রেশমা মনে করেন, কিছু কৌশল অবলম্বন করলে শক্তির সুষ্ঠু ব্যবহার করা যায়।
শক্তিকে যথাযথভাবে ব্যবহার না করলে তা ক্ষয় হয়ে যায়। শক্তির সুষ্ঠু ব্যবহারে যে কৌশল অবলম্বন করে সহজে বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করা যায় সেগুলো কাজ সহজকরণ পদ্ধতি হিসেবে পরিচিত।
শক্তির সুষ্ঠু ব্যবহারের জন্য কর্মকেন্দ্রের পরিসর এমন হওয়া উচিত, যাতে দেহের অবস্থান এবং দেহভঙ্গি ঠিক রেখে কাজ করা যায়। কাজের সরঞ্জামগুলো হাতের নাগালের মধ্যে থাকলে শক্তির সাশ্রয় হয়। কাজের জন্য নির্ধারিত স্থানে কাজ করলে কম শক্তি খরচ করে কাজ করা যায়। যেমন- খাবার ঘরে খাওয়ার কাজ সম্পন্ন করা, ধোয়ার স্থানে ধোয়া ইত্যাদি। প্রয়োজনীয় সরঞ্জামগুলো কাজের স্থানে থাকলে অযথা হাঁটাহাঁটিতে শক্তির অপচয় হয় না। কাজের উপযোগী সঠিক সরঞ্জামও শক্তির সাশ্রয় করে। যেমন- ঘর মোছার জন্য কাপড়ের পরিবর্তে মপ ব্যবহার আরামদায়ক। সব কাজের সুনির্দিষ্ট কিছু নিয়ম আছে, তা অনুসরণ করে কাজ করলে শক্তির সাশ্রয় হয়। যেমন- অনেক কাপড় আলাদা আলাদাভাবে না ধুয়ে সবগুলো একসাথে সাবান পানিতে ভিজিয়ে রেখে, একত্রে ধুয়ে শুকাতে দিলে কাজ সহজ হয় ও শক্তি বাঁচে। বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত সামগ্রীর পরিবর্তন করেও শক্তির সাশ্রয় করা যায়। যেমন- খাবার টেবিলে কাপড়ের ক্লথ ব্যবহার না করে প্লাস্টিকের টেবিল ক্লথ ব্যবহার করলে শক্তির অপচয় কম হয়। কাজের সামগ্রীর মান পরিবর্তন করেও শক্তি বাঁচানো যায়। যেমন- সালাদ বানাতে শশা, টমেটো কুচি করে না কেটে স্লাইস করে কাটা যায়। এতে সময় ও শক্তির সাশ্রয় হয়।
উপরিউক্ত কৌশলসমূহ অবলম্বন করে শক্তির সুষ্ঠু ব্যবহার করা যায়।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allনির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট আয়ের ব্যয় ও সঞ্চয় করার পূর্ব পরিকল্পনা হচ্ছে বাজেট।
পারিবারিক জীবনযাপনের যেসব ক্ষেত্রে অর্থ ব্যয় করতে হয়, সেগুলোই বাজেটের খাত হিসেবে পরিচিত। বাজেটের খাতগুলো সাজানো হয় পরিবারের প্রয়োজনের গুরুত্ব অনুসারে। প্রকৃত বাজেট প্রস্তুত করার সময় কোন কোন খাতে অর্থ ব্যয় করতে হবে সেগুলো স্থির করতে হয়।
তানজীল সাহেবের পরিবারের মাসিক মোট আয় ১০,০০০ টাকা এবং সদস্য সংখ্যা ৫ জন। তার পরিবারের জন্য একটি সুষম বাজেট তৈরি করা হলো-
তানজীল সাহেবের সংসারে বাজেট করার প্রয়োজনীয়তা আছে বলে আমি মনে করি।
বাজেট হচ্ছে অর্থ ব্যয়ের পূর্ব পরিকল্পনা। বাজেট অনুযায়ী সুপরিকল্পিতভাবে ব্যয় করলে মূল্যবান অর্থের অপচয় ঘটে না এবং চাহিদাগুলোও পূরণ হয়ে থাকে।
বাজেট করার ফলে তানজীল সাহেব বিভিন্ন দিক থেকে উপকৃত হবেন। তা হলো-
১. বাজেট করার ফলে তানজীল সাহেব পরিবারের আয় ও ব্যয় সম্বন্ধে ধারণা পাবেন।
২. বাজেট তার পরিবারের অপচয় রোধ করে সচ্ছলতা আনয়নে সাহায্য করবে।
৩. ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয়ের ব্যবস্থা নিতে পারবেন।
৪. গুরুত্বপূর্ণ চাহিদাগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পূরণ হবে।
৫. বাজেটের ফলে তার পরিবারের সদস্যরা মিতব্যয়ী হতে শিখবে। ফলে অপচয় হ্রাস পাবে।
৬. বাজেট করে অর্থ ব্যয় করলে সময় ও শক্তির সাশ্রয় হয়।
৭. বাজেট করে সংসার পরিচালনার ফলে সদস্যদের সকল চাহিদা পূরণ করে তাদের সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারবেন।
সুতরাং বাজেট করার ফলে তানজীল সাহেব উল্লিখিত সুবিধাগুলো পাবেন। তাই তার বাজেট করার প্রয়োজনীয়তা আছে।
সময় কখনো সঞ্চয় করা যায় না।
পারিবারিক মানবীয় সম্পদগুলোর মধ্যে সময় অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। যে ব্যক্তি যত বেশি অর্থবহ কর্মসূচি দিয়ে যথাযথভাবে নিজেকে সময়ের সাথে সম্পৃক্ত করতে পারে জীবনে সে তত বেশি সফলতা অর্জন করতে পারে। সময়কে যথাযথ ব্যবহার করতে মানুষ ব্যক্তিগতভাবে, সামাজিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!