ছন্ন অবস্থায় আছে। অর্থাৎ মায়ের ঐ জিনটি তার দেহে প্রচ্ছন্ন জিন।

আবার, ছোট কন্যাটির চুল ও গায়ের রং বাবার মত। অর্থাৎ চুল ও গায়ের রং এর জন্য দায়ী প্রকট জিনগুলো সে বাবার কাছ থেকে পেয়েছে। কিন্তু তার চেহারা মায়ের মতো হওয়ায় চেহারার জন্য দায়ী প্রকট জিনটি সে মায়ের কাছ থেকে পেয়েছে। মা বাবার অন্যান্য যে সকল বৈশিষ্ট্যগুলো প্রকাশ পায়নি সেগুলোর জন্য দায়ী জিন তার দেহে প্রচ্ছন্ন অবস্থায় রয়েছে।

সুতরাং সিফাতের সন্তানদের ক্ষেত্রে এরূপ শারীরিক গঠনগত ভিন্নতার কারণ হলো প্রকট জিন। প্রকট জিনই যে কোন জীবের বাহ্যিক বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।

417
উত্তরঃ

সম্প্রতি সিফাতের আরও একটি কন্যা সন্তান হওয়ায় সে তার স্ত্রীর উপর ভীষণ ক্ষুব্ধ। এটি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। কারণ, স্ত্রী লোকের ডিপ্লয়েড কোষে দুটি সেক্স কোমোসোমই X ক্রোমোসোম অর্থাৎ XX। কিন্তু পুরুষদের ক্ষেত্রে দুটির মধ্যে একটি X, অপরটি Y ক্রোমোসোম অর্থাৎ XY। মানুষের লিঙ্গ নির্ধারণ ভালভাবে পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, কন্যা বা পুত্র সন্তানের জন্ম হবার ব্যাপারে মায়ের আদৌ কোনো ভূমিকা নেই। কারণ মা সবসময় কেবল X বহনকারী ডিম্বাণু তৈরি করে। অপরদিকে পিতা X এবং Y উভয় ধরনের শুক্রাণু উৎপাদন করে। গর্ভধারণকালে কোন ধরনের শুক্রাণু মাতার X বহনকারী ডিম্বাণুর সঙ্গে মিলিত হবে তার উপর নির্ভর করে ভবিষ্যৎ সন্তানের লিঙ্গ। যেহেতু নিষেকে কেবল একটি শুক্রাণুই ডিম্বাণুর সঙ্গে মিলিত হয় তাই পিতার X অথবা Y শুক্রাণুর কোনটি সাফল্যভাবে নিষেক ঘটাবে তার উপর নির্ভর করে সন্তানের লিঙ্গ। যদি X বহনকারী শুক্রাণু নিষেক ঘটায় তা হলে জাইগোট হবে XX, অর্থাৎ সন্তান হবে কন্যা। আর যদি Y বহনকারী শুক্রাণু নিষেকে অংশগ্রহণ করে সেক্ষেত্রে জাইগোট হবে XY এবং সন্তান হবে পুত্র। উপরের বিজ্ঞানভিত্তিক আলোচনা থেকে স্পষ্টভাবে বলা যায় যে সম্প্রতি সিফাতের আরও একটি কন্যা সন্তান হওয়ার জন্য তার স্ত্রী কোনভাবেই দায়ী নয়, বরং কন্যা সন্তান হওয়ার জন্য সিফাতই দায়ী। সুতরাং স্ত্রীর উপর ক্ষুব্ধ হওয়া সিফাতের অনুচিৎ এবং সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।

291
উত্তরঃ

ক্রোমোসোমের যে স্থানে জিন অবস্থান করে তাই লোকাস।

303
উত্তরঃ

পৃথিবীতে বর্তমানে যত জীব রয়েছে তাদের অনেকেই বিভিন্ন সময়ে এ ভূমণ্ডলে আবির্ভূত হয়েছে। সময়ের সাথে সাথে পরিবেশেরও পরিবর্তন ঘটেছে। আর এই ভিন্ন পরিবেশে জীবগুলো তাদের নিজেদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের পরিবর্তন ঘটিয়ে টিকে আছে। বিভিন্ন পরিবেশে বা প্রতিকূল পরিবেশে জীবের নিজেকে খাপ খাইয়ে বেঁচে থাকাই হলো অভিযোজন। অভিযোজন জীবের এক অনন্য বৈশিষ্ট্য।

637
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews