জেসিকা গৃহকে অপরূপভাবে সাজায় কিন্তু তার গৃহের পরিবেশ অপরিচ্ছন্ন। ফলে সে প্রায়ই অসুস্থ থাকে। প্রতিবেশি জুলি তাকে গৃহের স্বাস্থ্যকর পরিবেশ রক্ষায় করণীয় দিকগুলো সম্পর্কে ধারণা দেন। গৃহের স্বাস্থ্যকর পরিবেশ রক্ষায় করণীয় দিকগুলো হলো-
১. গৃহে যাতে সূর্যকিরণ এবং বায়ু সহজেই প্রবেশ করতে পারে সেজন্য গৃহের অবস্থান দক্ষিণ অথবা পূর্বমুখী হলে ভালো হয়। সূর্যের আলো অন্ধকার দূর করে এবং উত্তাপ রোগজীবাণু ধ্বংস করে। বায়ুর অক্সিজেন আমাদের দেহকোষকে বাঁচিয়ে রাখে।
২. প্রতিদিন গৃহের মেঝে ও আসবাব পরিষ্কার রাখতে হয়। সপ্তাহে একদিন জীবাণুনাশক ঔষধ দিয়ে মেঝে পরিষ্কার করতে হয়।
৩. ঘরের পর্দা, চাদর ও কভারে ধুলা জন্মায়। প্রতি সপ্তাহে বিছানার চাদর পরিষ্কার করতে হয়। ৩/৪ মাস পর পর ঘরের পর্দা ও আসবাবের কভার পরিষ্কার করতে হয়।
৪. পড়াশোনা, রান্নাঘরের কাজ, খাবার টেবিল ইত্যাদি জায়গায় পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা রাখতে হয়।
৫. ময়লা, আবর্জনা নির্দিষ্ট স্থান বা ডাস্টবিনে ফেলতে হয়। গৃহের চারপাশে ঝোপঝাড় পরিষ্কার করে পোকামাকড় ধ্বংস করার ঔষধ স্প্রে করতে হয়।
উপরিউক্ত নিয়মগুলো মেনে জেসিকা গৃহে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ রক্ষা করতে পারবে। সুতরাং বলা যায়, প্রতিবেশি জুলির পরামর্শটি যথার্থ ও সঠিক।
Related Question
View Allআসবাবপত্র বিন্যাসের উপর গৃহসজ্জার সৌন্দর্য নির্ভর করে।
গৃহকে মনোরম ও আকর্ষণীয় করে নান্দনিকতা বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন হয় গৃহের অভ্যন্তরীণ সাজসজ্জা।
পরিবার গৃহসজ্জার মাধ্যমে জীবনযাপনের মান উন্নত করে মানসিক তৃপ্তি লাভ করে। গৃহকে সুন্দর ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ করে বসবাসের উপযোগী করে তোলার জন্য অভ্যন্তরীণ সাজসজ্জা একান্ত প্রয়োজন।
গৃহকে বাসোপযোগী করার জন্য প্রয়োজন আসবাবপত্র। পরিবারের জীবনযাত্রার মান, অবস্থানের মান, পারিবারিক জীবন চক্রের স্তর ইত্যাদির ভিন্নতায় আসবাবের চাহিদার ধন বদলায়।
আসবাব নির্বাচনে কালাম সাহেবকে কতগুলো বিষয় বিবেচনায় রাখতে হতো। যেহেতু কালাম সাহেবের নিজের কাছে অর্থ ছিল না, সেহেতু তার নতুন আসবাব প্রয়োজন কি না, বিষয়টি বিবেচনায় রাখা উচিত ছিল। কারণ পরিবারের আয়ের সাথে সামঞ্জস্য রেখে আসবাব নির্বাচন করতে হয়। আয়ের সাথে সামঞ্জস্য রেখে আসবাব নির্বাচন করলে সমাজেও তার গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পায়। তাছাড়া কক্ষের আয়তন ও আকারের সাথে সামঞ্জস্য রেখে আসবাব নির্বাচন করলে কালাম সাহেবকে হয়তো এতো অসুবিধায় পড়তে হতো না। আসবাব ক্রয়ের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এর উপযোগিতা। আসবাবের উপযোগিতা হচ্ছে তার চাহিদা মেটানোর ক্ষমতার প্রতি লক্ষ রাখা।
উপরিউক্ত বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখলে কালাম সাহেবকে এত সমস্যার সম্মুখীন হতে হতো না।
গৃহসজ্জার অন্যতম প্রধান অংশ পুষ্পবিন্যাস।
প্রাধান্য বলতে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুকে বোঝায়।
বসার ঘরে সুদৃশ্য সেন্টার টেবিলে ফুলদানিতে তাজা ফুল, খাবার ঘরের টেবিলে বিভিন্ন ফল, শোবার ঘরে সুদৃশ্য আসবাব বা কার্পেট ইত্যাদি দিয়ে ঘর সাজিয়ে প্রাধান্য সৃষ্টি করা যায়। এসব কারণেই আসবাব বিন্যাসে প্রাধান্য গুরুত্বপূর্ণ।
মানুষ সারাদিন কর্মব্যস্ততার পর গৃহে ফিরে আসে এবং শয়নকক্ষে বিশ্রাম নেয়। তাই তাকে শয়নকক্ষের আসবাব বিন্যাসে যত্নবান হতে হবে। মিসেস জরিফা শয়নকক্ষের আসবাব যেভাবে বিন্যাস করতে পারেন তা হলো-
১. তিনি শয়নকক্ষে খাট, ড্রেসিং টেবিল, আলমারি ইত্যাদি আসবাব রাখতে পারেন। খাটের অবস্থান এমনভাবে হবে যাতে চোখে আলো না পড়ে।
২. শয়নকক্ষের দেয়ালের রং হালকা হলে ভালো হয়।
৩. তিনি খাটের পাশে বই বা খবরের কাগজ রাখার জন্য ছোট টেবিল রাখতে পারেন এবং একটি টেবিল ল্যাম্প রাখতে পারেন যাতে পড়ার সময় পর্যাপ্ত আলো পাওয়া যায়।
৪. তিনি দেয়াল সজ্জায় চিত্রকর্ম ব্যবহার করতে পারেন। ড্রেসিং টেবিল বা সাইড টেবিলের ওপর একগুচ্ছ ফুল রেখে ঘরের সৌন্দর্য অনেকখানি বাড়িয়ে তুলতে পারেন।
এভাবেই মিসেস জরিফা তার শয়নকক্ষের আসবাবের সঠিক বিন্যাস করতে পারেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!