প্রবাসী খুরশীদ আলমের সাথে ব্রিটিশ নাগরিক রবার্টের পরিচয় হয়। খুরশীদের সাথে রবার্ট তাদের বাড়িতে বেড়াতে আসে। এদেশে এসে রবার্ট দেখল, খুরশীদের বাড়িতে পুরুষরা পায়জামা, পাঞ্জাবি, লুঙ্গি পরে আর মেয়েরা শাড়ি, ব্লাউজ পরে। আবার রবার্টকে যে ঘরটিতে থাকতে দেওয়া হয়, সেটি বহুতল বিল্ডিং কিংবা ইটের তৈরি ছিল না। সেটি ছিল টিনের তৈরি। খুরশীদের পরিবারের সকলের মধ্যে আদর্শ, মূল্যবোধ ও নৈতিকতা অত্যন্ত প্রখর, যা রবার্টকে অভিভূত করল।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের মানুষের মনোভাব ও দৃষ্টিভঙ্গি সংস্কৃতির অবস্তুগত উপাদান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
উত্তরঃ

ব্যক্তি ও গোষ্ঠীজীবনে সংস্কৃতি বিশেষ প্রভাব বিস্তার করে। সংস্কৃতি মানুষের মধ্যে বিশ্বাস, ধারণা, আদর্শ ও মূল্যবোধ জাগিয়ে তোলে এবং ব্যক্তির আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে। সংস্কৃতি গোষ্ঠীজীবনের স্বার্থে পারস্পরিক সুসংহত ও সুশৃঙ্খল করে তোলে। সংস্কৃতি ব্যক্তিকে বুচিশীল ও মার্জিত করে। ব্যক্তির বিকাশকে সহজ করে। তাই ব্যক্তি ও গোষ্ঠী জীবনে সংস্কৃতির যথেষ্ট প্রভাব পরিলক্ষিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বাংলাদেশের সংস্কৃতির বস্তুগত ও অবস্তুগত দুটি দিকই ফুটে উঠেছে।

বস্তুগত সংস্কৃতি হলো যেগুলো আমরা চোখে দেখতে পারি। আর অবস্তুগত সংস্কৃতি হলো যা আমরা চোখে দেখতে পাই না। সংস্কৃতির বস্তুগত উপাদানসমূহ হচ্ছে- বিভিন্ন ধরনের ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র, পোশাক, যানবাহন, খাবার, চাষাবাদের উপকরণ, বইপত্র ইত্যাদি। আবার সংস্কৃতির অবস্তুগত উপাদানসমূহ হচ্ছে- সামগ্রিক জ্ঞান, মনোভাব ও দৃষ্টিভঙ্গি, বিশ্বাস ও নীতিবোধ, ভাষা সাহিত্য, আদর্শ ও মূল্যবোধ ইত্যাদি।

উদ্দীপকেও লক্ষ করা যায়, খুরশীদের বাড়িতে পুরুষরা পায়জামা-পাঞ্জাবি, লুঙ্গি পরে এবং মেয়েরা শাড়ি, ব্লাউজ পরে। এগুলো হলো বস্তুগত সংস্কৃতির অন্তর্ভুক্ত। খুরশীদের পরিবারের সকলের মধ্যে আদর্শ, মূল্যবোধ ও নৈতিকতার প্রভাব লক্ষ করা যায়। এগুলো হলো অবস্তুগত সংস্কৃতি। অতএব উদ্দীপকের খুরশীদ ও তার পরিবারের সকলের পোশাক-পরিচ্ছদ এবং তাদের মধ্যকার আদর্শ, মূল্যবোধ ও নৈতিকতা বাংলাদেশের সংস্কৃতির বস্তুগত ও অবস্তুগত উপাদানের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
উত্তরঃ

হ্যাঁ, বাংলাদেশের সংস্কৃতির উপাদানগুলো কোনোভাবেই পরস্পর থেকে বিচ্ছিন্ন নয়- প্রশ্নোক্ত এ বক্তব্যের সাথে আমি একমত পোষণ করি।
বাংলাদেশে দুই ধরনের সংস্কৃতির উপাদান রয়েছে। একটি বস্তুগত ও অন্যটি অবস্তুগত। বস্তুগত ও অবস্তুগত উপাদান দুটি একে অপরের সাথে গভীরভাবে সম্পর্কযুক্ত। নকশিকাঁথা বাংলাদেশের সংস্কৃতির একটি বস্তুগত উপাদান। এর মধ্যে যখন ফুল-পাতা, হাতি-ঘোড়া বা অন্য কোনো দৃশ্য সেলাই করা হয়, তখন তা হয়ে ওঠে এদেশের নারী মনের চিন্তার বহিঃপ্রকাশ।

তেমনি উদ্দীপকেও খুরশীদের পরিবারের সকল সদস্য নিজেদের ঐতিহ্যগত পোশাক-পরিচ্ছন্ন ব্যবহার করে। আবার খুরশীদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে মূল্যবোধ ও নৈতিকতার উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। এসব কিছুই বস্তুগত ও অবস্তুগত সংস্কৃতির অবিচ্ছিন্নতারই বহিঃপ্রকাশ।
অতএব বলা যায়, বাংলাদেশের সংস্কৃতির বস্তুগত ও অবস্তুগত উপাদানসমূহ কোনোভাবেই পরস্পর থেকে বিচ্ছিন্ন নয়। এ কারণে প্রশ্নোক্ত উক্তিটি যথার্থ ও সঠিক হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
81

সৃষ্টির শুরু থেকেই মানুষ প্রকৃতি ও পরিবেশকে কাজে লাগিয়ে নিজের প্রয়োজন মিটিয়েছে। এক টুকরো পাথর বা একটি গাছের ডাল হয়ে উঠেছিল হিংস্র পশুর হাত থেকে নিজেকে বাঁচানোর হাতিয়ার। প্রকৃতিকে এমনিভাবে কাজে লাগানোর ক্ষমতা মানুষকে দিয়েছে সংস্কৃতি যা অদ্যাবধি চলমান রয়েছে। মানুষ বুঝতে পারল সমাজবদ্ধ হয়ে একত্রে থাকলে টিকে থাকার এই লড়াই আরও সুদৃঢ় হবে। তাই সমাজকে সংগঠিত করার উদ্দেশ্যে তৈরি হয় নানা নিয়ম-কানুন, যা ধীরে ধীরে অর্থনীতি, রাজনীতি, ধর্ম, শিক্ষা ইত্যাদিতে রূপ নিল। সমাজের মানুষের আনন্দ, বিনোদন ও কল্যাণের জন্য তৈরি হলো নাচ, গান, সাহিত্য আরও কত কী! ফলে রচিত হলো সংস্কৃতির বস্তুগত ও অবস্তুগত রূপ।

এ অধ্যায় শেষে আমরা -

  • সংস্কৃতির ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • বাংলাদেশের সংস্কৃতির উপাদান ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • বাংলাদেশের সংস্কৃতির বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • বাংলাদেশের সংস্কৃতির ধরন ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • ব্যক্তি ও গোষ্ঠী জীবনে বাংলাদেশের নিজস্ব সংস্কৃতিকে ধারণ ও লালন করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

মানুষ তার অস্তিত্ব রক্ষার জন্য, সমাজজীবনে কোনো উদ্দেশ্য সাধনের লক্ষ্যে যা কিছু চিন্তা ও কর্ম করে তাই সংস্কৃতি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
171
উত্তরঃ

সংস্কৃতির উপাদানসমূহকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- (১) বস্তুগত বা দৃশ্যমান উপাদান (বিভিন্ন ধরনের ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র, পোশাক, যানবাহন, বইপত্র ইত্যাদি)। (২) অবস্তুগত বা অদৃশ্যমান উপাদান (সামগ্রিক জ্ঞান, মনোভাব ও দৃষ্টিভঙ্গি, ধর্মীয় বিশ্বাস ও নীতিবোধ, ভাষা, বর্ণমালা, সাহিত্য, সংগীত ইত্যাদি)।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
436
উত্তরঃ

জুলেখার মাধ্যমে বাংলাদেশের গ্রামীণ সংস্কৃতি ফুটে উঠেছে। বাংলাদেশের গ্রামীণ সংস্কৃতি বেশ সমৃদ্ধ। বাংলাদেশের সংস্কৃতির প্রধান খাদ্য ভাত-মাছ এখনও গ্রামের মানুষের খাদ্যাভ্যাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ। জারি, সারি, বাউল, ভাওয়াইয়া, ভাটিয়ালি, মুর্শিদি, বারমাস্যা, গম্ভীরা ইত্যাদি নানা আঞ্চলিক গানে ফুটে ওঠে গ্রামের মানুষের হাসি-কান্না। গ্রামের মেলায় ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পালাগান, যাত্রাগান, কবিগান, কীর্তনগান, মুর্শিদি গান ইত্যাদির আয়োজন আধুনিককালেও গ্রামের অনন্যতা বজায় রেখেছে। উদ্দীপকের জুলেখা সকালের নাস্তায় পান্তাভাত ও মাছ খায় এবং ভাটিয়ালি গান শোনে, যা গ্রামীণ সংস্কৃতি প্রকাশ পায়। উপরিউক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, জুলেখার মাধ্যমে বাংলাদেশের গ্রামীণ সংস্কৃতিই ফুটে উঠেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
460
উত্তরঃ

উদ্দীপকের হাজেরার সংস্কৃতিতে বিশ্বায়নের প্রভাব লক্ষ করা যায়।
শহরের পরিবেশ, খাদ্যাভ্যাস ও যান্ত্রিকতার জীবন বিশ্বায়ন ব্যবস্থার সাথে সংগতিপূর্ণ। শহরে গড়ে উঠেছে যন্ত্রনির্ভর সংস্কৃতি, যা মানুষের জীবনযাত্রাকে সহজ ও গতিময় করেছে। উন্নত যোগাযোগ ও পরিবহন ব্যবস্থা মানুষের সময়ের সাশ্রয় করেছে। মানুষের দৈনন্দিন জীবনের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে সমস্ত প্রকার উৎপাদন প্রক্রিয়া শহর থেকেই পরিচালিত হয়। সুউচ্চ দালানকোঠা, কলের গাড়ি ইত্যাদি বিশ্বায়নের পথ পরিভ্রমণ করছে। আজকাল আফিস-আদালতের সব কর্মকান্ড কম্পিউটারভিত্তিক পরিচালিত হচ্ছে। উৎপাদন ব্যবস্থা থেকে শুরু করে সব ব্যবসায়িক, শিক্ষা কিংবা সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড কম্পিউটার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত, যা বিশ্বায়নের নামান্তর। ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে এখন বহির্বিশ্বের সাথে খুব সহজেই যোগাযোগ স্থাপন করা যাচ্ছে। যেকোনো প্রকার সংবাদ, ব্যবসায়িক আলাপ-আলোচনা এখন কম্পিউটারাইজড পদ্ধতিতে পরিচালিত ও সম্পাদিত হচ্ছে।

উদ্দীপকে হাজেরাও তার পড়াশোনা শেষে ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে বহির্বিশ্বের সাথে নিজেকে পরিচিত করছে, যা বিশ্বায়ন ধারণার সাথে সংগতিপূর্ণ। উপরিউক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, হাজেরার খাদ্যাভ্যাস সংস্কৃতিতে বিশ্বায়নের প্রভাব লক্ষ করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
388
উত্তরঃ

বাংলাদেশের গ্রামীণ ভৌগোলিক পরিবেশ, পুকুর, খালবিল, নদীনালা, বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ, পাহাড়-পর্বত গ্রামীণ সংস্কৃতিকে করেছে সমৃদ্ধ। এদেশের উর্বর মাটিতে কৃষক ফসল ফলায়, নদীনালা, খালবিল কৃষি উৎপাদনে সহায়তা করে। কৃষি, মৎস্য চাষ, নৌকা চালানো ইত্যাদি পেশা গ্রামের সংস্কৃতি নির্মাণে ভূমিকা রাখে। ভাত ও মাছ গ্রামের প্রধান খাবার। উৎসব-পার্বণে বিভিন্ন গান, মেলার আয়োজন গ্রামীণ সংস্কৃতির সমৃদ্ধ রূপ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
256
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews